বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৯:২৮ পি.এম
রংপুর এবং ঠাকুরগাঁওয়ে পৃথক অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হয়েছে। র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র্যাব) সদস্যরা ১৯৬ গ্রাম হেরোইন এবং ১৯৩ বোতল এসকাফসহ তাদের আটক করে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে র্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী এই তথ্য জানান।
র্যাব জানায়, গতকাল বিকালে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বড়দরগাহ ইউনিয়নে তারা অভিযান চালায় এবং মো. সুমন শেখ (৩০) নামের একজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের সময় তাঁর দেহ তল্লাশী করে দুইটি প্যাকেটে থাকা ১৯৬ গ্রাম হেরোইন জব্দ করা হয়। আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী মো. সুমন শেখ দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার মৃত ইদ্রিশ আলীর ছেলে।
অন্যদিকে, ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের আরেকটি অভিযানে ১৯৩ বোতল এসকাফ জব্দ করা হয় এসময় মো. মনির হোসেন ওরফে মঈনুদ্দীন (৪৪) নামে আরেক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি দৌলতপুর ইউপির আব্দুল করিমের ছেলে। পরবর্তীতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জব্দকৃত আলামতসহ আসামিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে সচেতনতামূলক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলার সীমান্তবর্তী সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের হুগলিয়ায় হাজী মনছব উল্লা উচ্চ বিদ্যালয় অডিটোরিয়ামে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শ্রীমঙ্গলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল থানার ওসি সরকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিজি’র সিন্দুরখাঁন বিওপির কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার মো. কামরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল, সিন্দুরখাঁন ইউপির সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ।
শ্রীমঙ্গলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান সভায় উল্লেখ করেন যে, সীমান্তে অনুপ্রবেশ কিংবা ভারতীয় সীমান্তরক্ষা বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক পুশ ইন প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া সীমান্তের মাধ্যমে মাদকের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সকলকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের সবচেয়ে আবেদনময়ী ফুটবলার হিসাবে পরিচিত আলিশা লেহমান সম্প্রতি তাঁর বাগদানের ঘোষণা দিয়েছেন। এই সুদর্শন ফুটবলার লেস্টার সিটিতে হামজা চৌধুরীর ক্লাবে খেলেন, এবং বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তিনি একটি পরিচিত নাম।
গতকাল প্রেমিক মন্টেল ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন করেছেন আলিশা। ২৭ বছর বয়সী এই সুইস ফুটবলারের হবু স্বামী ম্যাকেঞ্জি একজন টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব এবং আধা-পেশাদার ফুটবলার। এ বছর বছরের শুরুতে আলিশা ও ম্যাকেঞ্জির মধ্যে প্রেমের শুরু হয়।
অল্প সময়ের মধ্যে তাঁরা জীবনের নতুন একটি অধ্যায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আলিশা গতকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাগদানের ছবিও শেয়ার করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘চিরদিনের জন্য, সব সময়।’
ম্যাকেঞ্জির প্রস্তাবে আলিশা ‘হ্যাঁ’ বলার পর তাঁরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে নিজেদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সমুদ্রসৈকতে একটি রোমান্টিক মুহূর্তে হাঁটু গেড়ে বসে আলিশাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন ম্যাকেঞ্জি। বিশেষ সন্ধ্যায় আলিশা কালো রঙের একটি ছোট জামা পরেছিলেন, যা সাদা বর্ডার সমৃদ্ধ ছিল। তাঁর পায়ে ছিল সাদা স্যান্ডেল এবং সোনালী চুল খোলা ছিল।
অন্যদিকে ম্যাকেঞ্জি ক্রিম রঙের হাতাকাটা জাম্পার, শর্টস ও ট্রেইনার্স পরে ছিলেন, এবং তিনি বেশ স্টাইলিশ লাগছিলেন। তাদের সেই রোমান্টিক মুহূর্তের ছবিগুলি ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
মোটামুটি কিছু সময় আগে আলিশার সুইজারল্যান্ড দলের সতীর্থ রামোনা বাচমানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। পরে তিনি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার দগলাস লুইজের প্রেমে পড়েন। লুইজ যেখানে খেলতেন, আলিশাও সেই ক্লাবের নারী দলে চুক্তিবদ্ধ হতেন। অ্যাস্টন ভিলার পর তাঁরা জুভেন্টাসে একসাথে ছিলেন। তবে গত বছর তাদের আলাদা হওয়ার ঘটনা ঘটে।
এই বছর আলিশা হামজা চৌধুরীর ক্লাব লেস্টার সিটিতে যোগ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। স্কোয়াডটি সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া সিরিজে খেলা খেলোয়াড়দের নিয়েই গঠিত। এখানে কোনও পরিবর্তন নেই।
যথারীতি অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, আর সহ-অধিনায়ক হিসেবে আছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। লিটন দাসের ব্যাপারে বলা হয়েছে, তিনি চোটের কারণে টেস্ট ম্যাচে মিস করলেও ওয়ানডে স্কোয়াডে তাকে রাখা হয়েছে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ৬, ৯ এবং ১১ জুলাই। ম্যাচগুলো হারারে স্পোর্টস ক্লাবে বাংলাদেশ সময় দেড়টায় শুরু হবে।
বাংলাদেশের ওয়ানডে স্কোয়াডে রয়েছে:
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, মোহাম্মদ সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত (সহ-অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, কাজী নুরুল হাসান সোহান, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) দেশগুলো তাদের নিরাপত্তা, আঞ্চলিক রাজনৈতিক প্রভাব এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও অবাধ বাণিজ্যিক চলাচল সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে স্পষ্ট নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চাইছে।
জিসিসিভুক্ত দেশগুলো মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিনের মিত্রতার ভিত্তিতে নিরাপত্তার নিশ্চিতকরণ বজায় থাকা খুবই জরুরি। একই সঙ্গে, তারা ইরানের সঙ্গে যেকোনও আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ এবং নিরাপত্তা সুরক্ষা বিষয়টিকে নিশ্চিত করতে চায়।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের নির্দিষ্ট কিছু উদ্বেগের কথা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দিয়েছে। তারা আঞ্চলিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় অবহিত থাকতে এবং সম্পৃক্ত থাকতে চান।
রুবিও উল্লেখ করেছেন, “যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেবে না বা এমন কোনও প্রতিশ্রুতি দেবে না, যা উপসাগরীয় অংশীদারদের স্বার্থ, দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতার সঙ্গে আপস করে।”
জিসিসি দেশগুলোর আরেকটি উল্লেখযোগ্য দাবি হলো, ইরানের পাল্টা হামলার কারণে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পুনর্গঠনের জন্য অর্থায়ন। তাদের বক্তব্য হল, এই ক্ষয়ক্ষতি এমন এক যুদ্ধের সময় হয়েছে, যেটি তারা চাননি এবং শুরু থেকেই বন্ধ করার চেষ্টা করেছিল; কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা সেই সংঘাতের মাঝখানে পরেছিল।
বৈঠকে হরমুজ প্রণালীর বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পায়। জিসিসি দেশগুলো জানায়, উপসাগরীয় জলসীমা ব্যবহারের জন্য কোনো ধরনের ফি কিংবা চার্জ আরোপের পক্ষে তারা নয়।
রুবিও বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে- হরমুজ প্রণালীর ব্যবহারের জন্য কোনও ধরনের মূল্য আদায়ের বিষয়ে তাদের কোনো সমর্থন নেই। তার মতে, সংঘাতের আগে এই জলপথের যে পরিস্থিতি ছিল, সেটিতে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের মনে করিয়ে দিতে হবে যে সংঘাতের আগে হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে চলাচল স্বাভাবিক ছিল। এটি একটি আন্তর্জাতিক জলপথ।”
হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। বিশাল পরিমাণে তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। এ কারণে, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের স্থিতিশীলতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
জিসিসির উদ্বেগ মূলত আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহের ধারাবাহিকতা এবং ইরান-সম্পর্কিত যেকোনও ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সমঝোতায় নিজেদের ভূমিকা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র করে। সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ