০৮:০০ পি.এম
শাসক নয়,একজন জনসেবক হিসেবে কাজ করে এলাকাবাসীর পাশে থাকতে চান ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ধীতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী, তরুণ প্রজন্মের পরিচিত মুখ ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মোকসেদুল ইসলাম ইকবাল। একটি দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত,আধুনিক ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
সম্প্রতি প্রাইম টিভিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে ধীতপুর ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া,সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন মোকসেদুল ইসলাম ইকবাল। তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি হওয়ার মূল উদ্দেশ্য ক্ষমতা ভোগ করা নয়; বরং জনগণের সেবা করা এবং এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা।
তিনি আরও জানান,ধীতপুর ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের সমস্যা চিহ্নিত করে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে চান। ইউনিয়নের রাস্তাঘাট,শিক্ষা,স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যয় রয়েছে তাঁর। একই সঙ্গে মাদক, দুর্নীতি, অনিয়ম ও সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে কাজ করার কথাও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: টঙ্গীর এরশাদনগরে দুই যুবককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন টঙ্গী
দীর্ঘ দেড় যুগের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে বিএনপির একাধিক আগ্রহী নেতা মাঠে সক্রিয় হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপির হাইকমান্ডের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে মোকসেদুল ইসলাম ইকবাল বলেন, দলের দুঃসময়ে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন এবং কঠিন সময়ে দলের পাশে থেকে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন, তাঁরা তৃণমূলের সাধারণ নেতাকর্মীদের আবেগ ও আস্থার জায়গা।
তিনি মনে করেন,প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পরিচয় কিংবা প্রভাবের চেয়ে রাজনৈতিক ত্যাগ,সাংগঠনিক অবদান,জনসম্পৃক্ততা,জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দেওয়া প্রয়োজন। যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রার্থী বাছাই করা হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মনোবল আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দলের অভ্যন্তরীণ ঐক্য ও সাংগঠনিক শক্তি সুদৃঢ় হবে।
নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে এই চেয়ারম্যান প্রার্থী বলেন,ধীতপুর ইউনিয়নের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন এবং একটি পরিকল্পিত, উন্নত ও বাসযোগ্য ইউনিয়ন গড়ে তুলতে একটি সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজ, তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন,জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ইউনিয়ন পরিষদকে একটি জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চান। মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, সরকারি সেবা সহজলভ্য করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হবে তাঁর অগ্রাধিকার।
আরও পড়ুন: রূপগঞ্জে পোশাক কারখানায় ডায়ার কম্প্রেসার বিস্ফোরণে ৪ জন দগ্ধ
মোকসেদুল ইসলাম ইকবালের ভাষ্য, তিনি চেয়ারম্যান হলে ইউনিয়নবাসীর মতামত ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন। তরুণদের কর্মসংস্থান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা,মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখা এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
সবশেষে ধীতপুর ইউনিয়নকে একটি সুন্দর, নিরাপদ, দুর্নীতিমুক্ত,মাদকমুক্ত ও আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে দলমত-নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন এই চেয়ারম্যান প্রার্থী। তাঁর প্রত্যাশা, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ধীতপুর ইউনিয়নকে উন্নয়ন ও জনকল্যাণের একটি আদর্শ ইউনিয়নে রূপান্তর করা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন