ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশে আসার জন্য জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি: মধুমিতা


বাংলাদেশে আসার জন্য জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি: মধুমিতা

অবশেষে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হতে যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মধুমিতা সরকারের। বাংলাদেশে তার কাজ করার গুঞ্জন দীর্ঘদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল, কিন্তু নানা কারণে তা বাস্তবায়ন হওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে এবার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটছে। 'গুলশানের চামেলি'র মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বড় পর্দায় দেখা যাবে 'পাখি'খ্যাত এই অভিনেত্রীকে।

জানা গেছে, 'ডেডবডি', 'কিল হিম' ও 'রিভেঞ্জ'খ্যাত পরিচালক মোহাম্মদ ইকবালের নতুন এই সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন মধুমিতা। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি, তবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।

আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে

কলকাতা থেকে মুঠোফোনে কালের কণ্ঠকে মধুমিতা সরকার বলেন, 'আমি খুবই এক্সাইটেড কাজটি করার জন্য। অনেক বছর ধরেই আমার বিভিন্ন কাজে বাংলাদেশে যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু কোনো কারণে সেটা আর হয়ে উঠেনি। অবশেষে সেই ইচ্ছেটা পূরণ হচ্ছে। শিগগিরই আমি আসছি।'

অভিনেত্রী জানান, কিছুদিন আগে তিনি ছবিটির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। গল্প এবং চরিত্র সম্পর্কে জানার পর কাজটির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয় তাঁর।

মধুমিতা বলেন, 'গল্পটি খুবই দারুণ এবং চরিত্রটি আমার অনেক পছন্দ হয়েছে। কলকাতায় অনেক ধরণের কাজ করলেও এরকম চরিত্রে আমার কখনো কাজ করা হয়নি। চরিত্রটিতে অনেকগুলো লেয়ার রয়েছে, আমি খুবই এক্সাইটেড কাজটি করার জন্য।'

জানা গেছে, 'গুলশানের চামেলি' নির্মিত হচ্ছে রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিজাত সমাজের অন্ধকার বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে। গল্পের কেন্দ্রে থাকবেন একজন যৌনকর্মী, যিনি কোনো অপরাধ না করেও ক্ষমতার নির্মম খেলায় বারবার শিকার হন। সিনেমাটির বিশেষত্ব হলো, এতে প্রচলিত অর্থে কোনো নায়ক থাকছে না। পুরো গল্প আবর্তিত হবে একজন নারীকে ঘিরে। একই চরিত্রকে কখনো নায়িকা, আবার পরিস্থিতির কারণে ভিন্ন এক রূপে দেখা যাবে।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে বিদেশ থেকে দেশে ফিরছেন হাজার হাজার ইসরাইলি

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী নভেম্বর বা ডিসেম্বরে সিনেমাটির শুটিং শুরু হতে পারে। তবে মধুমিতার বিপরীতে আর কারা অভিনয় করবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

এ বিষয়ে অভিনেত্রী বলেন, 'মাঝে তিন-চার মাসের একটা টাইমলাইন রয়েছে। এর পরেই ছবিটির শুটিং শুরু হতে পারে। তাছাড়া এখানে আর কে কে অভিনয় করছেন, এই বিষয়েও আমি এখনও কিছু জানিনা।'

বাংলাদেশে আসা নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত মধুমিতা। তিনি জানান, বাংলাদেশের দর্শকদের ভালোবাসা তিনি অনেক আগে থেকেই অনুভব করেন।

তার কথায়, 'কলকাতার বাইরে বাংলাদেশে অসংখ্য ভক্ত রয়েছে আমার। আমি বিভিন্ন সময়েই সেটা টের পাই। সেই 'বোঝে না সে বোঝে না' ধারাবাহিক থেকে আমি সেটা খেয়াল করেছি। আজকে আমি যা হয়েছি বা যতটুকু ভালোবাসা পাচ্ছি তার বেশিরভাগটুকু জুড়েই রয়েছেন বাংলাদেশি দর্শকেরা। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমি সেখানে এসে তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছি।'

আরও পড়ুন: শাহজালাল রুমিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান হয়নি: রাশেদ খাঁন

বাংলাদেশের নাটক, ওয়েব কনটেন্ট ও সিনেমাও নিয়মিত দেখেন মধুমিতা। তার পছন্দের তালিকায় রয়েছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর 'পিপড়াবিদ্যা', 'টেলিভিশন' ও 'থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার', পাশাপাশি গিয়াস উদ্দিন সেলিমের 'মনপুরা'।

বাংলাদেশের শিল্পীদের প্রতিও মুগ্ধতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, 'বাংলাদেশের অনেক কাজ দেখা হয় আমার। তাদের গল্প বলার ধরণ, উপস্থাপন এত চমৎকার! কি দারুণভাবে গল্প উপস্থাপন করেন। আমার খুবই ভালো লাগে। পছন্দের শিল্পী অনেকেই আছেন, একজনের নাম বললে দেখা যাবে আরেকজন যদি মাইন্ড করে বসে। মোশাররফ করিম আমার পছন্দের, উনার সঙ্গে আমি কাজও করেছি। এছাড়া চঞ্চল চৌধুরীও আমার ভীষণ প্রিয়। তার সঙ্গে কাজ করতে চাই। এর বাইরে তো শাকিব খান রয়েছেন, যিনি কিনা সেখানকার সবচেয়ে হিট, সুপারস্টার। সুযোগ পেলে তার সঙ্গে কাজ করতে চাই।'

ছোট পর্দা থেকে বড় পর্দা—দুই মাধ্যমেই সমান জনপ্রিয় মধুমিতা সরকার। 'বোঝে না সে বোঝে না', 'কেয়ার করি না' ও 'চিনি'সহ একাধিক কাজের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বাংলাদেশের দর্শকদের কাছেও তিনি পরিচিত মুখ।

এর আগে ২০১৬ সালে এনটিভিতে প্রচারিত 'মেঘবালিকা' নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে 'গুলশানের চামেলি' হতে যাচ্ছে ঢাকাই চলচ্চিত্রে তার প্রথম কাজ।

আরও পড়ুন: মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাসী গ্রুপের দুই সদস্য পলাশ ও তোতা মিয়া গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


তিস্তার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও

তিস্তার ভাঙন রোধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে ভুক্তভোগী স্থানীয় বাসিন্দারা রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছেন। ‘তিস্তা নদী পাড়ের এলাকাবাসী’ ব্যানারে রবিবার (২৬ জুলাই) সকালে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে গঙ্গাচড়া উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চল থেকে আসা দুই শতাধিক ভাঙনকবলিত মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।

তারা এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে রংপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানান এবং দ্রুত স্থায়ী নদী শাসনের দাবি জানান।

বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেছেন যে, বছরের পর বছর ধরে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে হাজার হাজার হেক্টর কৃষিজমি ও শত শত বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, তবুও পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। মাঝে মধ্যে কিছু জিওব্যাগ দেওয়া হলেও সেগুলি দিয়ে ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না। তারা জানান, জিও ব্যাগে বালু ভরাটের খরচও তাদেরই বহন করতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগী কৃষক আব্দুল কাদের জানান, তিস্তার ভাঙনে তার কয়েক বিঘা আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে তার বসতভিটাও ভাঙনের মুখে রয়েছে। তিনি বলেন, ‘পরিবার নিয়ে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি। আমরা আর সাময়িক ব্যবস্থা চাই না, দ্রুত স্থায়ী নদী শাসনের মাধ্যমে ভাঙন রোধের ব্যবস্থা চাই। তা না হলে আমাদের শেষ সম্বলটুকুও তিস্তা কেড়ে নেবে।’

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন যে, কোথাও ভাঙন দেখা দিলে প্রথমে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে কিছু সাপ্লাই বস্তা বা জিওব্যাগ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘এটি মূলত ফার্স্ট এইড বা তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাশ্রমের সহযোগিতায় এসব কাজ পরিচালিত হয়।’

তিনি আরো জানান, স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজের বিষয়ে কাজের গুরুত্ব নির্ধারণ, পরিকল্পনা প্রণয়ন, বরাদ্দ অনুমোদন এবং ঠিকাদার নিয়োগসহ কয়েকটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগে। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক ভাঙনরোধের ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি, প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ করে পর্যায়ক্রমে স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রতারণা মামলায় সময় টিভির সাবেক এমডির জামিন নামঞ্জুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


প্রতারণা মামলায় সময় টিভির সাবেক এমডির জামিন নামঞ্জুর

প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে করা মামলায়, সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেছেন।

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুরে, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাগিস্ট্রেট মো. রাকিবুল হাসান আসামিপক্ষের জামিন আবেদন নাকচ করে, এ আদেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আলমগীর হোসাইন জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, গত ১২ জুলাই একই মামলায় আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নাকচ করেছিলেন আদালত।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে আহমেদ জোবায়েরসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে গত ১০ মে আদালতে মামলাটি করেন সৈয়দ আসাদুজ্জামান। মামলা গ্রহণের দিনেই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারি করে ১৭ জুনের মধ্যে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

তবে নির্ধারিত দিনে আসামিরা উপস্থিত না হওয়ায়, বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরোয়ানা জারির পরদিন, ১৮ জুন আহমেদ জোবায়েরসহ চার আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জানান। ওই দিন, ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আহমেদ জোবায়েরের জামিন নামঞ্জুর করে, তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং অন্য তিন আসামির জামিন মঞ্জুর করেন।

জামিন পাওয়া অপর তিন আসামি হলেন— আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরী।

উল্লেখ্য, মামলায় পরোয়ানাভুক্ত অন্য দুই আসামি হলেন আহমেদ জোবায়েরের স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী এবং সন্তান সারাফ নাওয়ার জয়ীতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন হাজার উদ্যোক্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩০ পি.এম


সমন্বিত কৃষি প্রকল্পে মালিকানা পেলেন হাজার উদ্যোক্তা

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় ৩০ বিঘা জমির ওপর গড়ে ওঠা বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিটি ভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রজেক্ট ‘সুখের খামার এগ্রো ভিলেজ’- এর এক হাজার ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল বুঝিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার রাতে (২৫ জুলাই) রাজধানীর ধানমণ্ডিতে ম্যারিয়ট কনভেনশন হলে জমকালো আয়োজন ‘ফাউন্ডারস নাইট ২০২৬’- অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম সংশ্লিষ্টদের হাতে এই দলিল তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এমপি। আরও উপস্থিত ছিলেন সুখের খামারের চারজন সম্মানিত উপদেষ্টা, ৪০ সদস্যের অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য এবং গণমাধ্যম কর্মীরা।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সৃজনশীল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে বর্তমান সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, শুধু চাকরি নয়, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, প্রতিটি খাতের অগ্রগতি সরকার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সুখের খামারের মতো উদ্যোগের পাশে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সব সময় থাকবে। দেশের প্রতিটি পরিবারের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. তাসদীখ হাবীব বলেন, ‘ফাউন্ডাররা আমাদের কাছে বিনিয়োগকারী নন- তাঁরা মালিক, প্রতিষ্ঠাতা ও দাতা। তাঁদের আস্থার মর্যাদা রক্ষাই আমাদের প্রথম অঙ্গীকার।’

সুখের খামার এগ্রো লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জোবায়ের ইসলাম অনুষ্ঠানে বর্তমান সময়ে এগ্রো ভিলেজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘আমরা শুধু একটি খামার বা রিসোর্ট গড়ছি না - আমরা এমন একটি মডেল গড়ছি যা ব্যবসার পাশাপাশি একটি গ্রামকে বদলে দেয়। আজকের এই আয়োজন প্রমাণ করল, হাজারো মানুষ সেই স্বপ্নে বিশ্বাস রাখেন।’

এদিকে প্রকল্পের দৃশ্যমান অগ্রগতি ও সম্পদমূল্য বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় সুখের খামার এগ্রো ভিলেজের প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে জুলাই ২০২৬ থেকে ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার মাত্র দেড় বছরের মধ্যে এই মূল্যবৃদ্ধি প্রাথমিক অংশীদারদের আস্থার প্রতিদান বলে উল্লেখ করেন আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্বে প্রত্যেক ফাউন্ডিং শেয়ারহোল্ডারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় তাঁদের জমির দলিল, শেয়ার সনদ, চুক্তিপত্র এবং সুখের খামার ফাউন্ডেশনের লাইফটাইম মেম্বারশিপ সনদ।

আয়োজকরা জানান, শরীয়াহভিত্তিক মুশারাকা পদ্ধতিতে পরিচালিত এই প্রকল্পে প্রতিটি অংশীদার সাফ কবলা দলিলে জমিসহ খামার ও রিসোর্টের আইনি মালিকানা পাচ্ছেন — যা বাংলাদেশে এ ধরনের উদ্যোগে নজিরবিহীন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত দেড় বছরে পূর্ণাঙ্গ রিসোর্ট চালুর আগেই প্রকল্পটি পরিদর্শন করেছেন দুই হাজারের বেশি অতিথি, রাত্রিযাপন করেছেন নয় শতাধিক, এসেছেন সাতজন বিদেশি ভ্রমণকারী। প্রকল্পের মাধ্যমে বাগইল গ্রামে যুক্ত হয়েছে এক কোটি টাকার নতুন অর্থনীতি, কর্মসংস্থান হয়েছে ৪০ জনের, ‘সুখের হাসি’ প্রকল্পে স্বাবলম্বী হয়েছেন ১০ জন নারী। সামনে রয়েছে ১০০ রুমের আন্তর্জাতিক মানের এগ্রো রিসোর্ট, জামে মসজিদ ও হাফিজিয়া এতিমখানা মাদ্রাসা নির্মাণের কর্মসূচিও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ

বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে গেট কারপাসের সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা গেট কারপাস না করার ফলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটেছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, পূর্বে অতীতে আমরা কোনো অবৈধ মালামালের দায়ভার না নিয়ে ভারতীয় আমদানীকৃত পণ্যবাহী ট্রাকের কারপাস (গেটপাস) দিয়ে গ্রহণ করে আসছিলাম। তবে, গত শনিবার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হঠাৎ একটি নির্দেশনা জারি করেন, যার মাধ্যমে স্ব-স্ব সিএন্ডএফ এজেন্টের কর্মচারীদের দায়িত্ব নিয়ে ভারতীয় আমদানীকৃত পণ্যবাহী ট্রাক গ্রহণ করতে হবে। সেই ট্রাকে যদি কোনো অবৈধ মালামাল থাকে, সেক্ষেত্রে সিএন্ডএফ প্রতিনিধিকে দায়ভার নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ কোনো দায়ভার নিতে রাজি হয়নি।

তিনি আরও বলেন, দায়ভার না নেওয়ার শর্তে সিঅ্যান্ডএফের পক্ষ থেকে আমরা কোনো গেট পাস ইস্যু করছি না। তার ফলে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ হয়ে গেছে।

বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা নিয়মিত বাংলাদেশে মালামাল রপ্তানি করে। তারা পণ্যের ভেতরে কী রয়েছে তা ভালোভাবে জানেন। ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা যদি পথে কোনো অবৈধ মালামাল তুলেন, তাহলে সেই দায়ভার কোনো সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট বা স্টাফরা নিতে পারে না। কাস্টমসের এমন সিদ্ধান্তের জন্য বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানিয়েছেন, কারপাসের জটিলতার কারণে শনিবার থেকে বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য স্থগিত রয়েছে। তবে, রপ্তানি ও চেকপোস্টের মাধ্যমে পাসপোর্ট যাত্রীদের পারাপার কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%