ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইরানের শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে দাবি নেতানিয়াহুর


ইরানের শাসনব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে দাবি নেতানিয়াহুর

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা গুরুতরভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং শেষ পর্যন্ত তেহরানের পতন অনিবার্য। নেতানিয়াহু দাবি করেন, তেহরানের ক্ষমতার ভিত্তি ইতোমধ্যে ভেঙে গেছে, এবং আগের অবস্থায় ফেরার সম্ভাবনা নেই।

মঙ্গলবার বিদায়ী মোসাদ প্রধান ডেভিড বারনিয়ার সম্মানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এসময় নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলের শত্রুরা যেন পরিষ্কারভাবে বুঝে নেয়—দেশটির বিরুদ্ধে যদি কোনো আঘাত হানা হয়, তবে এর মূল্য অত্যন্ত চড়া দিতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ইরান বড় মূল্য দিয়েছে। এই সন্ত্রাসী শাসনের ভিত ফেটে গেছে। এটি আর আগের মতো শক্তিশালী হয়ে উঠবে না এবং এর পতন অবধারিত।

নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন একদিন আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে ইরান ও লেবাননের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। সেখানে ট্রাম্প জানান, কয়েকদিনের তীব্র সংঘর্ষের পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গাইবান্ধার স্মৃতি খাতুনের সাফল্য

ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরাসরি এবং হিজবুল্লাহ প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরোক্ষভাবে কথা বলে এই সমঝোতা নিশ্চিত করেছেন। তার দাবি অনুযায়ী, ইসরায়েল বৈরুতে পরিকল্পিত হামলা স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছে এবং হিজবুল্লাহও ইসরায়েলের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা বন্ধ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সমঝোতা দীর্ঘস্থায়ী হবে।

তবে নেতানিয়াহু আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতির বিষয়ে স্পষ্ট সমর্থন দেননি। তার কার্যালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের শহর ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা অব্যাহত থাকলে বৈরুতে হিজবুল্লাহর অবস্থানে আঘাত হানা চলবে।

এদিকে ইরানের গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে, লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক তৎপরতা বাড়ায় তেহরান মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে চলমান আলোচনা স্থগিত করেছে।

আরও পড়ুন: গভর্নর নিউসমের ক্ষমতা ছাড়ার আগে ৫৪৮ বন্দির মৃত্যুদণ্ড বাতিল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে স্মরণ রাখার আহ্বান ইউএনএইচসিআরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০১ পি.এম


বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের বিষয়ে স্মরণ রাখার আহ্বান ইউএনএইচসিআরের

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ভুলে না যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং তাদের মানবিক সহায়তা অংশীদাররা।

আজ মঙ্গলবার জেনেভার পালে দে নাসিওঁ-এ আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র বাবর বালোচ বলেন, ‘চলতি বছর মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের গণহারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হওয়ার নয় বছর পূর্ণ হচ্ছে। বর্তমানে অধিকাংশ রোহিঙ্গা কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্পে বসবাস করছেন।’

ইউএনএইচসিআর জানায়, কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রোহিঙ্গারা বাস্তুচ্যুত হয়ে আসছেন। তবে সবচেয়ে বড় ঢলটি আসে ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে, যখন প্রায় ৭ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয়। সে সময় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বাংলাদেশ।

সংস্থাটি বলছে, বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা অস্থিতিশীলতা ও মানবিক সংকটের কারণে সীমিত সম্পদের মধ্যে অগ্রাধিকারের নির্ধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি সেবাকে হুমকির মুখে ফেলছে। গত মাসে বাংলাদেশ সরকার, জাতিসংঘ ও সহযোগী সংস্থাগুলো রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জরুরি প্রয়োজন মেটাতে ৭১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন জানায়। যদিও চাহিদা বাড়ছে, তবু এই আবেদন গত বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ কম রাখা হয়েছে।

ইউএনএইচসিআরের মতে, ২০১৭ সাল থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থী কার্যক্রমে মানবিক অর্থায়ন বাংলাদেশকে জীবন রক্ষাকারী সহায়তা বজায় রাখতে এবং শরণার্থীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষায় বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জনে সহায়তা করেছে। তবে উল্লেখযোগ্য মানবিক চাহিদা রয়ে গেছে এবং অব্যাহত আন্তর্জাতিক সংহতি ছাড়া রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর দুর্দশা আরো বাড়বে।

সংস্থাটি আরো জানায়, মানবিক ও উন্নয়ন সহায়তায় কাটছাঁটের কারণে রোহিঙ্গারা এখনও ত্রাণ সহায়তার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। বিশেষ করে নারী, কন্যাশিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, বয়স্ক মানুষ এবং ২০২৪ সালের শুরু থেকে রাখাইন রাজ্যের সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার নতুন আগত ব্যক্তি বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত, নিপীড়ন ও লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার কারণে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হচ্ছে। ফলে উন্নত জীবনের আশায় অনেকে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে এমন যাত্রায় প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন। এই প্রেক্ষাপটে সহায়তার আবেদনটি সবচেয়ে জরুরি মানবিক প্রয়োজনগুলোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। রোহিঙ্গাদের মর্যাদা ও ভবিষ্যতের আশা ধরে রাখতে এবং দীর্ঘমেয়াদে ত্রাণ সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে তাদের আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সংস্থাটি জানায়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই অতিজরুরি সহায়তা আবেদনে ইতোমধ্যে সাড়া দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অর্থের ৬০ শতাংশ পাওয়া গেছে। তবে শুধু ন্যূনতম সহায়তা দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। পর্যাপ্ত সহায়তা না পেলে শরণার্থীদের জীবন আরও কঠিন হয়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে সংকট মোকাবিলায় আরও বেশি ব্যয় ও জটিলতা তৈরি হতে পারে।

ইউএনএইচসিআর বলেছে, মিয়ানমারে সংঘাত ও সহিংসতা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং তাদের আশ্রয় দেওয়া স্থানীয় জনগণের পাশে থাকতে হবে। একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা এবং রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদার সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরিতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশি পণ্যের আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশি পণ্যের আলোচনা

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাতে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

সাক্ষাৎকালে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) সংসদ ভবনের স্পিকারের কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, সাক্ষাৎকালে উভয়েই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। স্পিকার মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বিদ্যমান রোহিঙ্গা সংকট সম্পর্কে সারসংক্ষেপ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে এই সংকটের সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার প্রস্তাব দেন।

এছাড়া, বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগের সহযোগিতা বৃদ্ধি, জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক স্থাপন, সংসদীয় ককাস ফোরামে গণতন্ত্র দিবস উদযাপন এবং বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধার করতে মার্কিন সরকারের সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়।

তারা চলমান জ্বালানি সংকটের সমাধানে বাংলাদেশে তেল ও গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধানের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ হ্রাস করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ ও আমেরিকার সম্পর্কের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। উক্ত মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক আর্চার কেন্ট ব্লাড বাংলাদেশের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন।

বাংলাদেশ এবং আমেরিকার সরকারের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক একটি মাইলফলক অতিক্রম করতে যাচ্ছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ শুধুমাত্র গণতন্ত্রের মাধ্যমে প্রকৃত সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। বাংলাদেশের সর্বশেষ অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ সব সময় স্বৈরাচারীদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে আসছে।

সাক্ষাৎকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হাফিজ উদ্দিন আহমদকে জাতীয় সংসদের স্পিকার পদে নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান।

এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের প্রতিনিধিরা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রান্তিক কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে নতুন নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


প্রান্তিক কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমে নতুন নির্দেশনা

১০, ৫০ বা ১০০ টাকার হিসাবধারী প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক, নিম্নআয়ের পেশাজীবী, স্কুল ব্যাংকিং হিসাবধারী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য গঠিত পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিপার্টমেন্ট (এফআইডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, আগের পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় কৃষক স্মার্ট কার্ডধারী প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক এবং সাম্প্রতিক গ্রীষ্মকালীন অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

এজন্য বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর প্রস্তাবিত 'কৃষক স্মার্ট কার্ড নীতিমালা-২০২৫' অনুযায়ী কৃষক স্মার্ট কার্ডধারীদের ১০ টাকার হিসাব খোলা এবং পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ঋণ বিতরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তবে কার্ডবিহীন প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকরাও যেন কোনোভাবে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়েও যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিশেষ করে হাওর এলাকায় পাকা ধানসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোণা ও ময়মনসিংহসহ হাওরাঞ্চল এবং দেশের অন্যান্য জেলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঋণ প্রদানে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ (২০২৩ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত জারি করা হয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুক্তির পর অবিলম্বে ১২ বিলিয়ন ডলার জব্দকৃত অর্থ ছাড় চায় ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


চুক্তির পর অবিলম্বে ১২ বিলিয়ন ডলার জব্দকৃত অর্থ ছাড় চায় ইরান

একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তি স্বাক্ষরের পরে ইরান অবিলম্বে তাদের জব্দকৃত ১২ বিলিয়ন ডলারে প্রবেশাধিকার দাবি করছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশটির আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সির উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, ইরান বলেছে, চুক্তি স্বাক্ষরের পর যদি তাদের জব্দকৃত সম্পদে প্রবেশে কোনো বাধা সৃষ্টি হয়, তাহলে তারা এই সমঝোতা থেকে সরে আসার অধিকার সংরক্ষণ করবে।

আলোচনার সঙ্গে যুক্ত সাংবাদিক সাঈদ আজোরলু জানান, “চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ১২ বিলিয়ন ডলারের এই অর্থে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করাই একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যারান্টি হওয়া উচিত।”

তিনি আরও দাবি করেন, মোট অর্থের মধ্যে প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার হলো এভাবে পূর্বে জব্দ করা ইরানের সম্পদ, এবং বাকি ৬ বিলিয়ন ডলার নতুনভাবে ছাড় করা হতে পারে এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে।

রাষ্ট্রীয় সংশ্লিষ্ট তাসনিম নিউজ এজেন্সির আগে জানা গেছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যদি একটি অন্তর্বর্তী চুক্তি হয়, তাহলে মোট ২৪ বিলিয়ন ডলার ইরানি সম্পদ মুক্ত হতে পারে। চুক্তি ঘোষণার সময়ের অর্ধেক অর্থ ছাড় দেওয়া হতে পারে বলেও ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে বলা হয়েছে, এই অর্থের বিষয়ে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কাতার। আলোচনা অংশগ্রহণকারী ইরানি প্রতিনিধি দলের একজন সদস্য দাবি করেছেন, কাতার এই অর্থ ব্যবস্থাপনায় ‘গ্যারান্টর’ হিসেবে কাজ করবে।

ইরানি পক্ষের যুক্তি হলো, অতীত অভিজ্ঞতার কারণে তারা আর কোনো চুক্তিতে যেতে চাইছে না যেখানে সমঝোতার পরও যুদ্ধ বা রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তাদের সম্পদের ওপর আবারও প্রবেশাধিকার হারাতে হয়।

তবে, কাতার সরকার জানিয়েছে, তারা ইরানকে চুক্তি নিশ্চিত করতে ১২ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার কোনো প্রস্তাব দেয়নি-এমন খবর সঠিক নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অর্থনৈতিক বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনা একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠছে, যেখানে আস্থা পুনর্গঠন এবং নিষেধাজ্ঞাজনিত সম্পদ ব্যবহারের প্রশ্নটি কেন্দ্রে রয়েছে। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%