সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৬ পি.এম
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী এলাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সরবরাহ করা মিড-ডে মিলের বনরুটি জাতীয় খাবার পচা ও দুর্গন্ধযুক্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে, মেয়াদ শেষ হওয়ার একদিন আগে রুটিতে কালো আস্তরণ ও দুর্গন্ধ দেখা দেওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নষ্ট রুটিগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফেরত নেওয়া হলেও খাবারের মান এবং সরবরাহ ব্যবস্থার তদারকি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) উপজেলার মসূয়া ইউনিয়নের ৫২নং চরআলগী পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিড-ডে মিলের খাবার হিসেবে বনরুটি জাতীয় এসব খাবার বিতরণ করা হয়। খাবার বিতরণের পর কয়েকজন শিক্ষার্থী রুটিতে কালো আস্তরণ এবং রুটি থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার অভিযোগ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে নষ্ট রুটিগুলো দ্রুত ফেরত নেওয়া হয়।
অভিভাবক শাহ পরান, মো. ইমরান ও আব্দুল্লাহ হিল ওয়ানি অভিযোগ করেন, সরকারি উদ্যোগে শিশুদের জন্য খাবার সরবরাহ করা হলেও এর মান ও সংরক্ষণ ব্যবস্থা যথাযথভাবে তদারকি করা হচ্ছে না। রুটির প্যাকেটে মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখ ১৪ সেপ্টেম্বর উল্লেখ থাকলেও ১৩ সেপ্টেম্বর বিতরণের সময়েই রুটিতে কালো আস্তরণ ও দুর্গন্ধ দেখা যায়।
তারা বলেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক। খাবার সংরক্ষণ, পরিবহণ কিংবা সরবরাহের কোনো পর্যায়ে গাফিলতি হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করা প্রয়োজন। শিশুদের জন্য সরবরাহ করা খাবারে এমন অনিয়ম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
দুইজন শিক্ষার্থীর মা মোছা. স্বপ্না আক্তার অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে শিশুদের প্রায়ই কাঁচা কলা, দুর্গন্ধযুক্ত রুটি, কম সিদ্ধ ও নষ্ট ডিম দেওয়া হয়। বিষয়টি শিক্ষকদের জানানো হলেও তারা এ বিষয়ে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেননি।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাছিমা আক্তার জানান, রোববার শিক্ষার্থীদের খাবার দেওয়ার সময় তিনি বিদ্যালয়ের কাজে উপজেলা সদরে ছিলেন। পরে বিদ্যালয়ের দপ্তরির কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে খাবার বিতরণের পর কিছু রুটি নষ্ট ও দুর্গন্ধযুক্ত দেখতে পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফেরত নেওয়া হয়। খাবার বিতরণের পর বিষয়টি নজরে আসে এবং পরে নষ্ট রুটিগুলো সংগ্রহ করে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
অভিভাবকদের দাবি, শিশুদের জন্য সরবরাহ করা মিড-ডে মিলের খাবারের গুণগত মান, সংরক্ষণ, মেয়াদ ও বিতরণ প্রক্রিয়া নিয়মিতভাবে তদারকি করা হোক। একই সঙ্গে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই খাবার নষ্ট হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনা হোক।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, ৫২ নম্বর চরআলগী পূর্বপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নষ্ট রুটি দেওয়ার বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। রুটিগুলো ফেরত নেওয়া হয়েছে এবং যারা খাবার সরবরাহ করে, তাদের কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। বিষয়টি ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীমা আফরোজ মারলিজ জানান, বিষয়টি তিনি ইতোমধ্যে জেনেছেন। শিক্ষার্থীদের খাবার নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তদন্ত করে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) আনা এক বন্দিকে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
মৃত বন্দির নাম মো. রফিকুল ইসলাম (৫৪)। তিনি কোন মামলায় কারাবন্দী ছিলেন, তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। কুড়িগ্রামের বাসিন্দা রফিকুলের বাবার নাম মো. রজব আলী।
কারাগার কর্তৃপক্ষের দাবি, রফিকুল কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অসুস্থ অবস্থায় আজ সকালে তাকে ঢামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রফিকুলকে জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল। পরীক্ষা–নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা সকাল ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান জানান, মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হবে। এই কারণে মরদেহ কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে ৭ সেপ্টেম্বর ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আলী আকবর মণ্ডল (৬৭) নামের এক কারাবন্দি মারা যান। তিনি কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন।
এর পূর্বে ৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ২৫ মিনিট থেকে ৯টা ৫ মিনিটের মধ্যে ঢামেক হাসপাতালে তিনজন কারাবন্দির মৃত্যু ঘটে। তাদেরও কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে ছিলেন আবুল বাশার (৫৮), আবদুল কাইয়ম (৬২) ও মো. শাহাদত হোসেন লিটন (৫২)।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি প্রদর্শনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভাষা আন্দোলন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ব্যক্তিদের ছবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রহশালায় প্রদর্শন কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ডাকসু নিয়ে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি সংবাদ লক্ষ্য করেছে। এসব সংবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইন, বিধি, নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবস্থান এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ও দ্ব্যর্থহীন।
এতে জানানো হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধিবিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে ধারণ ও লালন করে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মলচত্বরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়। এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা ইউনিভার্সিটি অর্ডার, ১৯৭৩ (Dhaka University Order, 1973) এর অনুচ্ছেদ ২৪(এ) অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি তদারকি, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সিন্ডিকেটের ওপর ন্যস্ত। অন্যদিকে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড রেগুলেশনস (Dhaka University Ordinances and Regulations) এর চ্যাপ্টার ১৪ (Chapter XIV) এর ধারা ৪ এর নোট অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ যে কোনো সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নির্দেশনা সাপেক্ষে নেবেন।
কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ‘নির্ভীক জুলাই’ নামে কলাভবন সংলগ্ন ডাকসু ভবনের পশ্চিম পাশে ও কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে যে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করেছে, তা সিন্ডিকেট কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কোনোরূপ অনুমতি বা আলোচনা করে স্থাপন করেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন অনুযায়ী এটি এখতিয়ারবর্হিভূত।
এছাড়া, ডাকসুর পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মূল্যায়নের জন্য অনুমোদন ছাড়া ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। শিক্ষক মূল্যায়ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একাডেমিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়। এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা ছাত্র সংসদ নিজেদের উদ্যোগে পৃথক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করতে পারে না। একই সঙ্গে এই ওয়েবসাইট চালু করে শিক্ষকদের ব্যক্তিগত তথ্যও বাইরে আনা হয়েছে, যা আইন অনুযায়ী শাস্তিমূলক অপরাধ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে Teaching Evaluation-এর (শিক্ষক মূল্যায়ন) জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নীতিমালা রয়েছে এবং তা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েছে। বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। ফলে অনুমোদিত নীতিমালার বাইরে গিয়ে পৃথক কোনো শিক্ষক মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করার সামিল। এমতাবস্থায় ডাকসুর এ ধরনের কর্মকাণ্ড অনাকাঙ্ক্ষিত, অপ্রত্যাশিত এবং অগ্রহণযোগ্য।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ধরনের দ্বৈত প্রশাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই। ডাকসু একটি গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রপ্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান হলেও তার সব কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, বিধি, নীতিমালা ও প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই পরিচালিত হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্তৃত্বকে পাশ কাটিয়ে কোনো সমান্তরাল কাঠামো বা প্রক্রিয়া প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
সবশেষে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা, বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের মর্যাদা রক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের আপস করবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো স্থাপনা নির্মাণ, পৃথক প্রশাসনিক ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বিধি অনুযায়ী কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে যে পরিমাণ ভোট তিনি পাবেন, সেই অনুযায়ী গাছ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সমাজকর্ম বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরিফ আলভী। যদিও নির্বাচনে তিনি জয়ী হতে পারেননি, তবে প্রতিশ্রুতি থেকে তিনি সরে আসেননি। নিজের উপার্জনের অর্থ ব্যয় করে প্রথম পর্যায়ে ৭২৫টি গাছ প্রদান করে এই শিক্ষার্থী তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১১ প্রজাতির গাছ বিতরণ ও রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এই গাছগুলোর মধ্যে কিছু শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। বাকি গাছগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি প্রকল্প শাখার কাছে হস্তান্তর করা হয়, যাতে সেগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও পরিচর্যা করা যায়।
তার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম বলেন, "রাকসু নির্বাচনের পূর্বে আরিফ আলভী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তিনি যত ভোট পাবেন, জিতুন বা হারুন, ততগুলো গাছ ক্যাম্পাসে দেবেন। তার এই পরিবেশবান্ধব ও শিক্ষার্থীবান্ধব উদ্যোগকে আমরা আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানাই।"
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তাসনিম সুলতানা ঐশি বলেন, ‘প্রতিটি ভোটের বিনিময়ে একটি করে গাছ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ছিল তার। এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এখানে একাধিক গাছ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও আমার একটি গাছ ভালো লেগেছে, তাই একটি নিয়েছি।’
জানতে চাইলে আরিফ আলভী বলেন, রাকসু নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ৫৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তিনি ১ হাজার ৭২৫ ভোট পেয়েছিলেন। তখন তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, জিতি বা হারি, যত ভোট পাব, ততগুলো গাছ দেব। সেই প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায় প্রথম ধাপে ১১ প্রজাতির ৭২৫টি গাছ তিনি দিয়েছেন। এগুলো নিজের উপার্জনের টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে ৬৪ জেলায় ১ হাজার ৭২৫টি করে গাছ দেওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকা, সদর উপজেলা ও সরাইলে টানা ১৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। পাইপলাইনের জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এসব এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহকের জন্য গ্যাসের সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জরুরি মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে। কর্তৃপক্ষ এই সাময়িক অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্রাহ্মণবাড়িয়া কার্যালয়ের ডিজিএম মো. শফিকুল হক জানান, বিশ্বরোড এলাকায় পাঁচটি সিএনজি পাম্প এবং বিসিক এলাকার জন্য পৃথক গ্যাসলাইন স্থাপনের কাজ চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, পৃথক লাইন স্থাপন হলে শিল্পকারখানা ও সিএনজি পাম্পগুলোতে গ্যাসের চাপ বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস সংকট কিছুটা কমবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হলে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ