মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৫৯ পি.এম
নেত্রকোণা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার কলমাকান্দা উপজেলা সদরের বাজার এলাকায় সরকারি জায়গা ও পুকুরের ওপর অবৈধভাবে নির্মিত একটি দুইতলা ভবন অপসারণের কাজ শুরু করেছে জেলা পরিষদ।
আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে জেলা পরিষদের নির্দেশে স্থাপনাটির অবৈধ অংশ অপসারণে এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, সরকারি জমিতে নির্মিত এ ভবনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা জেলা প্রশাসনের প্রয়োজনীয় কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। পুকুরের পানিতে পিলারের মাধ্যমে ভবনের নিচের অংশ নির্মাণ করায় এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে এবং বাজারের সৌন্দর্য ব্যাহত করছিল।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. নুরুজ্জামান নুরু বাসসকে বলেন, ‘জেলা পরিষদের জায়গায় স্থাপনা তুলতে হলে অবশ্যই অনুমতির প্রয়োজন। এ ভবনটি কোনো অনুমোদন না নিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে জলাশয়ের ওপর তৈরি করা হয়েছিল। ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আইন অনুযায়ী এটি ভেঙে ফেলা হচ্ছে।’
অভিযানকালে দেখা গেছে, শ্রমিকরা ভবনের ওপরের দুইতলার অংশ ভাঙার কাজ করছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে অবৈধ ওপরের অংশ অপসারণ করা হচ্ছে এবং পর্যায়ক্রমে আইনি প্রক্রিয়া মেনে পুরো স্থাপনার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কলমাকান্দা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামসুজ্জামান আসিফসহ জেলা পরিষদ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা।
সরকারি জলাশয় ও সম্পত্তি রক্ষায় প্রশাসনের এ কঠোর পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ডাক পৌঁছে দেওয়ার পর ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে টঙ্গী-আব্দুল্লাহপুর ফ্লাইওভারের ওপর এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত পুলিশ কনস্টেবল শামীম আহমেদ (কং/৮৮১) জিএমপি হেডকোয়ার্টারের বার্তাবাহক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানার মানিকদী দক্ষিণপাড়া এলাকার আঙ্গুর মিয়ার পুত্র।
জিএমপি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে গাজীপুর পুলিশ কমিশনার কার্যালয় থেকে ডাক নিয়ে ঢাকার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের উদ্দেশ্যে রওনা হন শামীম আহমেদ। ডাক পৌঁছে দেওয়ার পর ফেরার পথে দুপুর ২টার দিকে টঙ্গী পূর্ব থানাধীন টঙ্গী-আব্দুল্লাহপুর ফ্লাইওভারের ওপর সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টঙ্গীর আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুপুর সাড়ে ২টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জিএমপির টঙ্গী পূর্ব থানার পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে।
দায়িত্ব পালনকালে সড়ক দুর্ঘটনায় কনস্টেবল শামীম আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জিএমপি পুলিশ কমিশনার মো. ইসরাইল হাওলাদার এবং অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সিএনজি অটোরিকশা ওয়ার্কশপের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে হাটহাজারী থানা পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে দেশীয় পেনগানসহ ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি এবং অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অস্ত্র সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অস্ত্র তৈরি ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর হাটহাজারী থানা পুলিশ নজরদারি ও তথ্য যাচাই শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩১ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. দিবাগত রাত আনুমানিক ২টায় জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মোঃ তারেক আজিজের নেতৃত্বে এসআই ফখরুল ইসলাম, এসআই আশিকুর রহমান ও এসআই নাজমুল ইসলাম সঙ্গীয় অফিসার-ফোর্সসহ মির্জাপুর ইউনিয়নের মনসুরাবাদ কলোনি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানকালে মোঃ জামাল হোসেন প্রকাশ জামাল মিস্ত্রি (৪৪) ও মোঃ কবির (৪৭)-কে গ্রেফতার করা হয়। তাদের হেফাজত থেকে ১টি অত্যাধুনিক পেনগান, ৪টি দেশীয় পিস্তল, ১৮টি পেনগানের গুলি ও ২টি পিস্তলের বুলেট উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, হাটহাজারীর সরকারহাট বাজারে ওসমানের সিএনজি অটোরিকশা ওয়ার্কশপের আড়ালে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরি করা হতো। পরবর্তীতে এসব অস্ত্র বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হতো।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত সরকারহাট বাজারে অবস্থিত ওই ওয়ার্কশপে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় সেখানে অস্ত্র তৈরির কার্যক্রমের বিভিন্ন আলামত পাওয়া যায় এবং অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ অস্ত্র তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসের সন্ধান পাওয়ার পাশাপাশি অস্ত্র সরবরাহকারী চক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক ওসমানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং অস্ত্রের উৎস নির্মূলে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অভিযান ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন, শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনকালে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন এবং ভিন্নমত দমনের মাধ্যমে দেশে ভয়ের সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই সময় বিরোধী রাজনৈতিক মতাদর্শের নেতা-কর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের নিপীড়ন, গুম ও হত্যার মাধ্যমে মানুষের বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সেক্রেটারি অ্যান্ডা ফিলিপসহ প্রতিনিধি দলের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এবং চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন।
স্পিকার আরও বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বাংলাদেশের মানুষ আর কখনো এ ধরনের গুম ও নিপীড়নের সংস্কৃতির শিকার হয়নি। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও ভিন্নমতাবলম্বীদের কণ্ঠরোধ করতে ক্ষমতা ধরে রাখা হয়েছে।
গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, আয়নাঘরের মতো গোপন বন্দিশালা এবং ডিজিটাল ও সাইবার নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগের মাধ্যমে দেশে ভয়াবহ রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্যরা তাদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অভিজ্ঞতার আলোকে গুম ও নির্যাতনের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেন।
‘নিপীড়ন থেকে বিপ্লব : রাষ্ট্রের পদ্ধতিগত মানবাধিকার লঙ্ঘন উন্মোচন’ শীর্ষক ডকুমেন্টেশনের মাধ্যমে বিগত শাসনামলে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ নাগরিকদের ওপর সংঘটিত গুম ও দমন-পীড়নের বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরা হয়। সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তার ভাই সাজেদুল ইসলাম সুমনের দীর্ঘদিন গুম থাকার মর্মস্পর্শী বিবরণ তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান তার আয়নাঘরে বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। অন্যদিকে সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার গোপন বন্দিশালায় প্রায় সাত মাস আটকে থাকার সময়ের অমানবিক নির্যাতনের বর্ণনা দেন।
সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা বলেন, ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল তার স্বামী বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হওয়ার পর বাংলাদেশের মানুষের কাছে ‘গুম’ শব্দটি ব্যাপকভাবে পরিচিতি পায়। তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইলিয়াস আলীকে গুম করেছিল। বিচারবহির্ভূত এসব গুম ও হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আইপিইউ মহাসচিব মিজ অ্যান্ডা ফিলিপ বলেন, বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, গুম এবং বিরোধী মতাদর্শের অনুসারীদের ওপর নিপীড়ন অমানবিক ও জঘন্য। তিনি বাংলাদেশের তৎকালীন সরকারপ্রধানের শাসনামলের সঙ্গে তার নিজ দেশ রোমানিয়ার সাবেক শাসক নিকোলায়ে চউশেস্কুর নির্মম দমননীতির মিল খুঁজে পান।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ সফর শেষে তিনি এ দেশের স্বৈরাচারী শাসনামলে সংঘটিত গুম, হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়নের বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আইপিইউর গভর্নিং বডির কাছে উপস্থাপন করবেন।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, জহরত আদিব চৌধুরী, তাহসিনা রুশদীর, হুমাম কাদের চৌধুরী, মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, আনিসুর রহমান, সানজিদা ইসলাম, মাধবী মারমাসহ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তারেক রহমান শান্তির দূত হিসেবে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার রাজনীতি চালু করেছেন, যা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও ভয়ের রাজনীতির বিপরীতে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাসস্টেশন সংলগ্ন পেন্নাই ঈদগাহে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
খন্দকার মোশাররফ উল্লেখ করেন, ‘১৯৭৮ সালের এই দিনে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বার্থে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল সময়োপযোগী এবং ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।
তৎকালীন সরকার অভিশপ্ত একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে ফেলেছিল। শহীদ জিয়া রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে প্রথমেই রাজনৈতিক দলের নিষেধাজ্ঞা তুলে দেন, দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।
বিএনপির এই বর্ষীয়ান নেতা বলেন, ‘জাতীয় সমৃদ্ধির জন্য নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা অপরিহার্য। সর্বাত্মক গণ-অভ্যুত্থানের পর সব দেশেই অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
আমাদেরও সে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে জনগণ সুফল পেতে শুরু করেছে।’
খন্দকার মোশাররফ আরও বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার দুঃশাসন, জুলুম-নিপীড়ন চালিয়ে গণতন্ত্র, অর্থনীতিসহ রাষ্ট্রের সব ক্ষেত্র ধ্বংস করে পালিয়ে গেছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর গতিশীল নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, সবাইকে নিয়ে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করতে সক্ষম হবেন তিনি।সভায় কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাশেম সভাপতিত্ব করেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভুঁইয়া এমপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ