ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রিয়ঙ্কার আচরণে অপমানবোধ? আন্তর্জাতিক শিল্পীকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগ ফের আলোচনায়


প্রিয়ঙ্কার আচরণে অপমানবোধ? আন্তর্জাতিক শিল্পীকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগ ফের আলোচনায়

পোশাক ট্রায়ালের সময় প্রিয়ঙ্কা কখনও কখনও দামি পোশাক ও জিনিসপত্রকে অযত্নে ব্যবহার করতেন, যা ক্যারির কাছে একদমই গ্রহণযোগ্য ছিল না।

বলিউডের পর তিনি নিজেকে হলিউডে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর অভিজ্ঞতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শিল্পীদের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার বিষয়ে এবার মুখ খুললেন নামী স্টাইলিস্ট ক্যারি টউবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, তিনি প্রিয়ঙ্কার একটি 'রুক্ষ' আচরণের কথা উল্লেখ করেছেন। ওই ঘটনা ক্যারির মনে বহু বছর ধরে রয়ে গেছে।

‘কোয়ান্টিকো’র শুটিং চলাকালীন প্রিয়ঙ্কার পোশাকের দায়িত্বে ছিলেন ক্যারি। তিনি প্রিয়ঙ্কার স্টাইলিংয়ের কাজও করেছিলেন। ক্যারি জানান, প্রথম থেকেই প্রিয়ঙ্কাকে তাঁর খুব ভালো লেগেছিল। প্রিয়ঙ্কা ছিলেন আন্তরিক, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং তাঁর কাজের কিছুটা প্রশংসা করতেন। কিন্তু পোশাক বাছাইয়ের সময় কিছু বিষয় ক্যারিকে হতবাক করেছিল।

আরও পড়ুন: যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যা: মিজানুর রহমানের মৃত্যুদণ্ড

পোশাক ট্রায়ালের সময় প্রিয়ঙ্কা কখনও কখনও দামি পোশাক ও জিনিসপত্র অযত্নের সঙ্গে ব্যবহার করে ফেলতেন, যা ক্যারির কাছে মোটেই পছন্দনীয় ছিল না। ক্যারির কথায়, “ট্রায়ালের সময় সে একটু রুক্ষ আচরণ করতো। পোশাকের যথাযথ যত্ন নিত না। বিষয়টি আমার কাছে অসম্মানজনক মনে হয়েছিল।”

তিনি জানান, ট্রায়ালের জন্য নামী ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও ডিজ়াইনার বুটিক থেকে পোশাক, জুতো ইত্যাদি আনা হত। সেগুলোর মূল্য ছিল খুবই আকাশছোঁয়া। একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথা মনে করে ক্যারি বলেন, “সে একটি দামি জুতো পায়ে ঠেলে এক পাশে সরিয়ে দিয়েছিল।” স্টাইলিস্টের দাবি, ওই জুতোর দাম ছিল প্রায় ১ হাজার মার্কিন ডলার (ভারতীয় মূল্য প্রায় ৯৬ হাজার টাকা)। এ কারণে ঘটনাটি তার মনে থেকে গেছে বলেও জানা যাচ্ছে। কিন্তু এসবের পরও প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে বলেও ক্যারির বক্তব্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক শিশুকে ওজু শেখানোর ছলে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ এম


নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক শিশুকে  ওজু শেখানোর ছলে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক শিশুকে (৯) ওজু শেখানোর অজুহাতে বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইসানুর (২২) নামে এক মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ইসানুরের ছবি: সংগৃহীত।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরের দিকে রূপগঞ্জের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ইসানুর সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার মাছিমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

রূপগঞ্জের একটি এলাকায় মোজাম্মেল হকের মালিকানাধীন একটি ভাড়াবাড়ির দুই কক্ষের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন ইসানুর। তিনি ওই ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ নিজের থাকার জন্য ব্যবহার করতেন এবং অন্য কক্ষটিতে স্থানীয় শিশু-কিশোরদের আরবি পড়াতেন। ঘটনার দিন ভুক্তভোগী শিশুটি অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মতো করেই ইসানুরের কাছে আরবি পড়তে তাঁর কাছে গিয়েছিল।

পড়া চলাকালীন একপর্যায়ে যখন শিক্ষক ইসানুর শিশুটিকে কৌশলে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তখন শিশু চিৎকার শুরু করে। এ সময় আশপাশের লোকজন বাথরুম থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ইসানুরকে ধরে ফেলেন। স্থানীয় জনতা চরম উত্তেজিত হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে পিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। পরে খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল গিয়ে ইসানুরকে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইসানুরকে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে রূপগঞ্জ থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর সাথে সাথে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার ইসানুরকে সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত কিউবা, দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৬ এম


বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটে বিপর্যস্ত কিউবা, দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরমে

কিউবায় চলমান জ্বালানি সংকট এবং দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেশটিকে গভীর মানবিক ও সামাজিক সংকটে ফেলেছে। রাজধানী হাভানা সহ পুরো দেশে মানুষ কয়েক দিন ধরে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে, যেখানে পানির সংকট, অতিরিক্ত গরম এবং মশার উপদ্রব পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে।

একজন চিকিৎসক অন্ধকারে বসে জানান, “আমরা চার দিন ধরে আলো ছাড়া আছি। বিদ্যুৎ না থাকায় পানিও মিলছে না, আর চারদিকে মশার উপদ্রব।” বিদ্যুৎহীনতার কারণে অনেক এলাকায় মানুষ হাঁড়ি-পাতিল পিটিয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছে, যা ‘কাসেরোলাজো’ নামে পরিচিত এবং এখন কিউবায় সাধারণ প্রতিবাদে পরিণত হয়েছে।

হাভানার মধ্যাঞ্চলেও পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। বিদ্যুৎ কোম্পানি সীমিত সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা করলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। পেট্রোল স্টেশনগুলো মাসের পর মাস ফাঁকা থাকায় পরিবহন ও রান্নার জ্বালানি সংকট তীব্র হয়েছে। অনেক মানুষ এখন কাঠ ও কয়লা ব্যবহার করে রান্না করতে বাধ্য হচ্ছেন।

এক বাসিন্দা মার্থা পেরেজ জানান, অনলাইনে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে পারলেও তার দাম বেড়ে এখন ২৯ ডলার, যা আগে ছিল প্রায় অল্প কয়েক সেন্ট। তার মাসিক পেনশন মূল্যস্ফীতির কারণে ১০ ডলারেরও কমে নেমে এসেছে। ফলে জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তীব্র গরম এবং উচ্চ আর্দ্রতার কারণে বিদ্যুৎ না থাকায় ঘুমানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। এদিকে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে পর্যটন খাতও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক আন্তর্জাতিক কোম্পানি কিউবা থেকে সরে যাচ্ছে বা তাদের কার্যক্রম কমিয়ে দিচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন, আমদানি কমে গেলে খাদ্য সংকট আরও বাড়বে। অন্যদিকে কিউবা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে, যার ফলে নতুন নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা না হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। কেউ কেউ সতর্ক করেছেন, সংকটের সমাধান না হলে এর ফলাফল হতে পারে আরও বড় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা।

এদিকে প্রচণ্ড গরম এবং খরার পূর্বাভাস কিউবার পরিস্থিতিকে আরও বিপজ্জনক করে তুলছে, যা বিদ্যুৎবিহীন একটি দেশে প্রাণঘাতী হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা।

সব মিলিয়ে কিউবা এখন এক গভীর অন্ধকারে—শুধু বিদ্যুতের নয়, ভবিষ্যতের দিক থেকেও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৯৯৯-এ ফোন পেয়ে দৌলতখানে কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:১৪ এম


৯৯৯-এ ফোন পেয়ে দৌলতখানে কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ভোলার দৌলতখান থানা-পুলিশ ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে এক কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে।গেল ৮ জুন বিকেলে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় উদ্ধারকৃত রেজবি আক্তার ভোলা সরকারি কলেজের বাংলা বিষয়ের অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষার্থী ছিলেন বলে জানা গেছে।

নিহতের পরিবার এবং স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চর খলিফা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কলাকোপা গ্রামের সালাউদ্দিনের মেয়ে রেজবির সাথে সৌদিপ্রবাসী সুমনের প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে পরিবারের সম্মতিতে তারা এক বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। স্বামীর বাড়িতে গিয়ে রেজবি ভবিষ্যতের সোনালী স্বপ্নের সুখের সংসার গড়ার পাশাপাশি পড়াশোনা অব্যাহত রেখেছিলেন। উল্লেখ্য, প্রবাসী সুমন একই উপজেলার পার্শ্ববর্তী চরপাতা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতাব্বর বাড়ির জাহাঙ্গীরের ছেলে।

এ ঘটনায় সোমবার (৮ জুন) বিকেল তিনটার পর থেকে স্বামীর বাড়ির শ্বশুর-শাশুড়ি কিংবা আশপাশের কেউ খুঁজে পাওয়া যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে খালি ঘর থেকে প্রবাসী সুমনের স্ত্রীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

নিহত রেজবির মা রোজিনা আক্তার একজন প্রতিনিধিকে জানান, মেধাবী শিক্ষার্থী রেজবি আক্তারের পরীক্ষার ফরম ফিলাপ চলছে। রবিবার তিনি ভোলা কলেজে গিয়েছিলেন। কিন্তু কম্পিউটারে সার্ভার সমস্যার কারণে ফরম ফিলাপ করা হয়নি। এবং তিনি উল্লেখ করেন, 'ওর শাশুড়ি চান না যে ও পড়াশোনা করুক।' পড়াশোনা এবং কলেজে যাওয়া-আসা নিয়ে তাঁর শাশুড়ির সঙ্গে দ্বন্দ্ব হয়। এ নিয়ে তিনি স্বামীর সাথেও অভিমান করেন। পড়াশোনার গুরুতর জটিলতার কারণে তিনি রুমের ভিতরে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

মা রোজিনা আক্তার বলেন, "মেধাবী রেজবি আমার একমাত্র মেয়ে। আমার স্বামী ঢাকায় থাকেন। আমি আমার মেয়েকে বুকে জড়িয়ে নিতে চাই। আমি আমার মেয়েকে ছাড়া বাঁচতে পারব না।" বুকফাটা আর্তনাদে তিনি বারবার এসব কথা বলেন এবং থানা চত্বরে মেয়ের মৃতদেহের সামনে কান্নাকাটি করেন।

দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি, তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দাস জানান, ৯৯৯-এ ফোন পাওয়ার পর ঝুলন্ত মৃতদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নার্সারি থেকে আনার পরই কেন শুকিয়ে যায় গাছের চারা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৪ এম


নার্সারি থেকে আনার পরই কেন শুকিয়ে যায় গাছের চারা?

নার্সারি থেকে চারা গাছ কিনে এনে বাড়িতে যত্ন নেওয়ার পরও অধিকাংশ সময় গাছ মরে যায় বা শুকিয়ে যায়। নিয়মিত পানি, রোদ এবং যত্ন নেওয়ার পরও কেন গাছটি বাঁচে না—এ নিয়ে অনেকের মধ্যে হতাশা দেখা দেয়। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সাধারণ ভুলের কারণেই এমনটি হয়ে থাকে।

প্রথমত, গাছের পরিবেশ পরিবর্তন একটি বড় কারণ। নার্সারিতে থাকা অবস্থায় গাছ নির্দিষ্ট আলো, পানি এবং তাপমাত্রার সাথে মানিয়ে যায়। হঠাৎ করে সেই পরিবেশ পরিবর্তন হলে গাছ ‘শক’ খাওয়ার ফলে সমস্যার সৃষ্টি হয়। তাই কিনে আনার পর সঙ্গে সঙ্গেই টব বা মাটি পরিবর্তন না করে অন্তত দুই সপ্তাহ সময় দেওয়া উচিত, যাতে গাছটি নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে পারে।

দ্বিতীয়ত, সঠিক টব এবং মাটি নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় ছোট পলিথিন বা টবে থাকা চারা সরাসরি বড় টবে না বসিয়ে ভুল করা হয়। চারা যখন বড় হয়, তখন ধীরে ধীরে বড় টবে স্থানান্তর করা উচিত। মাটির ক্ষেত্রে বালি, কোকোপিট এবং জৈব সার মিশিয়ে যদি উপযুক্ত মিশ্রণ তৈরি করা হয়, তবে গাছ ভালোভাবে বেড়ে উঠতে পারে।

তৃতীয়ত, গাছের জন্য সঠিক স্থান নির্বাচন না করাও একটি বড় ভুল। সব গাছ একই রকম আলোর বা ছায়ায় বাঁচতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, রোদপ্রিয় গাছ যদি ছায়াযুক্ত জায়গায় রাখা হয়, তাহলে তা ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। কাজেই, গাছ কেনার আগে তার প্রয়োজন অনুযায়ী আলো, বাতাস এবং জায়গার নির্বাচন করা জরুরি।

চতুর্থত, অনেকেই চারা গাছকে সার না দিয়ে রাখেন অথবা ভুল সার ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট গাছে রাসায়নিক সার না দিয়ে প্রাকৃতিক সার ব্যবহার করা ভালো। সবজি খোসা, ডিমের খোসা ইত্যাদি দিয়ে তৈরি জৈব সার গাছের জন্য উপকারী।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাছ বাঁচাতে হলে ধৈর্য, সঠিক পরিবেশ এবং নিয়মিত পরিচর্যা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য ভুলেই একটি সুন্দর চারা গাছ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%