বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৩১ এম
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মন্তব্য করেছেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নাবিকরা ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। এই তথ্যটি আলজাজিরার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
বাঘাই বুধবার এক্স প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আমেরিকানরা শক্তি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে এই অঞ্চলে পাঠিয়েছিল।’
তিনি এরপর এই বিষয়টি ইঙ্গিত করেছেন যে, মার্কিন বিমানবাহী রণতরীটি তার নির্ধারিত মিশনে সফল হয়নি। তিনি বলেন, “কয়েক মাসের যুদ্ধের পর – এবং ২০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে কোনো বন্দরে না ভেড়ার পর – এটি এখন নাবিকদের [বিশ্রাম ও বিনোদনের জন্য] থাইল্যান্ডের দিকে যাচ্ছে।
থাই কর্মকর্তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সামরিক মিশন শেষে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন আগামী সপ্তাহে থাইল্যান্ডে একটি সংক্ষিপ্ত বিরতি নেবে। রণতরীটি ২৫০ দিনেরও বেশি সময় ধরে সমুদ্রে থাকার পর সেখানে নোঙর করবে।
থাই প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো নাবিকদের বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধার করা। এই সময়কালে থাই নৌবাহিনীর সঙ্গে কোনো যৌথ সামরিক মহড়া বা অভিযান অনুষ্ঠিত হবে না।
এদিকে, দীর্ঘ সময়ের এই মোতায়েনের কারণে রণতরীটির প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিনের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। নাবিকদের পরিবারের সদস্যরা মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতির পাশাপাশি খাবার ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার সামগ্রীর ঘাটতির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাতার জানিয়েছে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো প্রয়োজন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি অধিবেশনে এই মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে কাতারের রাষ্ট্রদূত আলিয়া আহমেদ সাইফ আল-থানি। আলজাজিরার প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে অনুষ্ঠিত ওই অধিবেশনে আরব গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করেন আল-থানি। তিনি উল্লেখ করেন, "ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো ছাড়া ন্যায়সংগত, পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই শান্তি অর্জন করা সম্ভব নয়।"
তিনি গাজা ও পশ্চিম তীরে ইসরাইলের চলমান "গুরুতর লঙ্ঘনের" নিন্দা করেন। আল-থানি বলেন, এর মধ্যে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ২০২৫ সালের ব্যাপক পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—যুদ্ধ বন্ধ করা, জিম্মিদের মুক্তি এবং গাজা উপত্যকা পুনর্গঠনের জন্য মার্কিন নেতৃত্বাধীন একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি—যা ইসরায়েল দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।
আল-থানি আরও বলেন, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টাকে মৌলিকভাবে দুর্বল করা হচ্ছে। তাই তিনি পরিকল্পনাটির পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য আহ্বান জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ক্রমবর্ধমান স্বীকৃতিকে স্বাগত জানান কাতারের এই রাষ্ট্রদূত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের রিয়াদের একটি অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৬ বাংলাদেশীর মধ্যে শনাক্ত হওয়া ৯ জন শ্রমিকের মরদেহ আজ দেশে আসবে। শনাক্ত হওয়া এই নয়জনের মধ্যে সাতজনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় অবস্থিত। শোকাহত স্বজনেরা প্রিয়জনের নিথর দেহ শেষবারের মতো দেখার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুণছেন।
বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট (বিজি-৩৪০) বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকাল ৪টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহগুলো পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
গত ২৫ আগস্ট রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান।
আত্রাইয়ের শনাক্ত হওয়া সাতজন হলেন- উদনপৈ গ্রামের মো. ফরিদ, গন্ডগোহালী গ্রামের রুবেল প্রামাণিক, কলিমউদ্দিন ইসলাম, মোহন আলী ও তার ছোট ভাই সুমন আলী, ডুবাই গ্রামের সোহেল রানা এবং পারকাসুন্দা গ্রামের আব্দুল জলিল সরকার। এছাড়াও, নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার মহিষডাঙ্গা গ্রামের রবিউল ইসলাম এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার মরুগ্রামের শ্যামল উদ্দিনের মরদেহও শনাক্ত হয়েছে।
ইউএনও মো. মনিরুজ্জামান জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমন্বয় করে মরদেহগুলো বিনা খরচে দেশে আনার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত পরিচয় সনাক্ত হওয়া নওগাঁর আত্রাই উপজেলার সাত জনের মরদেহ আসছে। মরদেহ গ্রহণের জন্য স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শুক্রবার রাতের মধ্যে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছাতে পারে।
তিনি আরও বলেন, অগ্নিকাণ্ডের এই ঘটনায় শুরুতে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেলেও বর্তমানে আত্রাই উপজেলার ১১ জন এবং নওগাঁ সদর উপজেলার একজনের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। বাকি মরদেহগুলো দেশে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
গত ৯ আগস্ট রিয়াদের একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রথম দফায় আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) পরীক্ষার মাধ্যমে এই নয়জনের পরিচয় নিশ্চিত করে। তবে ডিএনএ পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়ায় বাকি সাতজনের পরিচয় এখনও মেলেনি। ফলে তাদের মরদেহ কবে দেশে ফিরবে তা নিয়ে স্বজনেরা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হিমালয় ও তিব্বত সীমান্ত সংলগ্ন অঞ্চলে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে নেপালের বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্যোগের ফলে প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি নেপালের মোট স্থাপিত জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩.২ গিগাওয়াটের ১২ শতাংশেরও বেশি।
বুধবার সকাল ৯টার দিকে পাহাড়ি ঢলের কারণে নেপালের ভোটেকোশি নদীর পানি হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়ে আশপাশের বিভিন্ন গ্রাম ও অবকাঠামোয় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। বন্যার পানির সঙ্গে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়েছে কয়েকটি জেলায়। এর ফলে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু এবং একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েকশ মানুষ।
নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই দুর্যোগের ফলে ৪৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। জলবিদ্যুৎনির্ভর নেপালের অর্থনীতিতে এই ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব উল্লেখযোগ্য হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে পাহাড়ি নদীগুলোকে কাজে লাগিয়ে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তুলছে নেপাল। ফলে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা নেপাল সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে, ভোটেকোশি, ত্রিশূলী ও নারায়ণী নদীর তীরবর্তী বাসিন্দাদের দ্রুত নদীর তীর থেকে সরে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য সতর্কতা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নুওয়াকোট জেলার বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, ভবনগুলো ঘন কাদায় ঢেকে গেছে। কোথাও কোথাও দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত কাদা জমে থাকতে দেখা গেছে। কাদার নিচে চাপা পড়েছে যানবাহন। গাছ ও বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনে আটকে আছে বন্যার ধ্বংসাবশেষ।
হিমবাহ থেকে তুষারধসের আশঙ্কা
কাঠমান্ডুভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের (আইসিআইএমওডি) জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, হিমবাহ থেকে সৃষ্ট একটি তুষারধসই আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে পেছনে থাকতে পারে।
নেপালের সীমান্তের ওপারে চীনের তিব্বতেও একই দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে ভূমিধসে অন্তত তিনজন নিহত এবং ২৬৫ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ড্রোনের ফুটেজে সড়ক ধ্বংস এবং কাদা ও ধ্বংসাবশেষের নিচে ভবন চাপা পড়ার চিত্র দেখা গেছে।
হিমালয়ে বাড়ছে চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি
হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলে এ ধরনের চরম আবহাওয়ার ঘটনা ক্রমেই বড় হুমকি হয়ে উঠছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস এবং হিমবাহ দ্রুত গলে যাওয়ার মতো ঘটনা বাড়ছে।
গত বছরের আগস্টেও তিব্বতে অতিরিক্ত তাপমাত্রার মধ্যে একটি হিমবাহ-হ্রদের পানি উপচে পড়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ওই ঘটনায় অন্তত নয়জন নিহত হন এবং নেপাল-চীন সংযোগকারী একটি সেতুসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হিন্দুকুশ হিমালয় অঞ্চলে এ ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।
সূত্র : এনডিটিভি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চারদিকে কাদা, পাথর এবং প্রবল স্রোতের তাণ্ডব চলছে। মুহূর্তের মধ্যে চোখের সামনে ভেসে যাচ্ছে ঘরবাড়ি। ভয়াবহ বন্যার এই পরিস্থিতিতে, স্রোতে ভেসে গেলেও একটি আমগাছের ডাল আঁকড়ে ধরে প্রাণে বেঁচে গেছেন ২৪ বছর বয়সী নেপালি শ্রমিক বিবেক কুমাল।
বুধবার সকালে, তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন বিদেউর এলাকায় একটি নতুন বাড়ির শৌচাগারের গর্ত খোঁড়ার কাজ করছিলেন বিবেক। হঠাৎ করে বিকট শব্দ শুনে ওপরে থাকা সহকর্মীরা তাকে দ্রুত গর্ত থেকে উঠে পালিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু তিনি বের হওয়ার আগেই কাদা ও পানির প্রচণ্ড স্রোত তাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।
স্রোতের তোড়ে ভেসে যাওয়ার সময় ভাগ্যক্রমে একটি আমগাছের শক্ত ডাল ধরে ফেলেন বিবেক। পরে বেঁচে ফেরা বিবেক কুমাল জানান, "আমগাছটি আঁকড়ে ধরে না থাকলে আমি হয়তো আর বেঁচে ফিরতে পারতাম না।"
গাছের ওপর আটকে থাকা অবস্থায়, তিনি নিজের চোখের সামনে কর্মস্থলটি পানির তোড়ে নিশ্চিহ্ন হতে দেখেন। এ সময় কাদা ও পাথরের আঘাতে তার ডান পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে উদ্ধারকারী দল তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়।
বর্তমানে, বিবেকের মতো বন্যায় আক্রান্ত অনেকেই কাঠমান্ডুর ন্যাশনাল ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার পাশের শয্যায় চিকিৎসা নিচ্ছে ১১ বছর বয়সী রিহানা লামিছানে। স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে নদী পার হওয়ার সময় প্রবল স্রোতে পড়ে আহত হয় সে।
সহপাঠীদের কী হয়েছে, তা এখনো জানতে পারেনি রিহানা। তবে প্রাণে বেঁচে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারায় সে স্বস্তি প্রকাশ করেছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত শতাধিক আক্রান্ত মানুষকে জীবিত উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সূত্র : রয়টার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ