বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০২:১৮ পি.এম
কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সৃজনশীল অর্থনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার। সরকার জিডিপিতে এই খাতের অবদান দেড় শতাংশ নিশ্চিত করতে চায়। এজন্য প্রস্তাবিত বাজেটে চলচ্চিত্র, সংগীত, নাটকসহ বিভিন্ন খাতে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টরা এই ধরনের উদ্যোগ কেবল কাগজ-কলমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সঠিক বাস্তবায়ন চান। অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারলে বাংলাদেশি পণ্য-সেবার আন্তর্জাতিক বাজারে কদর বাড়বে।
বছরের পর বছর ধরে কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতে বৈচিত্র্যময়তা আনার তাগিদ দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তা আলোচনায়ই সীমাবদ্ধ ছিল। অবশেষে সেই সুযোগ বড়ানোর জন্য এবার সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে জোর দিচ্ছে সরকার।
কৃষি, শিল্প, প্রবাসী আয় নির্ভর অর্থনীতির পাশে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের উত্থাপিত বাজেটে ক্রিয়েটিভ ইকনোমির জন্য ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকা যুক্ত হবে।
সৃজনশীল অর্থনীতিতে রয়েছে এমন পণ্য ও সেবা, যেখানে মূল সম্পদ হিসেবে সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিকে ধরা হয়। সেই মেধাভিত্তিক চর্চাকে গুরুত্ব দিয়ে চলচ্চিত্র, সংগীত, নৃত্য, নাটক, প্রকাশনা, বিজ্ঞাপন, স্থাপত্য, শিল্পকলা, কারুশিল্প, নকশা, সফটওয়্যার ও ভিডিও গেমসের মতো এ খাত থেকে জিডিপিতে অবদান ১ দশমিক ৫ শতাংশের উন্নীত করার পরিকল্পনা সরকারের।
এ খাতের বিকাশে পূর্বাচলে ১০০ একর জমির ওপর একটি কেন্দ্রীয় ক্রিয়েটিভ হাব ও জেলা-উপজেলায় গড়ে তোলা হবে আঞ্চলিক ক্রিয়েটিভ হাব। প্রশিক্ষণ ও হস্তশিল্পভিত্তিক সৃজনশীল কেন্দ্র বিসিকের মাধ্যমে স্থাপন করা হবে। 'একটি গ্রাম, একটি পণ্য' উদ্যোগের আওতায় মৃৎশিল্প, শীতলপাটি, টেরাকোটাসহ ঐতিহ্যবাহী পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে কাজ করবে সরকার।
পৌরাণিকের উদ্যোক্তা লুবনা জাহান বলেন, "কতটুকু উপকৃত হবো এখনই বলা সম্ভব না। এই টাকাটা বরাদ্দ করাই শেষ না। বরাদ্দ করার পর কোথায় কোথায় খরচ করা হবে। কাকে কাকে কীভাবে কাজটা দেওয়া যায়। সঠিকভাবে পৌঁছালেই বুঝবো আমরা সফল।"
খাত সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, কেবল ঘোষণা বা পরিকল্পনায় সীমাবদ্ধ না থেকে কার্যকর বাস্তবায়ন করা গেলে নতুন বিনিয়োগের পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
পর্যটন খাতের প্রসারে নেয়া হবে সমন্বিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা।
দ্য বেঙ্গল ট্যুরস লিমিটেডের পরিচালক রফিকুল ইসলাম নাসিম বলেন, "অনেক কিছু বরাদ্দ হয়, কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়। কিন্তু অনেক সময় আমরা সেখান থেকে রিটার্ন তুলে আনতে পারি না। সব সময় চ্যালেঞ্জ কাজ করে। সরকার যদি একটি কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন সেক্টর ধরে ধরে যথাযথ মনিটরিং করে, তাহলে আমার মনে হয় খুবই পজিটিভ একটি উদ্যোগ হবে।"
কাঙ্ক্ষিত সুফল পেতে শুধু বরাদ্দে আটকে না থেকে বেসরকারি বিনিয়োগ ও মেধাস্বত্ব সুরক্ষা নিশ্চিত করতে জোর দিচ্ছেন অর্থনীতিবিদরা।
অর্থনীতিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, "পুরো সেক্টরটাকে যতটুকু সম্ভব ফরমালাইজড করা দরকার। আমরা এখন ভর্তুকি দিচ্ছি। কিন্তু ফরমালাইজডের মাধ্যমে যদি করতে পারি এবং পরবর্তীতে সরকার যদি কিছু রাজস্ব আদায় করতে পারে, তাহলে এটা ভালো একটা দিক।"
সিপিডির সম্মনীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, "বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ভালো, তাদেরকে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে ভালো, উৎসাহিত করা হয়েছে ভালো। আমরা আশা করি আগামীতে এই ধরনের পরিবেশ থাকবে যেখানে এসব কর্মকাণ্ডকে উৎসাহ দেয়া হবে এবং সামাজিকভাবে স্বীকৃতি দেয়া হবে।"
তথ্য বলছে, বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল অর্থনীতির বাজার প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ডলার। আর এ খাতে কর্মরত রয়েছে প্রায় ৫ কোটির বেশি মানুষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য ‘বাংলা কিউআর’ (Bangla QR) ব্যবস্থাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কেন্দ্রীয় প্রধান কার্যালয় প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলা কিউআরের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায় যে, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রাঙ্গণে এই প্রথম কোনো মেলা চলছে। বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা এই উৎসবে বাংলা কিউআর শুরু করার জন্য উপস্থিত ছিলেন।
ডেপুটি গভর্নর থেকে শুরু করে সবাই কাগজবিহীন একটি কিউআর ব্যবহার করে কেনাকাটা করছেন। যেকোনো অংকের টাকা লেনদেন করতে পারায় খুচরা পয়সা মেলানোর কোনো ঝামেলা নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায় যে, আগামী ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর ছাড়া কোনো লেনদেন করা যাবে না।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান বলেন, ‘কাগজের টাকার ব্যবহার বা নগদ লেনদেন কমিয়ে ধীরে ধীরে একটি ক্যাশলেস সোসাইটি বা নগদবিহীন সমাজ গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থা চালু হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেন আরও সহজ ও ঝামেলামুক্ত হবে।’
অন্যদিকে বাংলা কিউআরকে দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে ডেপুটি গভর্নর কবির আহম্মেদ বলেন, ‘সব ধরনের লেনদেন ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হলে সরকারের কর আহরণের সক্ষমতা বাড়বে। বিশেষ করে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধিতে এটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।’
তিনি জানান, আগামী বছর দেশে একটি ইন্টারঅপারেবল ইনস্ট্যান্ট পেমেন্ট সিস্টেম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো মোবাইল আর্থিক সেবা থেকে ব্যাংক হিসাবে এবং ব্যাংক হিসাব থেকে মোবাইল ওয়ালেটে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ স্থানান্তর করা যাবে। এতে দেশের পেমেন্ট অবকাঠামো আরও সমন্বিত ও কার্যকর হবে।
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও ডিজিটাল লেনদেন কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন কবির আহম্মেদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে, বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের মতো, ফুটবল উন্মাদনায় মেতেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূর্ণিমা। ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসি তার ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু।
সম্প্রতি, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে, আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সি পরা কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে পূর্ণিমা তার দীর্ঘদিনের ফুটবল-ভালোবাসার কথা জানান।
বর্তমানে, কাজের সূত্রে পূর্ণিমাকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। মাঝের কিছু দিন উপস্থাপনার কাজ করলেও, এখন কোথাও নেই তিনি। এবং সিনেমায় সর্বশেষ তাকে কয়েক বছর আগে ফেরদৌসের বিপরীত দেখা গেছে। তবে, তার অভিনীত একাধিক সিনেমার কাজ স্থগিত রয়েছে। অফুরন্ত সময়ে বিশ্বকাপ নিয়ে মেতে আছেন অভিনেত্রী।
শৈশব থেকেই, আর্জেন্টিনার খেলা দেখে বড় হয়েছেন পূর্ণিমা। কিন্তু, সময়ের সঙ্গে, সেই ভালোবাসা যেন নতুন রঙ পেয়েছে মেসির অসাধারণ নৈপুণ্য ও ব্যক্তিত্বে। পূর্ণিমা বলেন, "ছোটবেলা থেকে আর্জেন্টিনার খেলা দেখি। তবে মেসির কারণে দলটার প্রতি ভালোবাসা আরও বেড়েছে।"
একজন খেলোয়াড়কে ঘিরে জন্ম নেওয়া মুগ্ধতা কীভাবে একটি পুরো দলের প্রতি অকৃত্রিম সমর্থনে রূপ নেয়, তা পূর্ণিমার অনুভূতিতে যেন প্রতিফলিত হয়ে ওঠে। ফুটবল তার কাছে শুধু ৯০ মিনিটের লড়াই নয়; এটি আনন্দ, প্রত্যাশা এবং হৃদয়ের গভীরে লুকিয়ে থাকা এক অনির্বচনীয় টান। পোস্টে প্রকাশিত ছবিগুলোও সেই আবেগের নীরব ভাষ্য।
কোথাও রেস্তোরাঁয় বসে, টেলিভিশনের পর্দায় প্রিয় দলের খেলা দেখছেন তিনি; আবার কোথাও কেক ও ফুল নিয়ে বিজয়ের আনন্দ শেয়ার করছেন নিজের মতো করে। যেন, একান্ত ব্যক্তিগত উদ্যাপনে রঙ ছড়িয়েছে ফুটবল।
আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক জয়ের পর প্রকাশিত এ পোস্ট দ্রুতই সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ, তারকার ঝলমলে পরিচয়ের আড়ালে যে একজন সাধারণ ফুটবলপ্রেমী বাস করেন, পূর্ণিমার এ আবেগঘন প্রকাশ যেন সেটিই আবার মনে করিয়ে দিল। আর সেই গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন মেসি, যার পায়ের জাদু আজও কোটি হৃদয়ের মতো, ছুঁয়ে যায় পূর্ণিমার মনকেও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রান্তিক জনগণের কাছে বই পড়ার সুযোগ পৌঁছে দিতে বর্তমানে ৭৬টি ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি গাড়ির মাধ্যমে ৬৪ জেলার ৩৬৮টি উপজেলায় ও থানায় ৩ হাজার ২০০টি স্পটে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
আজ সংসদে কুড়িগ্রাম-১ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের টেবিলে উপস্থাপিত একটি লিখিত প্রশ্নের উত্তরকালে তিনি এই তথ্য জানালেন।
মন্ত্রী বলেন, ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য, বিশেষ করে নারী ও শিশু-কিশোরদের কাছে বই পঠনের বিকল্প উৎস তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানচর্চা বৃদ্ধি এবং কিশোর-কিশোরীদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, জনগণের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি করা, জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়া, তরুণ প্রজন্মকে অপসংস্কৃতি ও মাদকের প্রভাব থেকে দূরে রাখা এবং একটি সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ‘উপজেলা পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ’ শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রেখেছে।
তিনি আরও জানান, প্রস্তাবিত প্রকল্পে প্রতিটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের একটি ফ্লোর পাবলিক লাইব্রেরি হিসেবে বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে ২৬টি উপজেলা সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য সমীক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন করে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়ন করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে পর্যায়ক্রমে কুড়িগ্রাম-১ আসনের ভুরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী উপজেলাসহ দেশের সব উপজেলায় সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স ও আধুনিক লাইব্রেরি নির্মাণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মুগদা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মুগদা থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধের জন্য ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার, থানার ভেতর বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকার মধ্যে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছে মো. অহিদ বেপারী (৩৮), গোপাল (৩৬), মো. আকতার হোসেন আজিম (৩৯), মো. হাবিব (২১), মো. খোকন ওরফে কয়লা (৩১), মো. সোহেল (২৫), জামাল ফকির (৪০), আনিছ মিয়া (৩৫), মো. জুয়েল (৪০) ও মো. টুটু হাসান (৩২)।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ