ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জরুরি বৈঠক মক্কায়


সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জরুরি বৈঠক মক্কায়

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা প্রদান করার লক্ষ্যে এক জরুরি বৈঠকে বসতে চলেছেন সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের চিফ অব স্টাফেরা। ইয়েমেন থেকে নতুন করে ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়ার পর এই উদ্যোগ যৌথভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।

সৌদি প্রেস এজেন্সি জানায়, নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে যৌথ সিদ্ধান্তের কথা জানান সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ, পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তবে, তিন দেশের সামরিক প্রধানদের বৈঠকটি কবে অনুষ্ঠিত হবে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মক্কাসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন বেসামরিক ও অর্থনৈতিক স্থাপনার বিরুদ্ধে পরিচালিত সাম্প্রতিক হামলাগুলোর তীব্র নিন্দা জানান। নেতারা একই সঙ্গে জাতিসংঘের সনদের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সৌদি আরবের আত্মরক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: ইসরাইলের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশ, ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ

এর আগে চলতি বছরের ৭ আগস্ট যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে এই তিন দেশ। ন্যাটোর ধাঁচে গঠিত এই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা জোটভুক্ত বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য, চুক্তির পর থেকেই তা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখছে মিত্র দেশগুলো। গত ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সামরিক প্রধানদের উপস্থিতিতে গঠিত হয় ‘কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটি’। এতে সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় স্থাপনসহ কৌশলগত সহায়তা জোরদারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তায়েফ ও ইয়ানবুর দিকে ছুড়ে মারা ৬টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চবির হলে ভোরের নীরবতায় মায়া হরিণের দেখা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


চবির হলে ভোরের নীরবতায় মায়া হরিণের দেখা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস, যা পাহাড়, ঝরনা এবং সবুজের নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ঘেরা, সেখানে ভোরের নীরবতায় একটি মায়া হরিণের দেখা মিলেছে। ক্যাম্পাসের জীববৈচিত্র্যের এক অনন্য দৃশ্য হিসেবে হরিণটির এই বিচরণ এক শিক্ষার্থীর ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোর পৌনে ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলের খোলা উঠোনে হরিণটিকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। হলটির বাসিন্দা ও হল সংসদের নির্বাহী সদস্য উম্মে হাবিবা দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি করেছেন।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে উম্মে হাবিবা বলেন, "সকাল ৬টার দিকে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ দূরে হরিণের মতো একটি প্রাণী চোখে পড়ে। তবে তখনো স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। প্রাণীটি কিছু একটা খাচ্ছিল। প্রথমে মনে হয়েছিল কুকুর কিংবা বুনো ছাগল। পরে তার মাথা ওঠানো-নামানোর ধরন দেখে বুঝতে পারি, এটি সম্ভবত একটি হরিণ। এরপর কৌতূহল সামলাতে না পেরে হলের চতুর্থ তলা থেকে দ্রুত নিচে নেমে যাই।"

নিচে নেমে হরিণটিকে আরও কাছ থেকে দেখতে পান তিনি। সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিয়ে উম্মে হাবিবা বলেন, "নিচে গিয়ে দেখি, মাঝারি আকৃতির একটি মায়া হরিণ দূরের ঝোপঝাড়ের পাশে দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখে সেটি ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে। কিছুক্ষণ সে আমার দিকে অপলক তাকিয়ে ছিল। মুহূর্তটি এতটাই বিস্ময়কর ছিল যে, আমিও স্থির হয়ে গিয়েছিলাম।"

কিছুক্ষণ পর হরিণটি আবার পাহাড়ের দিকে চলে যায়। উম্মে হাবিবা বলেন, "এরপর হঠাৎ কী ভেবে যেন দৌড়ে পাহাড়ের দিকে চলে যায়। এত কাছ থেকে তাকে দেখেছি যে, আমার দিকে এগিয়ে আসা ও তাকিয়ে থাকার ভঙ্গি দেখে একসময় আমিই কিছুটা ভয় পেয়ে আর সামনে এগোতে পারিনি।"

ঘটনাটিকে বিশ্ববিদ্যালয়জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "ক্যাম্পাস জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় দৃশ্যগুলোর একটি হয়ে থাকবে এই মুহূর্তটি। মাঝে মাঝে ভাবি, ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় হয়েছে, অথচ চোখে পড়ার মতো তেমন কিছুই তো দেখলাম না। হয়তো আল্লাহ আমার সেই আক্ষেপটুকুও কবুল করে নিয়েছেন।"

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিস্তৃত পাহাড়ি ও বনাঞ্চলে বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর আবাস রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এসব প্রাণীর আবাস ও বিচরণস্থল নিরাপদ রাখা জরুরি।

চবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক ড. ফরিদ আহসান বলেন, "জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। হরিণগুলোর বিচরণস্থল অবাধ ও নিরাপদ রাখতে হবে। বিকেলে ক্যাম্পাসের গহিনে প্রাণীদের চলাচলের এলাকায় হাঁটাহাঁটি করা যাবে না।"

ক্যাম্পাসে আগে বিভিন্ন সময়ে মায়া হরিণের দেখা মিললেও বর্তমানে লোকালয়ের কাছাকাছি তাদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম চোখে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে হরিণসহ বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আবাসস্থল ও চলাচলের পথ রক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় রিভলবার ও ৪১ রাউন্ড গুলিসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


খুলনায় রিভলবার ও ৪১ রাউন্ড গুলিসহ দুই সন্ত্রাসী গ্রেফতার

খুলনা, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : মহানগরীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১টি রিভলবার এবং ৪১ রাউন্ড তাজা গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী রফিক বাহিনীর দুই সক্রিয় সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে।

শুক্রবার সকালে কেএমপি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার (খুলনা জোন) মো. শফিকুল ইসলাম এবং খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেনের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল এই অভিযানটি সম্পন্ন করে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে সালাউদ্দিন আহমেদ (২৯) এবং আবিদ হাসান রানা (৩৮) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পুলিশের সূত্র অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশের একটি দল লবণচরা থানার ৪নং ওয়ার্ডের মধ্য হরিণটানা এলাকায় অভিযান চালায়। সকাল আনুমানিক পৌনে ৭টার দিকে আবিদ হাসান রানার বাসার একটি কক্ষের বিছানার নিচ থেকে তল্লাশি করে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে ১টি রিভলবার, ১টি রিভলবারের কার্তুজ, ১৬টি পিস্তলের কার্তুজ এবং ২৪টি শর্টগানের তাজা কার্তুজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা খুলনা অঞ্চলের শীর্ষ সন্ত্রাসী রফিক বাহিনীর সক্রিয় সহযোগী হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়েছে। তারা দীর্ঘ সময় ধরে খুলনা মহানগরীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য নিজেদের সহযোগীদের অস্ত্র ও গুলি সরবরাহ করে আসছিল।

এ ঘটনায় খুলনা সদর থানায় সংশ্লিষ্ট অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

অভিযান সম্পর্কে সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বাসসকে জানান, অপরাধী যতই সংঘবদ্ধ বা পরিকল্পিত হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ বদ্ধপরিকর।

এ ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য সহযোগী ও ইন্ধনদাতাদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিএলে আট বিভাগের স্কোয়াড ঘোষণা, অধিনায়ক যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


এনসিএলে আট বিভাগের স্কোয়াড ঘোষণা, অধিনায়ক যারা

জাতীয় ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) এর ২৮তম সংস্করণ আগামী ৩ অক্টোবর মাঠে গড়াবে। নতুন মৌসুমে আটটি বিভাগীয় দলের স্কোয়াড চূড়ান্ত করা হয়েছে। জাতীয় দলের হয়ে খেলা এবং বর্তমানে জাতীয় দলের আশপাশে থাকা একাধিক ক্রিকেটারদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে এসব দল।

খুলনা বিভাগের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মোহাম্মদ মিঠুন। তার দলে রয়েছেন জাতীয় দলের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয়, নুরুল হাসান সোহান ও আফিফ হোসেন ধ্রুব। মিঠুন, বিজয় ও সোহানের পাশাপাশি দলে আছেন ইমরানুরজ্জামান, আজিজুল হাকিম তামিম এবং নাহিদুল ইসলামদের মতো পরিচিত মুখ।

ঢাকা বিভাগের নেতৃত্ব দেবেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। তার দলে জাতীয় দলের হয়ে খেলা নাঈম শেখ ও জিসান আলম অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। উইকেটের পেছনে অঙ্কনের সঙ্গে থাকবেন আশিকুর রহমান শিবলী।

চট্টগ্রাম বিভাগেও জাতীয় দলের পরিচিত মুখের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শাহাদাত হোসেন, মাহমুদুল হাসান জয় এবং শামীম হোসেন পাটোয়ারীর মতো ব্যাটাররা এই দলে রয়েছেন। উইকেটরক্ষক হিসেবে আছেন ইরফান শুক্কুর ও সাব্বির হোসেন সিকদার। দলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল ইয়াসির আলী রাব্বির, তবে জাতীয় দলের সঙ্গে থাকার কারণে তিনি শুরুর কিছু ম্যাচ খেলতে পারছেন না।

সিলেটের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাকির হাসান। তার দলে রয়েছেন অমিত হাসান, তৌহিদুল ইসলাম ফেরদৌস, আশরাফুল হাসান রিয়াদ এবং নাবিল সামাদ। রংপুরকে নেতৃত্ব দেবেন আকবর আলী। তার দলে ব্যাটার হিসেবে রয়েছেন অনিক সরকার সেতু, জাহিদ জাভেদ ও নবিন ইসলাম।

ময়মনসিংহের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন রকিবুল হাসান। এই দলে জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমান পর্যায়ের পরিচিত ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত এবং মুনিম শাহরিয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

রাজশাহীর নেতৃত্বে থাকবেন প্রীতম কুমার। এই দলে অভিজ্ঞ সাব্বির রহমান রুম্মান ও সানজামুল ইসলাম রয়েছেন। বরিশালের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইফতেখার হোসেন ইফতি।

এবারের এনসিএলে আট বিভাগীয় দল একে অপরের বিরুদ্ধে সাতটি করে ম্যাচ খেলবে। চার দিনের এই প্রতিযোগিতায় মোট ২৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে সাত রাউন্ডে। ৩ অক্টোবর শুরু হয়ে আসরের শেষ রাউন্ড অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর। উদ্বোধনী রাউন্ডে খুলনা খেলবে বরিশালের বিপক্ষে, চট্টগ্রাম মুখোমুখি হবে রাজশাহীর, সিলেট খেলবে ময়মনসিংহের বিপক্ষে এবং বর্তমান রংপুরের প্রতিপক্ষ ঢাকা।

বরিশাল বিভাগ

অধিনায়ক: ইফতেখার হোসেন ইফতি

স্কোয়াড: ইফতেখার হোসেন ইফতি, জাওয়াদ আবরার, মোঃ রাফসান আল মাহমুদ, মোহাম্মদ সালমান হোসেন ইমন, অভি আহমেদ নোবেল, হাফিজুর রহমান, আব্দুল্লাহ শিফাত, মোঃ শামসুল ইসলাম অনিক, মোঃ তানভীর ইসলাম, মঈন খান , মইনুল ইসলাম, মোজাম্মেল হাসান শাকিল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, মোঃ শহিদুল ইসলাম ও রুয়েল মিয়া।

চট্টগ্রাম বিভাগ

অধিনায়ক: ইরফান শুক্কর

স্কোয়াড: ইরফান শুক্কুর, শাহাদাত হোসেন, মাহমুদুল হাসান জয়, সাদিকুর রহমান, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, তাসামুল হক, সাব্বির হোসেন সিকদার,

হাসান মুরাদ, আশরাফুল হাসান রোহান, মোঃ রুবেল, আহমেদ শরীফ, ফাহাদ হোসেন, ইরফান হোসেন, এনামুল হক আশিক ও মোঃ শাহ পরান সোহেল।

ঢাকা বিভাগ

অধিনায়ক: মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন

স্কোয়াড: মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন, জিসান আলম, মোঃ মার্শাল আইয়ুব ও নাঈম শেখ, আশিকুর রহমান শিবলী, আরিফ আহমেদ, তৈবুর রহমান পারভেজ, মোঃ ইয়াসিন হোসেন , আমিনুল ইসলাম বিপ্লব, মোঃ এনামুল হক, মোঃ সুমন খান, আনিসুল ইসলাম ইমন, সালাউদ্দিন শাকিল, রিপন মন্ডল ও তৌফিক আহমেদ।

খুলনা বিভাগ

অধিনায়ক: মোহাম্মদ মিঠুন

স্কোয়াড: মোহাম্মদ মিঠুন, এনামুল হক বিজয়, নুরুল হাসান সোহান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আজিজুল হাকিম তামিম, কালাম সিদ্দিকী এলিন, সামিউন বাশির রাতুল, ইমরানুজ্জামান, নাহিদুল ইসলাম, শেখ পারভেজ জীবন, টিপু সুলতান, রাকিব হাওলাদার, সফর আলী, আব্দুল হালিম ও মেহেদী হাসান রানা।

ময়মনসিংহ বিভাগ

অধিনায়ক: রকিবুল হাসান

স্কোয়াড: রকিবুল হাসান, আব্দুল মজিদ, মোঃ ফাহিম, রনি চৌধুরী, মোঃ আল আমিন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মুনিম শাহরিয়ার, খালিদ হাসান, মোঃ মাহফিজুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম, আরিফুল হাকিম রনি, আবু হায়দার রনি, আসাদুল্লাহ হিল গালিব, মোঃ আল আমিন হোসেন ও রিজান হোসেন।

রাজশাহী বিভাগ

অধিনায়ক: প্রীতম কুমার

স্কোয়াড: প্রীতম কুমার, সাব্বির রহমান রুম্মান, মেহেরব হাসান অহিন, হাবিবুর রহমান সোহান, সাব্বির হোসেন, নাঈম আহমেদ, শাখীর হোসেন শুভ্র, সানজামুল ইসলাম, নিহাদুজ্জামান, ওয়াসি সিদ্দিক, রহিম, একরামুজ্জামান, শফিকুল ইসলাম, আলী মোহাম্মদ ওয়ালিদ ও মোহর শেখ অন্তর।

রংপুর বিভাগ

অধিনায়ক: আকবর আলী

স্কোয়াড: আকবর আলী, অনিক সরকার সেতু, জাহিদ জাভেদ, নোবিন ইসলাম ,আলাউদ্দিন বাবু, মিম মোসাদ্দেক, আবু হাসিম, স্বাধীন ইসলাম, ইকবাল হোসেন, মাহমুদুল হাসান লিমন , হাসিবুল হোসেন সিয়াম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেহেদী হাসান, চৌধুরী মোঃ রিজওয়ান ও শাহরিয়ার আল আমিন।

সিলেট বিভাগ

অধিনায়ক: জাকির হাসান

স্কোয়াড: জাকির হাসান, অমিত হাসান, তৌহিদুল ইসলাম ফেরদৌস, আশরাফুল হাসান রিয়াদ, মুবিন আহমেদ দিশান, সৈকত আলী, মোঃ তানভীর হোসেন সজীব, আসাদুল্লাহ আল গালিব, শাহানুর রহমান, নাঈম আহমেদ, নাবিল সামাদ, নাঈম হোসেন সাকিব, তোফায়েল আহমেদ রায়হান, মহিউদ্দিন তারেক ও অনিক দেববর্মা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাবনার মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঘুমন্ত ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


পাবনার মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঘুমন্ত ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে গ্রেপ্তার

পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের জামিয়া ফারুকিয়া মাদরাসার আবাসিক এক ছাত্রের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে শিক্ষককে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগীর মা পাবনা সদর থানায় ৯(খ) ধারায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

 

অভিযুক্ত শিক্ষক আক্তারুজ্জামান জামিয়া ফারুকিয়া মাদরাসার শিক্ষক। তিনি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার গফুর বিশ্বাসের ছেলে। ভুক্তভোগী ছাত্রের বাড়ি পাবনা সদর উপজেলার মালিগাছা ইউনিয়নের মনিদহ গ্রামে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্প্রতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে নুরানী শ্রেণিতে পড়া ছাত্রকে ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে মাদ্রাসার টিনশেড ঘরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন শিক্ষক আক্তারুজ্জামান। ঘটনাটি জানাজানি হলে বৃহস্প্রতিবার বিকেলে এলাকার লোকজন মাদরাসা শিক্ষকের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা আসামীকে মারপিট করে। ঘটনার পর পুলিশকে খবর দিলে পাবনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আসামি শিক্ষককে হেফাজতে নেয়।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, পাবনা সদর থানার ভজেন্দ্রপুরে জামিয়া ফারুকিয়া মাদরাসায় আবাসিক অবস্থায় নুরানী শ্রেণির ভুক্তভোগী ছাত্র উক্ত মাদরাসার শিক্ষক আক্তারুজ্জামানের দ্বারা নির্যাতিত হন। বেশ কিছুদিন ধরে আক্তারুজ্জামান মাদরাসায় ওই ছাত্রসহ অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ২টার দিকে নাবালক ছেলেকে ঘুম থেকে ডেকে একতলা বিশিষ্ট টিনশেড কক্ষে কাপড়ের পর্দা দ্বারা ঘেরাও করে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে কাউকে কিছু না জানানোর জন্য তিনি হুমকিও দেন। পরে ওই ছাত্র শিক্ষকের কাছে বিষয়টি জানালে ঘটনা প্রকাশ পায়।

ভূক্তভোগীর বাবা মেহেদী হাসান জিল্লুর বলেন, "আমি এই নরপশুর ন্যায় বিচার চাই। এমন বিচার চাই যাতে আর কোন মাদ্রাসা শিক্ষক এমন ঘটনা না ঘটানোর সাহস পায়।"

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জলেহাজতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%