ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধ্যপ্রাচ্যে ২১ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা করল ইরানের


মধ্যপ্রাচ্যে ২১ মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা করল ইরানের

ইরানের পাল্টা হামলা আবারও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দফতর লক্ষ্য করে একটি ড্রোন হামলাসহ তারা বেশ কয়েকটি মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

এই অভিযানের সম্পৃক্ততা দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বিমান হামলার সরাসরি প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করেছে তেহরান। আইআরজিসি বুধবার (১০ জুন) ভোরে জানায়, অঞ্চলজুড়ে বিমান ও নৌঘাঁটিসহ ২১টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা হয়েছে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে গার্ডস বাহিনী ঘোষণা দেয় যে, মার্কিন সামরিক অভিযান যদি অব্যাহত থাকে, তবে তারা আরও কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে। দক্ষিণাঞ্চলীয় বুশেহর প্রদেশের আকাশে একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে আইআরজিসি।

আরও পড়ুন: মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় হানিফসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে আজ রায়

এছাড়া, গার্ডস বাহিনী বলেছে, তারা কুয়েতের আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটিতে ড্রোন হামলাও চালিয়েছে। কুয়েতের সামরিক বাহিনী পরে এ ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানায় যে, তাদের বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক সফলভাবে শত্রুপক্ষের আকাশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।

দক্ষিণ ইরানের জাস্ক, সিরিক এবং কেশম দ্বীপসহ বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক ও সুনির্দিষ্ট হামলার পর তেহরান এই পাল্টা হামলা চালিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ারসহ ২০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করেছে।

এদিকে, সংঘর্ষের ব্যাপক আঞ্চলিক বিস্তারে, আইআরজিসি জর্ডানের আল-আজরাক ঘাঁটিতে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের বিষয়েও তথ্য দিয়েছে। রেভল্যুশনারি গার্ড আরও জানাচ্ছে, তারা মার্কিন আল-আজরাক ঘাঁটির চারটি আলাদা এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু হিসাবে নিয়েছে, যার মধ্যে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি কমান্ড-অ্যান্ড-কন্ট্রোল সেন্টার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

অন্যদিকে, জর্ডানের সেনাবাহিনী জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার পর সেখানে ধ্বংসাবশেষ পড়ে ছিল, তবে এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: স্পেনে ট্রেন দুর্ঘটনায় তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

মঙ্গলবার মার্কিন সেনাবাহিনীর একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ইরানের ভূপাতিত হওয়ার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানে হামলা শুরু করে। এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানও মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সরকারি কর্মচারীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৯ এম


পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সরকারি কর্মচারীদের

বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নবম জাতীয় পে-স্কেলের সুপারিশ পূর্ণাঙ্গ কার্যকর করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার (৯ জুন) একটি যৌথ বিবৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদ ও আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, প্রায় ১১ বছর আগে, ২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল নোটিফিকেশন অনুযায়ী সব গ্রেডের ক্ষেত্রে বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ হওয়ায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনমান, জীবনধারণ এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতায় যৌক্তিক হারে বেতন বৃদ্ধি করা হয়নি। তাছাড়া, একজন কর্মচারী যদি বেতন গ্রেডের শেষ ধাপে উন্নীত হয়, তবে পরবর্তী পদোন্নতি না হলে তার বেতন বৃদ্ধির আর কোনো সুযোগ থাকে না।

গত একযুগে ৫০ শতাংশের অধিক মূল্যস্ফীতি হওয়ায় একজন সরকারি কর্মচারীর মৌলিক চাহিদার খাদ্যসামগ্রীর দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এছাড়াও শিক্ষা ব্যয়, স্বাস্থ্য ব্যয় শিক্ষিত হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি ও আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৯ লাখ ১৯ হাজার ১১১ জন কর্মচারী রাষ্ট্রের কাজে নিয়োজিত আছেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সরকারি কর্মচারীদের দাবির প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে।

বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন ও অংশীজনের সঙ্গে প্রায় ১৮৪টি সভা ও ২ হাজার ৫৫২ জনের মতামত গ্রহণের মাধ্যমে চূড়ান্ত সুপারিশ গত ২১ জানুয়ারি সরকারের নিকট দাখিল করা হয়। তবে অদ্যাবধি বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়িত না হওয়ায় কর্মচারীদের মাঝে হতাশা ও ক্রমাগত ক্ষোভ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সরকারি কর্মচারীরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছেন যে, সম্প্রতি 'নবম জাতীয় পে-স্কেল' বাস্তবায়নের যৌক্তিক দাবির বিপক্ষে কিছু বিভ্রান্তিকর এবং নেতিবাচক মন্তব্য বিভিন্ন যোগাযোগ ও সামাজিক মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির এক যুগ পর সিপিডি উল্লেখ করেছে যে, সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে তা বাজারে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে তুলবে, যা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমাবে এবং তাদের উপর তীব্র অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি ম. নূরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার নবম জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী কার্যকর করতে খুবই আন্তরিক। তার আন্তরিকতার ফলে বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এ পর্যায়ে এসে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন।

কর্মচারীদের দাবিকে অযৌক্তিক বা নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা মোটেও কাম্য নয়; এতে কর্মচারীদের মনোবল ভেঙে পড়েছে।

আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বয়ক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, গত ১১ বছর, ২০১৫ সাল থেকে আজ পর্যন্ত নতুন কোনো পে-স্কেল বাস্তবায়িত না হওয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জীবনযাত্রার ব্যয়, মূল্যস্ফীতি এবং মুদ্রাস্ফীতি চরমভাবে বেড়েছে। ফলে নির্দিষ্ট বেতনের সরকারি কর্মচারীরা তাদের পরিবারের স্বাস্থ্য, সন্তানের শিক্ষা, জীবনধারণ, জীবনমান, বাসস্থান, যাতায়াতসহ মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে তীব্র আর্থিক সংকটে পড়েছেন, যা পূর্ববর্তী এবং বর্তমান বাজারের সঙ্গে কোনোভাবেই সংগতিপূর্ণ নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ সহায়তা চায় ইসলামী ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৩ এম


১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ সহায়তা চায় ইসলামী ব্যাংক

বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক আবারও টাকার সংকটে পড়ে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চেয়েছে।

চেয়ারম্যান নিয়োগের পর ব্যাংকের নানা বিতর্ক এবং চলমান আন্দোলনের কারণে গ্রাহকেরা এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যাংকটি থেকে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি তুলে নিয়েছেন।

এ পরিস্থিতির কারণে গ্রাহকের চাহিদা সামাল দিতে ব্যাংকটি মঙ্গলবার (৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে টাকা ধার চাওয়ার আবেদন করেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে জানান, ইসলামী ব্যাংক ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চেয়েছে। তবে এখনও টাকা দেয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আবারও ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আবারও ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, ফের বিশ্ববাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের মূল্য। ইরানে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর তেলের দাম বিশ্ব বাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার, ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম প্রায় এক শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

র‌য়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রেন্ট ক্রুড ৮৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ২৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৬৮ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৮৮ দশমিক ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আহ্বানে ইসরায়েল ও ইরান একে অপরের ওপর সরাসরি হামলা বন্ধ করায়, গতকাল মঙ্গলবার, ব্রেন্ট তেলের দাম ১৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায় এবং ডব্লিউটিআই তেলের দাম ২৯ মে'র পর সর্বনিম্ন অবস্থানে আসে।

মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিতের জেরে, ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালীর কাশম দ্বীপে হামলা করে মার্কিন সেনাবাহিনী। জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরানও।

উভয় দেশে হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যে তেলের বাজারে এসেছে দুসংবাদ। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, সামনে এই তেলের বাজারে আরো অস্থিরতা হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এল নিনোর প্রভাব: দেশে নতুন মহামারি ও অচেনা ভাইরাসের শঙ্কা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


এল নিনোর প্রভাব: দেশে নতুন মহামারি ও অচেনা ভাইরাসের শঙ্কা!

রেকর্ড ভাঙা দাবদাহ, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং আকস্মিক অতিবৃষ্টির আবহে, বিশ্বজুড়ে এখন আতঙ্কের নাম ‘এল নিনো’। প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াটি কেবল বৈশ্বিক আবহাওয়াকে ওলটপালট করছে না, বরং ভৌগোলিক অবস্থান ও ঘনবসতির কারণে বাংলাদেশসহ দুর্যোগপ্রবণ বদ্বীপে এক নীরব স্বাস্থ্য বিপর্যয় ডেকে আনছে। এই এল নিনো দেশের ঋতুচক্রের চিরাচরিত রূপ বদলে দেয়ার পাশাপাশি, এটি কেবল ডেঙ্গু অথবা ডায়রিয়ার মতো পরিচিত রোগ তিনিই বাড়াচ্ছে না, বরং জলবায়ুর এই চরম খামখেয়ালিপনা সম্পূর্ণ নতুন ও অচেনা কোনো ভাইরাসের জন্ম দেয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে; যা ভবিষ্যতে আরও একটি বৈশ্বিক মহামারির সৃষ্টি করতে পারে।

বৈশ্বিক গবেষণা অনুযায়ী, এল নিনোর সরাসরি প্রভাবে বিশ্বজুড়ে দাপদাহের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এর কারণে হিটস্ট্রোক, তীব্র পানিশূন্যতা এবং প্রাণঘাতী শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে, এল নিনোর প্রভাব থেকে স্বল্প সময়ে অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার কারণে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। জমে থাকা এই পানি ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো ‘ভেক্টর-বর্ন ডিজিজ’ বা মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাবকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে বন্যা এবং দূষিত পানির কারণে ডায়রিয়া ও কলেরার মতো পানিবাহিত রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে, যা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করবে।

পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ মো. শামসুদ্দোহা বলেছেন, ‘তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে ডায়রিয়া এবং ভেক্টর-বর্ন ডিজিজ (ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া) বর্তমানে সাধারণ রোগে পরিণত হচ্ছে। এমনকি হামের মতো জটিল রোগ, যা আগে একটি নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যে ছিল, এখন তা বয়সের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের এই পরিবর্তনের সঙ্গে স্বাস্থ্যের কী সম্পর্ক, তা নিয়ে আমাদের নতুন করে গভীর গবেষণার প্রয়োজন।’

এল নিনোর কারণে জলবায়ুর এই দ্রুত পরিবর্তনের ফলে রোগজীবাণুর চিরাচরিত আচরণ এবং বিস্তারের ধরনও পরিবর্তিত হচ্ছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, যখন আবহাওয়া চরমভাবে পরিবর্তিত হয়, তখন আমাদের চিরচেনা ইনফ্লুয়েঞ্জা অথবা নিউমোনিয়ার মতো রোগগুলো আরও মারাত্মক এবং সংক্রামক হয়ে উঠতে পারে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেছেন, ‘নিউমোনিয়া এবং ভাইরাল রোগের প্রকোপ হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। যেমন করোনা ভাইরাস আগে ছিল না, কিন্তু প্রকৃতির পরিবর্তনে তা হঠাৎ দেখা দিল—ঠিক সেইভাবে চরম আবহাওয়ার কারণে নতুন কোনো ভাইরাসের উৎপত্তি হতে পারে। তার মধ্যে শিশুদের ডায়রিয়া বা নিউমোনিয়ায় রোটাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আগামীতে মহামারি আকার ধারণ করতে পারে।’

করোনা মহামারি বিশ্ববাসীকে দেখিয়েছে যে একটি নতুন রোগ কত দ্রুত বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হতে পারে। পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা এবং এল নিনোর মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো প্রকৃতি এমন এক প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করছে, যেখানে নতুন এবং অজানা ভাইরাসের জন্ম গ্রহণ এবং তা থেকে নতুন মহামারির সৃষ্টি হওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

এজন্য এল নিনোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মোকাবিলায় এখন থেকেই তাপপ্রবাহকে ‘দুর্যোগ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া, আগাম সতর্কতা জারি করা এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতের প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জোর দিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%