ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এআইয়ের সবচেয়ে বড় সংকট এখন চিপ নয়, বিদ্যুৎ


এআইয়ের সবচেয়ে বড় সংকট এখন চিপ নয়, বিদ্যুৎ

 

মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর রন ডিসান্টিস খরার সময় এআই ডেটা সেন্টারগুলোকে নাগরিকদের প্রয়োজনীয় পানি ব্যবহার থেকে নিষিদ্ধ করেন। একই সঙ্গে তিনি এমন নিয়ম চালু করেন, যাতে ডেটা সেন্টারের কারণে সেবা সংস্থাগুলো অতিরিক্ত দাম নিতে না পারে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, যখন মানুষের মৌলিক প্রয়োজন মেটাতে পানির দরকার, তখন সেটি কিভাবে ডেটা সেন্টারে ব্যবহার হতে পারে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

এদিকে গত সপ্তাহে ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের একটি কাউন্টিতে প্রস্তাবিত একটি ডেটা সেন্টার প্রকল্পের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ হয়। প্রায় ৬০০ জন মানুষ সভায় অংশ নিয়ে প্রকল্পটি বাতিলের দাবি জানান। বাইরে আরো প্রায় ৩০০ জন ‘মানুষ আগে, মুনাফা নয়’ এবং ‘আমরা পানি চাই’ স্লোগান দেন।

এখন সব জায়গায় একই ধরনের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।

ডেটা সেন্টারকে অনেকেই বিদ্যুৎ ও পানির অতিরিক্ত ব্যবহারকারী অবকাঠামো হিসেবে দেখছেন। তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টার নির্মাণের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে খুব কম আপত্তি দেখা গেলেও ২০২৫ সালে এই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৫০টি হয়েছে। ২০২৬ সালের শুরুতেই সেই সংখ্যা আরো বেড়ে গেছে।

এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ১০ জনের মধ্যে ৭ জন আমেরিকান তাদের আশপাশে ডেটা সেন্টার নির্মাণ দেখতে চান না। এই পরিস্থিতিতে একটি ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্যও উঠে এসেছে, মহাকাশে কোনো সিটি কাউন্সিল, জোনিং বোর্ড বা পানি কর্তৃপক্ষ নেই এবং সেখানে প্রতিবেশীদের অভিযোগও নেই।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

এদিকে মহাকাশ ভিত্তিক এআই ডেটা সেন্টার আসছে। এখানে এমন ৭টি স্টক রয়েছে যা থেকে প্রচুর লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন ঢেউ ডেটা সেন্টারগুলোকে বিদ্যুৎ গ্রিড এবং পানি সরবরাহ ব্যবস্থার সীমার কাছাকাছি নিয়ে যাচ্ছে।

ফলে কম্পানিগুলো এখন কেবল দ্রুত কম্পিউটিং নিয়েই নয়, বরং পর্যাপ্ত শক্তি সরবরাহ নিশ্চিত করা নিয়েও বেশি চিন্তিত হচ্ছে।

বৃহৎ আকারের এআই সিস্টেম চালানো ও প্রশিক্ষণ দিতে প্রচুর এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন ক্ষমতার চেয়ে এই চাহিদা অনেক দ্রুত বাড়ছে। এই কারণেই এখন কিছু বিশেষজ্ঞ ও পর্যবেক্ষক মহাকাশে এআই কম্পিউটিং সিস্টেম বা ডেটা সেন্টার স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছেন।

কক্ষপথে সূর্যের আলো প্রায় অবিরাম পাওয়া যায় এবং সেখানে শক্তির সরবরাহ অনেক বেশি স্থিতিশীল। পাশাপাশি পৃথিবীর মতো জমির সীমাবদ্ধতা, শীতলীকরণের জটিলতা এবং বিদ্যুৎ গ্রিডের চাপের মতো সমস্যাও সেখানে নেই। এই ধারণা অনুযায়ী, মহাকাশের ডেটা সেন্টারগুলো পৃথিবীর স্থলভাগের কেন্দ্রগুলোর বিকল্প হবে না। বরং ভবিষ্যতে যখন প্রযুক্তি ও অর্থনীতি আরো উন্নত হবে, তখন এটি বিশেষভাবে বেশি শক্তি-নির্ভর কম্পিউটিং কাজের জন্য একটি সম্ভাব্য বিকল্প কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তবে এই পরিকল্পনার সামনে এখনো বড় কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যেমন উৎক্ষেপণের উচ্চ খরচ, রক্ষণাবেক্ষণের জটিলতা এবং মহাকাশে যন্ত্রপাতির স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা। তবুও এর মূল যুক্তি হলো, যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্রমশ বিদ্যুৎনির্ভর হয়ে ওঠে, তাহলে ভবিষ্যতে এর জন্য এমন স্থান খোঁজা হতে পারে যেখানে শক্তির সরবরাহ সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দৌড়ে এখন নতুন বড় বাধা হয়ে উঠছে সেমিকন্ডাক্টর নয়, বরং বিদ্যুৎ সরবরাহ। এআই মডেলগুলো যত বড় ও জটিল হচ্ছে, ততই সেগুলো চালাতে ও প্রশিক্ষণ দিতে বিপুল পরিমাণ নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের প্রয়োজন হচ্ছে। ফলে বড় বড় ডেটা সেন্টার চালানো প্রযুক্তি কম্পানিগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই চাপের কারণে বিদ্যুৎ গ্রিড অনেক ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতার সীমার কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে। এতে কম্পানিগুলোকে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে, ভবিষ্যতের এআই অবকাঠামো কোথায় গড়ে তোলা হবে। এই পরিস্থিতিতে ‘মহাকাশে এআই ডেটা সেন্টার’ ধারণাটি আবার আলোচনায় এসেছে। ধারণাটি হলো, কক্ষপথে সূর্য থেকে প্রায় নিরবচ্ছিন্ন শক্তি পাওয়া যায়, যা পৃথিবীর মতো বিদ্যুৎ সংকট, জমির অভাব বা স্থানীয় বিরোধিতার সমস্যাগুলো কমিয়ে দিতে পারে।

এই মডেলে ডেটা সেন্টারগুলো মহাকাশেই এআই-এর কাজ সম্পন্ন করবে এবং শুধু ফলাফল পৃথিবীতে পাঠাবে। টেসলা প্রধান ইলন মাস্কও বলেছেন, ভবিষ্যতে এআই বিকাশে চিপের চেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হতে পারে বিদ্যুৎ। তার মতে, নিরবচ্ছিন্ন সৌরশক্তি এবং প্রচলিত শীতলীকরণ ব্যবস্থার প্রয়োজন না থাকায় কক্ষপথভিত্তিক কম্পিউটিং দীর্ঘমেয়াদে পৃথিবীর স্থলভিত্তিক ডেটা সেন্টারের চেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন, আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে এআই কম্পিউটিংয়ের সবচেয়ে কম খরচের উপায় হবে সৌরশক্তি চালিত এআই স্যাটেলাইট। তিনি আরো বলেন, বর্তমান বিদ্যুৎ অবকাঠামো ব্যবহার করে শত শত গিগাওয়াট থেকে ভবিষ্যতে এক টেরাওয়াট পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন শক্তি দরকার এমন এআই সিস্টেম তৈরি করা বাস্তবে অত্যন্ত কঠিন বা প্রায় অসম্ভব হবে।

এই মন্তব্যগুলো এআই শিল্পে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে শুধু উন্নত চিপই নয়, বরং নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহও এখন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

জেনসেন হুয়াং মনে করেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শিল্পের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে। তবে এআই কম্পিউটিংকে মহাকাশে নিয়ে যাওয়ার ধারণা সম্পর্কে তিনি তুলনামূলকভাবে বেশি সতর্ক। হুয়াং মহাকাশভিত্তিক এআই কম্পিউটিংকে একটি “স্বপ্ন” হিসেবে উল্লেখ করলেও বলেন, বর্তমান প্রযুক্তি এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, আধুনিক এআই সার্ভার র্যাকগুলোতে কম্পিউটিং যন্ত্রাংশের পাশাপাশি শীতলীকরণ (কুলিং) ব্যবস্থারও বড় ভূমিকা রয়েছে। কারণ এআই অবকাঠামোর আকার যত বড় হয়, তাপ নিয়ন্ত্রণ বা থার্মাল ম্যানেজমেন্ট তত বেশি জটিল হয়ে ওঠে। তার মতে, এই প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান না হওয়া পর্যন্ত মহাকাশে বড় আকারের এআই ডেটা সেন্টার স্থাপন করা সহজ হবে না।

আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?

এদিকে আইবিএম-এর সিইও অরবিন্দ কৃষ্ণ যুক্তি দিয়েছেন, এআই পরিকাঠামো খাতে ব্যয়ের বর্তমান গতিপথ অর্থনৈতিকভাবে টেকসই নাও হতে পারে। প্রমাণিত এআই রাজস্বের চেয়ে এআই পরিকাঠামোতে ব্যয় দ্রুতগতিতে বাড়ছে। তার উদ্বেগ, বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০০ গিগাওয়াট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, অবকাঠামোগত খরচ শেষ পর্যন্ত ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে এবং বিনিয়োগকারীরা ধরে নিচ্ছেন যে ভবিষ্যতের মুনাফা এই বিনিয়োগগুলোকে সার্থক প্রমাণ করবে। ব্যবসায়িক দিকটি এখনও অনিশ্চিত।

এর মানে এই নয় যে, এআই-এর চাহিদা ভুয়া, বরং এর অর্থ হলো পরিকাঠামো নির্মাণের তুলনায় অর্থায়ন পিছিয়ে থাকতে পারে। এই সেই ক্ষেত্র যেখানে আশাবাদী এবং সংশয়বাদী উভয়ই মূলত একমত। এই শিল্পের সীমাবদ্ধতা ক্রমশ চিপস (২০২৩ সালে) থেকে বিদ্যুতের (২০২৬ সালে) দিকে সরে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরে ডেটা-সেন্টারের প্রসারের ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহই প্রধান সীমাবদ্ধতা হয়ে উঠতে পারে। গ্রিড আপগ্রেড, সঞ্চালন লাইন, সাবস্টেশন এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া কৌশলগত সম্পদে পরিণত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদায় ১৪৪৭ হিজরি: আমলের হিসাব-নিকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ পি.এম


বিদায় ১৪৪৭ হিজরি: আমলের হিসাব-নিকাশ

চলে গেল ১৪৪৭ হিজরি। হিজরি বর্ষ হিসাবে আমাদের জীবন থেকে আরেকটি বছর বিদায় নিচ্ছে। মানুষের জীবনে একটি বছরের প্রস্থান ছোটখাটো ঘটনা নয়। প্রতিটি বিদায়ী বছর আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে জীবনের পুঁজি ক্রমেই ক্ষয় হচ্ছে এবং চূড়ান্ত গন্তব্যের দিকে আমরা যাবতীয়ভাবে এগিয়ে চলেছি। নতুন বছরে পদার্পণের এই মুহূর্তে আমাদের প্রয়োজন আত্মসমালোচনা, আত্মপর্যালোচনা এবং বিগত সময়ের হিসাব-নিকাশ।

মুহাসাবা মুমিন জীবনের অপরিহার্য অনুশীলন।

হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব রা. বলেছিলেন, "حَاسِبُوا أَنْفُسَكُمْ قَبْلَ أَنْ تُحَاسَبُوا" - তোমরা নিজেদের হিসাব করো, তোমাদের হিসাব গ্রহণের পূর্বেই। মুমিন জীবনে মুহাসাবা বা আত্মসমালোচনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। যখন মানুষ নিজের কর্ম, আচরণ ও দায়িত্বসমূহের পর্যালোচনা করে, তখন সে নিজের ত্রুটি-বিচ্যুতি চিহ্নিত করতে পারে এবং সংশোধনের উপায় খুঁজে পায়।

আমাদের প্রথম হিসাব হওয়া উচিত ঈমান ও আমলের ব্যাপারে। কি আমরা ঈমান সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান অর্জন করেছি? ঈমানবিরোধী চিন্তা ও কর্ম থেকে কতটুকু দূরে থাকতে পেরেছি? ফরজ নামাজ, রোজা, জাকাত ও হজের মতো মৌলিক ইবাদতসমূহ কি যথাযথভাবে আদায় করা সম্ভব হয়েছে? একইভাবে ওয়াজিব ও সুন্নাতে মুয়াক্কাদা আমলসমূহের পাশাপাশি কুরআন তিলাওয়াত, দুআ, জিকির, তাসবিহ ও ইস্তিগফারের ব্যাপারে নিজের অবস্থা যাচাই করা প্রয়োজন।

আল্লাহ তাআলা বলেন, "يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَلْتَنْظُرْ نَفْسٌ مَا قَدَّمَتْ لِغَدٍ" - হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং প্রত্যেক ব্যক্তি যেন লক্ষ্য করে, সে আগামী দিনের জন্য কী প্রেরণ করেছে। (সুরা হাশর: ১৮)

মুহাসাবার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো পারিবারিক দায়িত্ব। মা-বাবার সেবা, স্ত্রী-সন্তানের প্রতি সদাচার, আত্মীয়-স্বজনের হক আদায়, তাদের দ্বীনি ও দুনিয়াবি প্রয়োজন পূরণের চেষ্টা সম্পর্কে আমাদের অবস্থান কি? পরিবারকে দ্বীনের পথে পরিচালিত করতে আমরা কতটুকু চেষ্টা করেছি?

আল্লাহ তাআলা বলেন, "يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا قُوا أَنْفُسَكُمْ وَأَهْلِيكُمْ نَارًا" - হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করো। (সুরা তাহরিম: ৬)

চাকরি, ব্যবসা কিংবা যেকোনো পেশাগত দায়িত্বও মুহাসাবার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত। আমরা কি চুক্তিকৃত সময় যথাযথভাবে দিয়েছি? অর্পিত দায়িত্ব আমানতদারিত্বের সঙ্গে পালন করেছি? ব্যবসা-বাণিজ্যে হালাল পন্থা অবলম্বন করতে পেরেছি? অপচয় ও অপ্রয়োজনীয় ব্যয় থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পেরেছি?

রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "لَا إِيمَانَ لِمَنْ لَا أَمَانَةَ لَهُ" - যার আমানতদারি নেই, তার পূর্ণ ঈমান নেই। (মুসনাদু আহমদ: ১২৫৬৭)

আমাদের দায়িত্ব কেবল নিজের পরিবার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়। চারপাশের মুসলিম সমাজ, নির্যাতিত মানুষ এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর প্রতিও আমাদের দায় রয়েছে। আমরা কতটুকু তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি? কতটুকু সহমর্মিতা প্রকাশ করেছি? কতটুকু দুআ করেছি? কতটুকু সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেছি? এসব প্রশ্নের উত্তরও আমাদের খুঁজে দেখতে হবে।

রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "مَثَلُ الْمُؤْمِنِينَ فِي تَوَادِّهِمْ وَتَرَاحُمِهِمْ وَتَعَاطُفِهِمْ كَمَثَلِ الْجَسَدِ الْوَاحِدِ" - মুমিনরা পারস্পরিক ভালোবাসা, দয়া ও সহমর্মিতায় একটি দেহের ন্যায়। (সহিহ বুখারি: ৬০১১)

উন্নতি কি হয়েছে? মুমিনের জীবন স্থবির হতে পারে না। প্রতিনিয়ত তার উন্নতির পথে এগিয়ে চলার কথা। প্রচলিত একটি বাণী রয়েছে, "مَنْ اسْتَوَى يَوْمَاهُ فَهُوَ مَغْبُونٌ" - যার আজ ও গতকাল সমান, সে ক্ষতিগ্রস্ত। সুতরাং ঈমান, আমল, ইলম, আখলাক ও চরিত্র সব ক্ষেত্রেই আমাদের উন্নতির ধারা অব্যাহত থাকা উচিত।

আল্লাহ সম্পর্কে জ্ঞান, তার সিফাত ও গুণাবলীর পরিচয়, তার প্রতি ভয় ও ভালোবাসা, শরিয়তের বিধান সম্পর্কে সচেতনতা এসব বিষয়ে ক্রমাগত অগ্রগতি একজন মুমিনের বৈশিষ্ট্য।

ইসলামি আখলাক কেবল কিছু ভদ্র আচরণের নাম নয়; বরং এটি মানুষের অন্তর, চিন্তা, স্বাভাবিকতা ও কর্মের সামগ্রিক পরিশুদ্ধির শিক্ষা। সুন্দর চরিত্র শিক্ষা, অনুশীলন এবং আত্মসংযমের মাধ্যমে অর্জিত হয়। তাই আমাদের নিজের চরিত্র ও আচরণের উন্নতি কতটুকু হয়েছে, সেটাও মুহাসাবার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "إِنَّمَا بُعِثْتُ لِأُتَمِّمَ مَكَارِمَ الْأَخْلَاقِ" - আমি তো প্রেরিত হয়েছি উত্তম চরিত্রকে পরিপূর্ণ করার জন্য। (মুসনাদ আহমদ: ৭৯৫২)

মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হলো তার জীবন এবং সময়। এই পুঁজিই আমরা প্রতিনিয়ত ব্যয় করে চলেছি। একজন সচেতন ব্যবসায়ী যেমন নিয়মিত তার লাভ-ক্ষতির হিসাব মিলিয়ে দেখে, তেমনি একজন মুমিনের উচিত তার সময় ও কর্মের হিসাব নেওয়া। আর এই জীবনও আমাদের নিজস্ব সম্পদ নয়; এটি আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে প্রদত্ত একটি আমানত।

রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "كُلُّ النَّاسِ يَغْدُو فَبَائِعٌ نَفْسَهُ فَمُعْتِقُهَا أَوْ مُوبِقُهَا" - প্রত্যেক মানুষ সকালে বের হয়; অতঃপর সে নিজেকে বিক্রি করে, কেউ তাকে মুক্ত করে, আর কেউ তাকে ধ্বংস করে। (সহিহ মুসলিম: ২২৩) প্রতিটি দিন, প্রতিটি সপ্তাহ, প্রতিটি মাস এবং প্রতিটি বছর মানুষকে একই বার্তা দেয় যে, সে কি মুক্তির দিকে এগোচ্ছে, নাকি ধ্বংসের দিকে?

নতুন মাসের চাঁদ দেখে রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুআ পাঠ করতেন, "اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيمَانِ، وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ، رَبِّي وَرَبُّكَ اللَّهُ" - হে আল্লাহ! এ চাঁদকে আমাদের ওপর উদিত করুন নিরাপত্তা ও ঈমানসহ, শান্তি ও ইসলামসহ। (হে চাঁদ!) আমার ও তোমার উভয়ের রব আল্লাহ। (মুসতাদরাকে হাকেম: ৭৭৬৭; সহিহ ইবনু হিব্বান: ৮৮৮)

এই দুআ আমাদের শিক্ষা দেয়, নতুন মাস ও নতুন বছর কেবল ক্যালেন্ডারের পরিবর্তন নয়; বরং ঈমান, ইসলাম, নিরাপত্তা ও কল্যাণের নতুন প্রত্যাশা।

ব্যক্তি ও সমাজের অশান্তি, অন্যায়-অবিচার, দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলার প্রধান কারণ মানুষের ভুল বিশ্বাস, দুর্বল চরিত্র এবং অসৎ কর্ম। তাই ব্যক্তি ও সমাজের প্রকৃত সংস্কারের জন্য প্রয়োজন আত্মশুদ্ধি, চরিত্র গঠন এবং আল্লাহর বিধানের অনুসরণ। ১৪৪৮ হিজরির সূচনালগ্নে আসুন আমরা নিজেদের দিকে ফিরে তাকাই। বিগত সময়ের হিসাব গ্রহণ করি, ভুল-ত্রুটির জন্য তাওবা করি এবং অবশিষ্ট জীবনকে ক্ষতি পূরণ ও উন্নতির সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের নতুন বছরকে ঈমান, ইসলাম, শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণে পরিপূর্ণ করে দিন। আমাদের জীবনকে করুন তাঁর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত অ্যান্তনিও আলেসান্দ্রো বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

সোমবার দুপুর ১টায় তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলামের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার ক্ষেত্রে গুরুত্বারোপ করা হয়। রাষ্ট্রদূত ইতালির অর্থনীতিতে প্রায় ২.৫ লাখ বাংলাদেশি কর্মীর অবদানের জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন।

এ সময়মন্ত্রী দেশের প্রবাসীদের সুবিধার্থে ঢাকা-রোম রুটে বিমানের ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাষ্ট্রদূত ফ্লাইট ফ্রিকুয়েন্সি বৃদ্ধির ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন।

রাষ্ট্রদূত ইতালীয় দ্য ইডজ কোম্পানির বাংলাদেশের বিমানবন্দরের জন্য বার্ড কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরির আগ্রহ প্রকাশ করেন। এছাড়া, বাংলাদেশি টেকনিশিয়ানদের উন্নত প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে ফ্লাইওন অ্যারো কোম্পানির প্রশিক্ষণ অ্যাকাডেমি তৈরি করতে আগ্রহের কথা বিস্তারিত জানান।

মন্ত্রী দেশের বিমান খাতের উন্নয়নে ইতালির সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার ওপর আগ্রহ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি বিমানবন্দর সম্প্রসারণে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে বিদেশি বিনিয়োগের বিষয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়।

এর আগে, মন্ত্রী সিঙ্গাপুরের কোম্পানি এসএটিএসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতে প্রতিনিধিরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী যথাযথ প্রক্রিয়ায় প্রস্তাব আহ্বান করেন এবং বিবেচনার আশ্বাস দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘২০২৮ সালের মধ্যে সব প্রাথমিকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করা হবে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


‘২০২৮ সালের মধ্যে সব প্রাথমিকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করা হবে’

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের মধ্যে সারা দেশে সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়ন অর্জন করতে শুধুমাত্র অবকাঠামো নির্মাণই যথেষ্ট নয়, দক্ষ শিক্ষক, যুগোপযোগী কারিকুলাম এবং শিশুদের জন্য আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশও প্রয়োজন। তিনি স্পষ্ট করেছেন, শিক্ষা ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে শিশুদের থাকতে হবে। এমন শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে যাতে শেখা তাদের কাছে বোঝা না হয়ে আনন্দের বিষয় হয়ে ওঠে। সোমবার, রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরায় ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ এর মাল্টিপারপাস হলে আইইউবি এবং বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্কের যৌথ আয়োজনে আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট নীতিমালা শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে কারিকুলাম পুনর্বিন্যাসের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। এই সময়ে তিনি এনসিটিবিকে অযাচিত প্রভাবমুক্ত রেখে পেশাগতভাবে স্বাধীনভাবে কাজের সুযোগ দিতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, শিক্ষকের জীবনমান উন্নয়ন ছাড়া শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব নয়। একজন শিক্ষক যদি আর্থিক, সামাজিক ও পেশাগতভাবে সম্মানজনক জীবনযাপন করতে না পারেন, তবে শিক্ষাব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন কখনোই অর্জন করা যাবে না। তিনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে ওয়ান-শিফট স্কুলে রূপান্তরের বিষয়ে বলেন, দুই শিফটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ পাচ্ছে না। তাই পর্যায়ক্রমে দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ওয়ান-শিফট স্কুলে রূপান্তর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষক প্রশিক্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করে ববি হাজ্জাজ বলেন, ২০২৮ সালের পরে দেশের কোনো প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষে অপ্রশিক্ষিত শিক্ষক পাঠদান করবেন না। সরকারি, বেসরকারি, কিন্ডারগার্টেন কিংবা ইংরেজি মাধ্যম সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এই নীতি প্রযোজ্য হবে। আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ম.তামিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ, আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীতে ভুয়া র‍্যাব গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


নোয়াখালীতে ভুয়া র‍্যাব গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে র‍্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে বেলাল হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (২২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী চৌরাস্তা মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ-র‍্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।

বেলাল হোসেন লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার পানপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, বেলাল দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে র‍্যাবের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি চাকরি দেওয়ার কথা বলে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা এবং এক নারীর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, ভুক্তভোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালীর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%