ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও মেসির রুম ঘিরে কৌতূহল


কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও মেসির রুম ঘিরে কৌতূহল

বিশ্বকাপ সামনে রেখে আর্জেন্টিনা দল প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। মাঠের বাইরে দলের ক্যাম্পেও চলছে নানা গল্প, ছোট ছোট মুহূর্ত- যা ভক্তদের আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এরই মাঝে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির রুম নিয়ে একটি মজার বিষয়।

কানসাসে দলের এই ক্যাম্পে মেসি এবারও একাই রুমে থাকছেন। বিষয়টি নতুন নয়, বরং বহুদিন ধরেই এটি তার অভ্যাস। সাবেক সতীর্থ সের্হিও আগুয়েরো জাতীয় দল ছাড়ার পর থেকেই মেসি তার রুমে আর কোনো রুমমেট নেন না। কাতার বিশ্বকাপেও তিনি একই নিয়ম মেনেছিলেন।

দলের অন্যান্য সিনিয়র ফুটবলাররা অবশ্য আগের মতো রুম ভাগাভাগি করে থাকছেন। মেসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু রদ্রিগো দে পল নিকোলাস ওতামেন্দির সঙ্গে একই রুমে আছেন। তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কারণে এই জুটি বেশ স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে একা রুমে থাকলেও মেসি কখনোই বিচ্ছিন্ন নন। সতীর্থদের কাছে তার রুম যেন এক ধরনের আড্ডাখানা। ফাঁকা সময় পেলেই সেখানে জড়ো হন সবাই- কার্ড খেলা কিংবা গল্পে মেতে ওঠেন দীর্ঘ টুর্নামেন্টের চাপ ভুলতে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

মেসির রুম নিয়ে আরেকটি বিষয়ও সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে, তা হলো তার রুম নম্বর। কাতার বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন ২০১ নম্বর কক্ষে। সেই সংখ্যা নিয়ে সমর্থকরা ‘২+১=৩’ মিলিয়ে আর্জেন্টিনার তৃতীয় শিরোপার প্রতীক খুঁজে পেয়েছিলেন। এবার কানসাসে মেসির রুম নম্বর ২০২। সেটিও দ্রুত ভক্তদের আলোচনার কেন্দ্রস্থলে চলে এসেছে। কেউ কেউ মজা করে ‘২+২=৪’ মিলিয়ে সম্ভাব্য চতুর্থ বিশ্বকাপ জয়ের ইঙ্গিত খুঁজছেন।

যদিও এ ধরনের ব্যাখ্যার কোনো আনুষ্ঠানিক ভিত্তি নেই, তবে আর্জেন্টিনা দলের সাম্প্রতিক সাফল্যের পেছনে ছোট ছোট বিশ্বাস, রীতি ও মানসিক দিকগুলো যে ভূমিকা রাখে- তা অস্বীকার করার কিছু নেই। তাই মেসির রুম নম্বর নিয়ে কৌতূহল ও আলোচনা থামে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জটিল রোগে অনুদান বাড়িয়ে ১ লাখ করার পরিকল্পনা সরকারের : ডা. জাহিদ হোসেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৫ পি.এম


জটিল রোগে অনুদান বাড়িয়ে ১ লাখ করার পরিকল্পনা সরকারের : ডা. জাহিদ হোসেন

জটিল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য অনুদানের পরিমাণ বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করার উদ্যোগ সরকার নিয়েছে। ক্যানসার, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ, লিভার ডিজিজ, থ্যালাসেমিয়া ও জন্মগত হৃদরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগের ক্ষেত্রে এই অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে এ খাতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কোটি টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের পক্ষ থেকে।

মঙ্গলবার (২ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর পরিদর্শন শেষে তিনি এ তথ্য জানান। একই সঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো এখন শুধুমাত্র বিএনপির নয়, এটি পুরো জাতির ম্যানিফেস্টো। তিনি উল্লেখ করেছেন, জনগণ বিএনপিকে দেশের সেবা করার দায়িত্ব দিয়েছে। সেই কারণে সেই ম্যানিফেস্টো এখন জাতীয় দায়িত্ব ও কর্তব্যে পরিণত হয়েছিল, যা এক ধরনের ‘ম্যাগনা কার্টা’র মতো। প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক মন্ত্রণালয়কে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন এবং সে অনুযায়ী সরকারের অন্যতম ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এ কর্মসূচির পাইলটিংয়ের দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন হয়েছে এবং জুন মাসের মধ্যেই তৃতীয় ধাপ শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। বর্তমানে এই কর্মসূচিটি ৮০ হাজার পরিবারের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে এই সেবা পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে জাহিদ হোসেন বলেন, ”আগে দুস্থ ভাতা, বিধবা ভাতা, এতিমদের জন্য ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট এবং প্রতিবন্ধীদের বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হলেও এখন প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভাতার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।” সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বলেছেন, সরকার আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সামাজিক খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির চেষ্টা করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে সরকারের কার্যক্রম চলছে। প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার সব দিক থেকে কাজ করছে।

এতিম ও প্রতিবন্ধীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে তৈরি করার বিষয়টিও গুরুত্বারোপ করেন ডা. জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, “শুধু সেবা প্রদান নয়, বরং অর্থবহ সেবা নিশ্চিত করতে চায় সরকার।” এতিমদের শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামও দেওয়া হবে। সেলাই বা কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিলে তাদের জন্য সংশ্লিষ্ট উপকরণ দেওয়া হবে, যাতে তারা আত্মকর্মসংস্থান অথবা প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়।

তিনি আরও বলেন, কেয়ারগিভিং প্রশিক্ষণের সঙ্গে ভাষা শিক্ষা সংযুক্ত করা হচ্ছে, যাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরা দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে পারেন। প্রতিবন্ধীদের বিষয়ে জাহিদ হোসেন বলেছেন, প্রতিবন্ধিতা কোনো ব্যক্তির সামগ্রিক সক্ষমতাকে নির্ধারণ করে না। কারও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলে তার অন্য দক্ষতাও থাকতে পারে। সরকারের লক্ষ্য একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা, যেখানে সবাই নিজেকে সমাজের অংশ হিসেবে মনে করবে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সচিব, প্রতিমন্ত্রী এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে একটি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। বিদ্যমান ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে তিন দিনব্যাপী ব্রেইনস্টর্মিং কর্মসূচি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ভিত্তিতে একটি চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে আগামী ১ জুলাই থেকে তা কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও মন্তব্য জানতে পারা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে দোয়া মাহফিলে অংশ নিলো সব ধর্মের মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ পি.এম


ফরিদপুরে দোয়া মাহফিলে অংশ নিলো সব ধর্মের মানুষ

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুরে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ করেছেন সকল ধর্মের কয়েক হাজার মানুষ।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফের আয়োজনে শহরের হালিমা গার্লস স্কুল এন্ড কলেজে দোয়া মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে বিভিন্ন ধর্মের, যেমন মুসলিম, সনাতন, বৌদ্ধ এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের কয়েক হাজার মানুষ একত্রিত হয়ে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া, জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরাও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিলটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দোয়া মাহফিলে শুধুমাত্র মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নেননি, বরং সনাতন, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরাও এই অংশগ্রহণে এসেছে। আমরা সকলে মিলে একটি অসাম্প্রদায়িক ফরিদপুর গড়ার লক্ষ্যে একত্রিত হয়েছি, এ কারণে সকলকে নিয়ে এই আয়োজন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিন্দু নারীকে ব্যবহার করে দুই মুসলিম যুবককে ‘লাভ জিহাদ’ ও গণধর্ষণের অভিযোগে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র ভেস্তে গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


হিন্দু নারীকে ব্যবহার করে দুই মুসলিম যুবককে ‘লাভ জিহাদ’ ও গণধর্ষণের অভিযোগে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র ভেস্তে গেছে

উত্তর প্রদেশের মিরাট জেলা থেকে একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। এখানে এক উগ্র হিন্দুত্ববাদী নেতার বিরুদ্ধে দুই মুসলিম যুবককে মিথ্যা ‘লাভ জিহাদ’ এবং গণধর্ষণের মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে।

গত শনিবার মিরাটের জাগ্রতি বিহার এক্সটেনশন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি)-এর সাথে যুক্ত কিছু লোক দুই মুসলিম যুবক এবং এক তরুণীকে বহনকারী একটি গাড়ি আটকায়। জিশান ও শাহভেজ নামে চিহ্নিত ওই যুবকদের বিরুদ্ধে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে এক হিন্দু নারীকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।

অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে থানায় নিয়ে যায়। তবে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা তদন্তের পর মামলাটি নাটকীয় মোড় নেয় বলে জানা গেছে। পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, ওই তরুণী পরে প্রকাশ করেন যে, পুরো ঘটনাটি নকুল গুর্জর নামের এক ব্যক্তি পরিকল্পনা করেছিলেন। তার সাথে ভিএইচপি-র যোগসূত্র রয়েছে বলেও জানা গেছে।

বুলন্দশহরের সিয়ানার বাসিন্দা ভাবনা নামে সনাক্ত হওয়া ওই তরুণী পুলিশকে জানান যে তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে নকুলকে চিনতেন। তিনি তদন্তকারীদের কাছে অভিযোগ করেন যে, নকুল তাঁকে টাকার প্রলোভন দেখিয়েছিলেন। একটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যদি তিনি জিশান ও শাহভেজকে একটি ফৌজদারি মামলায় ফাঁসাতে সাহায্য করেন।

পুলিশ সূত্রের দাবি, জিশান ও শাহভেজের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ ও ‘লাভ জিহাদ’-এর মিথ্যা অভিযোগ তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

তদন্ত অনুযায়ী, জিশান একটি গৃহকর্মী সরবরাহকারী সংস্থা চালান এবং বিভিন্ন পরিবারে কাজের লোক ঠিক করে দেন। পুলিশ জানিয়েছে, নকুল নাকি অন্য এক ব্যক্তির মাধ্যমে ভাবনার মোবাইল নম্বর জিশানের কাছে পাঠিয়েছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে মেয়েটি কাজের সন্ধান করছে। পরবর্তীতে জিশান ওই তরুণীর সাথে যোগাযোগ করেন। চাকরির বিষয়ে কথা বলতে তাঁকে জাগ্রতি বিহার এক্সটেনশনে ডাকেন। সেই সময় গাড়িতে শাহভেজও উপস্থিত ছিলেন।

তদন্তকারীদের অভিযোগ, গাড়িতে ওঠার আগেই ভাবনা গাড়ির ছবি এবং তাঁর লাইভ লোকেশন নকুলের সাথে শেয়ার করেছিলেন। এর পরপরই নকুল ও তাঁর সহযোগীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হট্টগোল শুরু করেন এবং যুবকদের বিরুদ্ধে ‘লাভ জিহাদ’-এর অভিযোগ তোলেন।

পুলিশ যখন তদন্ত জোরদার করে, তখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নকুল গুর্জরের একটি পুরোনো ভিডিও সামনে আসে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, প্রায় এক বছর আগে নিজের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি গণধর্ষণ মামলায় জামিনে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর নকুলকে ফুলের মালা দিয়ে স্বাগত জানানো হচ্ছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, নকুলকে এর আগেও ওই মামলার প্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছিল এবং পরে তিনি জামিন পান। পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলমান তদন্তের সময় এই ভাইরাল ভিডিওটিকেও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

মিরাট পুলিশ জানিয়েছে, নকুল গুর্জরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য টিম গঠন করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, অভিযোগ পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে জিশান ও শাহভেজকে আটকে রাখা হয়েছিল। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের সময় নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্তের মোড় ঘুরে যায়।

উত্তর প্রদেশ পুলিশের কর্মকর্তা সুচিতা সিং জানিয়েছেন, পুলিশের পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পরবর্তী তদন্ত চলছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তরুণীটির ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে এবং তিনি সুরক্ষিত আছেন। স্কুল সার্টিফিকেটের মাধ্যমে পুলিশ তাঁর বয়সও যাচাই করেছে। প্রথমে নিজেকে ১৬ বছর বয়সী দাবি করলেও নথিপত্রে তাঁর বয়স ১৯ বছর পাওয়া গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং নকুল গুর্জরের খোঁজ পেতে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব পেলেন আলি আকবর খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


সিআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব পেলেন আলি আকবর খান

বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধানের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে নিয়োজিত হয়েছেন ডিআইজি আলি আকবর খান। গতকাল সোমবার পুলিশ সদর দপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।

আলি আকবর খান ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি ১৯৬৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর চাঁদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেছেন।

তিনি এক দীর্ঘ কর্মজীবনে রেঞ্জ পুলিশ, পুলিশ অধিদপ্তর এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণও করেছেন।

এর আগে ১৭ মে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক ও সিআইডি প্রধান মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে ডিএমপি কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এরপর থেকে সিআইডি প্রধানের পদটি ফাঁকা ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%