ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টাঙ্গাইলে মাদরাসা ছাত্রীদের অভিনব উদ্ভাবনের খবর


টাঙ্গাইলে মাদরাসা ছাত্রীদের অভিনব উদ্ভাবনের খবর

অনেকেই মনে করেন, মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার তেমন মিল নেই। এখানে ইসলামিক শিক্ষাকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়ে থাকে। শিক্ষার্থীরাও তাদের মেধা বিকাশের খুব একটা সুযোগ পায় না। কিন্তু বাস্তবতা আসলে তা নয়। আর সেটাই প্রমাণ করেছে টাঙ্গাইলের কুরতুবী মাদরাসার আলিম শাখার ছাত্রীরা।

তারা উদ্ভাবন করেছে এমন একটি কলা- যা উৎপাদনের মাধ্যমে স্বাদ অপরিবর্তিত রেখে কলাকে অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ করা যাবে। এটি অপুষ্টি দূরীকরণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষি ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। ইচ্ছা, চেষ্টা আর সাধনা দিয়ে মাত্র এক মাসের গবেষণায় তারা এ সাফল্যের দেখা পেয়েছে।

কথা হয় এই অভিনব উদ্ভাবন দলের সদস্যদের সাথে। তারা হলেন কুরতুবী আলিম মাদরাসার প্রথম বর্ষের ছাত্রী ফাতেমাতুজ জহুরা, অনামিকা আলফি আমরি, মিফতাহুল জান্নাত মায়া, মেঘলা আক্তার ও ফারজানা আক্তার। দলের সদস্যরা জানান, এই প্রজেক্টের মূল উদ্দেশ্য হলো কলার ডিএনএ নিষ্কাশন করা এবং রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রোটিন সমৃদ্ধ কলার একটি মডেল তৈরি করা। এ প্রজেক্টে মুসুর ডাল থেকে ডিএইচডিপিএস জিন নির্বাচন করা হয়েছে, যা লাইসিন সামৃদ্ধ প্রোটিন উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: সিলেটে রাবার বাগান থেকে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি এয়ারগান উদ্ধার

লাইসিন একটি অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড, যা মানবদেহের বৃদ্ধি, টিস্যু গঠন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং বিভিন্ন জৈবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণ কলায় লাইসিনের পরিমাণ কম থাকায় জেনেটিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এর পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি করার চেষ্টা করা হয়েছে।

ছাত্রীরা জানান, চলতি বছরের মার্চ মাসে তারা জীববিজ্ঞান ল্যাব ক্লাসে ডিএনএ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ করেই তাদের মাথায় আসে নতুন প্রযুক্তি আবিস্কারের ধারণা। কোন চিন্তা-ভাবনা না করে তারা শুরু করে দেন গবেষণা। তাদের গাইড শিক্ষক আরিফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে চলতে থাকে গবেষণা। প্রবল আগ্রহ, কঠোর সাধনা শুরু হয়। এভাবে তাদের সময়ের বড় অংশ কাটতে থাকে গবেষণার কাজে। মাত্র এক মাসের মাথায়ই তারা সাফল্যের দেখা পান। গবেষণা শেষে তারা উদ্ভাবন করেন- স্বাদ অপরিবর্তিত রেখে কলাকে অধিক প্রোটিন সমৃদ্ধ করা সম্ভব। তারা এ প্রজেক্টের নাম দেয়, ‘প্রোটিন সমৃদ্ধ কলা তৈরির জন্য কলার ডিএনএ নিষ্কাশন ও রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ মডেল’।

এদিকে চলতি বছরের এপ্রিল মাসে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা ও জেলা জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে কুরতুবী আলিম মাদরাসার ছাত্রীদের এই নয়া উদ্ভাবন প্রথম স্থান অর্জন করে। পরে বিভাগীয় পর্যায়ে গিয়ে দ্বিতীয় হয়ে অংশগ্রহণ করে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায়। জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কৃত হতে না পারলেও বিচারকসহ আমন্ত্রিত অতিথিদের ভূয়সী প্রশংসা পেয়েছে।

প্রজেক্টের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ছাত্রীরা জানান, কলার ডিএনএ নিষ্কাশন করা, রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা অর্জন করা, মুসুর ডালের ডিএইচডিপিএস জিন কলার ডিএনএ-তে সংযুক্ত করার মডেল তৈরি করা, লাইসিন সমৃদ্ধ ও প্রোটিনযুক্ত কলা উৎপাদনের ধারণা প্রদান করা, কলার স্বাদ ও গুণগত মান অপরিবর্তিত রাখা, অপুষ্টি দূরীকরণে জৈবপ্রযুক্তির ভূমিকা তুলে ধরা এবং কৃষি ও অর্থনীতিতে জেনেটিক পরিবর্তিত ফসলের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা।

আরও পড়ুন: পাবনায় অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে ডিবির অভিযান, গ্রেপ্তার ৪

এ প্রযুক্তি আবিস্কারের জন্য তারা কিছু উপকরণ বেছে নিয়েছেন। উল্লেখযোগ্য উপকরণগুলো হল, পাকা কলা, লবণ, গরম পানি, ডিশ ওয়াশিং লিকুইড, ব্লেন্ডার/চামচ, কফি ফিল্টার বা পাতলা কাপড়, টেস্ট টিউব/গ্লাস, ঠান্ডা অ্যালকোহল বা ইথানল এবং কাঠি বা টুথপিক।

আবিস্কৃত প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে ছাত্রীরা জানান, বাণিজ্যিকভাবে প্রোটিন সমৃদ্ধ কলা উৎপাদন, অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ ফসল তৈরি, বৃহৎ পরিসরে গবেষণা ও চাষাবাদ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জৈবপ্রযুক্তি গবেষণায় অংশগ্রহণ। তবে এর জন্য তাদের কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। এজন্য তাদের উন্নত ল্যাব সুবিধা প্রয়োজন। জেনেটিক পরিবর্তিত খাদ্য নিয়ে সামাজিক ও নৈতিক বিতর্ক থাকতে পারে। এছাড়া বাণিজ্যিক ব্যবহারের আগে দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন বলে তারা উল্লেখ করেন।

কুরতুবী আলিম মাদরাসার শিক্ষক আরিফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের জানার আগ্রহ অনেক বেশি। তাদের যদি একটু ধারণা দেয়া হয় তবে তারা ভালো কিছু করতে পারবে।

আরও পড়ুন: নিয়ত বিশুদ্ধ না হলে ইবাদতের প্রকৃত শিক্ষা অর্জন ব্যাহত হয় -ছারছীনা পীর ছাহেব

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-লেবানন চুক্তির মূল বিষয়গুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-লেবানন চুক্তির মূল বিষয়গুলো

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের দ্বিতীয় ফ্রন্টে পরিণত হওয়া লেবানন-ইসরাইল সংঘাতের অবসান ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে ইসরাইল, লেবানন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় কাঠামো চুক্তির পূর্ণ পাঠ ওয়াশিংটন শুক্রবার প্রকাশ করেছে।

ওয়াশিংটন থেকে পাঠানো এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ১৪ দফা চুক্তির প্রধান বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

স্থায়ী শান্তির লক্ষ্য

চুক্তির শুরুতেই বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইসরাইল ও লেবানন ‘স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার অভিন্ন লক্ষ্য’ পুনর্ব্যক্ত করেছে।

প্রতিবেশী দুই দেশ ‘চূড়ান্তভাবে সংঘাতের অবসান, এর মূল কারণগুলোর সমাধান এবং আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধাবস্থার ইতি টানার’ অভিপ্রায় ঘোষণা করেছে।

যাচাইকৃত নিরস্ত্রীকরণ

চুক্তিতে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সব সমস্যার সমাধানে ‘অপরিবর্তনীয় অগ্রগতি’ অর্জনের অঙ্গীকার করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতা ও সহায়তায় দুই দেশের মধ্যে সরাসরি দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলবে।

চুক্তি অনুযায়ী, লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী (এলএএফ) অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর যাচাইকৃত নিরস্ত্রীকরণ এবং তাদের অবকাঠামো অপসারণের পর পুরো লেবানন ভূখণ্ডে কার্যকর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবে।

এর ফলে ধাপে ধাপে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) লেবাননের ভূখণ্ড থেকে সরে যাবে। এই প্রক্রিয়ার ধাপ ও যাচাইব্যবস্থা চুক্তির আওতায় নির্ধারণ করা হবে।

পাইলট অঞ্চল

এলএএফ ধীরে ধীরে কয়েকটি ‘পাইলট অঞ্চলে’ পূর্ণ নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করবে। এসব অঞ্চলই আইডিএফের পর্যায়ক্রমিক প্রত্যাহার এবং এলএএফের মোতায়েনের পরীক্ষামূলক মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

প্রাথমিকভাবে দুইটি পাইলট অঞ্চলে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে। ভবিষ্যতে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে আরও অঞ্চল যুক্ত করা হবে।

ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহসহ অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পর এসব এলাকায় পূর্ণ নিরাপত্তার দায়িত্ব নেবে এলএএফ।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, এরপর আন্তর্জাতিক সহায়তায় পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু হবে এবং লেবাননের বেসামরিক নাগরিকরা নিরাপদে নিজ এলাকায় ফিরে যেতে পারবেন, যেখানে কেবল লেবাননের রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

এ প্রক্রিয়া যাচাই ও বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

কর্মপর্যায়ের দল

চুক্তিতে লেবানন সরকার তাদের ভূখণ্ডে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

সরকার রাষ্ট্রের একচ্ছত্র বলপ্রয়োগের ক্ষমতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সব অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ ও যাচাইকৃত নিরস্ত্রীকরণ এবং ভবিষ্যতে এসব গোষ্ঠীর কোনো সামরিক বা নিরাপত্তা ভূমিকা কিংবা অস্ত্রধারণের সুযোগ না রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এ লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে আরব দেশগুলোর সহযোগিতা চেয়েছে লেবানন।

এ ছাড়া, ইসরাইল ও লেবানন একটি পূর্ণাঙ্গ শান্তি ও নিরাপত্তা চুক্তির খসড়া প্রণয়নের জন্য যৌথ কর্মপর্যায়ের দল গঠন করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় অব্যাহত সরাসরি যোগাযোগ শুরু করবে।

‘ভূখণ্ডগত আকাঙ্খা নেই’

ইসরাইল জানিয়েছে, লেবাননে তাদের সামরিক অভিযানটি কেবল অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী, বিশেষ করে হিজবুল্লাহর হামলা, হুমকি ও বৈরী তৎপরতার প্রতিক্রিয়া।

চুক্তিতে বলা হয়েছে, এসব গোষ্ঠীর নিরস্ত্রীকরণ এবং দুই দেশের মধ্যে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর হলে ভবিষ্যতে লেবাননে আইডিএফের সামরিক উপস্থিতি বা অভিযান পরিচালনার প্রয়োজন থাকবে না।

একই সঙ্গে ইসরাইল সরকার ঘোষণা দিয়েছে, ‘লেবাননের কোনো ভূখণ্ডের উপর তাদের কোনো আকাঙ্খা নেই।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশও একদিন বিশ্বকাপ খেলবে, সে লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৩ পি.এম


বাংলাদেশও একদিন বিশ্বকাপ খেলবে, সে লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে

বাংলাদেশও একদিন ফুটবল বিশ্বকাপ খেলবে, এই মন্তব্য করেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেগুলোকে ওভারকাম করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ১৫-২০ বছর পর বাংলাদেশ ফুটবল যাতে বিশ্ব মানচিত্রের উঁচু জায়গাতে পৌঁছাতে পারে, সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি।

রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের শফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ‘দেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের ন্যাশনাল টিম ভালোভাবে চেষ্টা করছে। হামজা চৌধুরী থেকে শুরু করে জামাল ভূঁইয়া সবাই ভালো খেলছে।’

আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা সাব-কন্টিনেন্টে চেষ্টা করছি। আমাদের যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেগুলোকে ওভারকাম করে যাতে ডমিনেট করতে পারি। নভেম্বরে আমাদের সাফ ফুটবল রয়েছে। ২০০৩ সালে সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম।

এরপর দীর্ঘ সময় হয়ে গেছে, কিন্তু আমরা সাফের সেই কাঙ্ক্ষিত শিরোপা ফিরে পাইনি। বর্তমান বাংলাদেশ ফুটবল টিম অত্যন্ত ঐক্যবদ্ধ এবং ভালো একটি টিম। আমরা আশাবাদী আগামী সাফ ফুটবলে বাংলাদেশ শিরোপা পুনরুদ্ধার করবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রীড়াকে এগিয়ে নিতে ৩০০ ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা যারা রাখছেন তাদের ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। ক্রীড়া কার্ড আরো ২০০ বাড়িয়ে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করা হবে।’

কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন খেলায় কৃতিত্ব রাখায় ২৩ জন আনসার সদস্যকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই আন্দোলনের নেতা ও মাস্টারমাইন্ড নিয়ে সংসদে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


জুলাই আন্দোলনের নেতা ও মাস্টারমাইন্ড নিয়ে সংসদে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের নেতা এবং মাস্টারমাইন্ড কে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সরকারি দল বিএনপি ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন।

রোববার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিএনপির সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে উদ্ধৃত করে বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে জুলাই গণ অভ্যুত্থান হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পরপরই বিরোধীদলীয় নেতা একটি কথা বলেছিলেন, আমাদের সাথে আন্দোলনের প্রধান নায়ক, আমি তাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, জনাব তারেক রহমান, আজকে সংযুক্ত হয়েছেন। তিনি দূরে থেকেও জাতিকে আমি বলবো, অত্যন্ত বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে এবং অত্যন্ত সফলভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

অর্থাৎ, তিনি নেতৃত্ব দিয়ে এই গণ অভ্যুত্থানটাকে সফল করেছে এবং আজকে আমরা এই জায়গায় এসছি, এটা তার মুখের কথা। কাজেই বাজেট নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতারা যে চিন্তিত আছেন, আপনাদের চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই, বলেন তিনি।

তার বক্তব্যের পরে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আন্দোলনের একক কোনো মাস্টারমাইন্ড মানি না।

আগস্টের পাঁচ তারিখের পরে, আমার এই বক্তব্য। ওই সময়ে যাদের নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থান সফল হয়েছে, আমরা সবাই অন্তর থেকে তাদেরকে সম্মান করি, ভালোবাসি। তাদের এই জায়গাটা আমাদের ঠিক রাখতে হবে, বলেন তিনি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, বাংলাদেশের চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ আলম। যিনি ওই সরকারে একজন উপদেষ্টা ছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, এমনকি ড. ইউনূস অ্যামেরিকায় গিয়ে একজনকে তিনি মাস্টারমাইন্ড বলেছিলেন। আমিই সেই ব্যক্তি, প্রথমে প্রতিবাদ করে বলেছি, এই আন্দোলনের একক কোনো মাস্টারমাইন্ড আমরা মানি না। আমাদের যুবসমাজকে কৃতিত্ব দিতে চাই। আর মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শায়রুল কবির

মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন

ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন। পূর্ণ সুস্থ হয়ে তিনি দ্রুতই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে তিনি এসব তথ্য জানান।

শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ‘তিনি (মির্জা আব্বাস) পূর্ণ সুস্থ হয়ে দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। এ জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।’

এর আগে গত ১৬ মে শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে মালয়েশিয়ায়র কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস। ওই দিন তিনি বলেছিলেন, গুরুতর অসুস্থতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির এই নেতার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি দেশে ফেরার জন্য অস্থির হয়ে আছেন। সবার দোয়া ও আল্লাহর অশেষ রহমতে মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ।

তবে এখনো তার ফিজিওথেরাপি চলছে। নিউরোসংক্রান্ত বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হলেও তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত ফলোআপ ও ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দিয়েছেন। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুর চিকিৎসা নেন। সেখানের চিকিৎসকরাও তার সুস্থতাকে বিস্ময়কর হিসেবে দেখেছিলেন।

গত ১১ মার্চ রমজান মাসের ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। সাবেক এই মন্ত্রীকে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ ধরা পড়ে। এতে ওই দিন রাতেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। এরপর তার মস্তিষ্কে দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে প্রথমে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়। তিনি এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%