ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভৈরবে ‘ডেঙ্গু নগরী’ খ্যাত পৌর ২নং ওয়ার্ডে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাবাসীর বিক্ষোভ


ভৈরবে ‘ডেঙ্গু নগরী’ খ্যাত পৌর ২নং ওয়ার্ডে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাবাসীর বিক্ষোভ

ভৈরবে একই এলাকায় ফের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। ৪ অক্টোবর রবিবার সকাল ১০টায় ‘ডেঙ্গু নগরী’ খ্যাত পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ডে একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় বাগানবাড়ী রোড মনামারা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা ও আইস কোম্পানির মোড়ে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রশাসনের অবহেলা ও মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ তোলেন পৌর শহরের ২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, পৌর শহরের মধ্যে ভৈরবপুর দক্ষিণ পাড়াতেই সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যুর সংখ্যাও ২ নম্বর ওয়ার্ডেই বেশি।
এদিকে বেলা ১২টার দিকে বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত হয়ে অবরোধকারীদের দাবি মেনে নিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করিয়ে নেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.এইচ.এম. আজিমুল হক।
এর আগেও গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২ নম্বর ওয়ার্ডবাসী ডেঙ্গু প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুটি বড় ময়লার ভাগাড় অপসারণের দাবিতে ভৈরবের একই সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছিলেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জাহিদুল হক জাবেদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আরিফুল হক সুজন, পৌর ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আনিস উল্লাহ মিয়া, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাজী ইসমাইল, যুবদল সভাপতি জাহিদ মিয়া (জাবেদ), ছাত্রদল নেতা জাহিদুল ইসলাম হৃদয় এবং স্থানীয় বাসিন্দা শামীম আহমেদ, রাকিব হাসান ও শহীদ মিয়া প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, দিন দিন ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। একের পর এক মৃত্যুর ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত, কার্যকর ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে তাঁরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে ভৈরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি জাহিদুল হক জাবেদ বলেন, "ভৈরবে ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছে। শহরের প্রতিটি বাড়িতে ডেঙ্গুর রোগী রয়েছে। এদিকে পৌর ২নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৪ থেকে ৫ জন করে ডেঙ্গু রোগী রয়েছে। এই ওয়ার্ডের ২০ থেকে ২৫ জন রোগী ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন। আমরা চেম্বারের পক্ষ থেকে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছি। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নানাবিধ উদ্যোগ নিলেও পৌর ২নং ওয়ার্ডে দিন দিন ডেঙ্গু ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।"
এর কারণ চিহ্নিত করে তিনি বলেন, "পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ছোট ছোট ময়লার একাধিক স্তূপের পাশাপাশি দুটি বড় ভাগাড় রয়েছে। এর মধ্যে বাগানবাড়ী রোড মনামারা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা ও ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন রোডের পাশের ময়লার স্তূপ থেকে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। সেগুলোর ব্যাপারে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা না করলে শুধু ডেঙ্গু নয়, ওই ওয়ার্ডের মানুষের মাঝে নানা রোগব্যাধি ছড়াবে।"
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভৈরব পৌর প্রশাসককে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবির প্রেক্ষিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.এইচ.এম. আজিমুল হক বলেন, "ভৈরবে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়া নিয়ে আমাদের মধ্যেও উদ্বেগ রয়েছে। আমরাও ভৈরবের বাসিন্দা। আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাসহ ভৈরববাসীর সুরক্ষা আমাদেরই দিতে হবে। এই ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ইতোমধ্যে স্টেশন এলাকার ময়লার ভাগাড় অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দুই-একদিনের মধ্যে মনামারা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার ময়লার ভাগাড় অপসারণ করা হবে।"
তিনি আরও বলেন, "ময়লা ব্যবস্থাপনার স্থায়ী সমাধানের জন্য ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণসহ বিকল্প ব্যবস্থার প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু সচেতনতামূলক প্রচার নয়—মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, নিয়মিত মশক নিধন, দ্রুত ময়লা অপসারণ এবং আক্রান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি করছে উপজেলা প্রশাসন।"
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ড. কিশোর কুমার ধর বলেন, "যতক্ষণ না আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে, ততক্ষণ ডেঙ্গু থেকে কেউ রেহাই পাবে না। আমার পরিবারও ডেঙ্গু আক্রান্ত। কেবল আমি সচেতন হলেই যে ডেঙ্গু হবে না তা নয়; আমাদের চারপাশের এলাকাগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে যেন কোনোভাবেই পানি জমে থাকতে না পারে।"
তিনি আরও জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত ৩১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন এবং বহির্বিভাগে প্রতিনিয়ত কয়েক শতাধিক রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। গত আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বরে দ্বিগুণ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও প্রতিদিন শতাধিক রোগী সেবা নিচ্ছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ডেঙ্গু মোকাবিলা ও আক্রান্ত রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একদিন পরই টাঙ্গাইল জেলা দলিল লেখক সমিতির নবগঠিত কমিটি বাতিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩১ পি.এম


একদিন পরই টাঙ্গাইল জেলা দলিল লেখক সমিতির নবগঠিত কমিটি বাতিল

কমিটি গঠনের একদিন পরই বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির টাঙ্গাইল জেলা শাখার নবগঠিত কমিটি বাতিল করা হয়েছে।
রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির মহাসচিব কে.এস. হোসেন টমাস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ দলিল
লেখক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখা আয়োজিত দলিল লেখক সমাবেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং গঠনতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে নবগঠিত টাঙ্গাইল জেলা কমিটি বাতিল করা হয়েছে। বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান এম.এ. রশিদের নির্দেশক্রমে কমিটিটি বাতিল করা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল জেলা সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস প্রাঙ্গণে ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ‘দলিল লেখক সমাবেশ-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির টাঙ্গাইল জেলা শাখা এ সমাবেশের আয়োজন করে।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। তিনি বলেন, “আপনাদের যে ৭টি যৌক্তিক দাবি রয়েছে, তা আমি আমার দলের পক্ষ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানাব।”

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হক সানু। সমাবেশে প্রধান বক্তা বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম.এ. রশিদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। এতে সভাপতি হিসেবে মো. হুমায়ুন রশিদ আকন্দ (সোনা) এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আলহাজ্ব খন্দকার জাহিদ হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়।

এদিকে কমিটি ঘোষণার পরদিনই সেটি বাতিলের ঘোষণা আসে। তবে সমাবেশে ঠিক কী ধরনের বিশৃঙ্খলা ও গঠনতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড হয়েছে, বিজ্ঞপ্তিতে তার বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি।

সমাবেশে বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির মহাসচিব কে.এস. হোসেন টমাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী, বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল হক মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব ফিরোজ আলম, যুগ্ম মহাসচিব রুহুল আমিন খান ও মো. আরজু আকন্দ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফাসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মো. ইমান আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন নবগঠিত কমিটির সভাপতি মো. হুমায়ুন রশিদ আকন্দ (সোনা)।

সমাবেশে বক্তারা দলিল লেখকদের বিভিন্ন সমস্যা, পেশাগত সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার নিয়ে আলোচনা করেন। একই সঙ্গে সাত দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান। কমিটি বাতিলের পর নতুন কমিটি কবে এবং কীভাবে গঠন করা হবে, বিজ্ঞপ্তিতে সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সেলিম উদ্দিন রমিজ জামায়াতে যোগ দিলেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩২ পি.এম


সাবেক স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সেলিম উদ্দিন রমিজ জামায়াতে যোগ দিলেন

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে সেলিম উদ্দিন রমিজ নামে এক সাবেক স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন। তিনি চরকাদিরা ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চরবসু এলাকার আলী উদ্দিনের পুত্র। জামায়াতে যোগদানের জন্য তিনি ৮ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি জসিম উদ্দিনের মাধ্যমে সদস্য ফরম পূরণ করেন।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, রমিজ বর্তমানে চরবসু এলাকার পাটোয়ারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে কর্মরত আছেন। সেলিম উদ্দিন রমিজ কমলনগর উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০০৮ সাল থেকে প্রথমে ওই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সদস্য এবং পরে যুবলীগের সদস্য হিসেবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেন, যা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চলমান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার উপস্থিতির ছবি ও ভিডিও সংরক্ষিত রয়েছে।

যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে সেলিম উদ্দিন রমিজ জানান, "পরিস্থিতির শিকার হয়ে তিনি জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। এখন কোনো দায়িত্বে নেই। শুধুমাত্র জামায়াত সমর্থক হিসেবে আছেন।"

এ বিষয়ে জানতে উপজেলা জামায়াতের আমির আবুল খায়েরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আগামী কয়েকটা দিন হয়তো একটু কঠিন যাবে’, তৃতীয় কেমো শেষে সামিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


‘আগামী কয়েকটা দিন হয়তো একটু কঠিন যাবে’, তৃতীয় কেমো শেষে সামিয়া

মডেল ও উপস্থাপিকা সামিয়া আফরিন দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন এবং শনিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের শারীরিক অবস্থার খবর শেয়ার করেছেন। হাসপাতালের শয্যা থেকে দেওয়া তার বার্তায় কষ্টের পাশাপাশি সুস্থ হয়ে ফেরার দৃঢ় প্রত্যয়ের কথা উঠে এসেছে।

সামিয়া হাসপাতালের একটি ছবির মাধ্যমে জানান, ‘আমার তৃতীয় কেমো শেষ হলো।’

এরপর তিনি তার শারীরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে লেখেন, ‘আগামী কয়েকটা দিন হয়তো একটু কঠিন যাবে, তবে ইনশাআল্লাহ দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠব। আমার একটাই প্রার্থনা, আমার শরীরে যেন আর কখনো ক্যান্সার বাসা বাঁধতে না পারে।’

অক্টোবর মাসটি ক্যান্সার সচেতনতার মাস হিসেবে পরিচিত। এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের তিনি নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘নিজের শরীরের প্রতি সচেতন হোন। অস্বাভাবিক কোনো পরিবর্তন অবহেলা করবেন না; সময়মতো স্ক্রিনিং ও নিয়মিত চেকআপ করুন। কারণ প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।’

নিজের যত্ন নেওয়া এবং সচেতন থাকা হলো নিজের প্রতি আসল ভালোবাসা—এই বার্তাও তিনি দিয়েছেন।

সামিয়ার এই পোস্টের পর তার জন্য প্রার্থনা করছেন ভক্ত ও শোবিজ অঙ্গনের সহকর্মীরা। মন্তব্যের ঘরে মৌসুমী নাগ, নিপুণ আক্তার, জাকিয়া বারী মম, শাহনাজ খুশী, দীপা খন্দকার, তানভীন সুইটি, ফাহমিদা নবীসহ অনেকে তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া ও ভালোবাসার বার্তা দিয়েছেন।

জানা গেছে, সামিয়া আফরিন প্রায় পাঁচ বছর ধরে ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছেন। ২০২২ সালের এপ্রিলে তার কোলন ক্যান্সার শনাক্ত হয়। সে সময় সিঙ্গাপুরে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে তিনি স্বাভাবিক জীবনে ফেরেন।

তবে চলতি বছরে নতুন করে তার শরীরে ডিম্বাশয়ের ক্যানসার শনাক্ত হয়। সম্প্রতি অস্ত্রোপচারের পর বর্তমানে তিনি কেমোথেরাপি নিচ্ছেন।

এর আগে কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় চুল পড়ে যাওয়ায় মাথা ন্যাড়া করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সামিয়া। সেই সময়ের ছবি প্রকাশ করে জীবনের এই পরিবর্তনকে ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৪ বছরের নিচে কোনো শিশুকে বাসাবাড়ির কাজে দেওয়া যাবে না: ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৩ পি.এম


১৪ বছরের নিচে কোনো শিশুকে বাসাবাড়ির কাজে দেওয়া যাবে না: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ১৪ বছরের নিচে কোনো শিশু বাসাবাড়িতে কাজ না করে। তিনি শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো অপরাধের প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

রবিবার (৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের আয়োজনে ‘শিশুশ্রম নিয়ে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল উল্লেখ করেন, ১৪ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে বাসাবাড়িতে কাজের জন্য নিয়োগ না দেওয়ার বিষয়ে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। শিশুদের সুরক্ষায় ব্যক্তি ও সামাজিক পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, শিশু নির্যাতনের ঘটনায় অনেক সময় অপরাধীরা আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে পার পেয়ে যায়। এই ধরনের অপরাধ বন্ধ করতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

পথশিশুদের বিষয়ে ডেপুটি স্পিকার বলেন, পথশিশুরাও একটি ভালো জীবনের অধিকারী। তাদের ধীরে ধীরে পথ থেকে ঘরে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। শিশুদের সুরক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সরকারের রোডম্যাপ বাস্তবায়নে এনজিওগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগকে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে না দেখে ইতিবাচকভাবে দেখার আহ্বান জানান।

সংলাপে শিশুশ্রম নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থা ও এনজিওর প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। তারা শিশুশ্রম ও শিশু সুরক্ষার বিভিন্ন দিক নিয়ে নিজেদের মতামত ও তথ্য উপস্থাপন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%