০৭:১৭ এম
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের লারাক দ্বীপে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারে হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, রবিবারের এই হামলাটি জুলাই মাসের শেষের পর ইরানের ভূখণ্ডে প্রথম পরিচিত মার্কিন হামলা বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্র-মাইন নিক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এই প্রেক্ষাপটে, লারাক দ্বীপে অবস্থিত দুটি লঞ্চারকে লক্ষ্য করে হামলা পরিচালনা করা হয়।
ইরানের আইআরজিসি হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, এই হামলায় বেশ কয়েকজন সেনা ও বেসামরিক ব্যক্তি নিহত এবং আহত হয়েছেন। তারা হামলার জবাব দেওয়ার হুমকিও দিয়েছে। তবে, হতাহতের সঠিক সংখ্যা ইরান প্রকাশ করেনি। দেশটির আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হামলাটি ড্রোনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: এই সপ্তাহে ৩ দিনের ছুটি পাবেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হিসেবে পরিচিত। যুদ্ধ শুরুর পূর্বে, বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হতো। ফলে, সেখানে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইরানের স্থাপন করা সব মাইন নিষ্ক্রিয় বা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন যে, নতুন করে কোনো জাহাজ বা নৌযান মাইন স্থাপনের চেষ্টা করলে সেটি ধ্বংস করা হবে।
লারাক দ্বীপে সাম্প্রতিক হামলার ফলে, দীর্ঘ কয়েক সপ্তাহের তুলনামূলক স্থবিরতার পর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা হামলার হুমকি দেওয়ার কারণে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: কপ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন