০১:২৮ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শোক, আবেগ এবং প্রতিশোধের আহ্বানে মুখর হয়ে উঠেছে।
রাজধানী তেহরানের ইমামে খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে খামেনি এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিন জনসমক্ষে আনা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, কাচে ঘেরা বিশেষ কফিনের মধ্যে খামেনির লাশ রাখা রয়েছে। পাশেই রাখা হয়েছে তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও। এ সময় হাজারো শোকাহত মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এবং শেষবারের মতো তাদের নেতাকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।
আজ শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকেই গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্স এবং আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল শুরু হয়। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই পুরো প্রাঙ্গণ শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে পূর্ণ হয়ে যায়। অনেককেই দেখা গেছে কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছাতে। তেহরানের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনগুলোতেও সকাল থেকেই দীর্ঘ সারিতে অপেক্ষা করছিল হাজারো নাগরিক।
অনুষ্ঠানস্থলে বহু শোকাহত লাল পতাকা বহন করেন, যা ইরানে প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। তাদের অনেককে ‘আমেরিকার মৃত্যু’ এবং ‘প্রতিশোধ, প্রতিশোধ’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।
খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় অনুষ্ঠানে ইরানের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে লাখো মানুষ অংশ নিয়েছেন। একসাথে পাকিস্তান, ইরাক, তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার, রাশিয়া, চীন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল এবং সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও), ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ও ডেভেলপিং-৮ (ডি-৮)-এর প্রতিনিধিরা উপস্থিত রয়েছেন।
শেষ বিদায় অনুষ্ঠান ঘিরে ইরানজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন সড়কে যান চলাচলে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আগ্রাসনের প্রথম দিনে ৮৬ বছর বয়সি খামেনি নিহত হন। ওই হামলায় তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও প্রাণ হারান। ঘটনার সময় তিনি তেহরানে তার আবাসিক ভবনে ছিলেন।
গত মার্চে খামেনির দাফন হওয়ার কথা ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে তীব্র সংঘাতের কারণে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়। যুদ্ধবিরতির অবসরে চার মাস পর রাষ্ট্রীয়ভাবে তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। খামেনির দাফনের আনুষ্ঠানিকতা সাত দিন ধরে চলবে যা গত শুক্রবার (৩ জুলাই) শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬’-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের সম্মানে জুলাই স্মৃতি স্মারক প্রদান করেছেন।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত সম্মেলনে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং জুলাই আন্দোলনে আহতদের হাতে প্রধানমন্ত্রী এই স্মৃতি স্মারক তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই-২৪ গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ মিরাজের বাবা আব্দুর রব মিয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্মৃতি স্মারক গ্রহণ করেন।
এরপর শহীদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল হোসেন, জুলাই আন্দোলনে আহত আল মিরাজ এবং জুলাই যোদ্ধা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ইমন প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্মৃতি স্মারক গ্রহণ করেন।
এ সময় সঞ্চালক জানান, অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রতিনিধি হিসেবে কয়েকজন স্মৃতি স্মারক গ্রহণ করলেও জুলাই স্মৃতি পরিবারের সব সদস্যের জন্য স্মৃতি স্মারক সংরক্ষিত রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে সেগুলো প্রত্যেক শহীদ পরিবার ও জুলাই আন্দোলনের আহতদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান নিষিদ্ধ কার্যক্রম আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না।
তিনি শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে চলমান জুলাই জাতীয় সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন।
জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সে সময় তারেক রহমানের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে নির্ঘুম রাত কাটিয়ে দলকে সংগঠিত করে অরাজনৈতিক পরিচয়ে জুলাই আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটাতে সক্ষম হই। এটা পর্দার অন্তরালের কথা।’
ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতির প্রত্যাশা অনেক। অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। সরকার তার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে।’
তিনি আরও অভিযোগ করতে বলেন যে, আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে সালাহউদ্দিন আহমদ।
তিনি মন্তব্য করেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন হয়েছে। তারা এ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিকভাবে তাদের দাফন হয়ে গেছে।’
শিগগিরই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে বলেও মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘জুলাই চেতনা নিয়ে কেউ যেন ব্যবসা না করি, চেতনা বিক্রি ভালো নয়। যারা চেতনা ব্যবসা করবে তাদের পরিণতিও দেশের মানুষ দেখবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে প্রতিদিন হাজারো পর্যটকের ভিড় জমে। কিন্তু পর্যাপ্ত লাইফগার্ড ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকার কারণে অনেকের আনন্দভ্রমণ মুহূর্তেই শোকে পরিণত হচ্ছে। সাগরের প্রবল স্রোতে প্রতি বছর মৃত্যু ও নিখোঁজের ঘটনা বাড়ছে। সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থা জানিয়েছে, ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকতের মাত্র দুই কিলোমিটারে লাইফগার্ড সেবা রয়েছে। বাকি অংশে যথেষ্ট নিরাপত্তা, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বা নিরাপত্তা পতাকা মজুত নেই। ফলে জনপ্রিয় ১৫-২০টি পয়েন্টে সমুদ্রস্নানে নামা পর্যটকদের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। সংস্থার ওপর ভিত্তি করে তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ বছরে সাগরে ডুবে ৭৬ জন পর্যটক মারা গেছেন। এর মধ্যে গত বছরেই প্রাণ হারিয়েছেন ২৫ জন; তবে এ সময়ে এক হাজার ২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যাপ্ত নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও বাড়তে পারে। সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে দেখার পরে দেখা গেছে, বিপজ্জনক এলাকা চিহ্নিত করে লাল পতাকা টাঙানো হলেও যথেষ্ট সতর্কবার্তা, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার বা দৃশ্যমান লাইফগার্ড নেই। নিরাপত্তা ব্যবস্থার এমন ঘাটতির মাঝেও পর্যটকরা অবাধে সমুদ্রে নামছেন। সী-সেফ লাইফগার্ডের তথ্য অনুসারে, গত বছর এ পয়েন্টে সমুদ্রস্নানে নেমে ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। লাল পতাকা থাকা সত্ত্বেও এই পতাকার গুরুত্ব সম্পর্কে অনেক পর্যটকের ধারণা নেই। ফলে বড় ঢেউ ও তীব্র স্রোতের মধ্যেও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অনেকেই গোসল করছেন, নারী-পুরুষ, এমনকি শিশু-কিশোরও। শরীয়তপুর থেকে আসা পর্যটক জীবন মোল্লা জানান, নিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না। বান্দরবান ভ্রমণ শেষে কক্সবাজারে এসে গাড়ি থেকে নেমেই তিনি সমুদ্রে নেমে পড়েন। সমুদ্রস্নানের সময় আরেক পর্যটক মো. লিংকন জানান, ‘সৈকতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না থাকার কারণে নিরাপদ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা কোথায়, তা বোঝা যাচ্ছে না। লাল পতাকার অর্থ বিপজ্জনক এবং সমুদ্রে নামা নিষেধ জানালেও অনেকেই সেখানে নামছেন দেখে আমরাও নেমে পড়েছি।’ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে ইনানী। মেরিন ড্রাইভে গিয়ে পর্যটকরা পাথুরে সৈকত, ইনানী জেটি বা পাতুয়ারটেকে নামেন। অনেকেই বালিয়াড়ি পেরিয়ে সমুদ্রস্নানে নেমে পড়েন। তবে ইনানী সৈকতের তিনটি পয়েন্টে লাইফগার্ড সেবা নেই। সেখানে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বা নিরাপত্তা চিহ্নিত পতাকা নেই। ইনানীতে আসা পর্যটক শফিউল আলম জানান, কক্সবাজার থেকে আসার পথে কিছু সাইনবোর্ড দেখা গেলেও ইনানী সৈকতের আশপাশে যথেষ্ট সতর্কবার্তা নেই। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সৈকতের বিভিন্ন স্থানে জোয়ার-ভাটা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এবং নিরাপদে সমুদ্রে নামার নির্দেশনা সংবলিত সাইনবোর্ড স্থাপন জরুরি। গাজীপুর থেকে আসা তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘সৈকতের এই অংশে কোথাও লাল-হলুদ সতর্কতামূলক পতাকা দেখতে পাইনি। কখন সমুদ্রে নামা নিরাপদ এবং কখন ঝুঁকিপূর্ণ, এ ধরনের কোনো নির্দেশনা চোখে পড়েনি।’ ঢাকার বনানী থেকে আসা পর্যটক রোকেয়া বেগম বলেন, ‘সমুদ্রে নামার সময় কিছুটা ঝুঁকি অনুভব হয়। কারণ সমুদ্রের আচরণ সম্পর্কে আমাদের মতো অনেক পর্যটকের ধারণা থাকে না। পর্যটকদের সচেতন করতে সৈকতে দায়িত্বশীল কর্মী বা লাইফগার্ড থাকা জরুরি।’ পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পর্যটক এলেও বিচকর্মী এবং দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থা নেই। ইনানী এলাকার পর্যটন ব্যবসায়ী সিয়াম আহমেদ বলেন, ‘সৈকতের বিভিন্ন স্থানে ২০০ থেকে ৩০০ মিটার পরপর বিচকর্মী বা লাইফগার্ড থাকলে পর্যটকদের সতর্ক করা সম্ভব হবে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।’ একই এলাকার ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, দুর্ঘটনা ঘটলে ট্যুরিস্ট পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিসকে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে দেখা যায়, তবে জরুরি মুহূর্তে দ্রুত উদ্ধার নিশ্চিত করা যায় কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থার সুপারভাইজার মো. ওসমান গনি বলেন, ‘আমাদের উদ্ধার সরঞ্জাম হচ্ছে মূলত রেসকিউ টিউব ও রেসকিউ বোর্ড, যা হাতে প্যাডেল করে পরিচালনা করতে হয়। সৈকতের বিস্তৃতি বেশি হওয়ায় কয়েকটি পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত লাইফগার্ড সদস্য এবং আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম প্রয়োজন। পর্যটকদেরও সচেতন হতে হবে।’ ইনানী ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও বিকেলে হ্যান্ড মাইক ব্যবহার করে পর্যটকদের সতর্ক করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হয়। তবে সৈকতটি অনেক বিস্তৃত হওয়ায় সার্বক্ষণিক নজরদারি সম্ভব হয় না। পর্যাপ্ত রেসকিউ টিম থাকলে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করাও সহজ হবে।’ সার্বিক বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘অনেক পর্যটক গোসল করতে নেমে নিরাপদ সীমার বাইরে চলে যান। তারা জোয়ার-ভাটার স্রোতে পড়ে বিপদে পড়ছেন। একটি বিদেশি সংস্থার অর্থায়নে ২৭ সদস্যের লাইফগার্ড দল বর্তমানে কাজ করছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনবল বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরো জানান, লাইফগার্ড সেবার মানোন্নয়নে সম্প্রতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ