ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএমজেপির সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা, দেশব্যাপী কমিটি গঠনের উদ্যোগ


বিএমজেপির সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা, দেশব্যাপী কমিটি গঠনের উদ্যোগ

বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) সাংগঠনিক প্রস্তুতি সভা করেছে। আসন্ন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে সামনে রেখে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, গতিশীল ও তৃণমূলভিত্তিক করার লক্ষ্য নিয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর মেরুল বাড্ডার মডেল টাউন মোড়ে দলের মহাসচিব দীলিপ কুমার দাসের অফিসে সভাটি আয়োজন করা হয়।

সভায় বক্তারা মন্তব্য করেছেন, "নির্যাতিত, নিপীড়িত, শোষিত ও অধিকারবঞ্চিত মানুষ মাত্রই মাইনরিটি" এই মূল দর্শনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) এগিয়ে চলছে। দলের সভাপতি সুকৃতি কুমার মণ্ডল, বিপ্লবী সহ-সভাপতি আর কে মন্ডল রবিন এবং বিপ্লবী মহাসচিব দীলিপ কুমার দাসসহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দের পরামর্শে দেশের সব বিভাগ, জেলা ও উপজেলা কমিটি গঠন এবং পুনর্গঠনের পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও সম্প্রসারিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় নেতাকর্মীদের মতামত গ্রহণ করা হয়, সাংগঠনিক কার্যক্রম তুলে ধরা হয় এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে বিস্তারিত মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সফল করার জন্য সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার জন্য আহবান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুলতানি আমলে পোড়ামাটি দিয়ে তৈরি কমলাপুর জামে মসজিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫১ পি.এম


সুলতানি আমলে পোড়ামাটি দিয়ে তৈরি কমলাপুর জামে মসজিদ

কমলাপুর জামে মসজিদ সুলতানি আমলে পোড়ামাটি দিয়ে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামে অবস্থিত এই মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে এটি সতেরো শতকের শেষের দিকে নির্মিত হয়েছে। মসজিদটির দেয়ালের পুরুত্ব ১.৮৩ মিটার বা ছয় ফুট। এর দৈর্ঘ্য উত্তর দক্ষিন দিকে ১৭.২২ মিটার বা ৫৬ ফুট এবং পূর্ব-পশ্চিম দিকে ৮.০৮ মিটার বা ২৬ ফুট।

দেয়ালগুলিতে রয়েছে বহুখাঁজ বিশিষ্ট খিলানযুক্ত প্রবেশপথ। পূর্ব দিকে তিনটি এবং উত্তর ও দক্ষিণ দেয়ালে একটি করে মোট পাঁচটি প্রবেশপথ রয়েছে, যার মধ্যে পূর্ব পাশে মসজিদের মধ্যভাগের প্রবেশ পথটি বাকিগুলোর থেকে বড় এবং এটিকে প্রধান ফটক হিসেবেই ব্যবহার করা হয়। কিবলার দিকে তিনটি অর্ধ অষ্টভুজ মিহরাব রয়েছে। এরমধ্যে মাঝখানের মিহরাবটি বাইরের দিকে অভিক্ষিপ্ত এবং দু’প্রান্তে দুটি ছোট অষ্টভুজ বুরুজ রয়েছে।

মসজিদটির ইটের নির্মাণ এবং খিলানের সাহায্যে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যার প্রত্যেকটি ভাগে একটি করে সামান্য কন্দাকৃতির গম্বুজ রয়েছে। কেন্দ্রীয় গম্বুজটি অপর দুটি থেকে বড়। গম্বুজগুলির শীর্ষে রয়েছে পদ্ম ও কলসের নকশা। মসজিদের অলংকরণে সুলতানি বৈশিষ্ট্যের পোড়ামাটির কাজ করা হয়েছে।

প্রবেশপথের আয়তাকার অংশে প্যাঁচানো ফুলের নকশা, গোলাপ নকশা, জালি নকশা প্রভৃতি মোটিফ দিয়ে সাজানো পোড়ামাটির ফলক রয়েছে। মিহরাবের বহুখাঁজ নকশাগুলি এখনও অসাধারণ। মসজিদের তিনপাশ দিয়ে রয়েছে হাটার রাস্তা এবং মসজিদের সামনের অংশে বিশাল বসার স্থান রয়েছে, যার পূর্বদিকে ছোট ছোট চারটি স্তম্ভ রয়েছে।

মসজিদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা সৈয়দ সুমন আহম্মেদ জানালেন, প্রধান প্রবেশপথের শিলালিপিটি হারিয়ে যাওয়ার কারণে নির্মাণ সময় সঠিকভাবে জানা যায়নি, তবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের মতে এটি সতেরো শতকের শেষভাগে নির্মাণ হয়েছিলো। স্থানীয় বাসিন্দা মো. এমদাদ হোসেন হাওলাদার বলেন, ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরবর্তীতে মসজিদটিতে বহুবার সংস্কার কাজ হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ১৯৮৭ ও ২০১২ সালের সংস্কার কাজ তিনি নিজেই দেখেছেন।

ঝড়ের কারণে মসজিদের গম্বুজগুলোর ওপর থাকা কলসের নকশা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এবং কিছু সমস্যা রয়েছে, যার কারণে জরুরি ভিত্তিতে মসজিদের সংস্কার করা প্রয়োজন। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের পক্ষ থেকে মসজিদটি দেখভালের জন্য নিয়মিত একজন লোক ছিল, তবে বর্তমানে তিনি নিয়মিত নন।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ২৬ শতক জায়গার ওপর মসজিদ কমপ্লেক্সের পাশে এখন একটি মাদ্রাসা অবস্থিত। সেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা মসজিদের দেখভাল করছেন। মসজিদ ভবনের উত্তরপূর্ব কোণে একটি বিদেশী সংস্থার দ্বারা নির্মিত ওজুখানা রয়েছে। এছাড়া ওজুর জন্য পুকুরও রয়েছে মসজিদের পূর্বদিকে।

মসজিদের নিয়মিত মুসল্লিরা জানান, বহু বছর ধরে এখানে স্থানীয়দের সহায়তায় পবিত্র রমজান মাসে ইফতারের আয়োজন করা হয়ে আসছে। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের পাশাপাশি রমজান মাসে তারাবির নামাজসহ সকল ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করা হয়ে থাকে। মসজিদের ভিতরের অংশে তিনটি কাতারে ৮০ থেকে ৯০ জন একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন। বাহিরের খোলা অংশ নিয়ে দুই থেকে তিনশ’ মুসল্লী একত্রে নামাজ আদায় করেন। বিশেষ করে প্রতি শুক্রবার দূর-দূরান্ত থেকে জুমআর নামাজ আদায় ও মসজিদ দেখতে অসংখ্য মানুষ আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়, আমি জোর-জবরদস্তি করে কিছুই করিনি: কাফি

কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এনসিপির নেতা কাফির বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ পি.এম


কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এনসিপির নেতা কাফির বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নুরুজ্জামান কাফি জমি দখল করে চলাচলের জন্য একটি পথ নির্মাণ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জমি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় চলছে। প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রহিম দাবি করেছেন, অন্তত সাতদিন আগে রাতের আধারে কাফি ওই চলাচলের পথটি নির্মাণ করেছেন। উল্লেখ্য, কাফির পেছনে নিজের জমি রয়েছে বলে জানা গেছে এবং শোনা যাচ্ছে, সে নাকি ছয় শতক জমি বায়না করেছে। এই ঘটনার ফলে বিদ্যালয়ের জমি নিয়ে স্থানীয় সালাহউদ্দিন নয়ন পাহলোয়ানদের সঙ্গে বিদ্যালয়ের একটি মামলা চলমান রয়েছে। বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, জমি দখল বা শ্রেণি পরিবর্তন করা সঠিক নয়। একদিন আগে বৃহস্পতিবার কাফি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তিনি দিনের বেলা চলাচলের জন্য ওই পথটি করেছেন এবং কোন অন্যায় করেননি। বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে। কাফি কলাপাড়ার টিয়াখালী ইউনিয়নের রজপাড়া গ্রামের মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত সুপার মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠক হিসেবে ব্যাপক আলোচিত ছিলেন এবং পরে ২০২৬ সালের এপ্রিলে ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বলে জানা গেছে। খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুর রহিম জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের নিজস্ব মালিকানাধীন ২১ একর ৭৬ শতক জমি ভোগদখলে রয়েছে। যার মৌজা রজপাড়া এবং বিএস খতিয়ান নম্বর-১২। বিদ্যালয়ের খাজনাদি ১৪৩২ সাল পর্যন্ত পরিশোধ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয় এবং তখন বিধি অনুসারে সমস্ত জমি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নামে দলিল হস্তান্তরিত করা হয়। জমির মালিকানা বিরোধ নিয়ে প্রায় ৩০ বছর আগে আব্দুর জব্বার গংদের সঙ্গে মামলা চলমান রয়েছে। বর্তমান সময়ে উচ্চ আদালতে স্থানীয় সালাউদ্দিন নয়ন পাহলোয়ানদের সঙ্গে দীর্ঘকাল ধরে সেই মামলা চলছে। উচ্চ আদালত নয়নদের পক্ষে একটি রায় দিয়েছেন এবং সেই রায় পুনঃর্বিবেচনার জন্য সিভিল রিভিউ পিটিশন (২৪৬/২০২৫) আবেদন করায় সেটা এখনও চলমান আছে। এরই মধ্যে কাফি নয়নদের কাছ থেকে ৬ শতাংশ জমি কিনেছেন দাবি করে রাস্তা নির্মাণ করেছেন, যা প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিমের মতে সম্পূর্ণ অবৈধ। তিনি এ বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা সংবলিত কাগজপত্র কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং কলাপাড়া থানায় দাখিল করেছেন। নয়ন পাহলান গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, তার দাদা মোবারক পঞ্চায়েতের সঙ্গে ২৯ একর জমি নিয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রায় ৩০ বছর ধরে মামলা চলমান ছিল। প্রথমে পটুয়াখালী আদালত এবং পরে ২০২৫ সালে হাইকোর্ট থেকে তারা তাঁদের পক্ষে রায় পেয়েছেন। নুরুজ্জামান কাফির জমিতে যাতায়াতের জন্য তাকে ৬ শতক জমি বায়না চুক্তির মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে। তারা কোন ভুল করেনি বলে দাবি করে আসছেন। এ বিষয়ে এনসিপি নেতা নুরুজ্জামান কাফি গণমাধ্যমে বলেছেন, আমি ৩০ লাখ টাকায় বিদ্যালয়ের জমির পেছনে একটি জমি কিনেছি এবং সেখানে চলাচলের কোনো পথ নেই। তিনি প্রধান শিক্ষককে বলেছেন, কিন্তু তিনি রাজি হননি। নয়ন পাহলানরা আদালতের রায় পাওয়ার পর মৌখিক বায়নায় তাদের কাছ থেকে ৬ শতক জমি নিয়ে চলাচলের রাস্তা করেছেন। তিনি দাবি করেন, রাতে নয়, দিনে এই পথের জন্য ছোট্ট একটি সড়ক তৈরি করেছেন। পোড়া কয়লা ও বালু এনে তিনি পথটি তৈরি করেছেন। এখানে জোর-জবরদস্তির কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় উভয়পক্ষকে যথাযথ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সম্পূর্ণ বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতকে অবহিত করা হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আরিফুজ্জামান বলেন, উচ্চ আদালতের নির্দেশনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
এমপি বাচ্চু মোল্লার উদ্যোগে

দৌলতপুরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ নির্মাণের স্থান পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ পি.এম


দৌলতপুরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ নির্মাণের স্থান পরিদর্শন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দৌলতপুর থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লার উদ্যোগে, দৌলতপুর উপজেলার তারাগুনিয়া, হিসনাপাড়া ও চক দিয়াড় এলাকায় পানি প্রবাহের উদ্দেশ্যে তিনটি ব্রিজ নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করা হয় শুক্রবার দুপুরে। এই পরিদর্শনে প্রকল্প পরিচালক বিয়া তোর কুষ্টিয়ার দ্বিতীয় রিভাইসড মোঃ কামরুজ্জামান, বৃহত্তর কুষ্টিয়ার অফিসার ফোরামের সভাপতি সাবেক সচিব মোঃ খবিরুল ইসলাম, এলজিইডি কুষ্টিয়ার নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহমেদ এবং দৌলতপুর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আসাদুল্লাহ বাচ্চু উপস্থিত ছিলেন। উক্ত সময়ের স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ এলজিইডির অন্যান্য কর্মকর্তা বৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আসাদুল্লাহ বাচ্চু জানান, ইতিপূর্বে এসব ব্রিজগুলোর বিষয় ডিজিটাল সম্পন্ন হয়েছে। এ দিকে দৌলতপুরে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দৌলতপুরের চরাঞ্চলের বাসীদের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকে লক্ষ্য করে চিলমারী, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নে ভাগজোত ও শুকার ঘাট ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং তিনি নির্বাচিত হয়ে সংসদে এটি উত্থাপন করেছেন। দৌলতপুরের উন্নয়নে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশাশুনিতে নবাগত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর যোগদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০২ এম


আশাশুনিতে নবাগত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর যোগদান

আশাশুনি উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে নবাগত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী যোগদান করেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি তাঁর প্রথম কর্মদিবসে কাজ করেন। নবাগত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মোঃ মনিরুজ্জামান মুনির ৪১ তম বিসিএস ক্যাডার হিসাবে চাকুরী লাভ করেন এবং ১৯ মে ২০২৪ সালে সাতক্ষীরা জেলার বলারোয়া উপজেলায় যোগদান করেন।

পিরোজপুর জেলার মটবাড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা মুনির কলারোয়ায় সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন শেষে ৬ জুন আশাশুনিতে বদলী হয়ে যোগদান করেন এবং ছুটিতে ছিলেন। ১৬ জুলাই তিনি ছুটি শেষে আশাশুনিতে প্রথম কর্মদিবসে অফিসের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে অফিস পরিচালনা করেন। তিনি জানান যে, সরকারি নিয়ম কানুন মেনে সকলকে সাথে নিয়ে আশাশুনির জন্য নিবেদিত হয়ে কাজ করতে আগ্রহী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%