ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকারের ছয় মাসের অর্জন তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী : তথ্য উপদেষ্টা


সরকারের ছয় মাসের অর্জন তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী : তথ্য উপদেষ্টা

বর্তমান সরকারের ছয় মাস বা ১৮০ দিন পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই জনগণের সামনে সরকারের অর্জন, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান। উপদেষ্টা বলেন, সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে রেলপথ সম্প্রসারণে কাজ হচ্ছে। ইশতেহারে ঘোষণা অনুযায়ী আন্তঃনগর ও কমিউটার ট্রেন সেবা সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে ‘অভিযাত্রিক কমিউটার’ নামের নতুন এক জোড়া ট্রেন চালু করা হয়েছে।

তিনি জানান, ১৮০ দিনের মধ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় কী করছে, তার মূল্যায়ন চলছে। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে উপদেষ্টা ও বিশেষ সহকারীদের সমন্বয়ে এজন্য একটি কমিটি রয়েছে। তিনি নিজেও ওই কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সবকিছু যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

১৮০ দিন শেষে প্রধানমন্ত্রী নিজেই জনগণের সামনে বিষয়গুলো তুলে ধরবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৬ পি.এম


ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট

কুমিল্লার আমতলী বিশ্বরোড থেকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোড পর্যন্ত বিভিন্ন অংশে যানবাহন চলাচলে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় ১০ কিলোমিটার ধরে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে কুমিল্লার আমতলী বিশ্বরোড থেকে পদুয়া বাজার বিশ্বরোডের বিভিন্ন জায়গায় যানবাহনের গতি কমেছে।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ইনচার্জ আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মহাসড়কে চলমান সংস্কারকাজের কারণে যানবাহনের গতি হ্রাস পেয়েছে। এর ফলস্বরূপ দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে দেশের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বর্তমানে সড়কটির বিভিন্ন অংশের বেহাল দশায় যাত্রী ও চালকেরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ছোট-বড় খানাখন্দ তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির ফলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়ে উঠেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে প্রতিদিন ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। কুমিল্লার প্রায় ১০৪ কিলোমিটার মহাসড়ক অংশের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ তৈরি হওয়ায় যান চলাচলে ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। এর সঙ্গে ধীরগতিতে চলা সংস্কারকাজের কারণে যানজটের মাত্রা আরও বাড়ছে।

মঙ্গলবার কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় প্রায় এক ঘণ্টা যানজটে আটকে ছিলেন ব্যবসায়ী আরাফাত ইসলাম। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় এক ঘণ্টা ধরে আটকে আছি। এর আগেও একই ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া সম্পর্কে আমার দেশকে জানান, আমতলী বিশ্বরোড এলাকায় সকাল থেকে মেরামতকাজ চলমান রয়েছে। এজন্য মহাসড়কের যান চলাচলে ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চালক ও যাত্রীরা দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ করার পাশাপাশি মহাসড়কের খানাখন্দ সংস্কার ও যানজট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈশ্বরগঞ্জের মহাসড় থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৭ পি.এম


ঈশ্বরগঞ্জের মহাসড় থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরের রহমতগঞ্জ মোড় মহাসড়ক থেকে ৫৫ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ ফায়ার সার্ভিস কর্তৃক উদ্ধার করা হয়েছে।

এ মরদেহ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভোরের দিকে উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়া স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গত ৩-৪ দিন ধরে ওই মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছে। এছাড়া ভোর ৫টার দিকে প্রচণ্ড বৃষ্টির সময় রাস্তা পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত কোনো যানবাহনের চাপায় তার মৃত্যু হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম জানিয়েছেন, নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান

সপ্তাহে এক দিন স্কুল শিক্ষার্থীদের জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নেওয়া হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ পি.এম


সপ্তাহে এক দিন স্কুল শিক্ষার্থীদের জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে নেওয়া হবে

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে সপ্তাহে এক দিন সরকারি উদ্যোগে স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের বিষয় সম্পর্কে জানাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, এ কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য শেয়ার করেন।

জাহেদ উর রহমান এ সময় মন্তব্য করেন যে, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন নিয়ে নানা আলোচনা হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত সেসব আলোচনা ভুল প্রমাণ করে জাদুঘরটি সফলভাবে চালু হয়েছে। উদ্বোধনের পরপরই জাদুঘরের ব্যবস্থাপনায় কিছুটা অসুবিধা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে সেই সমস্ত সমস্যাগুলো সমাধান করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জাদুঘরের ব্যবস্থাপনায় যে সমস্যাটি তৈরি হয়েছিল, তার মূল কারণ ছিল দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত চাপ। জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ফলে উদ্বোধনের পর বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে ভিড় করায় ব্যবস্থাপনায় কিছুটা চাপ সৃষ্টি হয়েছিল।

তথ্য উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, এখন জাদুঘরের ব্যবস্থাপনা অনেকটা গুছিয়ে আনা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস, আন্দোলনে মানুষদের আত্মত্যাগ এবং এর তাৎপর্য তুলে ধরতে সরকারি উদ্যোগে স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মিত জাদুঘর পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চার সন্তানকে একাই বড় করেছিলেন বাবা, মৃত্যুর পর এল না কেউ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫২ পি.এম


চার সন্তানকে একাই বড় করেছিলেন বাবা, মৃত্যুর পর এল না কেউ

ঘনশ্যাম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর চার সন্তান—দুই ছেলে ও দুই মেয়েকে একাই বড় করেছিলেন। তবে জীবনের শেষ চার বছর তিনি ভোপালের একটি বৃদ্ধাশ্রমে কাটিয়েছিলেন। ৭০ বছর বয়সে তার মৃত্যু হলেও শেষবারের জন্য তাকে দেখতে আসেনি চার সন্তানের কেউ। তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় পুলিশ ও বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষের সহায়তায়।

ঘনশ্যাম ভারতের ভোপালের ইন্দোরে ছোট্ট ব্যবসা করতেন, সাইকেলের টায়ার ও টিউব বিক্রি করতেন। সেখানে ছিল একটি বাড়িও। ঘনশ্যামের স্ত্রী মারা যাওয়ার সময় তার ছোট মেয়ের বয়স ছিল মাত্র দুই বছর। সন্তানদের মানুষ করার জন্য তিনি নিজের জীবনটাই উৎসর্গ করেছিলেন।

কিন্তু জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে সন্তানদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত ভালোবাসা ও যত্ন পাননি। ঘনশ্যামের শেষ ঠিকানা ছিল ভোপালের ‘আপনা ঘর’ নামের বৃদ্ধাশ্রম। প্রায় চার বছর সেখানে কাটানোর পর ৪ আগস্ট তার মৃত্যু হয়। বৃদ্ধাশ্রম কর্তৃপক্ষ পরিবারের সদস্যদের খবর দেন এবং বারবার ভোপালে এসে তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু পরিবারের সদস্যদের তরফ থেকে নানান অজুহাত দেখানো হয়।

পরিবার থেকে বৃদ্ধাশ্রমকে বলা হয়, ঘনশ্যামের শেষকৃত্য যেন তারা সেরে ফেলে এবং মৃত্যুসনদ পাঠিয়ে দেন। ‘আপনা ঘর’-এর পরিচালনাকারী মাধুরী মিশ্র বলেন, ঘনশ্যামের সবচেয়ে ছোট মেয়ের বয়স যখন মাত্র তিন বছর, তখনই তার স্ত্রী মারা যান। তিনি বলেন, ‘একসময় একজন বাবা চার-পাঁচটি সন্তানকে মানুষ করতে পারতেন। অথচ আজ চার সন্তান মিলে একজন বাবার দেখাশোনা করতে পারল না।’

মিশ্র জানান, ঘনশ্যামের ছোট একটি বাড়ি ছিল ইন্দোরে। পরে টাকার ভাগ করে দেওয়া হয়েছিল সন্তানদের মধ্যে। ঘনশ্যাম যে জরুরি যোগাযোগ নম্বর দিয়েছিলেন, সেখানে বৃদ্ধাশ্রম থেকে ফোন করা হয়েছিল। কিন্তু উত্তর আসে, ‘আমি তাকে চিনি না। আমি তাকে ছেড়ে দিয়েছি। তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’ এছাড়া আরও বলা হয়, বাবার বাড়ির টাকা ভাই-বোনদের মধ্যে ভাগ হয়ে গেছে এবং এরপর তাদের সঙ্গে ঘনশ্যামের আর কোনো সম্পর্ক নেই।

বৃদ্ধাশ্রমে আসার সময় ঘনশ্যাম আংশিক পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছিলেন। তাকে কথা বলতেও কষ্ট হতো এবং ঠিকমতো হাঁটতেও পারতেন না। মিশ্র বলেন, সন্তানরা তাকে বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে আসেনি। ইন্দোর থেকে বাসে ভোপালের আইএসবিটিতে আসার পর কিছু তরুণ সমাজকর্মী তাকে দেখতে পান। পরে তারাই ঘনশ্যামকে ‘আপনা ঘর’-এ নিয়ে আসেন।

যে মানুষটি একসময় নিজের চার সন্তানকে হাঁটতে শেখাতে সাহায্য করেছিলেন, জীবনের শেষ বেলায় তিনিই আংশিক পক্ষাঘাতগ্রস্ত অবস্থায় একটি বাস টার্মিনালে প্রায় একা ছিলেন। পরবর্তী চার বছর বৃদ্ধাশ্রম হয়ে যায় তার বাড়ি। অসুস্থ হলে কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেত এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করত। কিন্তু সন্তানদের কেউই তাকে দেখতে আসেননি।

৪ আগস্ট ঘনশ্যামের মৃত্যু হয়। বৃদ্ধাশ্রমে দীর্ঘদিন মরদেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় কর্তৃপক্ষ পরিবারের অপেক্ষায় ছিলেন। তার মৃত্যুর পরেও ইন্দোরের পঞ্চবটি এলাকার ঠিকানায় যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কাউকে পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশের সহায়তায় ঘনশ্যামের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

মিশ্র জানান, সম্পত্তি ভাগাভাগি নিয়ে পরিবারের মধ্যে অসন্তোষ ছিল। তার দাবি, এক মেয়ে অভিযোগ করেছিলেন যে বাবা সম্পত্তি ছেলেদের দিয়ে দিয়েছেন এবং তিনি কিছুই পাননি। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ‘আমি কেন যাব?’ অন্যদিকে ছেলেদের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছিল, ‘তিনি আমাদের জন্য কী করেছেন?’

ঘনশ্যামের শেষকৃত্য শেষ হয়েছে। কিন্তু তার মৃত্যুর পরও ঘটনা শেষ হয়নি। এখন তার পরিবার মৃত্যুসনদ চাইছে। তবুও মাধুরী মিশ্র জানিয়েছেন, তিনি ঘনশ্যামের মৃত্যুসনদ পরিবারের হাতে তুলে দিতে চান না। তার প্রশ্ন, ‘তিনি জীবিত থাকাকালে দেখতে আসেননি, মৃত্যুর পরও এলেন না—তাহলে এখন কেন তার মৃত্যুসনদ নিতে আসছেন?’

ঘনশ্যামের জীবনের এই ঘটনা শুধু একটি পরিবারের গল্প নয়; এটি বয়স্ক বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সম্পত্তির সঙ্গে মানবিকতার সম্পর্ক নিয়েও গভীর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%