মোঃ শাহিন ,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
০২:৪৬ পি.এম
মাদক ও চোরাচালান দমনে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাজশাহী রেঞ্জের মাসিক অপরাধ সভায় ১ম স্থান অর্জন করে শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নির্বাচিত হয়েছে।
আজ (বুধবার) রাজশাহী রেঞ্জের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় রাজশাহী রেঞ্জের সম্মানিত ডিআইজি জনাব মোঃ আশিক সাঈদ মহোদয়ের হাত থেকে এই গৌরবময় অর্জনের সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার জনাব গৌতম কুমার বিশ্বাস।
জানা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে সম্পূর্ণ মাদক ও চোরাচালানমুক্ত করতে জুলাই ২০২৬ মাসে জেলা জুড়ে ধারাবাহিক ও তীব্র অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জুলাই মাসের অভিযানের উল্লেখযোগ্য সাফল্য হলো:
মামলা রুজু: ২০৬ টি
গ্রেফতারকৃত আসামি: ৮৫৪ জন
উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের মধ্যে রয়েছে:
হেরোইন: ৪ কেজি ১৬৮.৫ গ্রাম
ইয়াবা: ৮,৬২২ পিস
গাঁজা: ৯ কেজি ১০৫ গ্রাম
স্কাফ সিরাপ: ৪৪৯ বোতল
দেশি-বিদেশি মদ: বিদেশি মদ ১ বোতল, চোলাই মদ ৫৬১ লিটার এবং ৩৫৫ লিটার ওয়াশ।
চোরাচালান বিরোধী অভিযানে: ৮৬টি ভারতীয় মোবাইল, বিপুল পরিমাণ ভারতীয় যন্ত্রাংশ এবং ১টি পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়েছে।
এই অসামান্য সাফল্যের বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার জনাব গৌতম কুমার বিশ্বাস জানান, "পুলিশ সুপার মহোদয়ের সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনায় জেলা পুলিশের সকল অফিসার ও ফোর্স পরম আন্তরিকতা এবং নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করায় এই গৌরবময় পুরস্কার অর্জিত হয়েছে। এই স্বীকৃতি জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের মনোবল আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে এবং আমাদের এই সাফল্যের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অনন্য ভূমিকা রাখায় জেলা পুলিশের সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান পুলিশ সুপার। পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বার্তা দেন— "মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজা ভূখণ্ডের যুদ্ধপরবর্তী শাসনব্যবস্থা ইস্যুতে মার্কিন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বিষয়ে নেতানিয়াহু এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের মধ্যে চরম মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সহযোগীদের নিয়ে মার্কিন পরিকল্পনায় নেতানিয়াহু নানা বাধা সৃষ্টি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন কুশনার।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, গাজায় নতুন অধ্যায়ে প্রবেশের জন্য মার্কিন পক্ষ অবিলম্বে ব্যবহারিক পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছে। তবে নেতানিয়াহু স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আগে নিরাপত্তা শর্ত পূরণ করতে হবে।
চলমান আলোচনার সময় নেতানিয়াহু কুশনারকে নিশ্চিত করেন, গাজা স্ট্রিপকে পুরোপুরি সামরিক মুক্ত করা না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল সেখানে কোনো শাসনব্যবস্থা অনুমোদন করবে না। ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোর যাবতীয় অস্ত্র আত্মসমর্পণ ও সামরিক অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস করাকেই সামরিক দূরীকরণের মূল শর্ত হিসেবে দেখছে ইসরায়েল।
এই মতবিরোধের ফলে গাজার যুদ্ধপরবর্তী দ্রুত পুনর্গঠন ও প্রশাসনিক কাঠামো গঠনের বৈশ্বিক প্রচেষ্টার সঙ্গে ইসরায়েলের কঠোর নিরাপত্তা দাবির মধ্যকার ব্যবধান প্রকাশ্যে চলে এসেছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে খালে গোসল করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পানিতে পড়ে আব্দুল্লাহ মিয়া (১১) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের বধূনগর গ্রামের একটি খালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল্লাহ মিয়া ওই গ্রামের প্রবাসী নজরুল মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ২টার দিকে আব্দুল্লাহসহ চার সহপাঠী বাড়ির পাশে বধূনগর খালে গোসল করতে যায়। এ সময় তারা বিদ্যুতের খুঁটি থেকে লাফিয়ে পানিতে নামছিল। তখন খুঁটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হলে আব্দুল্লাহ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পানিতে পড়ে যায়। এ সময় সঙ্গে থাকা অন্য তিনজনও বিদ্যুতের শক অনুভব করে।
সহপাঠীদের চিৎকারে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আব্দুল্লাহকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। পরে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হলে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় আড়াই ঘণ্টা অভিযান চালান। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর রাত ৭টা ২০ মিনিটে খাল থেকে আব্দুল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীদের টিম লিডার তোফাজ্জল হোসেন বলেন, দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহতের আত্মীয় মাসুম মিয়া বলেন, আব্দুল্লাহসহ চারজন খালে গোসল করছিল। একই সময়ে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন সেখানে মেরামতের কাজ করছিলেন। মেরামতের সময় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। পরে হঠাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হলে চারজনই বিদ্যুতের শক অনুভব করে। তিনজন বেঁচে গেলেও আব্দুল্লাহ শক খেয়ে পানিতে তলিয়ে যায়।
নিহতের বোন জামাই রাজু মিয়া অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন কাজ করে যাওয়ার পর কীভাবে খুঁটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ এলো, তা তদন্ত করা প্রয়োজন। বিদ্যুৎ বিভাগের গাফিলতির কারণেই তার শ্যালকের মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
নিহত আব্দুল্লাহ পরিবারের ছোট ছেলে। তার বাবা ও বড় ভাই সৌদি আরবে থাকেন। তার বড় এক ভাই ও এক বোন রয়েছে।
ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুব রহমান বলেন, পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি তিনি সাংবাদিকের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে বিষয়টি খোঁজ নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবৈধ ও মিথ্যা মামলায় রাঙ্গামাটি জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলী আকবর সুমনকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা। বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে ‘রাঙ্গামাটি বিএনপি পরিবার’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এদিন দুপুরে রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বনরুপা বিএম শপিং কমপ্লেক্সের সামনে গিয়ে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক বাচ্চু মিয়া, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মো. নাজিম উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সাকু, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি খায়রুল ইসলাম, বাশার আজম ও সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবদুল সাকুর জাবেদসহ দলটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, 'সাবেক ছাত্রনেতা আলী আকবর সুমনকে সাদা পোশাকধারী ব্যক্তিরা যেভাবে তুলেছে, তা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ হতে পারে না।'
বক্তারা আরও বলেন, 'সুমন বিএনপির দুঃসময়ের একজন পরীক্ষিত নেতা। তাকে এভাবে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর এখনও পর্যন্ত প্রশাসন বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য না পাওয়ায় আমরা চরম উদ্বিগ্ন। আওয়ামী লীগ আমলের গুম-খুনের সংস্কৃতির সঙ্গে এই ঘটনার মিল রয়েছে। আমাদের প্রশ্ন, এই অপসংস্কৃতির অবসান কবে হবে?'
অবিলম্বে সুমনের মুক্তির দাবি জানিয়ে বিএনপি নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, 'যতক্ষণ পর্যন্ত ছাত্রনেতা সুমনকে সুস্থভাবে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেওয়া না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত রাঙ্গামাটির প্রতিটি ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় টানা প্রতিবাদ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।'
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সামনে থেকে আলী আকবর সুমন এবং বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন ডিবিসি নিউজের রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি সৈকত রঞ্জন চৌধুরীকে তুলে নিয়ে যায় ডিবি। পরবর্তীতে রাঙ্গামাটি জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নির্দিষ্ট একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের দুজনকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ আটক করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুর বিসিক শিল্প নগরীর একটি সিলগালাকৃত গুদাম থেকে প্রশাসনের জব্দ করা প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের ৯৯ মেট্রিক টন নিষিদ্ধ কীটনাশক উধাও হয়ে গেছে। এই ঘটনায় রহস্য উন্মোচনের জন্য বিসিকের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল তদন্ত শুরু করেছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিন সদস্যের এই তদন্ত দল দুর্ঘটনাস্থল, সংশ্লিষ্ট গুদাম এবং আশেপাশের এলাকা সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
বিসিকের পরিচালক আরিফুল হকের নেতৃত্বে এই তদন্ত দলে ছিলেন জেনারেল ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন ও সারোয়ার হোসেন। তদন্ত কার্যক্রমে আরও উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর উপ-পরিচালক নুরেল হক, সৈয়দপুর বিসিকের শিল্প নগরী কর্মকর্তা মশিউর রহমান, শিল্প মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম মিন্টু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ এবং থানা পুলিশের প্রতিনিধিরা।
ঘটনার বিবরণীতে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৫ জুন সৈয়দপুর বিসিক কার্যালয়ের সামনের একটি গুদাম থেকে সরকারঘোষিত নিষিদ্ধ এসিআই কোম্পানির 'বিফার ৫ জি' বালাইনাশক গোপনে সরিয়ে ফেলার সময় অভিযান চালায় প্রশাসন। তৎকালীন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), কৃষি কর্মকর্তা, র্যাব ও পুলিশের উপস্থিতিতে পরিচালিত সেই অভিযানে ট্রাকে লোড করা এবং গুদামে রাখা মোট ৯৯ মেট্রিক টন কীটনাশক জব্দ করা হয়। পরে সব কীটনাশক ওই গুদামে রেখে তা সিলগালা করে দেওয়া হয়।
উক্ত ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এসিআই কোম্পানির স্থানীয় ডিলার 'মেসার্স মনোয়ার ট্রেডার্স'-এর স্বত্বাধিকারী মনোয়ার হোসেন সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৫৬ দিন জেল খাটার পর বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন এবং মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। গুদামের মূল চাবিটি হস্তান্তরিত হয়েছিল মামলার বাদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণের জিম্মায়।
পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে গত ২৯ জুলাই (২০২৬) জব্দকৃত ওই বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কীটনাশক ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে নীলফামারীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব হাসান বিসিকের সিলগালা গুদামে যান। কিন্তু গুদামের তালা খুলে দেখা যায়, ৯৯ মেট্রিক টন কীটনাশকের পুরো চালানটিই গায়েব হয়ে গেছে। ভেতরে মেঝেতে ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় পড়ে ছিল মাত্র ১২৩টি ছেঁড়া-ফাটা এক কেজির প্যাকেট। পরে সেই কয়টি প্যাকেট বিসিক কর্মকর্তার জিম্মায় রেখে গুদামটি পুনরায় তালাবদ্ধ করা হয়।
গুদাম থেকে মালামাল উধাও হওয়ার বিষয়ে মেসার্স মনোয়ার ট্রেডার্সের মালিক মনোয়ার হোসেন সরকার জানান, 'আমার জব্দকৃত মালামাল সিলগালা অবস্থায় ছিল। কে বা কারা সেখান থেকে কীটনাশক সরিয়েছে তা আমার জানা নেই।'
গণমাধ্যমে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশের পর বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুতরভাবে নেয় শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বিসিকের তিন সদস্যের এই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত শেষে কমিটির প্রধান বিসিক পরিচালক আরিফুল হক বলেছেন, 'আমরা সার্বিক তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করেছি এবং সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করেছি। সংগৃহীত সব তথ্য পর্যালোচনা করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। যেহেতু এটি বিসিকের একটি অভ্যন্তরীণ বিভাগীয় তদন্ত, তাই এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ