বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:২৩ এম
ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বৃহস্পতিবার সকালে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার মধ্যে এ অঞ্চলের আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে।
পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। এই সময়ের মধ্যে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ২৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।
গতকাল বুধবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৪ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
আজ সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে সূর্যাস্ত হবে এবং আগামীকাল শুক্রবার ভোর ৫টা ৩৯ মিনিটে সূর্যোদয় ঘটবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যার কারণে মৃতের সংখ্যা বর্তমানে ১৬২ জনে পৌঁছেছে। নিখোঁজ রয়েছেন শত শত বিদেশি পর্যটক।
এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নেপালের পুলিশ এখন পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এছাড়া, ৪০৩ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে ১৪২ জন ভারতীয়সহ ৩৪১ জন বিদেশি পর্যটক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দেশটির পর্যটন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বলেছেন, প্রাণঘাতী আকস্মিক বন্যার ঘটনায় তার হৃদয় ভারাক্রান্ত। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতিতে পুরো জাতি স্তম্ভিত ও গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি এই দুর্যোগকে ‘আকস্মিক’ ও ‘ভয়াবহ’ বলে অভিহিত করেন।
বালেন্দ্র শাহ আরও বলেন, উদ্ধার অভিযান শুরু করতে সরকার কোনো ধরনের বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিকভাবে সব ধরনের সম্পদ ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়েছে।
ভোটকোশী নদীর তীরবর্তী রসুয়া ও নুয়াকোট জেলার বেশ কয়েকটি জনবসতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যদিও এলাকাগুলো জনবিরল, তবে সেখানকার সড়কগুলো নেপাল-চীন বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রধান রুট। জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, মহাসড়ক এবং সেতু সহ ওই এলাকার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধসে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মন্তব্য করেছেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নাবিকরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। এই তথ্যটি আলজাজিরার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
বাঘাই বুধবার এক্স প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আমেরিকানরা শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে এই অঞ্চলে পাঠিয়েছিল।’
তিনি এরপর এই বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন যে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরীটি তার নির্ধারিত মিশনে সফল হয়নি। তিনি বলেন, “কয়েক মাসের যুদ্ধের পর – এবং ২০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে কোনো বন্দরে না ভেড়ার পর – এটি এখন নাবিকদের [বিশ্রাম ও বিনোদনের জন্য] থাইল্যান্ডের দিকে যাচ্ছে।
থাই কর্মকর্তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সামরিক মিশন শেষে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন আগামী সপ্তাহে থাইল্যান্ডে একটি সংক্ষিপ্ত বিরতি নেবে। রণতরীটি ২৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে সমুদ্রে থাকার পর সেখানে নোঙর করবে।
থাই প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো নাবিকদের বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধার করা। এই সময়কালে থাই নৌবাহিনীর সঙ্গে কোনো যৌথ সামরিক মহড়া বা অভিযান অনুষ্ঠিত হবে না।
এদিকে, দীর্ঘ সময়ের এই মোতায়েনের কারণে রণতরীটির প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিনের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির পাশাপাশি খাবার ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার সামগ্রীর ঘাটতির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাতার জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো প্রয়োজন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি অধিবেশনে এই মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে কাতারের রাষ্ট্রদূত আলিয়া আহমেদ সাইফ আল-থানি। আলজাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে অনুষ্ঠিত ওই অধিবেশনে আরব গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করেন আল-থানি। তিনি উল্লেখ করেন, "ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো ছাড়া ন্যায়সংগত, পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই শান্তি অর্জন করা সম্ভব নয়।"
তিনি গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের চলমান "গুরুতর লঙ্ঘনের" নিন্দা করেন। আল-থানি বলেন, এর মধ্যে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ২০২৫ সালের ব্যাপক পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—যুদ্ধ বন্ধ করা, জিম্মিদের মুক্তি এবং গাজা উপত্যকা পুনর্গঠনের জন্য মার্কিন নেতৃত্বাধীন একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি—যা ইসরায়েল দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
আল-থানি আরও বলেন, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে মৌলিকভাবে দুর্বল করা হচ্ছে। তাই তিনি পরিকল্পনাটির পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য আহ্বান জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রমবর্ধমান স্বীকৃতিকে স্বাগত জানান কাতারের এই রাষ্ট্রদূত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রিয়াদের একটি অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশীর মধ্যে শনাক্ত হওয়া ৯ জন শ্রমিকের মরদেহ আজ দেশে আসবে। শনাক্ত হওয়া এই নয়জনের মধ্যে সাতজনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় অবস্থিত। শোকাহত স্বজনেরা প্রিয়জনের নিথর দেহ শেষবারের মতো দেখার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণছেন।
বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট (বিজি-৩৪০) বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকাল ৪টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহগুলো পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
গত ২৫ আগস্ট রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান।
আত্রাইয়ের শনাক্ত হওয়া সাতজন হলেন- উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ, গন্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামাণিক, কলিমউদ্দিন ইসলাম, মোহন আলী ও তার ছোট ভাই সুমন আলী, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরকার। এছাড়াও, নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মহিষডাঙ্গা গ্রামের রবিউল ইসলাম এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মরুগ্রামের শ্যামল উদ্দিনের মরদেহও শনাক্ত হয়েছে।
ইউএনও মো. মনিরুজ্জামান জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমন্বয় করে মরদেহগুলো বিনা খরচে দেশে আনার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিচয় সনাক্ত হওয়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত জনের মরদেহ আসছে। মরদেহ গ্রহণের জন্য স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শুক্রবার রাতের মধ্যে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছাতে পারে।
তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনায় শুরুতে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেলেও বর্তমানে আত্রাই উপজেলার ১১ জন এবং নওগাঁ সদর উপজেলার একজনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। বাকি মরদেহগুলো দেশে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রথম দফায় আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) পরীক্ষার মাধ্যমে এই নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করে। তবে ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ায় বাকি সাতজনের পরিচয় এখনও মেলেনি। ফলে তাদের মরদেহ কবে দেশে ফিরবে তা নিয়ে স্বজনেরা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ