ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আবারও ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম


মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আবারও ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে, ফের বিশ্ববাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেলের মূল্য। ইরানে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর তেলের দাম বিশ্ব বাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বুধবার, ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম প্রায় এক শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

র‌য়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রেন্ট ক্রুড ৮৩ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ২৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৬৮ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে ৮৮ দশমিক ৯৭ ডলারে পৌঁছেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আহ্বানে ইসরায়েল ও ইরান একে অপরের ওপর সরাসরি হামলা বন্ধ করায়, গতকাল মঙ্গলবার, ব্রেন্ট তেলের দাম ১৭ এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায় এবং ডব্লিউটিআই তেলের দাম ২৯ মে'র পর সর্বনিম্ন অবস্থানে আসে।

আরও পড়ুন: মন্ত্রীর পদে মনসুর আব্বাসকে দেখতে চান ইসরাইলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিতের জেরে, ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালীর কাশম দ্বীপে হামলা করে মার্কিন সেনাবাহিনী। জবাবে পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরানও।

উভয় দেশে হামলা-পাল্টা হামলার মধ্যে তেলের বাজারে এসেছে দুসংবাদ। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, সামনে এই তেলের বাজারে আরো অস্থিরতা হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এল নিনোর প্রভাব: দেশে নতুন মহামারি ও অচেনা ভাইরাসের শঙ্কা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


এল নিনোর প্রভাব: দেশে নতুন মহামারি ও অচেনা ভাইরাসের শঙ্কা!

রেকর্ড ভাঙা দাবদাহ, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং আকস্মিক অতিবৃষ্টির আবহে, বিশ্বজুড়ে এখন আতঙ্কের নাম ‘এল নিনো’। প্রশান্ত মহাসাগরের পানির তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার এই প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াটি কেবল বৈশ্বিক আবহাওয়াকে ওলটপালট করছে না, বরং ভৌগোলিক অবস্থান ও ঘনবসতির কারণে বাংলাদেশসহ দুর্যোগপ্রবণ বদ্বীপে এক নীরব স্বাস্থ্য বিপর্যয় ডেকে আনছে। এই এল নিনো দেশের ঋতুচক্রের চিরাচরিত রূপ বদলে দেয়ার পাশাপাশি, এটি কেবল ডেঙ্গু অথবা ডায়রিয়ার মতো পরিচিত রোগ তিনিই বাড়াচ্ছে না, বরং জলবায়ুর এই চরম খামখেয়ালিপনা সম্পূর্ণ নতুন ও অচেনা কোনো ভাইরাসের জন্ম দেয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে; যা ভবিষ্যতে আরও একটি বৈশ্বিক মহামারির সৃষ্টি করতে পারে।

বৈশ্বিক গবেষণা অনুযায়ী, এল নিনোর সরাসরি প্রভাবে বিশ্বজুড়ে দাপদাহের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। এর কারণে হিটস্ট্রোক, তীব্র পানিশূন্যতা এবং প্রাণঘাতী শারীরিক জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে, এল নিনোর প্রভাব থেকে স্বল্প সময়ে অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার কারণে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। জমে থাকা এই পানি ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার মতো ‘ভেক্টর-বর্ন ডিজিজ’ বা মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাবকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে বন্যা এবং দূষিত পানির কারণে ডায়রিয়া ও কলেরার মতো পানিবাহিত রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে, যা দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করবে।

পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ মো. শামসুদ্দোহা বলেছেন, ‘তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে ডায়রিয়া এবং ভেক্টর-বর্ন ডিজিজ (ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া) বর্তমানে সাধারণ রোগে পরিণত হচ্ছে। এমনকি হামের মতো জটিল রোগ, যা আগে একটি নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যে ছিল, এখন তা বয়সের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের এই পরিবর্তনের সঙ্গে স্বাস্থ্যের কী সম্পর্ক, তা নিয়ে আমাদের নতুন করে গভীর গবেষণার প্রয়োজন।’

এল নিনোর কারণে জলবায়ুর এই দ্রুত পরিবর্তনের ফলে রোগজীবাণুর চিরাচরিত আচরণ এবং বিস্তারের ধরনও পরিবর্তিত হচ্ছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, যখন আবহাওয়া চরমভাবে পরিবর্তিত হয়, তখন আমাদের চিরচেনা ইনফ্লুয়েঞ্জা অথবা নিউমোনিয়ার মতো রোগগুলো আরও মারাত্মক এবং সংক্রামক হয়ে উঠতে পারে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেছেন, ‘নিউমোনিয়া এবং ভাইরাল রোগের প্রকোপ হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। যেমন করোনা ভাইরাস আগে ছিল না, কিন্তু প্রকৃতির পরিবর্তনে তা হঠাৎ দেখা দিল—ঠিক সেইভাবে চরম আবহাওয়ার কারণে নতুন কোনো ভাইরাসের উৎপত্তি হতে পারে। তার মধ্যে শিশুদের ডায়রিয়া বা নিউমোনিয়ায় রোটাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আগামীতে মহামারি আকার ধারণ করতে পারে।’

করোনা মহামারি বিশ্ববাসীকে দেখিয়েছে যে একটি নতুন রোগ কত দ্রুত বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হতে পারে। পরিবেশগত ভারসাম্যহীনতা এবং এল নিনোর মতো চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো প্রকৃতি এমন এক প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করছে, যেখানে নতুন এবং অজানা ভাইরাসের জন্ম গ্রহণ এবং তা থেকে নতুন মহামারির সৃষ্টি হওয়া এখন কেবল সময়ের ব্যাপার।

এজন্য এল নিনোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব মোকাবিলায় এখন থেকেই তাপপ্রবাহকে ‘দুর্যোগ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া, আগাম সতর্কতা জারি করা এবং দেশের স্বাস্থ্যখাতের প্রস্তুতি জোরদার করার বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা জোর দিচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সিকো দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে যে গোপন অস্ত্র ব্যবহার করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ এম


মেক্সিকো দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে যে গোপন অস্ত্র ব্যবহার করবে

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের উদ্বোধনী ম্যাচে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাগতিক মেক্সিকো এবং দক্ষিণ আফ্রিকা যখন মুখোমুখি হবে, তখন মাঠে কেবল ৮০ হাজারেরও বেশি উন্মাতাল দর্শক মেক্সিকোর শক্তির উৎস হিসেবে থাকবে তা নয়। ফুটবল বিশেষজ্ঞদের ধারনা অনুযায়ী, মেক্সিকো সিটির আকাশছোঁয়া উচ্চতা এবং পাতলা বাতাস এই ম্যাচে স্বাগতিকদের জন্য হতে পারে সবচেয়ে বড় গোপন অস্ত্র।

এই ম্যাচটি স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় অনুষ্ঠিত হবে, ফলে কঠোর দুপুরের রোদ দুই দলের খেলোয়াড়দের শারীরিক সহনশীলতার চরম পরীক্ষা নেবে। তবে প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু হলো, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭ হাজার ৩০০ ফুটেরও বেশি উঁচুতে অবস্থিত এস্তাদিও আসতেকার ভৌগোলিক অবস্থান। বিশ্ব ফুটবল ইতিহাসে খুব কম স্টেডিয়াম এ ধরনের চরম উচ্চতায় অবস্থিত। এই ধরনের পরিবেশে অভ্যস্ত না হলে ফুটবলাররা দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়েন, হৃদস্পন্দন একটি অস্বাভাবিক মাত্রায় বেড়ে যায় এবং আধুনিক ফুটবলের গতিময়তা ধরে রাখা অনেকটা অসম্ভব হয়ে যায়।

মেক্সিকান ফুটবল কমিশনার মিকেল আররিওলা এটি এক মহান প্লাস পয়েন্ট হিসেবে মনে করছেন। তিনি টুর্নামেন্টের শুরুতেই আত্মবিশ্বাসের সাথে জানিয়েছিলেন যে, নিজেদের মাঠ, ঘরের দর্শক এবং উচ্চতা মেক্সিকোকে একটি বিশাল সুবিধা প্রদান করবে। ইতিহাসও মেক্সিকোর বিশ্বাসের পক্ষে কথা বলে। ঘরের মাঠে তাদের আগের বিশ্বকাপ পারফরম্যান্সগুলো ছিল অসাধারণ, যার মধ্যে ১৯৮৬ সালে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার স্মৃতিও অন্যতম।

ক্রীড়া বিজ্ঞানীদের মতে, এই উচ্চতার সাথে মানিয়ে নিতে মানবশরীরের অন্তত দুই সপ্তাহ সময় প্রয়োজন, যাতে শরীরে লোহিত রক্তকণিকার বৃদ্ধি ঘটে এবং অক্সিজেন সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। এই সময়ের অভাব খেলোয়াড়দের দ্রুত মাঠে ক্লান্ত করে তোলে। অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা এই চ্যালেঞ্জকে গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করেছে এবং তারা তাদের অনুশীলন ক্যাম্প গড়ে তুলেছে মেক্সিকোরই আরেক শহর পাচুকাতে, যেখানে উঁচু প্রায় ৮ হাজার ফুট।

এটা কেবল দক্ষিণ আফ্রিকা নয়, গ্রুপ পর্বের অন্যান্য দল যেমন দক্ষিণ কোরিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সল্টলেক সিটিতে উচ্চতার প্রস্তুতি নিয়েছে। অন্যদিকে কলম্বিয়া নিজেদের ম্যাচগুলোর আগে বোগোতার পাহাড়ি অঞ্চলেই অবস্থান করছে। তবে চেক প্রজাতন্ত্রের কোচ মিরোস্লাভ কুবেক স্বীকার করেছেন, বিশ্বকাপের মতো ঠাসা সূচিতে পুরোপুরি মানিয়ে নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় নেই তাদের হাতে। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে মেক্সিকোর এই প্রাকৃতিক সুবিধার কি প্রভাব পড়ে, তা এখন দেখার অপেক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘ডি’-তে যুক্তরাষ্ট্র প্রমাণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ এম


বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘ডি’-তে যুক্তরাষ্ট্র প্রমাণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে

ঢাকা, ১০ জুন ২০২৬ (বাসস) : অস্থির প্রস্তুতি এবং হতাশাজনক সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের ফলে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘ডি’-তে নেমে এসেছে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের চাপের মধ্যে। সাম্প্রতিক দুইটি প্রীতি ম্যাচে ইউরোপের শীর্ষ দলগুলোর বিপক্ষে তারা সহজেই পরাজিত হয়েছে।

মার্চ মাসে বেলজিয়ামের কাছে তারা ৫-২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয় এবং এরপর পর্তুগালের কাছেও ২-০ গোলে হার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মরিসিও পচেত্তিনো কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন। যেখানে তিনি দলকে টুর্নামেন্টে অনেক দূর নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, সেখানে বাস্তবতা তার পক্ষে মোটেও নেই।

২০২৪ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর, বিভিন্ন খেলোয়াড়কে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর, পচেত্তিনো এখন গ্রুপ পর্বে প্যারাগুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও তুরস্কের বিরুদ্ধে ইউরোপভিত্তিক অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের ওপর ভরসা করছেন।

এসি মিলানের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক, জুভেন্টাসের ওয়েস্টন ম্যাককেনি এবং বোর্নমাউথের টাইলার অ্যাডামস পচেত্তিনোর মূল আস্থার জায়গায় রয়েছেন। এর পাশাপাশি মার্সেইর টিম ওয়েহা, মোনাকোর ফোলারিন বালোগুন এবং ফর্মে থাকা স্ট্রাইকার হাজি রাইটও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করছেন সবাই। রাইটের গোল দিয়েই কভেন্ট্রি ইংল্যান্ডের প্রিমিয়ার লিগে উন্নীত হয়েছে।

যদি পচেত্তিনোর দল গ্রুপ পর্বে উত্তরণে ব্যর্থ হয়, তবে সেটি একটি বড় চমক হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। গত বছর প্যারাগুয়ে ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে জয় যুক্তরাষ্ট্রকে আশাবাদী করে তুলেছে এবং এবারও তারা ২০১০, ২০১৪ ও ২০২২ সালের মতো শেষ ষোলোতে উঠতে চায়।

১২ জুন, লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফি স্টেডিয়ামে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু হবে। দক্ষিণ আমেরিকার দল প্যারাগুয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে। বাছাইপর্বে তারা দারুণ খেলা উপহার দিয়েছে এবং ব্রাজিল, ইকুয়েডর ও কলম্বিয়ার সমান পয়েন্ট নিয়ে অভিযান শেষ করেছে।

আর্জেন্টাইন কোচ গুস্তাভো আলফারোর অধীনে প্যারাগুয়ে নতুন আত্মবিশ্বাসে উজ্জীবিত হয়েছে। ২০২৪ কোপা আমেরিকায় একটি পয়েন্টও না পাওয়ার হতাশার পর আলফারো দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তার অধীনে, প্যারাগুয়ে বাছাইপর্বে ৩৬ সম্ভাব্য পয়েন্টের মধ্যে ২৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে এবং আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে পরাজিত করার মতো উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়ে আশাবাদী হয়েছে।

গ্রুপের আরেক দল অস্ট্রেলিয়া টানা ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে। এশিয়ার গ্রুপ ‘সি’-তে তারা জাপানের পিছনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাছাইপর্ব চলাকালীন, গ্রাহাম আর্নল্ডের পরিবর্তে কোচের দায়িত্ব নেন টনি পপোভিচ এবং তার অধীনে দলটি সফল অভিযান পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে গত বছর জাপানের বিপক্ষে ১-০ গোলের গুরুত্বপূর্ণ জয়ও অন্তর্ভুক্ত ছিল। অস্ট্রেলিয়া ২০২২ সালের দলের সাফল্য পুনরাবৃত্তি করতে চায়। সেবার তারা শেষ ষোলোতে উঠে শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে কঠিন লড়াইয়ের মুখে ফেলেছিল, যদিও তারা ২-১ গোলে হারতে হয়েছিল সকারুজদের।

ইউরোপীয় দলের মধ্যে, তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের নকআউট পর্বে ওঠার স্বপ্নের সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে উঠতে পারে। ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়ার পর টানা পাঁচটি আসরে ব্যর্থ হওয়া তুরস্ক ২৪ বছর পর আবার বিশ্বকাপে ফিরছে।

ইতালিয়ান কোচ ভিনসেঞ্জো মন্টেলার অধীনে, বাছাইপর্বে তুরস্ক মাত্র একটি ম্যাচে পরাজিত হয়েছে ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে। পরে, রোমানিয়া ও কসোভোকে পরাজিত করে তারা প্লে-অফ পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে।

ইন্টার মিলানের হাকান কালহানগ্লু মিডফিল্ডে এবং রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিভাবান আরডা গুলার আক্রমণভাগে বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মারিশ্যায় বিজিবির অভিযানে বিদেশি মদ, সিগারেট ও কসমেটিকস উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ সোহেল রানা, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ এম


মারিশ্যায় বিজিবির অভিযানে বিদেশি মদ, সিগারেট ও কসমেটিকস উদ্ধার

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার মারিশ্যা-দিঘিনালা সড়কের নালকাটাছড়া অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, সিগারেট ও কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করেছে মারিশ্যা ব্যাটালিয়ন (২৭ বিজিবি)।

মঙ্গলবার (৯ জুন) রাত আনুমানিক ১১টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং ২৭ বিজিবির অধিনায়কের নির্দেশনায় সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টহল দল এ অভিযান পরিচালনা করে। বিজিবি জানায়, টহল দলের উপস্থিতি জানতে পেরে চোরাকারবারিরা দুটি মোটরসাইকেলে বহন করা দুটি প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় বিদেশি মদ, ESSE Lights ব্র্যান্ডের সিগারেট এবং বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ১২ বোতল বিদেশি মদ, ৩৯ কার্টন (৩৯০ প্যাকেট) বিদেশি সিগারেট, ১৮০ প্যাকেট শ্যাম্পু, ১৫টি সাবান, ৪টি টুথপেস্ট, ৫ বৎল কমফোর্ড এবং ২৪টি ফেস পাউডার। উদ্ধারকৃত মালামালের মোট সিজার মূল্য ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭২০ টাকা।

মারিশ্যা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, পিএসসি বলেন, "মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।" সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং আভিযানিক টহল কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি মারিশ্যা এলাকাকে মাদক ও চোরাচালানমুক্ত রাখতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%