ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মহিপুরে ৯৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি বেল্লাল হাওলাদার বিল্লুকে গ্রেফতার করলো পুলিশ


মহিপুরে ৯৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি বেল্লাল হাওলাদার বিল্লুকে গ্রেফতার করলো পুলিশ
 
পটুয়াখালীর মহিপুরে ৯৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. বেল্লাল হোসেন হাওলাদার ওরফে বিল্লু (৪১)নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে গেছে তার দুই সহযোগী। সোমবার শেষ বিকেলে মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকার আয়েশা ছিদ্দিকা (রাঃ) জামে মসজিদের সামনের কাঁচা রাস্তা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার ১১ আগস্ট  দুপুরের দিকে গ্রেফতারকৃত আসামিকে কলাপাড়া  আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
 
গ্রেফতারকৃত বেল্লাল হোসেন হাওলাদার মহিপুর থানার আলীপুর ৩ নং ওয়ার্ডের মৃত আলী আকবর হাওলাদারের ছেলে, পলাতক আসামিরা হলো: নয়াপাড়া এলাকার আব্দুল খালেক খলিফার ছেলে আল আমিন খলিফা (৪২) এবং আমির ফকিরের ছেলে মো. রুমান (২২)।
 
মংগলবার সরেজমিনে গেলে স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহিপুর থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানিক দল নয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। সেখানে কাঁচা রাস্তার ওপর ইয়াবা কেনাবেচার উদ্দেশ্যে অবস্থানকালে স্থানীয় জনগণের সহায়তায় বেল্লালকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ৯৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। তবে অভিযানের সময় তার সাথে থাকা অন্য দুই সহযোগী কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
 
এবিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ বেলাল নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার বেলালসহ পলাতক আরো দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মংগলবার দুপুরের দিকে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে কলাপাড়া জুডিশিয়াল আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।’
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য : সমাজকল্যাণমন্ত্রী

মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এমপি বলেছেন, কাউকে পিছিয়ে না রেখে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। সমাজে নারীর অন্তর্ভুক্তিকে আরও জোরদার করার লক্ষ্যে সরাসরি নারীদের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ইস্যু করছে সরকার।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে Centre for Women and Children Studies (CWCS) -এর আয়োজনে ‘National Seminar on Advocacy for Change in Women’s Economic Empowerment in Bangladesh’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর সভাপতি নাজ ফারহানা।

নারীর অগ্রযাত্রায় সরকারের ধারাবাহিক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে নারী শিক্ষাকে অবৈতনিক ও উপবৃত্তি প্রথা চালু করেছিলেন, ফলশ্রুতিতে কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ অভূতপূর্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।

নারীরা যাতে কর্মক্ষেত্রে নিশ্চিন্তে দায়িত্ব পালন করতে পারেন, সেই বিবেচনায় বেগম খালেদা জিয়া’ই দেশে প্রথম ডে-কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমান সরকার সেই ডে-কেয়ার সুবিধাকে আরও আধুনিক ও বিস্তৃত করার পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

শিক্ষাকে কর্মসংস্থানের মূল ভিত্তি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নারীদের জন্য সঠিক শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা করা গেলে নারীরা শুধু নিজেদের জন্যই কর্মসংস্থান তৈরি করবে না, বরং সমাজের অন্যান্য কর্মক্ষমদের জন্যও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে।

এক্ষেত্রে তিনি কেয়ার ইকনোমি এবং ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। মন্ত্রী সমাজে বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের বক্তারা নারী স্বাস্থ্য রক্ষা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং কর্মক্ষেত্রে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। একইসাথে নারীদের বিনা জামানতে ঋণ প্রদান ও ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাধা দূর করে নারীদের আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ইসরাত শারমিন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন Agence Française de Développement, সাউথ এশিয়ান উইমেন ডেভেলপমেন্ট ফোরাম, বাংলাদেশ উইমেন্স চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, সিলন চেম্বার অব উইমেন অন্ট্রাপ্রেনার, পূর্ণিমা, GERES, বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী, এনজিও, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সরকারি সেবা নিশ্চিতে ফ্রেন্ডশিপের সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে সরকারি সেবা নিশ্চিতে ফ্রেন্ডশিপের সভা
 
কুড়িগ্রামে কমিউনিটি পর্যায়ে সরকারি পরিষেবাগুলো চরাঞ্চলের মানুষ সহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের সরকারী সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সরকারি সেবার তথ্য জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া, সেবাপ্রাপ্তিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও নাগরিকদের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
 
সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ফ্রেন্ডশিপ বাংলাদেশ। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
 
সভায় উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ স্বপন কুমার বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি এম কুদরত-ই খোদা, কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসাদ, ফ্রেন্ডশিপের আঞ্চলিক সমন্বয়ক আব্দুস সালাম, সুশাসন বিভাগের সহকারী প্রকল্প ব্যবস্থাপক রেজওয়ানুল হক, জেষ্ঠ্য আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক নাঈম কামরান, নাজমুল হোসেন-সহ জেলার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা, স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি এবং চরাঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দারা।
 
সভায় বক্তারা বলেন, দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ এখনো সরকারি বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে পর্যাপ্ত তথ্য না জানায় কিংবা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা না থাকায় কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হন। বিশেষ করে নারী, প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি সেবাগুলো আরও সহজলভ্য ও জনবান্ধব করা প্রয়োজন।
 
বক্তারা আরও বলেন, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি সেবার তথ্য নিয়মিত প্রচার, সেবাপ্রাপ্তির প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে জনগণের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ বাড়ানো গেলে সরকারি পরিষেবার কার্যকারিতা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি নাগরিকদের অভিযোগ ও পরামর্শ গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
 
আলোচনায় সরকারি সেবা গ্রহণে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি যেসব মানুষ প্রযুক্তি ব্যবহারে পিছিয়ে রয়েছেন, তাদের জন্য সহায়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। বক্তারা বলেন, শুধু সেবা প্রদান করলেই হবে না; সেবা যাতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের কাছে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীনভাবে পৌঁছে যায়, সে বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে।
 
 
জেলা চর উন্নয়ন কমিটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাংবাদিক সাইয়েদ আহমেদ বাবু বলেন, চরাঞ্চলের পিছিয়ে পড়া মানুষের কাছে নাগরিক সেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি। সেই সাথে দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষও শহর ও মূল ভূখণ্ডের মানুষের মতো সমানভাবে নাগরিক সুবিধা যাতে নিশ্চিত হয় এমন প্রত্যাশা নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকলের এগিয়ে আসা উচিত।
 
 
সভায় অংশগ্রহণকারীরা কমিউনিটি পর্যায়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কার্যক্রম, সরকারি দপ্তরের সঙ্গে স্থানীয় জনগণের মতবিনিময় এবং সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে মতামত দেন।
 
সভায় বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় আরও জোরদার হলে কুড়িগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও সরকারি বিভিন্ন সেবা সহজে গ্রহণ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে নাগরিক অধিকার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের মন্তব্যে বিপাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৯ পি.এম


জাপানি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের মন্তব্যে বিপাকে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির দ্বারা প্রদত্ত দুটি বিশেষ তরমুজ সম্পর্কে মন্তব্য করে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বিপরীতে পড়েছেন।

জাপানে নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত শিনগো ইয়ামাগামি তার মন্তব্যকে ‘যৌনতাবাদী’ এবং অপমানজনক হিসেবে উল্লেখ করেন। এ বিষয়ে আলবানিজের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও প্রকাশিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসির বরাতে জানা যায়, গত মে মাসে অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী আলবানিজকে জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি দুটি বিশেষ তরমুজ উপহার দেন। পরে ‘বুশ ডিপ’ নামক এক অনুষ্ঠানে সেই উপহার নিয়ে মন্তব্য করার সময় বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ও কৌতুকশিল্পী নিকি অসবোর্ন যখন তরমুজের কথা উল্লেখ করেন, তখন আলবানিজ বলেন, ‘তাঁর কাছে দুটি ছিল, আর সেগুলো সুন্দর।’ এই মন্তব্য ও তার অঙ্গভঙ্গি নিয়ে নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়।

জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত শিনগো ইয়ামাগামি বলেন, আলবানিজের মন্তব্য ‘যৌনতাবাদী কৌতুক’ হিসেবে স্বীকৃত। তিনি উল্লেখ করেন, আলবানিজের এমন মন্তব্য জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে অপমানিত করেছে এবং দুই দেশের সম্পর্কের প্রতি অসম্মান দেখাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, জাপানে এসব বিশেষ তরমুজ অত্যন্ত মূল্যবান ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়, এবং একটি তরমুজের দাম ৩০ হাজার ইয়েনেরও বেশি হতে পারে। ইয়ামাগামি বলেন, আলবানিজের উচিত, তিনি জাপানের মিষ্টি ও রসালো তরমুজের আনন্দ নেবার সময় সেগুলোকে নারীর শরীরের সঙ্গে তুলনা না করে দুই দেশের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দিকে মনোযোগ দেওয়া।

এরপর অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী দল আলবানিজের কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানায়। বিরোধীদল নেতা অ্যাঙ্গাস টেলরও মন্তব্যটিকে অপমানজনক হিসেবে উল্লেখ করেন।

তবে, আলবানিজ তার মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাননি। এক বিরোধী সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রশ্নটির বক্তব্য তিনি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি দাবি করেন, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের সম্পর্ক বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে ঘনিষ্ঠ এবং তার সরকার দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে।

আলবানিজের পক্ষে তার সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীও অবস্থান নিয়েছেন। অর্থমন্ত্রী ক্যাটি গ্যালাঘার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের রাজনৈতিক বিরোধী ও কিছু গণমাধ্যমের ব্যাখ্যা ছিল অদৃষ্ট। সমাজসেবা মন্ত্রী তানিয়া প্লিবেরসেকও মন্তব্যটির ভিন্ন ব্যাখ্যাকে অপ্রয়োজনীয় হিসেবে দাবি করেছেন।

এর আগে, একই অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কাইলি মিনোগ সম্পর্কে মন্তব্য করার জন্যও আলবানিজ সমালোচিত হয়েছিলেন। উপস্থাপক তাকে কাইলি মিনোগ, অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যান ও বিনোদনশিল্পী রোন্ডা বার্চমোর সম্পর্কে আপত্তিকর প্রশ্ন করেন। জবাবে আলবানিজ কাইলি মিনোগকে বেছে নিলেও পরে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।

এবার নতুনভাবে জাপানি প্রধানমন্ত্রীর উপহারের তরমুজ নিয়ে মন্তব্য করার জন্য বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ডেথ রেফারেন্সের শুনানি শুরু

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি আজ শুরু হয়েছে।

এই শুনানি মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট বেঞ্চে শুরু হয়।

আদালতে শুনানি রাষ্ট্রপক্ষে শুরু করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. ইমাম হোসেন তারেক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল রোহানী সিদ্দীকা ও মাহবুবা তাসনিম আঁখি।

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি হল শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখ। ২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। ওই রায়ের মাধ্যমে এই মামলার বাকি তিন আসামি, শিশুটির বোনের জামাতা সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ ও তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে এই মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স আকারে হাইকোর্টে আসে।

২০২৫ সালের মার্চ মাসের শুরুতে, মাগুরার নিজনান্দুয়ালী গ্রামে, বোনের শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে গিয়ে শিশু আছিয়া পূর্বে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে মাগুরা ও ফরিদপুরের হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ শিশু আছিয়া মারা যায়।

এই ঘটনার গুরুত্ব বোঝার পর, দেশে নারী শিশু নির্যাতনের কয়েকটি নির্মম ঘটনার প্রেক্ষাপটে, অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুধুমাত্র নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদন (ডেথ রেফারেন্স) ও আপিল শুনানির জন্য ২০২৬ সালের ১০ জুন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বিশেষ একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করেন। বিশেষ এই বেঞ্চে মামলা পরিচালনার জন্য রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবীদের নিয়ে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়। অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বাধীন এই টিমের আইনজীবী সদস্যরা হলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও সৈয়দ ইজাজ কবির। এছাড়া, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবা তাসনিম আঁখি, মুস্তাফিজুর রহমান মুকুল, আশরাফুল আলম, রোহানী সিদ্দীকা ও আল আমীন সিদ্দিকী এই টিমের অপর সদস্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%