ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: দীনেশ ত্রিবেদী


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী মন্তব্য করেছেন যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর আরও দ্রুততর হওয়া উচিত। তিনি বলেন, শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের মধ্যকার যেকোনো সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। তিনি আশাবাদ পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে এই সম্পর্কের উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ। খবরটি বার্তা সংস্থা ইউএনবির।

রাজধানীর বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান এবং কেট জারো খানের আয়োজিত এক নৈশভোজে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি জানালেন, বাংলাদেশ ও ভারত কেবল সীমান্ত ভাগাভাগি করে না, বরং বাস্তবে অভিন্ন স্বপ্নও ভাগাভাগি করে।

ভারতীয় হাইকমিশনার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিদ্যমান সমস্যাসমূহ সমাধানের প্রসঙ্গে উল্লেখ করে বলেন, ‘বৈঠকের মাধ্যমেই কেবল সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব এবং আমি অত্যন্ত আশাবাদী।’ তিনি এটা বলেছিলেন যে দুই দেশের মানুষের হৃদয় খুব কাছাকাছি, এবং তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের একটি ‘সোনালি অধ্যায়’ দেখতে চান।

আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ। আমাদের চ্যালেঞ্জ আছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, তাহলে সেটি গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র যতই বিশৃঙ্খল হোক না কেন।’

তিনি যোগ করেন, ‘আমাদের নিজেদের জায়গা প্রয়োজন। আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য আছে। বিতর্ক আছে। সেটি ঠিক আছে। কিন্তু যতক্ষণ আমাদের লক্ষ্য একই থাকে, অর্থাৎ আমরা চাই যে সব দেশের মানুষ মর্যাদা, সম্মান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা নিয়ে বাঁচুক।’

ডিপ্লোম্যাট আরও জানান, ‘আমার প্রধান লক্ষ্য হলো ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি সোনালি সময় প্রতিষ্ঠা করা।’

এই লক্ষ্য অর্জনে তার প্রচেষ্টা তুলে ধরে হাইকমিশনার বলেন, ‘আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের নেতা’ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও একইভাবে জনগণের নেতা। তিনি বলেন, ‘দুজনই জনগণের নেতা এবং তাদের উদ্দেশ্যও একই। তাই আমি বহুবার বলেছি যে এমন দুই নেতা যখন একসঙ্গে বসেন এবং একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা বা ইস্যু নেই, যা আলোচনা করা যায় না এবং যার সমাধান করা যায় না।’

আরও পড়ুন: সদরপুরে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে যানজট ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা সভা

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সাবেক কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এবং সাবেক বেসামরিক ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, শনিবার (১৫ আগস্ট) ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী গুরুত্বারোপ করেন দুই দেশের অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়া এবং বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও লালন করতে একত্রে কাজ করার ওপর। তিনি বলেন, ‘আমরা স্বীকার করি, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ও পারস্পরিক সদিচ্ছার ওপর প্রতিষ্ঠিত জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগই এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রকৃত স্পন্দিত হৃদয়।’

ত্রিবেদী দুই দেশকে অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাণিজ্য ও যোগাযোগ থেকে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারত তাদের অংশীদারত্ব এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আসুন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বের এই অসাধারণ বন্ধনকেও অব্যাহতভাবে লালন করি এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে হাত মিলিয়ে কাজ করি।’

হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অভিন্ন ইতিহাসের মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে ওঠেছে এবং তারা পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সম্পর্ক পরিচালনা করে। তিনি সাংবাদিকদের জানান, ‘আমরা সামনে এগিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় আছি। আমাদের আমন্ত্রণ রয়েছে। আমরা ইতিবাচকভাবে বিশ্বাস করি, যদি দুই নেতা একসঙ্গে বৈঠক করেন, তাহলে আলোচনা হবে। গণতন্ত্রে সমস্যা থাকবেই। সমস্যা না থাকলে সেটি গণতন্ত্র নয়। তবে জনগণের একমাত্র ইস্যু হলো ভালো সম্পর্ক। ভালো সম্পর্ক থাকলে সেটা সবার জন্যই লাভজনক।’

আরও পড়ুন: ‘যুবদলকে ঐক্যবদ্ধ রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে’- আনোয়ার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেইমারের সঙ্গে হাত মেলালেন না মেন্দেস, ফের উত্তপ্ত পুরোনো দ্বন্দ্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫১ এম


নেইমারের সঙ্গে হাত মেলালেন না মেন্দেস, ফের উত্তপ্ত পুরোনো দ্বন্দ্ব

ম্যাচ শুরুর আগে সৌজন্যতা বিনিময়ের সময় নেইমারের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পুরোনো দ্বন্দ্বকে নতুন করে সামনে আনলেন ভাস্কো দা গামার মিডফিল্ডার থিয়াগো মেন্দেস। এই ঘটনা ঘটে রবিবার (১৬ আগস্ট) সাও জানুয়ারিওতে সান্তোস ও ভাস্কোর ম্যাচের পূর্বে, যা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হতে শুরু করে।

ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের খেলোয়াড়েরা যখন প্রথাগত শুভেচ্ছা বিনিময় করছিলেন, তখন নেইমার হাত বাড়িয়ে দিলেও সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যান মেন্দেস। ক্যামেরায় ধরা পড়া ওই দৃশ্যটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তুমুল আলোচনা। নেইমারের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকেও দেওয়া হয় দুঃখের ইমোজি।

এটি ছাড়াও, গ্যালারির পরিবেশও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্বাগতিক সমর্থকদের মধ্যে কেউ কেউ নেইমারের কান্নার মাস্ক বিতরণ করেন। নেইমারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু জোতা আমানসিও মেন্দেসের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেন। ওই পোস্টে রোনালদিনহোর একটি বিখ্যাত মন্তব্য তুলে ধরে মেন্দেসকে পরোক্ষভাবে কটাক্ষ করা হয়।

নেইমার ও মেন্দেসের দ্বন্দ্বের শুরু ২০২০ সালে। সেই সময় নেইমার পিএসজিতে এবং মেন্দেস লিওঁর হয়ে খেলছিলেন। দুই দলের এক ম্যাচে নেইমারের গোড়ালিতে গুরুতর চোট লেগেছে, যেখানে মেন্দেস লাল কার্ড দেখেছিলেন। যদিও পরে তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি কাটেনি।

চলতি বছরের শুরুতে তারা দুজনই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে ফিরে আসার পর পুরোনো বিরোধ আবারও সামনে আসে। সাম্প্রতিক এক ম্যাচে মেন্দেসের ফাউলকে কেন্দ্র করে নেইমারের সঙ্গে তার বাদানুবাদ হয়। একপর্যায়ে মেন্দেস নেইমারের মুখে হাত দিলে পড়ে যান নেইমার। রেফারি দুজনকেই হলুদ কার্ড দেখান। বিরতির সময় তাদের মধ্যে টানেলে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় চলে।

পরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় মেন্দেসকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেইমার। তিনি স্পোর্টটিভিকে বলেন, 'সে সবসময় ঝামেলা শুরু করতে চায়, নিজেকে কঠিন লোক হিসেবে দেখাতে চায়। ব্যাপারটা সবসময় এমনই। সবিনয়ে বলছি, সে একটা আস্ত বেয়াদব।'

ম্যাচের আগে হাত মেলানো নিয়ে নতুন এই ঘটনাটিকে তাই দুজনের দীর্ঘদিনের বৈরিতার আরেকটি অধ্যায় হিসেবেই দেখছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের অনুসারীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
কুড়িগ্রাম

২৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ, দুই মামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ এম


২৫ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ, দুই মামলা

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে পৃথক অভিযান চালিয়ে ২৫ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় কাপড় পুলিশ জব্দ করেছে।

এই ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট এবং অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার রাতে নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে এসব কাপড় জব্দ করা হয়।

পুলিশ জানায়, অভিযানে নাগেশ্বরী উপজেলার দয়াময়ী পাইলট স্কুলসংলগ্ন ফজলুর রহমানের (ফজলু চেয়ারম্যান) বাসা এবং মোমিনগঞ্জ এলাকায় রিয়াজুল ইসলাম (৩৫) নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় ওই দুটি স্থান থেকে মোট ২৬৮ পিস ভারতীয় প্যান্টের কাপড় জব্দ করা হয়।

জব্দ করা প্রতিটি কাপড়ের দৈর্ঘ্য ১২ মিটার।

সেই হিসাবে ২৬৮ পিস কাপড়ের মোট দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ২১৬ মিটার হয়।

পুলিশের হিসেবে, জব্দ করা কাপড়ের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা।

 

পুলিশের দাবি, শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে এসব ভারতীয় কাপড় দেশে আনা হয়েছিল।

এ ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ও অতিরিক্ত দায়িত্বে নাগেশ্বরী সার্কেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুনতাসির মামুন মুন, নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক প্রধান এবং পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

ভূরুঙ্গামারী ও নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন উল্লেখ করেন, ‘কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে জেলাজুড়ে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী সাঁড়াশি অভিযান চলছে।

এরই ধারাবাহিকতায় নাগেশ্বরীতে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় চোরাই কাপড় জব্দ করা হয়েছে।

জেলার প্রতিটি থানায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে আতঙ্ক, বিহারের মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে নিহত ৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫৭ এম


বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে আতঙ্ক, বিহারের মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে নিহত ৭

ভারতের বিহারের একটি শিবমন্দিরে শ্রাবণ মাসের বিশেষ পূজা উপলক্ষে হাজারো পুণ্যার্থীর ভিড়ে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন, এবং আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

সোমবার ভোরে বিহারের লখিসরাই জেলার অশোকধাম শিবমন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুণ্যার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হলে পদদলনের ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের বরাতে জানা গেছে, শ্রাবণ মাসের বিশেষ শিবপূজা উপলক্ষে ভোর থেকেই মন্দিরে হাজারো পুণ্যার্থী জড়ো হন। এ সময় মন্দির চত্বরে একটি বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে যাওয়ায় কয়েকজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছেন বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পুণ্যার্থীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়।

লখিসরাইয়ের জেলা প্রশাসক শৈলেন্দ্র কুমার এএনআইকে জানান, সকাল সাড়ে ৬টা থেকে পৌনে ৭টার মধ্যে পরপর দুটি ট্রেন পুণ্যার্থী নিয়ে মন্দিরের কাছের স্টেশনে পৌঁছায়। আগে থেকেই মন্দিরে প্রচণ্ড ভিড় ছিল। ট্রেন দুটি পৌঁছানোর পর ভিড় আরও বেড়ে যায়।

তিনি বলেন, বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে কয়েকজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পদদলনের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক আরও জানান, ভিড় নিয়ন্ত্রণে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু হুড়োহুড়ির একপর্যায়ে একদিকের ব্যারিকেড ভেঙে যায়। এতে পুণ্যার্থীরা একে অপরের ওপর পড়ে যান। দ্রুত কয়েকজনকে উদ্ধার করা গেলেও প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে সবাইকে তাৎক্ষণিকভাবে বের করা সম্ভব হয়নি।

আহতদের লখিসরাই হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতের সংখ্যা সম্পর্কে সাতজনের তথ্য নিশ্চিত করা হলেও আহতদের অবস্থার কারণে প্রাণহানি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

লখিসরাইয়ের অশোকধাম মন্দির ইন্দ্রদমনেশ্বর মন্দির নামেও পরিচিত। এটি ভারতের অন্যতম পরিচিত শিবমন্দির। শ্রাবণ মাসে, বিশেষ করে সোমবার ও শিবরাত্রির দিনে মন্দিরটিতে ভক্তদের ভিড় বেড়ে যায়।

এর আগে গত মার্চে বিহারের নালন্দার শীতলামাতা মন্দিরে ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হয়ে আটজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছিলেন। কয়েক মাসের ব্যবধানে বিহারের আরেক মন্দিরে একই ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটল।

সূত্র: আন্দুলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনে ড্রোন হামলা ও সংঘর্ষে ২ শতাধিক হুতি সদস্য নিহত, দাবি সামরিক সূত্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:০০ এম


ইয়েমেনে ড্রোন হামলা ও সংঘর্ষে ২ শতাধিক হুতি সদস্য নিহত, দাবি সামরিক সূত্রের

ইয়েমেনে গত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিহত হয়েছে ২০০ জনেরও বেশি হুতি যোদ্ধা, দাবি করেছে দেশটির সামরিক সূত্র। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ যোদ্ধা নিহত হয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে তীব্র সংঘর্ষ ও ড্রোন হামলার ফলে।

গত রবিবার সানার সামরিক সূত্র এটি নিশ্চিত করেছে।

সামরিক ও চিকিৎসা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানা গেছে, নিহতদের অধিকাংশই হুতি যোদ্ধাদের ‘আল-সামাদ ব্রিগেড’-এর সদস্য। গত দুই দিন ধরে হুতি-নিয়ন্ত্রিত রাজধানী সানার বিভিন্ন হাসপাতালে বিপুলসংখ্যক মৃতদেহ পৌঁছেছে, এমনটি জানিয়েছে সূত্রগুলো।

একই সময়ে, ইয়েমেনের সংবাদমাধ্যম ‘ইয়েমেন ফিউচার’ জানিয়েছে, হুতিরা ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠার পর নতুন করে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, তারা তাইজ শহরের পশ্চিমে আল-বারহ ফ্রন্টে অতিরিক্ত যোদ্ধা পাঠাচ্ছে। তাদের মধ্যে হুতিদের এলিট বাহিনী, কমান্ডো, এবং মোবিলাইজেশন ইউনিটের সদস্য রত্ন রয়েছেন।

হুতিরা যোদ্ধার সংখ্যা বাড়ানোর জন্য নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকার বিভিন্ন কারাগার থেকে শত শত বন্দিকে মুক্তি দিচ্ছে বলেও জানা গেছে। সূচনাগতভাবে দাবি করা হয়েছে, সা’দা, হাজ্জাহ এবং সানার কারাগার থেকে প্রায় ৮৫০ জন বন্দি ও আটক ব্যক্তি মুক্তি পেয়েছে।

এছাড়া, ধামার প্রদেশের প্রায় এক হাজার ৪০০ বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে। মুক্তির বিনিময়ে অনেক বন্দিকে যুদ্ধক্ষেত্রে যোগ দেওয়ার অঙ্গীকারপত্রে স্বাক্ষর করতে বলা হচ্ছে। কিছু বন্দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ ও আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এমনকি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে কারাগারে থাকা কিছু বন্দির ঋণও পরিশোধ করে দেওয়ার কথাও সূত্রগুলো জানিয়েছে।

তবে এসব হতাহতের সংখ্যা এবং বন্দি মুক্তির তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%