ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে


সরকার পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে

সরকার তৈরি পোশাক শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের জন্য নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যেই এ বোর্ড গঠন করা হতে পারে।

গত সপ্তাহে সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, শ্রমসচিব মো. আবদুর রহমান তরফদার, তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান এবং নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শ্রমসচিব মো. আবদুর রহমান তরফদার জানান, "তৈরি পোশাকশিল্পে মজুরি পুনর্নির্ধারণের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া আমরা শুরু করেছি। প্রথমেই মালিক ও শ্রমিকপক্ষের কাছে তাদের প্রতিনিধির নাম চাওয়া হবে। তারপরই মজুরি বোর্ডের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।"

আরও পড়ুন: রূপপুরের জন্য ৪১ টন পারমাণবিক জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় রাশিয়ার বিমান

তিনি আরও বলেন, মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধির নাম সংগ্রহ করা হলে চলতি মাসেই মজুরি বোর্ড গঠন করা সম্ভব হবে।

সম্প্রতি শ্রম আইন সংশোধন করে শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময়কাল পাঁচ বছর থেকে তিন বছর করা হয়েছে। তৈরি পোশাক শ্রমিকদের সর্বশেষ ন্যূনতম মজুরি ২০২৩ সালের নভেম্বরে ঘোষণা করা হয়েছিল, যা ওই বছরের ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। আগামী নভেম্বরে এই মজুরির তিন বছর পূর্ণ হবে।

তবে নতুন আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে তিন বছরের গণনা হবে, নাকি আগের মজুরি ঘোষণার সময় থেকে—এ বিষয়ে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। শ্রমিকনেতারা দাবি করছেন, আইন অনুযায়ী চলতি বছরেই নতুন মজুরিকাঠামো নির্ধারণ করা উচিত। অন্যদিকে, মালিকপক্ষের নেতাদের বক্তব্য, আইন পাস হওয়ার পর থেকেই তিন বছরের সময় গণনা করা উচিত।

শ্রমসচিব মো. আবদুর রহমান তরফদার বলেন, বিষয়টি মালিক, শ্রমিক ও সরকারের শ্রমসংক্রান্ত কারিগরি কমিটির সভায় চূড়ান্ত করা হবে। যদি সেখানে সমাধান না হয়, তাহলে জাতীয় ত্রিপক্ষীয় পরামর্শ পরিষদের (টিসিসি) সভায় বিষয়টি উত্থাপন করা হবে। সেখানেও সিদ্ধান্ত না হলে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্ট সম্পন্ন

২০২৩ সালে তৈরি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়, যার ফলে মজুরি বেড়েছিল ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। ওই সময়ের মজুরিকাঠামোয় সাতটি গ্রেড কমিয়ে পাঁচটি গ্রেড করা হয়েছিল।

মজুরি পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, "উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবি যৌক্তিক। তবে বাড়তি মজুরি দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি পোশাক কারখানাগুলোর রয়েছে কি না, সেটিও বিবেচনায় নিতে হবে।"

তিনি আরও বলেন, "বর্তমান মজুরিকাঠামোতেই অনেক কারখানা টিকতে না পেরে বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন করে মজুরি বাড়ানো হলে পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে।

আরও পড়ুন: যৌতুকের জন্য স্ত্রী-কন্যা হত্যা মামলায় আবদুর রউফ সরদারের মৃত্যুদণ্ড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইইএ জ্বালানি ব্যয় কমাতে ১০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়বে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


আইইএ জ্বালানি ব্যয় কমাতে ১০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়বে

হরমুজ প্রণালির বন্ধ থাকার কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সদস্য দেশগুলো জরুরি মজুদ থেকে দ্রুত তেল ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এর ফলে বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

আইইএর নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল জানিয়েছেন, সদস্য দেশগুলো ২০২৬ সালের মার্চে গৃহীত যৌথ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই সিদ্ধান্তের আওতায়, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সরবরাহ সংকট মোকাবেলায় জরুরি মজুদ থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি জি-৭ দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করেন যাতে তারা জ্বালানির বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি করে। তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, যদি জি-৭ দেশগুলো বাজারে জ্বালানি সরবরাহ না বাড়ায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করতে পারে। এর পরবর্তী সময়ে, আগামী শুক্রবার জি-৭ প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

একটি বিবৃতিতে ফাতিহ বিরোল জানান, যৌথ সিদ্ধান্তের আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় ৩২ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ানো হয়েছে। প্রতিশ্রুত কিন্তু এখনও বাজারে আসা মজুদের সম্পূর্ণ পরিমাণ ছাড়লে, আরও প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, আইইএর কিছু সদস্য দেশ প্রাথমিকভাবে যে পরিমাণ তেল ছাড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার চেয়ে বেশি তেল বাজারে ছেড়েছে। বর্তমানে আইইএভুক্ত দেশগুলোর সরকারি জরুরি তেল মজুদের পরিমাণ প্রায় ১১০ কোটি ব্যারেল, যার মধ্যে ২০ কোটিরও বেশি ব্যারেল ডিজেল রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে আশ্বিনা ঝড়ে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত দোকান ও স্থাপনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


ময়মনসিংহে আশ্বিনা ঝড়ে তাণ্ডব, ক্ষতিগ্রস্ত দোকান ও স্থাপনা

ময়মনসিংহ-ঢাকা বাইপাস সড়কের বিভিন্ন স্থানে আশ্বিন মাসের আকস্মিক ঝড় তাণ্ডব চালিয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে হঠাৎ করে ঝোড়ো বাতাস শুরু হলে সড়কের পাশের বেশ কিছু দোকান ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝোড়ো বাতাসের কারণে দোকান ও বিভিন্ন স্থাপনার ভাঙা অংশ উড়ে এসে সড়ক ও চলন্ত যানবাহনের ওপর পড়তে থাকে। এর ফলে কিছু যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, দুপুরের দিকে হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে প্রবল বেগে ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে ধুলাবালিতে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে পুরো বাইপাস এলাকা। তীব্র বাতাসের কারণে সড়কের পাশের দোকানপাট ও বিভিন্ন স্থাপনার অংশ উড়ে এসে বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনের ওপর পড়ে।

প্রবল বাতাস এবং ধুলাবালির কারণে সড়কে দৃষ্টিসীমা কমে যায়। এ সময় চালকদের সতর্কতার সঙ্গে যানবাহন চালাতে দেখা যায়। ঝড়ের তাণ্ডবে সড়কের পাশে থাকা কয়েকটি যানবাহনও আটকা পড়ে। আলম এশিয়া পরিবহনের বাসচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘হঠাৎ করেই আকাশ কালো হয়ে ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই সড়কের আশপাশের পরিবেশ বদলে যায়।’

ঝড়ের পর সড়কে পড়ে থাকা দোকানের ভাঙা অংশ, গাছের ডালপালা এবং আবর্জনা সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম বলেন, ‘ঝড়ের বিষয়ে আমার জানা নেই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালতের রায়ে ভারতীয় স্বামীর কাছে ফেরা হচ্ছে না বাংলাদেশি স্ত্রী শ্রাবন্তীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


আদালতের রায়ে ভারতীয় স্বামীর কাছে ফেরা হচ্ছে না বাংলাদেশি স্ত্রী শ্রাবন্তীর

কলকাতা হাইকোর্ট ভারতীয় নাগরিকের সাথে বিবাহিত এক বাংলাদেশি নারীর ভারতে প্রবেশে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে বহাল রেখেছে। আদালত জানিয়েছে, বৈধ ভিসা থাকা সত্ত্বেও ওই নারীর জালিয়াতির মাধ্যমে ভারতীয় কাগজপত্র তৈরি করার কারণে কর্তৃপক্ষের গৃহীত পদক্ষেপ সঠিক ছিল।

আজ বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৪) বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রদীপ বোসের দায়ের করা পিটিশনটি খারিজ করে দেন। পিটিশনে প্রদীপ বোস আদালতের কাছে তার স্ত্রীকে ভারতে প্রবেশ এবং তার সাথে থাকার অনুমতি দেওয়ার জন্য নির্দেশনা চেয়েছিলেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রদীপ বোস গত ৫ সেপ্টেম্বর কর্তৃপক্ষের কাছে তার স্ত্রী এবং নাবালক সন্তানের ভারতে প্রবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন। পরে তিনি অভিযোগ করেন যে, অভিবাসন কর্তৃপক্ষ কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ দেখায়নি এবং তার স্ত্রী শ্রাবন্তী চৌধুরীকে ভারতে প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে।

মামলার নথিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শ্রাবন্তী চৌধুরী প্রদীপ বোসের স্ত্রী হিসেবে 'মাল্টিপল-এন্ট্রি এক্স-ওয়ান' ভিসায় ভারতে নিয়মিত যাতায়াত করতেন। তার সর্বশেষ ভিসাটি ২০২৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর প্রদান করা হয়েছিল, যার মেয়াদ চলতি বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছিল। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে তিনি বাংলাদেশে আসেন এবং গত ২৩ আগস্ট ভারতে ফেরার সময় অভিবাসন সংক্রান্ত বিধিনিষেধের কারণে তাকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

আদালতে ফরেনার্স রেজিস্ট্রেশন অফিসের (এফআরও) দাখিল করা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, শ্রাবন্তী চৌধুরী একজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তার পাসপোর্টের মেয়াদ ২০২৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তবে তিনি জালিয়াতি ও অসদুপায় অবলম্বন করে ভারতের 'ভোটার কার্ড' ও 'প্যান কার্ড' তৈরি করেছেন।

কর্তৃপক্ষের আইনজীবী আদালতকে জানান, এসব জাল নথি তৈরির কারণে ওই নারীকে ভারতে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়েছে। 'ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাক্ট, ২০২৫'-এর বিধান অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষের ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পূর্ণ অধিকার রয়েছে।

শুনানি শেষে কলকাতা হাইকোর্ট প্রদীপ বোসের দায়ের করা রিট আবেদনটি খারিজ করে দেয়। আদালত রায় দেয় যে, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ওই নারীর ভারতে প্রবেশে বাধা দিয়ে কোনো ভুল করেনি এবং তাদের সিদ্ধান্ত আইনানুগ। এর মাধ্যমে প্রদীপ বোসের স্ত্রীকে ভারতে ফিরিয়ে আনার আইনি প্রচেষ্টা সমাপ্ত হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিমান ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি করল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৩৯ পি.এম


বিমান ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি করল

সরকার এবার ইউরোপের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং এয়ারবাসের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর রেডিসন ব্লু হোটেলে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

‘স্প্রেডিং আওয়ার উইংস টুগেদার’ শীর্ষক এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর জার্গেন ওয়েস্টারমেয়ার উভয়েই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন মন্তব্য করেন, ‘আমরা আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে বিমানের সেবা আরো উন্নত করব। গ্রাহকরা যাতে বিশ্বমানের সেবা পেয়ে বিমানকে বেছে নেন সেই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কাইজার সোহেল আহমেদ বলেন, ‘আজ বিমান একটি মাইলফলক অর্জন করছে। বিমানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছি। এটা আমাদের দক্ষতা বৃদ্ধি, টেকসই বাজার সম্প্রসারণে বড় ভূমিকা রাখবে এবং এই চুক্তি ইউরোপ-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করবে।’

এয়ারবাস সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ইওগাস ক্রিস্টিমায়ার বলেন, ‘আজকের এই চুক্তি শুধু একটি বাণিজ্যিক চুক্তি নয়, বাংলাদেশ এভিয়েশন নেশন হিসেবে নতুন যাত্রা শুরু করল। এয়ারবাস বিমানের ফ্লিট মডার্নাইজেশনে পার্টনার হতে পেরে আমরা গর্বিত।’

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চুক্তিটিতে চারটি ওয়াইড বডি ‘এ৩৫০-৯০০’ এবং ছয়টি ন্যারো বডি ‘এ৩২১নিও’ জেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এয়ারবাসের উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ ২০৩৩ থেকে ২০৩৭ সালের মধ্যে শুরু হতে পারে, তবে সরকার চায় তা ২০৩০ সালের আগেই শুরু হোক।

এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তির আগে, বোয়িং থেকে আরো ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বিমান। চলতি বছর দুই দফায় মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

গত ৩০ এপ্রিল প্রথম দফায় প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলারে (৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা) ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়। এর মধ্যে রয়েছে আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ও চারটি ৭৩৭-৮।

দ্বিতীয় দফায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে আরো ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এর মধ্যে পাঁচটি ৭৮৭-১০ ও ছয়টি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জানায়, বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ আসা শুরু হতে পারে ২০৩১ সালে। এই প্রতিষ্ঠানের সব উড়োজাহাজ পেতে ১১ থেকে ১২ বছর লাগবে।

বর্তমানে বিমানের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি বোয়িং ও পাঁচটি ড্যাশ-৮। তবে, বহরের দুটি উড়োজাহাজ প্রায় অচল হয়ে পড়ার অবস্থায় রয়েছে। বাকি ১৭টিও আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বহর থেকে বাদ পড়বে। এ কারণে তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটাতে আরো ১০টি উড়োজাহাজ ভাড়া (লিজ) নেওয়ার চেষ্টা করছে বিমান। একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও এখনো কোনো উড়োজাহাজ ভাড়া নিতে পারেনি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থাটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%