মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:৪৬ এম
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সাচিং প্রু মন্তব্য করেছেন, ‘রাষ্ট্রের কল্যাণের স্বার্থে কারও সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। আমরা পাহাড়ের মানুষের মঙ্গলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যেতে চাই।
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু ঢাকায় বসে ফাইলসই বা নির্দেশনা দেওয়ার পক্ষে আমি নই; মাঠে ফিজিক্যালি প্রেজেন্ট থেকে পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নিতে চাই।’
সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত কক্সবাজার জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয় সংক্রান্ত সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু কক্সবাজার জেলাকে একটি সুপরিকল্পিত মাস্টার প্ল্যানের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি, দেশের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কঠোর বার্তা প্রদান করেছেন।
মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
রোহিঙ্গা সংকট এবং কক্সবাজারের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও টেকসই সমাধানের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কক্সবাজারের স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয় করে কাজ করা হবে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সঞ্চালনায় সভায় সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার, অপহরণ ও মানবপাচার রোধ, সারের পাচার রোধ ও সুষম বণ্টন নিশ্চিতকরণ, পর্যটন নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সেন্টমার্টিনে অবৈধ স্থাপনা বা রিসোর্ট নির্মাণ বন্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের সমন্বয়ে নিয়মিত যৌথ টহল এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।
জুম মিটিংটিতে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পল্লী বিদ্যুৎসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ভবনটির মালিক সোহেল রানাসহ আট আসামির রায় আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঘোষণা করা হবে।
ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বি এম তারিকুল কবীর এ মামলার রায় প্রদান করবেন।
এর আগে গত ১৬ আগস্ট মামলাটির রায় ঘোষণার জন্য আদালত নির্ধারিত দিন ধার্য করেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আদালত রায় ঘোষণার তারিখ পিছিয়ে ১ সেপ্টেম্বর নতুন দিন নির্ধারণ করে।
এ মামলায় সোহেল রানার সঙ্গে অন্যান্য আসামিরা হলেন– সাভার পৌরসভার সাবেক মেয়র রেফাত উল্লাহ, সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায়, নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, সাবেক উপসহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান রাসেল, সাবেক টাউন প্ল্যানার ফারজানা ইসলাম এবং লাইসেন্স পরিদর্শক মো. আবদুল মোত্তালিব।
আসামিদের মধ্যে ভবন মালিক সোহেল রানা এ মামলায় জামিনে থাকলেও রানা প্লাজা ধসে শ্রমিকদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
রায় ঘোষণার দিন তাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হবে। এছাড়া মাহবুবুর রহমান ও ফারজানা ইসলাম পলাতক রয়েছেন। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিদেরও আদালতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
মামলার বিচার চলাকালে সোহেল রানার বাবা আবদুল খালেক ও মা মর্জিনা খাতুন বেগম মারা যান।
তাদের মৃত্যুর পর আদালত তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।
রানা প্লাজা ধস বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ শিল্পদুর্ঘটনা হিসেবে পরিচিত। ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সকালে সাভার বাসস্ট্যান্ডের কাছে অবস্থিত বহুল আলোচিত রানা প্লাজা ভবনটি ধসে পড়ে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ধসে পড়া ভবনের নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারান ১ হাজার ১৩৬ জনের বেশি মানুষ। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন ওই ভবনে থাকা পোশাক কারখানার শ্রমিক।
এ ঘটনায় আহত হন আরো বহু শ্রমিক ও কর্মচারী।
ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনার পর রানা প্লাজা ভবন নির্মাণে নকশা অনুমোদন, ভবনের কাঠামো পরিবর্তন, অতিরিক্ত তলা নির্মাণ এবং পোশাক কারখানা স্থাপনের অনুমোদনসহ বিভিন্ন পর্যায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করে।
দুদকের অনুসন্ধানের পর নকশাবহির্ভূতভাবে ভবন নির্মাণের অভিযোগে ২০১৪ সালের ১৫ জুন সাভার থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তবে প্রাথমিকভাবে ভবনটির মালিক সোহেল রানাকে ওই মামলায় আসামি করা হয়নি। কারণ, ভবনটি তার বাবা আবদুল খালেকের নামে ছিল। পরবর্তী সময়ে তদন্তে ভবনটির নির্মাণ, অনুমোদন ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সোহেল রানার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর অধিকতর তদন্ত শেষে তাকে মামলায় আসামি করা হয়।
২০১৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অধিকতর তদন্ত শেষে সোহেল রানা, তার বাবা-মাসহ মোট ১৮ জনকে আসামি করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে দুদক। পরবর্তী সময়ে মামলার অভিযোগ গঠনের সময় আটজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং ১০ আসামির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। বিচার চলার সময় সোহেল রানার বাবা ও মায়ের মৃত্যু হলে তাদেরও মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। ফলে বর্তমানে আট আসামির বিরুদ্ধে মামলাটির বিচার শেষ হয়েছে।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ‘রানা প্লাজা’ নামে ছয়তলা একটি শপিং কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ২০০৬ সালের ১০ এপ্রিল সাভার পৌরসভা থেকে নকশা অনুমোদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০০৮ সালের ২২ জানুয়ারি ওই ভবনের ওপর আরো চারটি তলা নির্মাণের অনুমোদন চাওয়া হয়। অর্থাৎ, ভবনটির মূল অনুমোদিত কাঠামোর বাইরে অতিরিক্ত তলা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।
অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়, ভবনটি মূলত শপিং কমপ্লেক্স হিসেবে নির্মাণের অনুমোদন পেলেও পরবর্তী সময়ে সেখানে পাঁচটি পোশাক কারখানা স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়। ভবনের নকশা অনুমোদন, অতিরিক্ত তলা নির্মাণ এবং পোশাক কারখানা স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। এসব অনিয়মের কারণে ভবনটির নিরাপত্তা ও কাঠামোগত স্থায়িত্ব নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১৭ সালের ২১ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ মোট ২০ জন সাক্ষী উপস্থাপনের অনুমতি পেলেও তাদের মধ্যে ১৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ, জেরা এবং অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া শেষে মামলাটি রায় ঘোষণার পর্যায়ে আসে।
রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় হওয়া একাধিক মামলার মধ্যে ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে করা এ মামলাটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভবনটির নকশা অনুমোদন থেকে শুরু করে অতিরিক্ত তলা নির্মাণ এবং সেখানে পোশাক কারখানা স্থাপনের অনুমোদনের ক্ষেত্রে সরকারি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে এ মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
দীর্ঘ ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা আইনি প্রক্রিয়ার পর আজ এ মামলার রায় ঘোষণাকে ঘিরে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। রায় ঘোষণার মাধ্যমে ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিচারিক নিষ্পত্তি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইউরোপের ডানপন্থী গণমাধ্যম এবং রক্ষণশীল নাগরিক সমাজকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার (২৫ মিলিয়ন) অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
এই পরিকল্পনা ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ২১ আগস্ট কংগ্রেসকে এই তহবিল বরাদ্দের বিষয়ে অবহিত করেছে। এই মোট অর্থায়নের মধ্যে ৪০ লাখ ডলার রাখা হয়েছে ইউরোপে স্বাধীন সাংবাদিকদের একটি কনসোর্টিয়াম গঠন এবং ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমকে সহায়তা করার জন্য। এছাড়া, অভিবাসন ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের মতো বিষয়গুলোতে নজর রেখে ‘গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ’ বিশ্লেষণের জন্য আরো ৩০ লাখ ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে। জানা গেছে, সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ এই তহবিল চূড়ান্ত হতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম ব্যুরো (ডিআরএল) দাবি করেছে, এই অর্থায়নের উদ্দেশ্য হলো আন্তঃআটলান্টিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করা এবং বাকস্বাধীনতা বৃদ্ধি করা। তারা উল্লেখ করেছে যে, তারা কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সরাসরি অর্থায়ন করে না।
তবে ইউরোপে আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে মার্কিন সরকারের এই পদক্ষেপে বেশ কয়েকটি দেশের পক্ষ থেকে কড়া প্রতিক্রিয়া এসেছে। ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো ইউরোপের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, "কোনো দেশ থেকেই তাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্যোগে মশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে। গতকাল সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে ফরিদপুর পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীপুর এলাকায় এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তামজীদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মশাল মিছিলের একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তিকে মশাল হাতে মিছিল করতে দেখা যায়। এ সময় তাঁদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। ভিডিওতে ‘শেখ হাসিনা বীরের বেশে দেশে ফিরবে’—এমন স্লোগানও শোনা যায়।
ভিডিওটি প্রকাশ করে তামজীদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, “যতবার মনে করবেন ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের রাজনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে, ঠিক ততবার দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে এক একজন রিয়ান থেকে শত শত রিয়ান, শত শত থেকে হাজার হাজার রিয়ানের জয় বাংলার স্লোগানে কম্পিত হবে ফরিদপুরের মাটি।”
পোস্টে তিনি আরও লেখেন, “কারণ এটা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ফরিদপুর। মনে রাখবেন, ফরিদপুরের মাটি শেখ হাসিনার ঘাঁটি। ফরিদপুরের মাটি ছাত্রলীগের ঘাঁটি।”
রিয়ান তাঁর পোস্টে আরও দাবি করেন, “২ বছরের বেশি লড়াই সংগ্রাম চলছে এবং চলবে। জীবনের শেষ রক্তবিন্দু থাকতে দেশের মাটি ছাড়ি নাই, ছাড়বও না ইনশাআল্লাহ। মরলেও এ দেশে, বাঁচলেও এ দেশের মাটিতেই বাঁচতে চাইবো।”
ফেসবুক পোস্টের শেষে তিনি নিজের নাম উল্লেখ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেন এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান লেখেন।
প্রকাশিত ভিডিও ও পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, মিছিলে ছাত্রলীগের স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের সবার পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, “যারা মিছিল করেছে, তাদের খোঁজার চেষ্টা করছি। কেউ বিশৃঙ্খলা করতে চাইলে তাকে সেই সুযোগ দেওয়া হবে না।”
উল্লেখ্য, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্যাট হাতে মজতেই ভালোবাসেন বিরাট কোহলি। ২২ গজের সবুজ গালিচায় ক্লাসিক সব শটে দর্শক-সমর্থকদের মুগ্ধ করেন তিনি।
এবার মাঠের বাইরেও মজেছেন ভারতীয় ব্যাটার। নিজের শরীরকেই বানিয়েছেন ক্যানভাস। তাতে ঠাঁই পেয়েছে অনেক ট্যাটু।
এবার কোহলি বাঁ হাতের বাইসেপে আরেকটি ট্যাটু এঁকেছেন।
সেই ট্যাটুর নকশা প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে তা ভাইরাল হয়ে গেছে। জলের উপর একটি ফোঁটা পড়লে যেমন চারদিকে ঢেউয়ের খেলা তৈরি হয়, ট্যাটিটি দেখতে অনেকটা তেমনই। ‘অ্যালান এফ গোইস’ (Allan F Gois) নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে ছবি পোস্ট করা হয়। সেই পোস্টে জানা যায়, নকশা তৈরি করতে ইতিমধ্যেই পাঁচটি সেশন লেগেছে।
তবে কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি।
ট্যাটুটি আঁকালেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজটি শুরু হতে আর এক মাসের কম সময় বাকি রয়েছে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে মাঠে নামবেন কোহলি। তবে সিরিজ শুরুর আগে নতুন ট্যাটুর পেছনে ঠিক কী ভাবনা তা এখনো জানা যায়নি।
তা জানতে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে।
এর আগে কোহলির শরীরের জায়গা পেয়েছে বাবা-মায়ের নাম থেকে শুরু করে নিজের ওডিআই ক্যাপের নম্বর। আছে গডস আই ট্যাটু থেকে জাপানি সামুরাই ট্যাটুও। সে সবের মধ্যে তার বাঁ হাতে থাকা ট্যাটুগুলোকে মিলিয়ে একটি সম্পূর্ণ ‘স্লিভ ট্যাটু’ আঁকার পরিকল্পনা রয়েছে। শুরুটা হয়েছিল শিবের থেকে অনুপ্রাণিত তার আর্মব্যান্ড ট্যাটু দিয়ে।
পুরো নকশায় মনোযোগ, অন্তরের শান্তিকে তুলে ধরা হয়েছে। বাঁ হাতের উপরের দিকেও নতুন করে পদ্ম-সহ আরও একটি ফুলের মোটিফ যোগ করা হয়েছে। এই ধরনের প্রতীক সাধারণত অধ্যবসায় এবং ব্যক্তিগত উন্নতির সঙ্গে যুক্ত বলেই মনে করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ