বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৫ পি.এম
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশের সভাপতিত্বকে কাজে লাগিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা সংকটকে আবারও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন একাডেমিতে ‘দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকট: সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির সন্ধান’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে আমরা আমাদের অবস্থানকে কাজে লাগাব। এর মাধ্যমে জাতিসংঘের মতো বহুপক্ষীয় বৈশ্বিক মঞ্চে এই সংকটের গুরুত্ব নতুন করে তুলে ধরা হবে।’
তিনি আরও জানান, সংকটটি যতই গুরুতর ও জটিল হোক না কেন, কূটনৈতিক উপায়ে এর সমাধানের বিষয়ে বাংলাদেশ আশাবাদী। তাই দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় উভয় পর্যায়েই কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুকে আলোচনায় রাখা, আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং একটি শান্তিপূর্ণ ও টেকসই সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে একযোগে কাজ করবে বাংলাদেশ। এর ফলে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা নিরাপদ ও মর্যাদার সাথে তাদের নিজ ভূমি রাখাইনে ফিরে যেতে সক্ষম হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘রোহিঙ্গাদের ধাপে ধাপে স্বদেশে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে এবং এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আমরা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয়- উভয় পর্যায়ে একসাথে কাজ করব।’
তিনি উল্লেখ করেন, মিয়ানমারে স্বার্থ ও প্রভাব রয়েছে এমন প্রধান অংশীদারদের সাথে আলোচনা করবে বাংলাদেশ। এর মধ্যে চীন, আসিয়ানভুক্ত দেশ, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও অন্যান্য বহুপক্ষীয় প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই অংশীদারদের অনেকেই বিভিন্ন সময়ে মানবিক সহায়তা প্রদান এবং বাংলাদেশের রোহিঙ্গা ক্যাম্প সচল রাখতে আর্থিকভাবে অবদান রেখেছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
যদিও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিতে হবে, তবে এই ধরনের জটিল ও দীর্ঘদিনের সংকটের সমাধানের জন্য কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘এ ধরনের জটিল বিষয়ে হুট করে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা যায় না। এখানে ধৈর্যের প্রয়োজন রয়েছে। তবে কূটনৈতিক পদক্ষেপ অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চালাতে হবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার রোহিঙ্গা সংকট সমাধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। কারণ এই সমস্যাটির সাথে বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা কালই এই সমস্যার সমাধান করে ফেলব- এমন দাবি করছি না। তবে দ্রুত একটি বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আমরা আশাবাদী।’
হুমায়ুন কবির জানান, নিজেদের সীমিত জমি ও সম্পদের ওপর প্রচণ্ড চাপ থাকা সত্ত্বেও কেবল মানবিক কারণে নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত খুলে দিয়েছিল বাংলাদেশ।
তিনি সতর্ক করে বলেন, রোহিঙ্গা সংকটকে কেবল বাংলাদেশের একার দায় হিসেবে দেখা উচিত নয়। এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা এবং এর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দায়িত্ব ও দায়ভার নিতে হবে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কেবল মুখে সহানুভূতি দেখালেই চলবে না উল্লেখ করে তিনি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আর্থিক সহায়তা বাড়াতে এবং মিয়ানমারের সাথে কূটনৈতিক ও নেপথ্য আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, একটি টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে ব্যর্থ হলে তার প্রভাব বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে যেতে পারে। কারণ এই দীর্ঘায়িত সংকট সমগ্র অঞ্চল এবং এর বাইরেও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ ভূমিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় উভয় চ্যানেলে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গুরোগ বিস্তাররোধে করণীয় নির্ধারণের উদ্দেশ্যে একটি বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলবেলা খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুন।
বিভাগীয় কমিশনার উল্লেখ করেন, "ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। সচেতনতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রকোপ কমানো সম্ভব নয়।" তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১২ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী একযোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এই কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের জন্য সকল কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন বিভাগীয় কমিশনার।
সভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার জেলা প্রশাসকগণ অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। খুলনা বিভাগীয় কমিশনের সম্মেলনকক্ষে সভায় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. মোশাররফ হোসেন, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. সাজ্জাদুর রহমান রাসেল, বিভাগের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের অধ্যক্ষ ও পরিচালক, সিপিপি, স্কাউটস, রোভার স্কাউটসহ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে একাধিক ‘উসকানিমূলক ও শত্রুতাপূর্ণ’ পদক্ষেপের অভিযোগ তুলে আলজেরিয়া হঠাৎ করে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আলজেরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রক্ষা ও টিকিয়ে রাখার জন্য সকল ধরনের কূটনৈতিক পথ নিঃশেষ হয়ে গেছে। আবুধাবির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যা আর মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। এই সিদ্ধান্তের পরপরই আলজেরিয়ায় নিযুক্ত আমিরাতের রাষ্ট্রদূতকে তলব করা হয় এবং তাঁকে দেশত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।
এই ঘোষণার পরপরই, কোনো দেশের নাম উল্লেখ না করে, আমিরাতি প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গরগাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, "সফল কূটনীতি গড়ে ওঠা উচিত যৌক্তিকতা, সঠিক যোগাযোগ এবং স্বার্থের স্পষ্টতার ওপর ভিত্তি করে; কোনো ইঙ্গিত বা অনুমানের ওপর নির্ভর করে নয়।"
দীর্ঘকাল ধরেই একাধিক আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক ইস্যুতে আলজেরিয়া ও আমিরাতের অবস্থান বিপরীতমুখী। আবুধাবি ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করলেও আলজেরিয়া বরাবরই এর তীব্র বিরোধিতা করে আসছে। পাশাপাশি বিতর্কিত পশ্চিম সাহারা ইস্যুতে আমিরাত মরক্কোকে সমর্থন করছে, যেখানে আলজেরিয়া সমর্থিত 'পলিসারিও ফ্রন্ট' অঞ্চলটির স্বাধীনতার দাবি জানিয়ে আসছে। আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে আমিরাতের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রভাব নিয়ে আলজেরিয়ার সীমান্তে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
এর আগে গত বছর আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট আবদেলমাজিদ তেবুন ইঙ্গিতপূর্ণভাবে জানিয়েছিলেন, একটি বিশেষ দেশ ছাড়া পারস্য উপসাগরীয় অন্যান্য সব দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তিনি নাম উল্লেখ না করে আমিরাতের বিরুদ্ধে আলজেরিয়ার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। এই বৈরী সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আলজেরিয়া আমিরাতের সঙ্গে ২০১৩ সালের একটি বিমান পরিষেবা চুক্তিও বাতিল করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার কলারোয়ায় তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ।
আজ বৃহস্পতিবার কলারোয়া মডেল হাইস্কুল প্রাঙ্গণে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব এসব গাছের চারা বিতরণ করেন। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে এই চারাগুলো প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী এসএম মাহফুজুর রহমান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ রইচ উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক তামিম আজাদ মেরিন, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মাস্টার মনিরুজ্জামান, এবং বেত্রাবতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় প্রধান অতিথি কলারোয়া উপজেলায় একটি মিনি স্টেডিয়াম, শিল্পকলা একাডেমি, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার নির্মাণসহ বিভিন্ন খেলার মাঠ সংস্কার করার আশ্বাস প্রদান করেন। গাছের চারা বিতরণের পর তিনি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে টস হেরে ভারত আগে ব্যাটিং করতে নেমেছিল। স্মৃতি মান্ধানা এবং হারমানপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে ব্যাট হাতে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে টাইগ্রেসদের ১৫০ রানের একটি চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তারা।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে ভারত প্রথমে ব্যাট করতে নামার পর শুরুতেই ধাক্কা খায়। সুলতানা খাতুন ৫ বলে ২ রান করা স্মৃতি মান্ধানাকে সাজঘরে ফেরান। এরপর ওপেনার শেফালি ভার্মা প্রাতিকা রাওয়ালকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যান।
শেফালিকে আউট করার সুযোগ বাংলাদেশি ফিল্ডারদের সামনে ছিল। তবে টাইগ্রেসদের তিনবার ক্যাচ পড়েছে এবং একবার রানআউটের সুযোগও হাতছাড়া হয়েছে। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ভারত ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান সংগ্রহ করে।
পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর রাওয়াল আউট হন। তিনি ২৪ বলে ২০ রান করে রাবেয়া খানের বলে আউট হন। শেফালির ব্যাটিং চলতে থাকে, তিনি ফিফটি পূর্ণ করেন। ৪০ বলে ৬৪ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে দলের ৯২ রানের মাথায় শেফালিকে ফেরান সুলতানা।
হারমানপ্রীত কৌর চারে নামার পর এক প্রান্ত ধরে খেলতে থাকেন। অন্য প্রান্তে রিচা ঘোষ ১৬ বলে ২১ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন। তাকে ফিরিয়ে দেন নাহিদা আক্তার, স্ট্যাম্পিং করেন নিগার সুলতানা জ্যোতি।
শেষের দিকে দীপ্তি শর্মা এবং হারমানপ্রীত মিলে টাইগ্রেস বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। ৬ বলে ১৩ রান করা দীপ্তিকে শেষ ওভারে ফেরান মারুফা। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ভারত ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়।
বাংলাদেশের হয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন সুলতানা খাতুন। ১টি করে উইকেট শিকার করেছেন রাবেয়া খান, নাহিদা আক্তার এবং মারুফা আক্তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ