শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৪৪ পি.এম
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় মো. মহিউদ্দিন (২৪) নামে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত মুজিবুর নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার শিকলবাহা ইউনিয়নের মাস্টারহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত মহিউদ্দিন শিকলবাহা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আহছানিয়া পাড়া এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মুজিবুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। প্রায় দুই মাস কারাভোগের পর সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে তিনি আবারও মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে কয়েক দিন আগে আহছানিয়া পাড়ায় একটি সামাজিক সংগঠন গঠন করা হয়। মহিউদ্দিন ওই সংগঠনের সদস্য ছিলেন এবং এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। বৃহস্পতিবার মাস্টারহাট এলাকায় মহিউদ্দিনের সঙ্গে ইব্রাহিম নামে এক ব্যক্তির মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ইব্রাহিম ধারালো অস্ত্র দিয়ে মহিউদ্দিনকে কুপিয়ে জখম করেন।
স্থানীয়দের দাবি, ইব্রাহিম মুজিবুর রহমানের সহযোগী হিসেবে কাজ করেন। হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে একদল উত্তেজিত জনতা মুজিবুর রহমানের ভাড়া বাসায় গিয়ে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে ঘরের একটি গবাদিপশু পুড়ে মারা যায়।
আহত মহিউদ্দিনের ফুফাতো ভাই শিহাব উদ্দিন বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ইব্রাহিম আমার ভাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়েছে। বর্তমানে সে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মহিউদ্দিন ও ইব্রাহিমের মধ্যে বিরোধের জেরে মহিউদ্দিনকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। পরে উত্তেজিত জনতা মুজিবুর রহমানের বাড়িতে আগুন দেয়। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবস্থাপনা ‘স্থবির পর্যায়ে’ ছিল এবং সেই 'স্থবিরতা কাটিয়ে উঠতে বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে আনার পথ উন্মুক্ত' করা হয়েছে মর্মে নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের বক্তব্যকে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম বাস্তবতা-বিবর্জিত ও বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বন্দর রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার ও সদস্য সচিব ফজলুল কবির মিন্টু বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো সচল, গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক টার্মিনাল বিদেশিদের কাছে দীর্ঘমেয়াদে ইজারা চুক্তি থেকে জাতীয় স্বার্থে বিরত থাকতে হবে।
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম ‘স্থবির’ ছিল- নৌমন্ত্রীর এমন দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বরং দীর্ঘদিন ধরে বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও দেশীয় দক্ষ জনশক্তির নিরলস শ্রম, অভিজ্ঞতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম বন্দর তার কার্যক্রম সচল রেখেছে এবং কনটেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে ধারাবাহিকভাবে সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।
বিবৃতিতে তারা বলেন, বৈরী আবহাওয়া, সমুদ্রের সতর্ক সংকেত ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও বন্দর শ্রমিক-কর্মচারীরা ঝুঁকি নিয়ে বন্দরের কার্যক্রম সচল রেখেছেন। চট্টগ্রাম বন্দরের আয় ও হ্যান্ডলিং কার্যক্রমে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি থাকলে সেটিকে ‘স্থবিরতা’ হিসেবে চিহ্নিত করা বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। বন্দরের এই অর্জনের পেছনে শ্রমিক-কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম ও দক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
বন্দর রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়ন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি ও সক্ষমতা সম্প্রসারণ অবশ্যই প্রয়োজন। তবে উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক কনটেইনার টার্মিনাল দীর্ঘমেয়াদি ইজারার মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে দেওয়ার যৌক্তিকতা প্রতিষ্ঠিত হয় না।
তারা বলেন, বিদেশি প্রযুক্তি, কারিগরি জ্ঞান বা ব্যবস্থাপনা সহযোগিতা গ্রহণের বিরোধিতা বন্দর রক্ষা কমিটির নয়। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তি ও দক্ষতা নেওয়া যেতে পারে।
কিন্তু দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর অবকাঠামোর কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জাতীয় অর্থনীতি, নিরাপত্তা, শ্রমিকস্বার্থ, রাজস্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রীয় স্বার্থের ওপর এর প্রভাব প্রকাশ্যে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।
বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ও চিটাগাং কনটেইনার টার্মিনালের (সিসিটি) মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অতীত সরকারের সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত কিংবা পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে নেওয়া উদ্যোগ- কোনোটিই জনস্বার্থ ও জাতীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে হতে পারে না।
তারা বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকতে হবে। একই সঙ্গে বন্দরের প্রকৃত সক্ষমতা, আয়, কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং এবং দেশীয় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা নিয়ে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ মূল্যায়ন প্রকাশ করা প্রয়োজন।
বন্দর রক্ষা কমিটির নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘আমরা বন্দরের আধুনিকায়ন চাই, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন চাই, সক্ষমতা বৃদ্ধি চাই; কিন্তু জাতীয় স্বার্থ ও রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ বিসর্জন দিয়ে নয়। চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়ন দেশের শ্রমিক-কর্মচারী, কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও দেশীয় দক্ষ জনশক্তিকে সঙ্গে নিয়েই করতে হবে।
তারা জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের গুরুত্বপূর্ণ ও লাভজনক স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে দীর্ঘমেয়াদি ইজারা দেওয়ার উদ্যোগ বাতিল এবং বন্দরের জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণের দাবিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
আগামী ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম বন্দর ভবনের সামনে দিনব্যাপী অবস্থান কর্মসূচিসহ ধারাবাহিক কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে।
উল্লেখ্য যে, ফ্যাসিবাদী পতিত হাসিনা আমলে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান স্থাপনা নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল এনসিটি বিদেশি কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দীর্ঘ মেয়াদি ইজারা চুক্তিতে ছেড়ে দেওয়ার পদক্ষেপ বাতিলের দাবিতে বন্দর রক্ষা কমিটি চট্টগ্রাম এবং বিভিন্ন শ্রমিক কর্মচারী সংগঠন, শ্রমিক জোট, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের ঐক্যবদ্ধ চলমান আন্দোলন কর্মসূচিতে বিক্ষোভ মিছিল, মশাল মিছিল, অবরোধ, ঘেরাও, সভা সমাবেশ, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান, চট্টগ্রাম বন্দর অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল, সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছোটপর্দার সীমানা অতিক্রম করে বড়পর্দায় নিজের অবস্থান প্রতিষ্ঠা করা সহজ ছিল না, তবে টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইধিকা পাল নিজগুণে সেই স্থানটি তৈরি করেছেন। দেবের সঙ্গে একাধিক সিনেমায় জুটি বেঁধে তিনি ইতোমধ্যে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এখন শোনা যাচ্ছে, টালিপাড়ার আরেকজন প্রথম সারির নায়কের সঙ্গে একটি ছবিতে দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে। জানা গেছে, দেবের পর এবার জিতের নায়িকা হিসেবে ইধিকা পালকে দেখা যাবে।
গণমাধ্যমের সূত্রমতে, পরিচালক পথিকৃৎ বসুর আসন্ন সিনেমায় জিতের বিপরীতে অভিনয় করবেন ইধিকা পাল। সিনেমাটি এসকে মুভিজের প্রযোজনায় নির্মিত হবে বলে জানা গেছে।
তবে এই সিনেমার বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। অভিনেতা জিৎ কিংবা ইধিকাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
উল্লেখ্য, অভিনেতা দেবের সঙ্গে ইধিকার জুটি ইতোমধ্যে দর্শকদের নজর কেড়েছে। একের পর এক সিনেমায় পাগলুখ্যাত অভিনেতার বিপরীতে তাকে দেখা গেছে। সেই সিনেমাগুলোর সাফল্যের পর টালিপাড়ায় ইধিকা পালের চাহিদা বেড়ে গেছে, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
সম্প্রতি নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সিনেমা ‘কুইন ভিক্টোরিয়া ও গোয়েন্দা কানাইচরণ’-এর শুটিং শেষ করেছেন ইধিকা পাল। সেখানে যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে একফ্রেমে দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে। নতুন সিনেমার সবকিছু এখন আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সাগরপথে পাচারের সময় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ৯৭৫ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করেছে। এই ঘটনায় চারটি ট্রাক, একটি মাছ ধরার ট্রলার এবং তিন শ্রমিককে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের উপকূলীয় ইছাখালী খালের ১৬ গেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব সার জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের মাঝিরঘাট থেকে ১ হাজার ১০০ বস্তা ইউরিয়া সার হাতিয়ায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে সাগরপথে পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৯৭৫ বস্তা সারসহ একটি মাছ ধরার ট্রলার এবং চারটি ট্রাক জব্দ করা হয়। অভিযানে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে মূল চক্রের সদস্যরা ১২৫ বস্তা সার নিয়ে একটি ট্রলারে পালিয়ে যায়।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীরুল কাদের চৌধুরী ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। আটক তিন শ্রমিককে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে জব্দ করা সার স্পট নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। জব্দ ট্রলারটি বর্তমানে কোস্ট গার্ডের হেফাজতে রয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানভীরুল কাদের চৌধুরী বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ৯৭৫ বস্তা সার, ১টি ফিশিং বোর্ট, ৪টি ট্রাক এবং ৩ জন শ্রমিককে আটক করি। এরপর মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে আটককৃত ৩ জনকে অর্থদণ্ড প্রদান করি এবং জব্দকৃত সার নিলামের মাধ্যমে বিক্রির ব্যবস্থা করি। জব্দকৃত ট্রলার কোস্ট গার্ড হেফাজতে রয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’
মিরসরাই কোস্ট গার্ডের পিওআর মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার, একটি মাছ ধরার ট্রলার, চারটি ট্রাক ও চার শ্রমিককে আটক করা হয়েছে। সাগরপথে অবৈধ চোরাচালান প্রতিরোধে কোস্ট গার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদকের কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে মাদকবিরোধী লিফলেট বিতরণ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন আতাহার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ এলাকায় জুমার নামাজ শেষে স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ জনগণের মধ্যে এসব লিফলেট বিতরণ করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব, মাদকাসক্তির কারণে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করা হয়।
এ সময় মাদক ব্যবসা ও মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে স্থানীয় জনগণকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত স্থানীয় জনগণ মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং মাদকমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করার অঙ্গীকার করেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ