প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে একটি আধুনিক, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য ‘বাংলা কিউআর’ (Bangla QR) ব্যবস্থাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কেন্দ্রীয় প্রধান কার্যালয় প্রাঙ্গণে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলা কিউআরের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায় যে, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রাঙ্গণে এই প্রথম কোনো মেলা চলছে। বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা এই উৎসবে বাংলা কিউআর শুরু করার জন্য উপস্থিত ছিলেন।
ডেপুটি গভর্নর থেকে শুরু করে সবাই কাগজবিহীন একটি কিউআর ব্যবহার করে কেনাকাটা করছেন। যেকোনো অংকের টাকা লেনদেন করতে পারায় খুচরা পয়সা মেলানোর কোনো ঝামেলা নেই।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানায় যে, আগামী ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর ছাড়া কোনো লেনদেন করা যাবে না।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান বলেন, ‘কাগজের টাকার ব্যবহার বা নগদ লেনদেন কমিয়ে ধীরে ধীরে একটি ক্যাশলেস সোসাইটি বা নগদবিহীন সমাজ গড়ে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থা চালু হলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেন আরও সহজ ও ঝামেলামুক্ত হবে।’
অন্যদিকে বাংলা কিউআরকে দেশের ডিজিটাল পেমেন্ট অবকাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে ডেপুটি গভর্নর কবির আহম্মেদ বলেন, ‘সব ধরনের লেনদেন ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হলে সরকারের কর আহরণের সক্ষমতা বাড়বে। বিশেষ করে ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধিতে এটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।’
তিনি জানান, আগামী বছর দেশে একটি ইন্টারঅপারেবল ইনস্ট্যান্ট পেমেন্ট সিস্টেম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো মোবাইল আর্থিক সেবা থেকে ব্যাংক হিসাবে এবং ব্যাংক হিসাব থেকে মোবাইল ওয়ালেটে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ স্থানান্তর করা যাবে। এতে দেশের পেমেন্ট অবকাঠামো আরও সমন্বিত ও কার্যকর হবে।
মানি লন্ডারিং প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও ডিজিটাল লেনদেন কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেন কবির আহম্মেদ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন