ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অর্থের অভাবে কোনো সম্ভাবনাময় উদ্যোগ থেমে থাকবে না: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী


অর্থের অভাবে কোনো সম্ভাবনাময় উদ্যোগ থেমে থাকবে না: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, বাংলাদেশে মেধাবী উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবনী ধারণার অভাব নেই। আমরা একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সচেষ্ট রয়েছি, যেখানে অর্থের অভাবে কোনো সম্ভাবনাময় উদ্যোগ থেমে থাকবে না।

রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি টাওয়ারে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড আয়োজিত ফান্ড অব ফান্ডসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ফকির মাহবুব আনাম জানান, দক্ষতা, সুশাসন এবং পেশাদারিত্বকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ফান্ড অব ফান্ডস পরিচালনা করা হবে। স্টার্টআপ বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপে প্রায় ১১১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। কিন্তু মন্ত্রী মনে করেন যে, শুধু সরকারি অর্থায়নের উপর নির্ভর না করে বেসরকারি খাতকেও স্টার্টআপে বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে হবে।

আরও পড়ুন: ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে বিশেষ অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদন

তিনি উল্লেখ করেন, কেবল কাগজে-কলমে উদ্যোগ সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না, বাস্তবে কাজ করে এর সুফল নিশ্চিত করতে হবে। ফান্ড অব ফান্ডসের মাধ্যমে দেশে আরও বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক মূলধন আনার পাশাপাশি বাংলাদেশের স্টার্টআপগুলোকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরির বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

মন্ত্রী মনে করেন, বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডস আমাদের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের জন্য একটি গেম-চেঞ্জিং উদ্যোগ। এটি দেশের স্টার্টআপ খাতকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তারা প্রয়োজনীয় পুঁজি, দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। উদ্ভাবননির্ভর প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ মন্তব্য করেছেন, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও স্টার্টআপ খাত বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বহুমুখীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, শুধু অর্থায়ন নয়, স্টার্টআপদের মেন্টরশিপ, দক্ষতা, বাজারসংযোগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তাও প্রয়োজন। প্রস্তাবিত ফান্ড অব ফান্ডসের মাধ্যমে বিনিয়োগের পাশাপাশি এসব সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা ও আইনসম্মত মুনাফা ও মূলধন সহজে প্রত্যাবাসনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি উল্লেখ করেন যে, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি শক্তিশালী স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা সম্ভব।

আরও পড়ুন: পদত্যাগের নির্দেশের খবর গুজব, দাবি ইশরাক হোসেনের

সভাপতির বক্তব্যে মামুনুর রশীদ ভূঞা জানান, সরকার এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করতে চায়, যেখানে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও উদ্ভাবন স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হতে পারে। বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডস সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে এটি শুধু স্টার্টআপে বিনিয়োগই বাড়াবে না, বরং দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির জন্য একটি শক্তিশালী বিনিয়োগ অবকাঠামোও গড়ে তুলবে।

অনুষ্ঠানে স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই ফান্ডটির কাঠামো, বিনিয়োগ কৌশল, ফান্ড ম্যানেজার নির্বাচন প্রক্রিয়া, কো-ইনভেস্টমেন্ট ব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন। তিনি জানান, প্রস্তাবিত কাঠামোর আওতায় শক্তিশালী সুশাসন, পেশাদার ফান্ড ব্যবস্থাপনা ও বিশ্বাসযোগ্য বিনিয়োগ কৌশল সম্পন্ন নির্বাচিত দেশি ও আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ডে বিনিয়োগ করা হবে।

অনুষ্ঠানে Request for Expression of Interest (REOI) আহ্বানের মাধ্যমে যোগ্য ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড ম্যানেজারদের অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াও শুরু হয়।

গত এক দশকে বাংলাদেশের স্টার্টআপগুলো প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে, তবে এর মধ্যে স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের অংশ ছিল মাত্র প্রায় ৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডস এই বৈষম্য দূর করে স্থানীয় প্রাতিষ্ঠানিক মূলধন শক্তিশালী করা, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল শিল্পের বিকাশ এবং একটি টেকসই স্টার্টআপ অর্থায়ন কাঠামো গড়তে কাজ করবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের স্টার্টআপকে সহায়তা, স্থানীয় ফান্ড ম্যানেজারদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনার মানোন্নয়ন, জ্ঞান ও প্রযুক্তি স্থানান্তর, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশকে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও উদ্ভাবনের একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুদৃঢ় হবে।

আরও পড়ুন: ঢাকা রেসিডেনসিয়ালে ২৩ দেশের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সফল ডিআরএমসি বিজনেস সামিট

উল্লেখ্য, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আওতাধীন সরকারের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ফান্ড ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড (এসবিএল) বাংলাদেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে স্থানীয়, আন্তর্জাতিক ও উন্নয়ন সহযোগীদের বিনিয়োগ প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বেসরকারি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সরকার সমর্থিত ‘বাংলাদেশ ফান্ড অব ফান্ডস’-এর কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে এ তহবিলের আকার ৪০০ কোটি টাকা।

অনুষ্ঠানে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির প্রতিনিধি মরিকা ইয়োকো, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারী এবং ইকোসিস্টেমের সংশ্লিষ্ট অংশীজন উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহাম্মদপুরে বিশেষ অভিযানে ৩১ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


মোহাম্মদপুরে বিশেষ অভিযানে ৩১ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে পুলিশের মোহাম্মদপুর থানার অধীনে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) মোহাম্মদপুর থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। এই অভিযানের সময় নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামিসহ বিভিন্ন অপরাধে লিপ্ত ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—মো. সুজন (২০), মো. মাজাহারুল (২৮), মো. অমিত (২৫), মো. খালেক (৪৪), মো. জসিম উদ্দিন (৩৪), রনি, মো. নয়ন, মো. সাইদুল ইসলাম (২২), মো. আলমগীর (৩৮), মো. আরিফ হোসেন (৩০), মো. আজিজুল ইসলাম (২৬), আরাফাত (২০), মিরাজুল ইসলাম (২৪), মোহাম্মদ রুবেল (৩৮), মো. হেজু (২০), মো. আ. মোতালেব (৩৮), মো. শাহারিয়া শাহরিয়ার (২২), মো. নাজমুল হোসেন (২৬), মো. আকতার হোসেন (৪১), রমজান (২৬), মো. হাসান (২০), মো. সুজন হাওলাদার (৩৬), মো. সাইদি হোসেন আপন (৩৯), মো. তারেক (২০), হৃদয় (২৪), মো. মোরছালিন (২২), মাহফুজ (১৮), মো. সুজন (১৯), মো. আল-আমিন (৩২), মো. মিঠু (১৯) ও রুমানা বেগম (৪৪)।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামি এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরাও।

আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পর গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান-চীনকে মোকাবিলায় ৬ সাবমেরিন কিনছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১০ পি.এম


পাকিস্তান-চীনকে মোকাবিলায় ৬ সাবমেরিন কিনছে ভারত

ভারত পাকিস্তান ও চীনকে মোকাবিলা করার উদ্দেশ্যে জার্মানির কাছ থেকে ৬টি ভয়ংকর সাবমেরিন কিনতে যাচ্ছে। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে কার্যকর থাকার জন্য এই সাবমেরিনগুলো কেনার জন্য প্রাথমিক বাজেট ৭০ হাজার কোটি রুপি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।\n\nএই তথ্যটি রোববার (১৬ আগস্ট) ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রের মাধ্যমে এনডিটিভি প্রচার করেছে।\n\nভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবমেরিন ক্রয় সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। এই কমিটির বৈঠক আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে। ওই বৈঠকে পাস হওয়ার কথা রয়েছে 'প্রোজেক্ট ৭৫ ইন্ডিয়া' বা 'পি ৭৫ ইন্ডিয়া' নামে পরিচিত এই প্রস্তাবনাটি।\n\nযদি 'পি ৭৫ ইন্ডিয়া' প্রস্তাব পাস হয়, তাহলে জার্মানির শীর্ষ সামুদ্রিক নিরাপত্তা প্রযুক্তি প্রস্তুতকারী সংস্থা থাইসেনক্রুপ মেরিন সিস্টেমের (টিকেএমএস) সঙ্গে যৌথভাবে সাবমেরিন নির্মাণ করবে মুম্বাইভিত্তিক মাজাগাঁও ডক শিপবিল্ডার্স লিমিটেড। সূত্র জানাচ্ছে, 'মেইক ইন ইন্ডিয়া' প্রকল্পের আওতায় এই সাবমেরিনগুলো কৌশলগত অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে নির্মাণ করা হবে।\n\nবিশ্বে দুটি ধরনের সামরিক সাবমেরিন বিদ্যমান— পারমাণবিক সাবমেরিন ও কনভেনশনাল সাবমেরিন। পারমাণবিক সাবমেরিন পরমাণু শক্তি ব্যবহার করে চলে এবং অসংখ্য দিন পানির নিচে থাকতে পারে। অন্যদিকে কনভেনশনাল সাবমেরিন পানির নিচে চলার জন্য ব্যাটারি চালিত বৈদ্যুতিক মোটর ও ডিজেল ইঞ্জিন ব্যবহার করে।\n\nনতুন ৬টি সাবমেরিন টাইপ-২১৪ শ্রেণির এবং এগুলোর মধ্যে 'এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন সিস্টেম' বা এআইপিএস প্রযুক্তি রয়েছে, যার কারণে এগুলো অ্যাডভান্সড কনভেনশনাল সাবমেরিন নামে পরিচিত। টাইপ-২০৪ শ্রেণির সাবমেরিনগুলো সাধারণ সাবমেরিনের তুলনায় বেশি সময় পানির নিচে থাকতে সক্ষম।\n\nটিকেএমএস ও মাজাগাঁও ডক বিল্ডার্স লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত সাবমেরিনগুলোর আকার হবে ২১৯ দশমিক ০৫ ফুট (৬৫ মিটার), প্রস্থ ২১ দশমিক ২৩ ফুট এবং উচ্চতা ২০ দশমিক ২২ ফুট।\n\nএই সাবমেরিনগুলো নির্মাণ করতে ব্যবহৃত হবে এইচওয়াই-১০০ ফেরোম্যাগনেটিক ইস্পাত, যা চৌম্বকীয় স্বাক্ষর কম রাখার জন্য পরিচিত। ফলে শত্রু নৌবাহিনীর নজরদারি এড়াতে সক্ষম হবে।\n\nঅস্ত্রসজ্জায় ৬টি ৫৩৩ এমএম টর্পেডো টিউব এবং এসএম-২৯ এক্সোসেট জাহাজ বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র, পাশাপাশি ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের সাবমেরিনে ব্যবহারের উপযোগী সংস্করণ অন্তর্ভুক্ত থাকবে।\n\nভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানাচ্ছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পাকিস্তান ও চীনের মোকাবিলা করার জন্য ভারতীয় নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।\n\n২০১৮ সালে ভারতের নৌবাহিনী কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে অ্যাডভান্সড প্রযুক্তির সাবমেরিনের জন্য আবেদন জানিয়েছিল। সেই সূত্র ধরে ৬টি সাবমেরিন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রণালয়, এবং প্রাথমিক বাজেট ছিল ৪৩ হাজার কোটি রুপি।\n\nএর আগে, ভারতীয় নৌবাহিনী ৪টি সাবমেরিন কেনার জন্য জার্মানির সংস্থা হাউন্ডসওয়ার্ক-ডয়শে ওয়েরফ্টের সঙ্গে চুক্তি করেছিল। প্রায় দেড় দশক আগে ফরাসি কোম্পানি ডিসিএনএস-এর সঙ্গে যৌথভাবে ছয়টি কলভরি সিরিজের স্করপেন সাবমেরিন নির্মাণ শুরু করেছিল ভারত। প্রথম সাবমেরিনটি ২০১৫ সালে নৌবাহিনীর হাতে এসেছিল এবং ২০২০ সালে শেষ সাবমেরিন 'কমিশন' পেয়েছিল। এরপর পাঁচ বছরে নতুন কোনো সাবমেরিন ভারতীয় নৌবাহিনীর কাছে আসেনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাওর সুরক্ষায় পৃথক মন্ত্রণালয়ের দাবিতে সুনামগঞ্জে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও আত্মপ্রকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​শাহানুর আলম, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১২ পি.এম


হাওর সুরক্ষায় পৃথক মন্ত্রণালয়ের দাবিতে সুনামগঞ্জে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও আত্মপ্রকাশ

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোটি হাওরবাসীর জীবনমান উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং বৈরী জলবায়ুর প্রভাব মোকাবিলায় একটি পৃথক 'হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয়' বাস্তবায়নের আন্দোলনকে বেগবান করতে সুনামগঞ্জে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় সুনামগঞ্জ শহরের উকিলপাড়াস্থ প্রেসক্লাব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সাধারণ সভায় ‘হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর সুনামগঞ্জ জেলা শাখার এ পূর্ণাঙ্গ নির্বাহী কমিটি ঘোষণা ও আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ ঘটে।
প্রভাষক ফজলুল করিম সাঈদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় জেলার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সামাজিক ও পরিবেশ কর্মী এবং সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নতুন এই শক্তিশালী নেতৃত্ব হাওর এলাকার কৃষক, পরিবেশ, স্থানীয় জীববৈচিত্র্য ও সামগ্রিক টেকসই উন্নয়নের স্বার্থে একটি স্বতন্ত্র হাওর মন্ত্রণালয় গঠনের যৌক্তিক দাবিকে জাতীয় পর্যায়ে জোরালোভাবে তুলে ধরতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
সংসদ সদস্যদের নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদ:
সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে বিস্তৃত করতে জেলার মান্যবর সংসদ সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি শক্তিশালী উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এতে উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন— সুনামগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন, সুনামগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নাছির উদ্দীন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কয়ছর আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম নূরুল এবং সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান কামরুল।
নূরুল হক আফিন্দী সভাপতি ও কুদরত পাশা সাধারণ সম্পাদক:
ঘোষিত নতুন জেলা নির্বাহী কমিটিতে নূরুল হক আফিন্দী-কে সভাপতি এবং এ কে কুদরত পাশা-কে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।
কমিটির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিজন সেন রায়, অধ্যক্ষ শেরগুল আহমদ, রওনক আহমদ বখত, অধ্যক্ষ নুরুজ আলী, মোনাজ্জির হোসেন সুজন ও শাহিনা চৌধুরী রুবি।
সহসাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট শাহিনুর রহমান শাহিন, অ্যাডভোকেট মহসিন রেজা মানিক, আফিকুল ইসলাম, মছিহুর রহমান রাসেল, জিয়াউর রহমান ও রিনা আক্তার। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে স্থান পেয়েছেন কর্ণ বাবু দাস এবং সহসাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন ইকবাল হোসেন, মুজিবুর রহমান, মদরিছ চৌধুরী ও সামিনা চৌধুরী মনি।
সম্পাদকীয় ও বিষয়ভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ:
প্রচার ও প্রকাশনা: সম্পাদক সাংবাদিক আবু সাইদ, সহপ্রচার সম্পাদক সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া।
অর্থ সংক্রান্ত: অর্থ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ওলি, সহঅর্থ সম্পাদক আনিছুল হক চৌধুরী মুন।
দপ্তর সংক্রান্ত: দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান, সহদপ্তর সম্পাদক আকিফুজ্জামান রিপন।
তথ্য ও প্রযুক্তি: তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সাংবাদিক আমিনুল হক, সহসম্পাদক শাহনুর আলম।
মহিলা বিষয়ক: মহিলা সম্পাদিকা প্রতিমা রাণী দাস, সহমহিলা সম্পাদিকা ফুল মালা।
শিক্ষা ও সাহিত্য: শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক প্রভাষক দুলাল মিয়া, সহসম্পাদক জহিরুল ইসলাম।
ক্রীড়া ও বিষয়ভিত্তিক: ক্রীড়া সম্পাদক তুর্য দাস, সহসম্পাদক শব্দম দোজা জ্যোতি; হাওর বিষয়ক সম্পাদক অশেষ তালুকদার, সহসম্পাদক এম সাইফুর রহমান; পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল হক, সহসম্পাদক আফসানা।
কার্যনির্বাহী সদস্যবৃন্দ:
কমিটিতে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও জ্যেষ্ঠ সমাজকর্মীদের নির্বাহী সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। তাঁরা হলেন— সৈয়দ মহিবুল ইসলাম, বিকাশ রঞ্জন চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান, সুখেন্দু সেন, এ কে এম আবু নাছার, আবুল কালাম আজাদ, ইয়াকুব বখত বহলুল, শেখ নজরুল ইসলাম, লতিফুর রহমান রাজু, পঙ্কজ কান্তি দে, মাইদুল ইসলাম খান মামুন, আবুল হাসেন, ফজলুল করিম সাঈদ, ফারুক রশিদ, কানিজ সুলতানা, সাংবাদিক জসীম উদ্দিন, নুরুল হাসান আতাহের, ওবায়দুল হক মিলন, কাজী নুরুল আজিজ চৌধুরী, মোজাহিদুল ইসলাম মজনু, জিয়াউর রহমান জিয়া, মিজাজুল হক, মাওলানা ফয়জ নূর ফয়েজ, ডেনিস চক্রবর্তী ও আশরাফ আলী প্রমুখ।
সভায় নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেন, প্রতি বছর আগাম বন্যা, ফসল রক্ষা বাঁধের অনিয়ম ও নদী-নালা ভরাটের কারণে হাওরবাসী যে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন, তা থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে একটি স্বতন্ত্র বাজেট সমৃদ্ধ হাওর মন্ত্রণালয়ের কোনো বিকল্প নেই। খুব দ্রুতই এই জেলা কমিটি তৃণমূলের জনগণকে সম্পৃক্ত করে স্মারকলিপি প্রদান ও নানা কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্যজীবীদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৩ পি.এম


মৎস্যজীবীদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, মৎস্য চাষ এবং উৎপাদনে বাংলাদেশের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। প্রায় দুই কোটি মানুষ মৎস্য খাতের উপর নির্ভরশীল। সরকার মৎস্য এবং জলজ খাতকে অগ্রাধিকারে রেখেছে। তিনি ঘোষণা করেন, মৎস্যজীবীদের কৃষক কার্ডের আওতায় আনা হবে। জেলেদের জন্য পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।

 

রোববার (১৬ আগস্ট) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদিতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই কথাগুলো বলেন।

এই সময় বিদেশে নিত্যনতুন বাজার খুঁজতে উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সর্বোচ্চ দিয়ে সহযোগিতা করবে।

তিনি বলেন, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়তে ৫০০ কোটি টাকা স্টার্টআপ বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রবাহমান খালবিল এবং নদীনালার পরিবেশ অসেচতনার কারণে নষ্ট হচ্ছে। পরিবেশের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%