ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শেরপুরের নকলায় এগ্রো ফার্ম পরিদর্শনে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক


শেরপুরের নকলায় এগ্রো ফার্ম পরিদর্শনে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক

শেরপুরের নকলা উপজেলার নূরে আলম সিদ্দিক রুবেলের “রুবেল এগ্রো ফার্ম” পরিদর্শন করেছেন প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক ড. শামসাদ জাহান সিরাজী। সোমবার উপজেলার গনপদ্দী এলাকাস্থ মেসার্স পরশ এন্টারপ্রাইজের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান “রুবেল এগ্রো ফার্ম”-এর মৎস্য, পোল্ট্রি ও ডেইরী ফার্ম পরিদর্শন করেন তিনি।

এসময় উপপরিচালক (ভেটেরিনারি পাবলিক হেলথ) ডা. খালেদা জেসমিন, বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ডেপুটি চিফ ইপিডিমিওলজিস্ট মোহাম্মদ নাজিমুল ইসলাম ও উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় উদ্যোক্তাগন ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগীয় পরিচালক ড. শামসাদ জাহান সিরাজী “রুবেল এগ্রো ফার্ম” পরিদর্শন শেষে সন্তুষ প্রকাশ করেন এবং শিক্ষিত বেকার তরুণদের রুবেলকে অনুসরন-অনুকরণ করার পরামর্শ দেন। এছাড়া রুবেল এগ্রো ফার্মের সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি জানান, প্রবল ইচ্ছা শক্তি থাকলে যেকেউ নকলার তরুণ উদ্যোক্তা রুবেলের মতো প্রতিষ্ঠিত ফার্মের মলিক হতে পারেন। দেশের বেকার যুবক ও যুবনারীদের আত্মনির্ভশীল হিসেবে গড়ে তোলতে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহযোগিতায় প্রশিক্ষণ প্রদানসহ প্রয়োজনীয় সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: (ছবি আছে) জিয়ানগরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে মানববন্ধন

উল্লেখ্য, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক যুব দিবস-২০২৫ উপলক্ষে সফল আত্মকর্মী ক্যাটাগরিতে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কোটায় সফল আত্মকর্মী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে জেলা-উপজেলার জন্য সুনাম বয়ে আনেন। জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত নূরে আলম সিদ্দিক রুবেল নকলা উপজেলার চরকৈয়া গ্রামের মরহুম মাওলানা মো. ফজলুল হকের ছেলে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমরা টহল দেওয়া শুরু করলে অনেক এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির চলে যাবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০০ এম


আমরা টহল দেওয়া শুরু করলে অনেক এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির চলে যাবে

গণ অধিকার পরিষদ যদি টহল দেওয়া শুরু করে তাহলে অনেক এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির চলে যাবে, এমন মন্তব্য করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণ অধিকার পরিষদের (জিওপি) সভাপতি নুরুল হক নুর। তিনি জামায়াতের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার লাগাম টেনে ধরার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

সোমবার দিবাগত রাতে, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ মন্তব্য করেন নুর। ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কুষ্টিয়ায় জামায়াত নেতা আমির হামজা allegedly তার গুন্ডা বাহিনীর লোক দ্বারা গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীদেরকে হুমকি দিচ্ছেন এবং বাড়ির আশপাশে টহল দিয়ে মানুষকে ভয় দেখাচ্ছেন।

নুরুল হক নুর বলেন, "আমরা টহল দেওয়া শুরু করলে কিন্তু অনেক এলাকা থেকে জামায়াত-শিবির নাই হয়ে যাবে।" কাজেই জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, "উন্মাদ আমির হামজার লাগাম টেনে ধরুন, নাহলে কল্পনাতীত খেসারত দিতে হবে।"

তিনি আরও জানান, জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে সংঘাতের রাজনীতি নয় বরং ঐক্য-সম্প্রীতি ও সহনশীলতার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৬ এম


হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আওয়ামী লীগ নেতার কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয়েছে এবং এর মধ্যে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মোক্তাদির চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে চুনারুঘাট পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার নিজ বাসা থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের একটি সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনারুঘাট থানার পুলিশের একটি দল নতুন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোক্তাদির চৌধুরীকে আটক করে। পরে তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ১৫ আগস্ট রাতে একটি চা-বাগানে ব্যানার টাঙিয়ে মোক্তাদির চৌধুরী জ্বালাময়ী বক্তব্য দিয়েছিলেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য পাওয়া গেছে। বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রচার-প্রচারণা আইনত নিষিদ্ধ। তার সে বক্তব্যের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় জননিরাপত্তার স্বার্থে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অতিরিক্ত, ওসি আরও জানান, গ্রেফতার মোক্তাদির চৌধুরীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফাটল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ এম


উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফাটল

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর ক্রমাগতভাবে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতারা আস্থা হারাচ্ছেন। ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে হতাশা দেখা দিয়েছে। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইনের সরকার ওয়াশিংটনের ওপর ক্রমাগতভাবে বিরক্ত হচ্ছে। উদ্বেগের বিষয় হলো, ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ থামানোর মতো কার্যকর কূটনীতি পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছেন।

ওয়াশিংটন পোস্টে খবর প্রকাশ পেয়েছে, ট্রাম্প সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের বিরুদ্ধে একাধিকবার কঠোর সামরিক হুমকি দিয়েছেন। এরপর আবার আলোচনায় অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি সেই হুমকি থেকে সরে এসেছেন। উপসাগরীয় দেশগুলো এই নীতির কারণে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছে।

এই অবস্থায় সবচেয়ে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি মধ্যপ্রাচ্যে থাকবে কি থাকবে না, তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছে কিছু উপসাগরীয় দেশের নেতারা। তারা আলোচনা করছেন মার্কিন সামরিক স্থাপনা রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এই প্রশ্নটি কেবল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অসন্তোষ নয়, দীর্ঘ সময়ের মার্কিন নিরাপত্তা কাঠামো নিয়েও তাঁদের ভাবনাকে প্রতিফলিত করছে।

এই পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় দেশগুলো এখন ওয়াশিংটনের ওপর পুরোপুরি নির্ভরতা ফেলতে চাচ্ছে না। তাদের মত অনুযায়ী, ইরানের হামলা এবং ক্রমবর্ধমান যুদ্ধে তারা দেখেছে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকলেও এই অঞ্চল পুরোপুরি নিরাপদ নয়। এজন্য উপসাগরীয় দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তার জন্য আরও বৈচিত্রময় অংশীদারত্ব নিয়ে ভাবতে বাধ্য হচ্ছে।

'ট্রাম্প যুদ্ধ করছেন, আমরা মূল দিচ্ছি'

জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনজন কর্মকর্তা এবং একজন প্রাক্তন মার্কিন কূটনীতিক ওয়াশিংটন পোস্টের কাছে অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে উপসাগরীয় মিত্ররা এখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইনস্ট্যান্ট ঘন ঘন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি নেতাদের অসন্তোষ বেড়ে গেছে। ওই কর্মকর্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'ট্রাম্প এই যুদ্ধ শুরু করেছেন এবং আমরা তার মূল্য দিচ্ছি।'

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ওয়াশিংটন উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য একটি ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা অংশীদার এবং অস্ত্র সরবরাহকারী হলেও পরিস্থিতি এখন ভিন্নদিকে মোড় নিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে আরও একটি সংকেত

জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলে হয়, একজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে 'যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি সংকেত' জ্ঞাপন করেছেন। যা এই অঞ্চলের কিছু রাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছে বলে প্রমাণ করে।

এক সাক্ষাৎকারে ওই কর্মকর্তা ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেছেন, উপসাগরীয় নেতারা এখন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট মনে করছেন না।

আরেক পশ্চিমা কূটনীতিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি মনোভাবের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের বিষয়টিও তুলে ধরেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেও এই অঞ্চলের নেতারা মার্কিন সামরিক বাহিনীকে ভালো চোখে দেখেনি। বিষয়টি ছিল অনেকটা 'প্রয়োজনীয় মন্দ' বিষয়। এখন এর প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর ইরানের কয়েক মাসব্যাপী হামলার পর আগস্টে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে প্রবেশ করে।

এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিনটি দেশই তাদের মধ্যে যদি কোনো একটির ওপর হামলা ঘটে, তাহলে সেটিকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। যা ন্যাটোর ৫নং অনুচ্ছেদের অনুরূপ। এই অনুচ্ছেদে ন্যাটো জোটের সম্মিলিত প্রতিরক্ষার দাবি করা হয়েছে।

যদিও রোববার সামাজিকমাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রশংসা করেছেন। তিনি এটিকে একটি 'বড়, সাহসী এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ' বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য কিভাবে একত্রিত হচ্ছে এবং দেশগুলো অবশেষে আরও অর্থবহ উপায়ে নিজেদের রক্ষা করতে সক্ষম হচ্ছে।

আরও দেখুন

অন্যদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলের বাজার অস্থির

সোমবার দিনের শুরুতে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশিরভাগ শেয়ার বাজার নিষ্প্রভ অবস্থায় ছিল। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনীতি স্থবির হয়ে পড়ায় মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের আশঙ্কা পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালী হয়ে যান চলাচল কমে যাওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ এবং বাণিজ্য প্রবাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এর আগে শনিবার ইরান ওয়াশিংটনকে পরাজয় মেনে নিতে আহ্বান জানানোর পর উত্তেজনার মাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে।

একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে 'অত্যন্ত শয়তান' বলে অভিহিত করেছেন এবং মার্কিন নাগরিকদের জ্বালানির ক্রমাগত দাম বাড়ার অভিঘাত মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকতে আহ্বান জানান।

সৌদি আরবের বেঞ্চমার্ক স্টক সূচক ০.২ শতাংশ কমেছে। এর প্রধান কারণ আল রাজহি ব্যাংক ও তেল কোম্পানি সৌদি আরামকোর ০.৫ শতাংশ দরপতন।

কাতারে বেঞ্চমার্ক স্টক সূচক ১ শতাংশ কমে গেছে এবং এর প্রায় সব উপদেষ্টা নেতিবাচক অবস্থানে লেনদেন করেছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের বৃহত্তম ঋণদাতা কাতার ন্যাশনাল ব্যাংকের সূচকও ১.৮ শতাংশ কমেছে।

গত সপ্তাহের ট্যাঙ্কার হামলার পরিপ্রেক্ষিতে সপ্তাহান্তে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

দুবাইয়ের প্রধান শেয়ার সূচক ০.১ শতাংশ কমেছে, যেখানে শীর্ষ ঋণদাতা এমিরেটস এনবিডি ১.৩ শতাংশ লোকসান করেছে। আবুধাবিতে সম্পদ তহবিল ল'ইমাডকে ব্যক্তিগত খাতে দিয়ে দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।

ওমানের সঙ্গে চুক্তিতে ধাক্কা খাবে ওয়াশিংটন

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের পরিকল্পনা নিয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করার জন্য এবং তারা সোমবার বলেছে, দুই দেশের মধ্যে অবস্থিত হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের একটি পরিকল্পনা নিয়ে তারা ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে।

উভয় পক্ষ এখন একটি যৌথ বিবৃতির জন্য বিস্তারিত বিষয়গুলো চূড়ান্ত করতে কাজ করে যাচ্ছে বলে বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

এ ঘটনা উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য হিতে বিপরীত হতে পারে। তারা নতুন কৌশলগত ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ইরানের পররাষ্ট্রবিষয়ক মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই তেহরানে সাংবাদিকদের বলেছেন, 'পরিবহণ পথের মানচিত্র নিয়ে ওমানের সঙ্গে একটি বোঝাপড়া হয়েছে।'

এপি জানায়, এতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় একটি প্রশ্ন উঠে এসেছে। এত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথের স্বাভাবিক চলাচল পুনরুদ্ধারে ওয়াশিংটনের নেতৃত্বের বদলে তেহরান-মাস্কাট সমঝোতা কার্যকর হয়ে উঠছে। যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তির দাবি তোয়াক্কা না করেই ইরান–ওমান আলাদা ব্যবস্থাপনা নিয়ে এগোচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাজতের ভেতর তাঁতী লীগ নেতার ভিডিও, ওসি প্রত্যাহার!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৪২ এম


হাজতের ভেতর তাঁতী লীগ নেতার ভিডিও, ওসি প্রত্যাহার!

সাতক্ষীরা সদর থানার হাজতের ভেতরের গ্রেফতার কার্যক্রম নিষিদ্ধ নিয়ে সংবাদমাধ্যমে অভিযোগ ওঠার পর, ওসি মাসুদুর রহমানকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। এদিকে, ডিউটি অফিসার পিংকি রায় এবং সহকারী ডিউটি অফিসার এনিভা খাতুনকেও বদলি করা হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে, ১৫ আগস্ট সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর এলাকা থেকে জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী আকতার হোসেন, কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শফিকুল ইসলাম, জেলা তাঁতী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন এবং পৌর নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ মোস্তাফিজুর রহমান শোভনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়ার পর অভিযোগ ওঠে যে, থানার ভেতরে ওসির অনুমতি নিয়ে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী হাজতের সামনে গিয়ে গ্রেফতার নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এমন সময় তাদের একজন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে।

পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। উক্ত ভিডিওতে দেখা যায়, জেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন হাজতের ভেতর থেকে বক্তব্য প্রদান করছেন। ভিডিওতে তিনি বলেন, 'আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পুলিশ আমাদের অন্যায়ভাবে ধরে নিয়ে এসেছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।' তিনি এ সময় 'শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে'সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেন। সদর থানার একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থেকে জানান, ১৫ আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে জেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আলমগীর কবিরসহ বেশ কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী থানায় ছিলেন। সেই সময়ে আর্জেন্টিনার জার্সি পরা একজন ব্যক্তি থানায় প্রবেশ করে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন।

এই ঘটনার পুরোটাই থানার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনায় সোমবার ওসি মাসুদুর রহমানকে সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিউটি অফিসার পিংকি রায় এবং সহকারী ডিউটি অফিসার এনিভা খাতুনকেও অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওসির দ্বারা ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা না করে আর্থিক কিংবা রাজনৈতিক স্বার্থে কাউন্টার মামলা দেওয়ার প্রবণতা ছিল। এই ধরনের ভূমিকার কারণে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিরা উৎসাহ পেয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ১৫ আগস্ট ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড ঠেকাতে সদর থানার পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপের অভাব ছিল বলে অভিযোগ আছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদে সোমবার বিকালে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদল ওসি মাসুদুর রহমানের স্থায়ী অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে।

অন্যদিকে, হবিগঞ্জে একজন আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভুট্টো বলেন, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরও দলটির নেতাকর্মীরা সাতক্ষীরায় বিভিন্ন সময় নিষিদ্ধ কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। সদর থানার ওসির পক্ষ থেকে এসব ঘটনায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে সক্ষমতা প্রদর্শিত হয়নি। তিনি বলেন, গ্রেফতার একজন আওয়ামী লীগ নেতার হাজতের ভেতর থেকে ভিডিও বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় শুধু বদলি যথেষ্ট নয়, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তবে ভিডিও ধারণের বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিথুন সরকার জানিয়েছেন, থানার হাজতে ভিডিও ধারণের ব্যাপারটি তাদের জানা নেই। অন্যদিকে, ওসিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তার বদলি নিয়মিত প্রশাসনিক বদলির অংশ হিসেবে করা হয়েছে। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ওসি মাসুদুর রহমানের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%