ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশও একদিন বিশ্বকাপ খেলবে, সে লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে


বাংলাদেশও একদিন বিশ্বকাপ খেলবে, সে লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নিচ্ছে

বাংলাদেশও একদিন ফুটবল বিশ্বকাপ খেলবে, এই মন্তব্য করেছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেগুলোকে ওভারকাম করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী ১৫-২০ বছর পর বাংলাদেশ ফুটবল যাতে বিশ্ব মানচিত্রের উঁচু জায়গাতে পৌঁছাতে পারে, সেই চেষ্টা করে যাচ্ছি।

রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের শফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

আরও পড়ুন: ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা ও ২৫৫ ইউরো জরিমানার মুখে রোনালদো

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, ‘দেশের প্রেক্ষাপটে আমাদের ন্যাশনাল টিম ভালোভাবে চেষ্টা করছে। হামজা চৌধুরী থেকে শুরু করে জামাল ভূঁইয়া সবাই ভালো খেলছে।’

আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা সাব-কন্টিনেন্টে চেষ্টা করছি। আমাদের যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে সেগুলোকে ওভারকাম করে যাতে ডমিনেট করতে পারি। নভেম্বরে আমাদের সাফ ফুটবল রয়েছে। ২০০৩ সালে সাফ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলাম।

এরপর দীর্ঘ সময় হয়ে গেছে, কিন্তু আমরা সাফের সেই কাঙ্ক্ষিত শিরোপা ফিরে পাইনি। বর্তমান বাংলাদেশ ফুটবল টিম অত্যন্ত ঐক্যবদ্ধ এবং ভালো একটি টিম। আমরা আশাবাদী আগামী সাফ ফুটবলে বাংলাদেশ শিরোপা পুনরুদ্ধার করবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রীড়াকে এগিয়ে নিতে ৩০০ ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা যারা রাখছেন তাদের ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। ক্রীড়া কার্ড আরো ২০০ বাড়িয়ে এই সংখ্যা ৫০০-তে উন্নীত করা হবে।’

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

কৃতী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আব্দুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন খেলায় কৃতিত্ব রাখায় ২৩ জন আনসার সদস্যকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই আন্দোলনের নেতা ও মাস্টারমাইন্ড নিয়ে সংসদে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


জুলাই আন্দোলনের নেতা ও মাস্টারমাইন্ড নিয়ে সংসদে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের নেতা এবং মাস্টারমাইন্ড কে? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সরকারি দল বিএনপি ও বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন।

রোববার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে বিএনপির সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানকে উদ্ধৃত করে বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে জুলাই গণ অভ্যুত্থান হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, গণঅভ্যুত্থানের পরপরই বিরোধীদলীয় নেতা একটি কথা বলেছিলেন, আমাদের সাথে আন্দোলনের প্রধান নায়ক, আমি তাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, জনাব তারেক রহমান, আজকে সংযুক্ত হয়েছেন। তিনি দূরে থেকেও জাতিকে আমি বলবো, অত্যন্ত বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে এবং অত্যন্ত সফলভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

অর্থাৎ, তিনি নেতৃত্ব দিয়ে এই গণ অভ্যুত্থানটাকে সফল করেছে এবং আজকে আমরা এই জায়গায় এসছি, এটা তার মুখের কথা। কাজেই বাজেট নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতারা যে চিন্তিত আছেন, আপনাদের চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই, বলেন তিনি।

তার বক্তব্যের পরে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, আন্দোলনের একক কোনো মাস্টারমাইন্ড মানি না।

আগস্টের পাঁচ তারিখের পরে, আমার এই বক্তব্য। ওই সময়ে যাদের নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থান সফল হয়েছে, আমরা সবাই অন্তর থেকে তাদেরকে সম্মান করি, ভালোবাসি। তাদের এই জায়গাটা আমাদের ঠিক রাখতে হবে, বলেন তিনি।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা থাকাকালীন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, বাংলাদেশের চব্বিশের গণ অভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড মাহফুজ আলম। যিনি ওই সরকারে একজন উপদেষ্টা ছিলেন।

তারেক রহমান বলেন, এমনকি ড. ইউনূস অ্যামেরিকায় গিয়ে একজনকে তিনি মাস্টারমাইন্ড বলেছিলেন। আমিই সেই ব্যক্তি, প্রথমে প্রতিবাদ করে বলেছি, এই আন্দোলনের একক কোনো মাস্টারমাইন্ড আমরা মানি না। আমাদের যুবসমাজকে কৃতিত্ব দিতে চাই। আর মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শায়রুল কবির

মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন

ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন। পূর্ণ সুস্থ হয়ে তিনি দ্রুতই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে তিনি এসব তথ্য জানান।

শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, ‘তিনি (মির্জা আব্বাস) পূর্ণ সুস্থ হয়ে দ্রুত আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। এ জন্য তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।’

এর আগে গত ১৬ মে শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে মালয়েশিয়ায়র কুয়ালালামপুরের প্রিন্স কোর্ট মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস। ওই দিন তিনি বলেছিলেন, গুরুতর অসুস্থতা কাটিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন মির্জা আব্বাস। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন বিএনপির এই নেতার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তিনি দেশে ফেরার জন্য অস্থির হয়ে আছেন। সবার দোয়া ও আল্লাহর অশেষ রহমতে মির্জা আব্বাস এখন অনেকটাই সুস্থ।

তবে এখনো তার ফিজিওথেরাপি চলছে। নিউরোসংক্রান্ত বড় ধরনের জটিলতা তৈরি হলেও তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চিকিৎসকরা নিয়মিত ফলোআপ ও ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দিয়েছেন। মালয়েশিয়ায় যাওয়ার আগে মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুর চিকিৎসা নেন। সেখানের চিকিৎসকরাও তার সুস্থতাকে বিস্ময়কর হিসেবে দেখেছিলেন।

গত ১১ মার্চ রমজান মাসের ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। সাবেক এই মন্ত্রীকে মস্তিস্কে রক্তক্ষরণ ধরা পড়ে। এতে ওই দিন রাতেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার চিকিৎসায় মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়। এরপর তার মস্তিষ্কে দুই দফা অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে প্রথমে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তাকে মালয়েশিয়ায় নেওয়া হয়। তিনি এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন মির্জা আব্বাস।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেলিকপ্টার থেকে কবিতা ছড়িয়ে অনন্য নজির স্পেনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


হেলিকপ্টার থেকে কবিতা ছড়িয়ে অনন্য নজির স্পেনে

সম্প্রতি স্পেনের বার্সেলোনায় নজিরবিহীন এক দৃশ্যের উন্মোচন ঘটেছে। গত ২০ জুন রাত সাড়ে ৮টায় শহরের একটি চমৎকার শৈল্পিক পরিবেশনায় একদল শিল্পী প্রদর্শনী আয়োজন করেছে। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে আকাশ থেকে প্রকৃত অর্থে কবিতার বোমাবর্ষণ করা হয়েছে; এক লাখের বেশি কবিতা বাতাসে উড়ানো হয়েছে। কবিতাগুলোতে মানুষ স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে স্থান পেয়েছে।

অন্য দিনের মতোই ওই সময় বার্সেলোনা ক্যাথেড্রাল এলাকা লোকে লোকারণ্য ছিল। হঠাৎ একটি কালো হেলিকপ্টার মাথার ওপর চক্কর দিতে শুরু করে। এরপর আকাশ থেকে পড়তে থাকে অসংখ্য লম্বা সাদা কাগজ। আকাশের দিক থেকে সেগুলো পড়ে যাচ্ছে, এটা দেখতে মানুষের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। কেউ রাস্তা থেকে কাগজগুলো কুড়িয়ে নেয়, আবার কেউ লাফ দিয়ে কাগজ ধরার চেষ্টা করে। অনেকে এই অদ্ভুত ঘটনার ভিডিও ক্যামেরায় বন্দী করে, এবং পরবর্তীতে সেই ভিডিওগুলো ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে যায়।

মূলত চিলির শিল্পগোষ্ঠী কাসাগ্রান্ডে এই প্রদর্শনীটি আয়োজন করেছে। প্রদর্শনীর নাম রাখা হয়েছে ‘বম্বিং অব পোয়েমস’, অর্থাৎ ‘কবিতার বোমাবর্ষণ’। এই দলটি এর আগে পৃথিবীর আরও ৯টি শহরে এরূপ করেছিল। তাদের উদ্দেশ্য হলো অতীতের যুদ্ধের ভয়াবহতাকে স্মরণ করা ও বোমার বদলে কবিতা দিয়ে আকাশটাকে শান্তি ও ভালোবাসায় নতুন করে সাজানো।

এই আয়োজনের অনুপ্রেরণা মূলত স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের সময় বার্সেলোনা শহরের ওপর হওয়া ঐতিহাসিক বোমাবর্ষণ। শিল্পগোষ্ঠী কাসাগ্রান্ডে সেই ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের স্মরণ করতে কবিতার বোমাবর্ষণের আইডিয়া কাজে লাগিয়েছে। তাদের বিশ্বাস, ইতিহাসের স্মৃতি ভুলে যাওয়ার গুরুত্ব অনেক বেশি। সংস্কৃতি মানুষের মনের ক্ষত দূর করতে পারে এবং শিল্পে যুদ্ধের ক্ষতবিক্ষত স্থানগুলোকে ভালোবাসায় ভরিয়ে তোলা যায়।

প্রদর্শনীর জন্য কাসাগ্রান্ডে শিল্পগোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে বার্সেলোনা ক্যাথেড্রাল এলাকাটিকে নির্বাচন করেছে। কারণ, ১৯৩০ সালে গৃহযুদ্ধে এই জায়গাটিই সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞ ও ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছিল। স্পেনের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে তারা এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগ নেয়। এক সময়ের যুদ্ধবিধ্বস্ত শহরকে আজ নতুন করে শান্তি ও সংস্কৃতির একটি শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

শহরের অনেক লোক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, এই আয়োজন স্থানীয় মানুষের কাছে অত্যন্ত আবেগের। এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিশাল। ৯ দশক আগে, ১৯৩৭ থেকে ১৯৩৯ সালের স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধের সময় বার্সেলোনা শহরে ১ হাজার ৯০৩ বার বোমা হামলা হয়েছিল। সেই মারাত্মক হামলায় ২ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারান এবং প্রায় ৭ হাজার জন আহত হন। ১৯৩৮ সালে এই এলাকায় দুবার ভয়াবহ হামলা চালানো হয়। প্রথম হামলায় ২০ জন শিশুসহ ৪২ জন মানুষ মারা যান। তার মাত্র কয়েক মাস পরে আবার একই অঞ্চলে হামলা হয়, যা শত শত মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়।

এত বছর পর সেই শহরের আকাশ থেকে কবিতার মাধ্যমে বোমাকে বদলে ফেলা হয়েছে। মানুষের স্বাধীনতা এবং পুরোনো স্মৃতি, ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের নানা ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে স্প্যানিশ ও কাতালান ভাষায় লেখা কবিতাগুলোর মধ্যে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ফেলোশিপ পেলেন কালের কণ্ঠের ২ প্রতিবেদক

সরকারি সেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয় আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


সরকারি সেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয় আহ্বান

সরকারি পরিষেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও সেবাপ্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন।

রবিবার (২৮ জুন) পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বাংলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সরকারি পরিষেবায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি ও অভিগম্যতা’ শীর্ষক সম্মিলনে প্রধান অতিথির হিসেবে তিনি এই আহ্বান জানিয়েছেন।

দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মিলনে বাংলাদেশের ১০ জেলার ৩৩টি স্থানীয় নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসব সংগঠন প্রান্তিক নারী, লিঙ্গীয় বৈচিত্র্যের মানুষ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, আদিবাসী এবং দলিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত রয়েছে।

এছাড়া, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারবিষয়ক সাংবাদিকতা ফেলোশিপ সম্পন্ন করায় স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের ১৬ জন সাংবাদিককে সনদ ও স্মারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও অধিকারভিত্তিক সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও ঘটে।

ফেলোশিপ পাওয়া সাংবাদিকদের মধ্যে কালের কণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক নিশাত বিজয় ও অনির্বাণ বিশ্বাস, দৈনিক আগামীর সময়ের মেহেরিন আশফিয়া জাহান, দৈনিক কালবেলার মুক্তা মনোয়ারসহ জাতীয় এবং জেলা পর্যায়ের ১৬ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে সভাপতিত্ব করেন এশিয়ান এমসিসি, ক্রিশ্চিয়ান এইডের পার্টনারশিপ অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি লিড নুজহাত জাবিন। স্বাগত বক্তব্য দেন মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পরিচালক বনশ্রী মিত্র নিয়োগী। সঞ্চালনা করেন ‘আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ’ জোটের প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক।

এ সময় বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মঞ্জুরুল হোসেন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার এবং সরকারি সেবা নিশ্চিত করতে আন্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয়কে আরো কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

দ্বিতীয় পর্বে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. তরিকুল আলম, সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. সাজ্জাদুল ইসলাম, চ্যানেল আইয়ের সিনিয়র সম্পাদক মীর মনসুর জামান, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের সহকারী কমিশনার মনোয়ারা আক্তার রিফাত, এশিয়া এমসিসি, ক্রিশ্চিয়ান এইডের প্রোগ্রাম অ্যান্ড পার্টনারশিপ লিড প্রিন্স সুমন বাড়ই, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের পরিচালক বনশ্রী মিত্র নিয়োগী এবং আমরাই পারির প্রধান নির্বাহী জিনাত আরা হক তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা সরকারি কর্মকর্তাদের সামনে তাদের বিভিন্ন সমস্যা, অভিজ্ঞতা ও দাবি জানাতে সক্ষম হন। আদিবাসী ও প্রান্তিক নারীদের পক্ষে বক্তব্য দেন দিপ্তী পাহান ও শেফালী বৈরাগী। লিঙ্গীয় বৈচিত্র্যের মানুষ এবং দলিত জনগোষ্ঠীর পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন অনিন্দিতা আফরা বাবুনি ও সংকর সরকার।

আয়োজকরা জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় ক্রিশ্চিয়ান এইড, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, আমরাই পারি পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ জোট এবং স্থানীয় নাগরিক সংগঠনগুলো যৌথভাবে ‘Expanding Civic Space through Active CSO Participation and Strengthened Governance System in Bangladesh (ECSAP)’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্পটির মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতকরণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং মানবাধিকার উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%