০৬:২০ পি.এম
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন যে, সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা এবং হতাহতদের সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। আজ, কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারী দলের সদস্য মো. আবুল কালামের টেবিলে উত্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।
মন্ত্রী আরও জানান, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ধারা-৪৪-এর উপধারা-১ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ এর বিধি-১২৫-এর উপবিধি-৪-এর প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) গত ৭ মে, ২০২৪ তারিখে সড়ক ও মহাসড়কে মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য "মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা, ২০২৪" জারি করেছে।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানালেন, সড়ক-মহাসড়কে গতিসীমা মনিটরিং করার জন্য, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বিভিন্ন ব্যবস্থাসমূহ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্পীড লিমিট ও ট্রাফিক সাইন স্থাপন এবং সেগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ।
আরও পড়ুন: ফেনীতে পুলিশের অভিযানে ডাকাত ও কিশোর গ্যাংসহ ২৫ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ২২ পিস ইয়াবা
এছাড়াও, ট্রাফিক কালমিং (Traffic calming) ব্যবস্থা যেমন রামবেল স্ট্রিপ (Rumble Strip), স্পীড কন্টোল জোন, সার্ভিস লেন, মিডিয়ান এবং চ্যানেলাইজেশন গ্রহণ করা হয়েছে।
মহাসড়কে তথ্য প্রযুক্তি (আইটিএস) ব্যবহারের মাধ্যমে গতিসীমা লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অন্যান্য সংস্থার সাথে, যেমন বিআরটিএ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়পূর্বক গতিসীমা বাস্তবায়ন করা হবে।
সড়কের ধরন ও এলাকা বিবেচনায় উপযুক্ত গতিসীমা নির্ধারণে সুপারিশ প্রদান করা হবে। রোড সেফটি অডিট এবং ট্রাফিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ব্লাক স্পট শনাক্ত করা, অতিরিক্ত গতির কারণে ঝূকিপূর্ণ অংশগুলো বিশ্লেষণ করা হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আরও পড়ুন: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বিএনপির সংঘর্ষে ৮ জন আহত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন