বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৬ পি.এম
সাতক্ষীরা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলার কলারোয়ায় তিনটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ।
আজ বৃহস্পতিবার কলারোয়া মডেল হাইস্কুল প্রাঙ্গণে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব এসব গাছের চারা বিতরণ করেন। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে এই চারাগুলো প্রদান করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী এসএম মাহফুজুর রহমান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ রইচ উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিব মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক তামিম আজাদ মেরিন, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক মাস্টার মনিরুজ্জামান, এবং বেত্রাবতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় প্রধান অতিথি কলারোয়া উপজেলায় একটি মিনি স্টেডিয়াম, শিল্পকলা একাডেমি, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগার নির্মাণসহ বিভিন্ন খেলার মাঠ সংস্কার করার আশ্বাস প্রদান করেন। গাছের চারা বিতরণের পর তিনি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে টস হেরে ভারত আগে ব্যাটিং করতে নেমেছিল। স্মৃতি মান্ধানা এবং হারমানপ্রীত কৌরের নেতৃত্বে ব্যাট হাতে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে টাইগ্রেসদের ১৫০ রানের একটি চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তারা।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে ভারত প্রথমে ব্যাট করতে নামার পর শুরুতেই ধাক্কা খায়। সুলতানা খাতুন ৫ বলে ২ রান করা স্মৃতি মান্ধানাকে সাজঘরে ফেরান। এরপর ওপেনার শেফালি ভার্মা প্রাতিকা রাওয়ালকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যান।
শেফালিকে আউট করার সুযোগ বাংলাদেশি ফিল্ডারদের সামনে ছিল। তবে টাইগ্রেসদের তিনবার ক্যাচ পড়েছে এবং একবার রানআউটের সুযোগও হাতছাড়া হয়েছে। পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ভারত ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান সংগ্রহ করে।
পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পর রাওয়াল আউট হন। তিনি ২৪ বলে ২০ রান করে রাবেয়া খানের বলে আউট হন। শেফালির ব্যাটিং চলতে থাকে, তিনি ফিফটি পূর্ণ করেন। ৪০ বলে ৬৪ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে দলের ৯২ রানের মাথায় শেফালিকে ফেরান সুলতানা।
হারমানপ্রীত কৌর চারে নামার পর এক প্রান্ত ধরে খেলতে থাকেন। অন্য প্রান্তে রিচা ঘোষ ১৬ বলে ২১ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন। তাকে ফিরিয়ে দেন নাহিদা আক্তার, স্ট্যাম্পিং করেন নিগার সুলতানা জ্যোতি।
শেষের দিকে দীপ্তি শর্মা এবং হারমানপ্রীত মিলে টাইগ্রেস বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। ৬ বলে ১৩ রান করা দীপ্তিকে শেষ ওভারে ফেরান মারুফা। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ভারত ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায়।
বাংলাদেশের হয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন সুলতানা খাতুন। ১টি করে উইকেট শিকার করেছেন রাবেয়া খান, নাহিদা আক্তার এবং মারুফা আক্তার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খুলনা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু উল্লেখ করেছেন, নারী শিক্ষার প্রসার প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার।
তিনি আরও বলেন, "আমরাও খুলনায় নারী শিক্ষাকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই যাতে আমাদের মেয়েরা স্বাবলম্বী হয়ে নিজেদেরকে মর্যাদার আসনে অধিষ্টিত করতে পারেন।"
এ বিষয়ে লক্ষ্য রেখে কেসিসি পরিচালিত স্কুল ও মাদরাসায় আন্তরিকতার সাথে পাঠদানের জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার কেসিসি পরিচালিত খালিশপুর কলেজিয়েট গার্লস স্কুলে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ উত্তীর্ণের গৌরব অর্জন করায় স্কুলের পক্ষ থেকে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কেসিসি প্রশাসক শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও ভালো ফলাফল অর্জনকে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "শতভাগ উত্তীর্ণ হওয়া একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেক বড় সাফল্য।"
তিনি আরও জানান, স্কুলের এ সাফল্য এ অঞ্চলে সম্ভাবনার নতুন দ্বার উম্মোচন করবে। এ সফলতার জন্য তিনি শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান এবং শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষার্থে নিয়মিত সভা আহ্বানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্কুলের অধ্যক্ষ মো. শহিদুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ।
অন্যান্যের মধ্যে কেসিসি’র শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম ফারাজী, স্থানীয় সমাজসেবক নিজাম উর রহমান লালু, এইচ এম আবু সালেক, কাজী শফিকুল ইসলাম, স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য জাহিদুর রহমান রিপন, কেসিসি’র সাবেক শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকর্তা এস কে এম তাছাদুজ্জামানসহ স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রশাসক সংবর্ধিত শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও ফুল তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জরুরি সংস্কার, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতকাজের জন্য আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে এই বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সিলেট বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলী অনিক সরকার।
বিউবো জানিয়েছে, শনিবার সিলেট নগরী ও শহরতলির ৯৯টি এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে সকাল ৬টা থেকে ৯টা পর্যন্ত টানা তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকবে।
নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার আওতায় থাকবে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মাউন্ট এডোরা হাসপাতাল, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এলাকা।
এছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে পাঠানটুলা, শ্রাবনী, নিকুঞ্জ, লতিফ মঞ্জিল, পল্লবী আবাসিক এলাকা, মদিনা মার্কেট, করের পাড়া, পনিটুলা, নোয়াপাড়া, কালিবাড়ী রোড, গ্রীন সিটি, আখালিয়া, উত্তর বাগবাড়ী ও পশ্চিম কাজলশাহসহ নগরী ও শহরতলির ৯৯টি এলাকায়। বিউবো জানিয়েছে, এসব এলাকার তৎসংলগ্ন আশপাশের এলাকাও সাময়িক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আওতায় থাকবে।
এ বিষয়ে সিলেট বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-৪-এর নির্বাহী প্রকৌশলী অনিক সরকার বলেন, ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি বাস সেকশনে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কাজ করা হবে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
তিনি আরও জানান, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কাজ শেষ হওয়ার ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত সময়ের আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনঃস্থাপন করা হতে পারে। তবে কাজ শেষ না হলে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। সাময়িক এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে গ্রাহকদের যে ভোগান্তি হবে তার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনে জোরালো আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান আন্তঃদেশীয় ও সংঘবদ্ধ বন্যপ্রাণী অপরাধের মোকাবিলায় আঞ্চলিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সমন্বিত আইন প্রয়োগ এবং যৌথ কার্যক্রমের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।
আজ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক-এর প্রথম সাধারণ পরিষদে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ বিষয়ে অভিমত ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বন্যপ্রাণী ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা রাজনৈতিক সীমারেখা মানে না।
তিনি আরও বলেন, অপরাধী চক্র সীমান্ত, পরিবহন ব্যবস্থা, বাণিজ্যিক চ্যানেল, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং আর্থিক ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে আন্তঃদেশীয় বন্যপ্রাণী পাচার পরিচালনা করছে।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আইন প্রয়োগ কার্যক্রমকে শুধুমাত্র বন্যপ্রাণী জব্দ ও অপরাধী গ্রেপ্তারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, এসব অপরাধের পেছনে থাকা সংগঠক, অর্থদাতা ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্ত, তদন্ত ও নিষ্ক্রিয় করতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিটি জব্দের ঘটনাকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা উচিত—বন্যপ্রাণী কোথা থেকে এসেছে, কোন পথে এসেছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত, কে অর্থায়ন করেছে এবং কোথায় পাঠানো হচ্ছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করতে হবে।
মন্ত্রী অনলাইন বন্যপ্রাণী অপরাধ মোকাবিলায় অনলাইন মনিটরিং, সাইবার তদন্ত ও ডিজিটাল প্রমাণ ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। একই সঙ্গে বড় ধরনের বন্যপ্রাণী অপরাধের ক্ষেত্রে জাতীয় আইন অনুযায়ী আর্থিক তদন্ত, সম্পদ শনাক্তকরণ এবং মানি লন্ডারিং বিরোধী ব্যবস্থা ব্যবহারের আহ্বান জানান।
বন্যপ্রাণী ফরেনসিক, ডিএনএ বিশ্লেষণ, ডিজিটাল ফরেনসিক ও ভূ-স্থানিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি সদস্য দেশগুলোর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ ও বিশেষজ্ঞ বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। উদ্ধার, পুনর্বাসন ও জব্দকৃত জীবন্ত বন্যপ্রাণীর প্রত্যাবাসনে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের জন্যও তিনি আহ্বান জানান।
দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান ২০২৬-২০৩০ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত কৌশলগত পরিকল্পনা এসব অগ্রাধিকারকে একটি সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবায়নযোগ্য আঞ্চলিক কর্মসূচিতে রূপ দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ এমন একটি পরিকল্পনাকে সমর্থন করে, যা গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, আইন প্রয়োগ, ফৌজদারি বিচার, ডিজিটাল ও আর্থিক তদন্ত, বিজ্ঞান ও ফরেনসিক, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং বন্যপ্রাণীর চাহিদা হ্রাসের ওপর গুরুত্ব দেবে।
মন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক-এর এই প্রথম সাধারণ পরিষদ রাজনৈতিক অঙ্গীকারকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কাঠমান্ডু থেকে সদস্য দেশগুলো আরও শক্তিশালী গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় ব্যবস্থা, বাস্তবভিত্তিক যৌথ কার্যক্রম এবং বন্যপ্রাণীর জন্য হুমকিস্বরূপ অপরাধী নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার অভিন্ন অঙ্গীকার নিয়ে ফিরে যাবে।
মন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক-এর সকল সদস্য দেশ, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে একটি শক্তিশালী, আন্তঃসংযুক্ত ও কার্যকর আঞ্চলিক বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রস্তুত।
সম্মেলনে নেপালের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার দোল প্রসাদ আরিয়াল, নেপালের কৃষি, বন ও পরিবেশ মন্ত্রী গীতা চৌধুরী, দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক এর মহাসচিব ড. কৃষ্ণ প্রাসাদ আচার্য এবং নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, পাকিস্তান, মালদ্বীপ ও বাংলাদেশ ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ