(পটুয়াখালী) রাঙ্গাবালী প্রতিনিধি,,,মোঃ আসাদ মিয়া
১০:১৪ পি.এম
পটুয়াখালী উপকূলীয় বন বিভাগের রাঙ্গাবালী রেঞ্জের মৌডুবি বিট কর্মকর্তা শোহেব খানের বিরুদ্ধে জেলেদের ৩০ লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ সামনে এসেছে। এই অভিযোগে গতকাল সোমবার ভুঁইয়াকান্দা বাজারে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন পালন করেছেন ভুক্তভোগী জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা। মানববন্ধনে ভুক্তভোগী বাদল হাওলাদার, মহসিন ভুঁইয়া, মনির তালুকদাসসহ অর্ধশতাধিক জেলে তাদের অভিযোগ তুলে ধরছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর বন বিভাগ ইতোমধ্যে কর্মকর্তাকে বদলি করার উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, বিট কর্মকর্তা চর হেয়ার, চর তুফানিয়া, চর তালুকদার, চর তালেব, চর বগলা, চর আশাবাড়িয়া, জাহাজমারা, চর তোফাজ্জেল, গ্যাপের চর, মৌডুবির ভাঙারখাল, কেউর হাওলা, কাজিকান্দাসহ নিজকাটা এলাকার নদী তীরবর্তী চরের অববাহিকায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ স্ট্রিপ বনায়ন (বেড়িবাঁধ বনাঞ্চল) ইজারা দিয়ে ঘুষ বাণিজ্য করেছেন। তারা অভিযোগ করেন, অর্ধশতাধিক জেলের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। জেলেরা চর ও নদীর মোহনায় ইলিশ, কোরাল, চিংড়ি সহ বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ ধরেন এবং জীবিকা নির্বাহ করেন; অথচ বিট কর্মকর্তা শোহেব খান এই সব সাগরের জেগে উঠা চরগুলো লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে ইজারা দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।
বক্তারা আরও বলেন, একটি চর দেওয়ার নামে অন্তত ২ থেকে ৫ জনের কাছে ঘুষ নিয়েছেন। স্থানীয় জেলে মহসীন ভুঁইয়ার কাছ থেকে নিয়েছেন দেড় লাখ, বাদল হাওলাদারের কাছ থেকে ১ লাখ ১০ হাজার, মিজানুর ভুঁইয়ার কাছ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার, মনির তালুকদারের কাছ থেকে ১ লাখ ৩২ হাজার, কালাম ভুঁইয়ার কাছ থেকে ৬০ হাজার, নজরুল হাওলাদারের কাছে ৭০ হাজার, মোশাররফের (হাফেজকান্দা) কাছ থেকে আশারবাড়িয়ার চরের জন্য ২ লাখ ২০ হাজার, মোশারফ মাতব্বরের কাছে খালের জন্য ২৫ হাজার, ইলিয়ার পাটোয়ারির কাছে ১ লাখ ৫০ হাজার, মহিবুল্লাহ ভুঁইয়ার কাছ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। এছাড়া অন্যান্য জেলেদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে চর দিয়েছেন বিট কর্মকর্তা শোহেব খান।
মানববন্ধনে সামসুল আলম হাওলাদারের ছেলে শামীম হাওলাদার বলেন, বিট কর্মকর্তা শোহেব খান ১ লক্ষ টাকা নিয়েছে চর তালুকদার দিবে বলেছিল। সরকারি হিসাব তো আমরা বুঝি না। তিনি আমাদের ‘মদন’ বানিয়ে টাকা নিয়েছেন। একই চর দেখিয়ে একাধিক লোকের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা নিয়েছেন। গোপনে বন কর্মকর্তা ১ লাখ, দেড় লাখ, দুই লাখ এমনকি তিন লাখ টাকা পর্যন্ত নিয়েছেন।
মানববন্ধনে আরেক জেলে বলেন, আমি সুদের উপর টাকা নিয়ে এসে ৬০ হাজার টাকা দিয়েছি। যদি টাকা না দিই তাহলে তিনি বলেন যে গাছ কাটার মামলা দিবে, বিষ দেওয়ার মামলা দিবে। বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে কায়দা করে তিনি টাকাগুলো নিয়ে গেছেন। টাকা না দিলে টোটালি ঢুকতে দিবে না চরে। আমরা সাধারণ মানুষ কি করতে পারি? এমনকি কাঁকড়া ধরতে গেলেও টাকা দিতে হয়।
মৌডুবির ৬ নং ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের মহসিন ভুঁইয়ার কাছ থেকে বিট কর্মকর্তা শোহেব খান মোট সাড়ে ৩ লাখ টাকা নিয়েছেন। প্রথমে দেড় লাখ পরে ২ লাখ টাকা নিয়েছেন। মহসিন ভুঁইয়া বলেন, আমরা মাছ ধরেই খেয়ে জীবন ধারণ করি। আমার কাছে মোট সাড়ে ৩ লাখ টাকা নিয়েছে বিট কর্মকর্তা শোহেব খান। চর তুফানিয়া দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছে প্রথমে দেড় লাখ পরে ২ লাখ। আমার জানা আছে, একই চরের জন্য বাদল হাওলাদারের কাছ থেকেও টাকা নিয়েছে। এখন আমরা চাই, আমাদের কাছে টাকা নিয়ে চর দেওয়ার কথা ছিল- দিতে পারে নাই। এখন টাকা ফেরত চাই। গতবছর একই কর্মকর্তা নিয়ে গিয়েছিলেন পৌঁনে ৩ লাখ টাকা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মৌডুবি বিট কর্মকর্তা শোহেব খান বলেন, যেসব চর যাকে দেওয়ার কথা ছিল, তাদেরকে সেসব চর দেওয়া হয়েছে। উর্দ্ধতন কোনো কর্মকর্তাকে টাকা দেওয়ার কথা হয়নি। আর আপনারা যা খুশি করেন।
রাঙ্গাবালী রেঞ্জ কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেন, জেলেরা যদি কর্মকর্তাকে ঘুষ দিয়ে থাকেন তাহলে তারা অন্যায় করেছেন। ঘুষ দেওয়া-নেওয়া সমান অপরাধ। বন বিভাগ তার অপরাধ জানার পর তাকে সরিয়ে দিয়েছে। আমার হাতে বিট কর্মকর্তার অনিয়মের অভিযোগ আসার পর আমি তাকে সরিয়ে দিয়েছি। টাকা যদি জেলেরা পায় তাহলে তার কাছে ব্যক্তিগতভাবে আদায় করবে। আর বন আইনে যে শাস্তির বিধান রয়েছে সেটাই করা হবে।
এর আগে একই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপকূলীয় অঞ্চলের (বরিশাল) বন রক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করীম বলেন, আমার কাছে টাকা নেওয়ার কোনো অভিযোগ আসেনি। আর আমাকে সে টাকা দেয় বলছেন- আমাকে সেই কর্মকর্তা কি চিনে? আমি ওই ধরনের কোনো কর্মকর্তাকে চিনি না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নারী শক্তির সদস্য সচিব ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ডা. মাহমুদা মিতু বলেছেন, ২৪-এর জুলাইয়ে ঠিক এভাবে ন্যাশনাল মেডিকেলে ঢুকে ছাত্রলীগ হামলা করেছিল। তিনি মঙ্গলবার ফেসবুক পোস্টে বলেন, স্পষ্ট মনে আছে ২৪-এর জুলাইয়ে ঠিক এইভাবে ন্যাশনাল মেডিকেলে ঢুকে ছাত্রলীগ হামলা করেছিলো। ধ্বংস হোক নব্য ফেরাউনের দুই হাত!!
এর আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ছাত্রদল, শিবির, ছাত্রশক্তির সংঘর্ষের ঘটনার জেরে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল ইনস্টিটিউট হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন শিবির ও ছাত্রশক্তির নেতাদের ওপর হামলা করেছে যুবদল ও ছাত্রদলের মহানগর দক্ষিণের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এর আগে কবি নজরুল সরকারি কলেজ ও সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যৌথ মিছিল নিয়ে আসেন হাসপাতালের সামনে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের মাসিক সম্মানি দেওয়ার উদ্যোগ সরকার নিয়েছে। বাজেটে এ জন্য ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গঠিত সংশ্লিষ্ট সেলের সপ্তম সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ও সেল সভাপতি মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
সভায় তিনি মন্তব্য করেন, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মরত ব্যক্তিদিগের জন্য মাসিক সম্মানি প্রদানে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ১,১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় প্রথম বছরে দেশের মোট এর চতুর্থাংশ ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন সুবিধাভোগীকে উপকার দেওয়া হবে, এবং আগামী চার বছরে শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এর আওতায় আসবে। চলতি অর্থবছরে ৮২,৬৫৬টি মসজিদের ২,৪৭,৯৬৮ জন, ৩০০০ মন্দিরের ৬০০০ জন, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহারের ১৫০৪ জন এবং ৩০১টি গির্জার ৬০২ জন উপকারভোগীকে এ অর্থ প্রদান করা হবে।
মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ জানান, গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের ৬০১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য মোট ১৩,৯৪৯ জনকে সম্মানি প্রদান করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা আরও বলেন, মাসিক ভিত্তিতে ইমাম, পুরোহিত, বিহার অধ্যাক্ষকে ও যাজকদের ৫০০০ টাকা, মুয়াজ্জিন, সেবাইত, বিহার উপধ্যাক্ষ ও সহকারি যাজকদের ৩০০০ টাকা এবং মসজিদের খাদেমদের ২০০০ টাকা হারে সম্মানি প্রদান করা হবে। গত বছর বছরে প্রত্যেককে ২০০০ টাকা করে উৎসব ভাতা দেওয়া হবে। উপকারভোগীর চাহিদা অনুযায়ী মোবাইল ব্যাংকিং বা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এ অর্থ প্রদান করা হবে।
সভায় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এমপি, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, গাইবান্দা-৪ এর সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্ম মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক এবং অর্থ বিভাগ ও স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, "এখনই ক্যাম্পাস অছাত্র মুক্ত না করলে বড় খেসারত দিতে হবে।" তিনি সকল শিক্ষার্থীদের সরব ভূমিকা রাখার আহবান জানান। নুরুল ইসলাম সাদ্দাম জানান, "সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে ইনশাআল্লাহ।" তিনি মঙ্গলবার ফেসবুক পোস্টে আরো উল্লেখ করেছেন, "১৫ বছর আগে ছাত্রত্ব শেষ হওয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের অছাত্র সন্ত্রাসীদের দিয়ে ক্যাম্পাসে তারা ত্রাসের রাজত্ব ফিরিয়ে আনতেই আজকের এই হামলা।" এর ফলে, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ও রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলা হয়েছে। এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর ‘ছাত্রদলের হামলায়’ ইউটিএলের নিন্দা এবং উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। নুরুল ইসলাম সাদ্দাম ফেসবুক পোস্টে লেখেন, "ক্যাম্পসগুলোকে শান্ত থাকতে দিন। অশান্ত হলে সামাল দিতে পারবেন না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, "জুলাই বর্ষপূর্তির মাসে দেশে হানাহানি ও সংঘাত দেখার জন্য আবু সাঈদ, মুগ্ধদের মতো শহীদরা জীবন দেননি।"
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘জুলাই কালচারাল ফেস্ট’-এর প্রথম দিনের আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব বিষয় উল্লেখ করেন। এই প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয় চবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের উদ্যোগে।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আরও বলেন, "আমরা গত এক বছর একটি অভিন্ন দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে গিয়েছি। আমরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছি। কিন্তু আজ কেন আমরা একজন আরেকজনের ওপর হামলা করছি? এরকম দৃশ্য আমরা বাংলাদেশে দেখতে চাই না। আসুন, সবাই নিজ নিজ দায়িত্বের প্রতি সচেতন হই।"
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ করে তিনি বলেন, "যে জাতি তার বীরদের রক্তের মূল্যায়ন করে না, সে দেশে আর বীরের জন্ম হয় না। আমরা যদি শহীদদের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা পালন না করি, তাহলে আসহাবুল ইয়ামিন, আবু সাঈদদের মতো মানুষ আর আমাদের রক্ষায় জীবন যেতে এগিয়ে আসবে না। তাই জুলাইয়ের প্রতিটি শহীদের আত্মত্যাগ ও রক্তের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের এই রাষ্ট্রকে সম্পূর্ণভাবে বদলে দিতে হবে।"
তিনি আরো বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যা পরিচালনায় যেসব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেগুলো অবশ্যই সংস্কার করতে হবে। পুলিশ বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও আমলাতন্ত্র—সবাইকে ব্যবহার করে তৎকালীন সরকার রাষ্ট্রযন্ত্রকে অপরাধের হাতিয়ারে পরিণত করেছিল। তাই এসব প্রতিষ্ঠানে কার্যকর সংস্কার জরুরি।"
আলোচনা সভাটি চাকসুর সাহিত্য, সংস্কৃতি ও প্রকাশনা সম্পাদক হারেস মাতুব্বরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন চাকসু ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। এতে বিশেষ অতিথি হবে অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলাম, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান, চাকসুর সাবেক ভিপি জসীমউদ্দিন সরকার। বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান নেতাকর্মীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ