ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৩৮, মামলা ৮৬


ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৩৮, মামলা ৮৬

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৩৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ৮৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ তথ্য আজ ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৩ জন, লালবাগ বিভাগে ৩০ জন, ওয়ারী বিভাগে ৬৫ জন, মতিঝিল বিভাগে ৪৩ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৭৮ জন, মিরপুর বিভাগে ১১৬ জন, গুলশান বিভাগে ৩৭ জন, উত্তরা বিভাগে ৩১ জন, গোয়েন্দা বিভাগে ১ জন এবং সিটিটিসিতে ৪ জন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

আরও পড়ুন: রিজভী: আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ নেই

অভিযানের সময় ১ হাজার ৫৫ পিস ইয়াবা, ১৪ পুরিয়া গাঁজা, ২৬ পুরিয়া হেরোইন, ৯টি মোবাইল ফোন, একটি চাকু, একটি কাটার, নগদ ১ লাখ ১১ হাজার ৫৮৯ টাকা এবং একটি ভুয়া স্টুডেন্ট আইডি কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফুসফুস ক্যানসার নিয়ে ৯ ভুল ধারণা, সতর্ক না হলেই বিপদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


ফুসফুস ক্যানসার নিয়ে ৯ ভুল ধারণা, সতর্ক না হলেই বিপদ

ফুসফুসের ক্যানসার নিয়ে কিছু ভুল ধারণা এখনও প্রচলিত রয়েছে। একটি সাধারণ ভুল ধারণা হলো যে, কেবল ধূমপায়ীদেরই এই রোগ হয়; আরেকটি ধারণা হলো, এই রোগ শনাক্ত হলে মৃত্যু নিশ্চিত। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বাস্তবতা অনেক বেশি জটিল।

যুক্তরাষ্ট্রের 'সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন' (সিডিসি)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা ছিল প্রায় ২,১৮,৫২০ জন এবং ওই বছর এই রোগে মারা যান ১,৪২,০৮০ জন। বিশ্বব্যাপী ২০২০ সালে স্তন ক্যানসারের পর ফুসফুসের ক্যানসার ছিল দ্বিতীয় সর্বাধিক সাধারণ ক্যানসার; সে সময় প্রায় ২২ লাখ ১০ হাজার মানুষ এতে আক্রান্ত হন এবং ১৮ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করেন।

নিউ ইয়র্কের মাউন্ট সিনাইয়ের 'টিশ ক্যান্সার ইনস্টিটিউট'-এর 'থোরাসিক অনকোলজি সেন্টার'-এর নির্বাহী পরিচালক ও চিকিৎসা বিশেষজ্ঞ ডা. ফ্রেড আর. হার্শ ফুসফুসের ক্যানসার সম্পর্কিত কিছু প্রচলিত ভুল ধারণা নিয়ে আলোচনা করেছেন—

১. কেবল ধূমপায়ীদেরই ফুসফুসের ক্যানসার হয়

ফুসফুসের ক্যানসার নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। ডা. হার্শের মতে, যারা ধূমপান করেন না, তাদেরও এই রোগ হতে পারে। এই ভুল ধারণা রোগীদের প্রতি সামাজিক কলঙ্ক বা নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। সিডিসির তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের ফুসফুসের ক্যানসার রোগীদের মধ্যে প্রায় ১০% থেকে ২০% রোগী কখনোই ধূমপান করেননি অথবা সারা জীবনে ১০০টিরও কম সিগারেট পান করেছেন। পরোক্ষ ধূমপান এবং রেডন গ্যাসের সংস্পর্শে আসাও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

২. ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি কমানোর কোনো উপায় নেই

অনেকে মনে করেন ফুসফুসে ক্যানসারে ঝুঁকি কমানোর কোনো উপায় নেই। তবে, বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে ধূমপান থেকে বিরত থাকা এবং ধূমপায়ী হলে তা ছেড়ে দেওয়া। সিডিসির মতে, বাড়িতে বা কর্মক্ষেত্রে ধূমপায়ীদের সংস্পর্শে থাকলে ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি প্রায় ২০% থেকে ৩০% পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। যাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি, তাদের জন্য 'লো-ডোজ সিটি স্ক্যান'-এর মাধ্যমে স্ক্রিনিং বা পরীক্ষা করালে ফুসফুসের ক্যানসারে মৃত্যুর হার ২০%-এরও বেশি কমানো সম্ভব। অন্যান্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে বাড়িতে রেডন গ্যাসের উপস্থিতি পরীক্ষা করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা এবং শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।

৩. কেবল বয়স্কদেরই ফুসফুসের ক্যানসার হয়

ফুসফুসের ক্যানসার কেবল বয়স্কদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যদিও এই রোগে আক্রান্ত অর্ধেকেরও বেশি মানুষের বয়স ৬৫ বছরের বেশি, তবুও কম বয়সি—এমনকি ৫০ বছরের কম বয়সিদের মধ্যেও এই রোগ দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে কম বয়সি নারীদের মধ্যে এই রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি হার্শ উল্লেখ করেছেন। সুতরাং, কম বয়স মানেই যে ফুসফুসের ক্যানসার থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা পাওয়া যাবে, তা নয়।

৪. ধূমপানের চেয়ে দূষিত শহরে বসবাস করা বেশি বিপজ্জনক

বায়ু দূষণের সাথে ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ার সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড এবং সূক্ষ্ম বস্তুকণার সংস্পর্শে আসাকে এই রোগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দূষণ এবং ধূমপানের ঝুঁকির মধ্যে সরাসরি তুলনা করা কঠিন।

দূষিত শহরে বসবাস করা একটি ঝুঁকির কারণ ঠিকই, কিন্তু একে ধূমপানের চেয়ে বেশি বিপজ্জনক হিসেবে নিশ্চিতভাবে বলা যায় না। একই সাথে এই দুটি ঝুঁকির কারণ বিদ্যমান থাকলে তা ক্যানসারের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

৫. আমি বহু বছর ধরে ধূমপান করছি, তাই এখন ধূমপান ছাড়লে কোনো লাভ হবে না

অনেকের মধ্যে এই ভুল ধারণা রয়েছে। হার্শের মতে, ধূমপান ছেড়ে দিলে ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব। ধূমপান বর্জন করলে হৃদরোগ, হাড়ের দুর্বলতা এবং ডায়াবেটিসসহ আরও অনেক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকিও কমে। যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অন এজিং’-এর মতে, যেকোনো বয়সেই ধূমপান ছাড়লে মানুষ উপকৃত হতে পারে। ধূমপান ছাড়লে শ্বাস-প্রশ্বাসের উন্নতি ঘটে, শারীরিক শক্তি বা কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সম্ভাব্যভাবে আয়ুও বাড়তে পারে।

৬. গাঁজা সেবনে ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে না

হার্শ বলেন, চিকিৎসকরা গাঁজাকে ফুসফুসের ক্যানসারের একটি সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণ হিসেবে বিবেচনা করেন, যদিও এ বিষয়ে আরও দীর্ঘমেয়াদী গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। গাঁজা সেবন এবং ফুসফুসের ক্যানসারের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে প্রাপ্ত মহামারী-সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ এখনও সঠিকভাবে পাওয়া যায়নি। এই সম্পর্ক নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে একটি জটিলতা হলো, গাঁজা ব্যবহারকারীদের অনেকেই তামাকও সেবন করেন; ফলে উভয়ের প্রভাব আলাদা করা কঠিন হয়ে পড়ে।

৭. ফুসফুসের ক্যানসার ধরা পড়ার পর ধূমপান ছেড়ে কোনো লাভ নেই

ফুসফুসের ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার অর্থ এই নয় যে ধূমপান ছেড়ে দেওয়াটা অর্থহীন। হার্শের মতে, রোগ শনাক্ত হওয়ার পর ধূমপান বন্ধ করলে অনেক উপকার পাওয়া যেতে পারে এবং তা রোগীর সামগ্রিক চিকিৎসার ফলাফল বা রোগমুক্তির সম্ভাবনাকে উন্নত করতে পারে। তাই ফুসফুসের ক্যানসার ধরা পড়ার পরেও ধূমপান ত্যাগ করা উপকারী হতে পারে।

৮. অস্ত্রোপচারের ফলে ফুসফুসের ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ে

এটি আরেকটি প্রচলিত ভুল ধারণা। হার্শ বলেন, অস্ত্রোপচারের কারণে ফুসফুসের ক্যানসার ছড়িয়ে পড়ে না। ফুসফুসের ক্যানসারের প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয় এবং শুরুর দিকে রোগটি ধরা পড়লে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তা পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব। বড় টিউমার বা স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়া ক্যানসারের ক্ষেত্রে, ক্যানসার কোষের ঝুঁকি কমাতে অস্ত্রোপচারের আগে কেমোথেরাপি বা ইমিউনোথেরাপি দেওয়া যেতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, এ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি রোগীর বেঁচে থাকার হার বাড়াতে এবং এই রোগে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করতে পারে।

৯. ট্যালকম পাউডার শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে ফুসফুসের ক্যানসার হয়

হার্শ বলেছেন, ট্যালকের সংস্পর্শে আসা এবং ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ার মধ্যে কোনো প্রমাণিত সম্পর্ক নেই। এই ভুল ধারণাটি সম্ভবত ট্যালক খনি ও উৎপাদন কারখানায় কর্মরত ব্যক্তিদের নিয়ে করা গবেষণা থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যেখানে কিছুটা বেশি ঝুঁকি পরিলক্ষিত হয়েছিল। তবে, এই ঝুঁকিটি খনিজ পদার্থটির কারণে নাকি ভূগর্ভস্থ অন্যান্য উপাদানের কারণে সৃষ্টি হয়েছিল, তা অস্পষ্ট ছিল।

ফুসফুসের ক্যানসার সম্পর্কে ভুল ধারণা মানুষকে সতর্কতামূলক লক্ষণ উপেক্ষা করতে কিংবা চিকিৎসায় বিলম্ব করতে প্ররোচিত করতে পারে। ঝুঁকির কারণগুলো সম্পর্কে জানা, ধূমপান বর্জন করা, পরোক্ষ ধূমপানের সংস্পর্শ কমানো এবং উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে যথাযথ স্ক্রিনিংয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা—এসব পদক্ষেপ রোগটির প্রভাব কমাতে সহায়তা করতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ফুসফুসের ক্যানসারকে কেবল ধূমপায়ীদের রোগ বা অনিবার্যভাবে নিরাময়-অযোগ্য কোনো অসুস্থতা হিসেবে দেখা উচিত নয়। রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক রোগীর ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্যভাবে ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাল্লুকের হামলা রোধে ড্রোন ও নেকড়ে রোবট ব্যবহার করছে জাপান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


ভাল্লুকের হামলা রোধে ড্রোন ও নেকড়ে রোবট ব্যবহার করছে জাপান

জাপানে সম্প্রতি মানুষের ওপর ভাল্লুকের হামলার ঘটনা রেকর্ড ছাড়িয়েছে। প্রাণহানি রোধ করতে, দেশটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ড্রোন এবং রোবট নেকড়ের মতো অভিনব প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত জাপানে ভাল্লুকের হামলায় ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। আগের বছরের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক বেশি। মূলত গ্রামাঞ্চলে জনসংখ্যা কমে যাওয়া, কৃষিজমি সংকুচিত হওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বনে খাবার কমে যাওয়ায় ভাল্লুক লোকালয়ে হানা দিচ্ছে। গত বছর দেশটিতে প্রায় ৫০ হাজার বার ভাল্লুক দেখা গেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার ভাল্লুক নিধনের উদ্যোগ নিলেও বিশেষজ্ঞরা প্রাণঘাতী নয় এমন উপায়গুলোর ওপর বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। লোকালয় ও বনের সীমানায় এআই-যুক্ত ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে, যা ভাল্লুকের গতিবিধি শনাক্ত করে কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সতর্ক করছে। হোক্কাইডোর মতো এলাকায় ড্রোন ব্যবহার করে ভাল্লুক তাড়ানোর কাজ চলছে।

কৃষিজমি ও লোকালয় রক্ষায় সৌরচালিত ‘মনস্টার উলফ’ বা নেকড়ের রোবটও বর্তমানে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রায় ৪ হাজার ডলার দামের এই রোবটটি বিলুপ্ত জাপানি নেকড়ের মতো ভয়ংকর শব্দ করে ভাল্লুককে দূরে রাখে। সাধারণ মানুষকে সতর্ক করতে ড্যানিয়েল কোকা নামের এক প্রকৌশলী ‘কুমাম্যাপ’ নামে একটি অ্যাপ তৈরি করেছেন, যার মাধ্যমে প্রায় ৬০ লাখ ব্যবহারকারী ভাল্লুকের গতিবিধি সম্পর্কে জানতে পারছেন।

উন্নত প্রযুক্তির পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিরও সাহায্য নিচ্ছে জাপান। ফিনল্যান্ড থেকে আনা বিশেষ জাতের ‘কারেলিয়ান বিয়ার ডগ’ ব্যবহার করে ভাল্লুকদের কোনো ক্ষতি না করেই লোকালয় থেকে নিরাপদে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রযুক্তির পাশাপাশি এই কুকুরের ব্যবহার সংঘাত কমাতে দারুণ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাম কমায় তিন মাস পর ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


দাম কমায় তিন মাস পর ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

বাজারে ডলারের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে দাম কমতে থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় তিন মাস পর বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে নিলামের মাধ্যমে ৫ কোটি ডলার কিনেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকটি চারটি ব্যাংক থেকে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে এই ডলার ক্রয় করে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে ডলার কেনার কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়। এর আগে সর্বশেষ ২০ মে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যাংকারদের মতে, মঙ্গলবার সকালে ডলারের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এ সময় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স হাউজ থেকে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৪০ পয়সা দরে ক্রয় করছিল। আমদানি দায় বা এলসি নিষ্পত্তিতে ডলারের দর ছিল ১২২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে।

সরবরাহ বাড়ায় কমছিল ডলারের দাম

ব্যাংকারদের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর হাতে ডলারের সরবরাহ তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে। একই সময়ে আমদানি দায় পরিশোধের চাপও আগের তুলনায় কমেছে। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি দুর্বল থাকায় আমদানির জন্য বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদাও কমে গেছে। ফলে চাহিদার তুলনায় ডলারের সরবরাহ বেশি থাকায় সাম্প্রতিক সময়ে দাম কমে যাচ্ছিল। এ পরিস্থিতিতে বাজারে ডলারের দাম আরও কমে যাওয়া প্রতিরোধ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তবে আগামী মাসে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) কিছু অর্থ পরিশোধের সময় আসায় ডলারের চাহিদা আবার কিছুটা বাড়তে পারে বলে একটি ব্যাংকার জানিয়েছেন।

নিলামের তথ্য জানানো হয় দুপুরে

মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডলার কেনার বিষয়ে কোনো পূর্বাভাস ছিল না। দুপুর ১টার দিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ডলার কেনার বিষয়টি জানানো হয়। সাধারণত বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনলে সকাল সাড়ে ১১টার মধ্যে ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে জানানো হয়ে থাকে। ফলে মঙ্গলবার সকালে ব্যাংকগুলো তুলনামূলক কম দামে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের এলসি নিষ্পত্তি করে। একইভাবে রেমিট্যান্সের ডলারও কম দামে কেনা হয়। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে ডলার কেনার ঘোষণা দেওয়ার পর বিকেলে বাজারে দাম কিছুটা বেড়ে যায়। তখন কয়েকটি বাণিজ্যিক ব্যাংক রেমিট্যান্সের ডলার কেনার পাশাপাশি এলসি নিষ্পত্তিতেও প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দর নির্ধারণ করে।

১৫ দিনে ডলারের দরে বড় ওঠানামা

ব্যাংকারদের মতে, গত দুই সপ্তাহে ডলারের দামে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা ঘটেছে। গত সপ্তাহের শেষ দিকে প্রতি ডলারের দাম ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা পর্যন্ত উঠেছিল। এর আগে দুই সপ্তাহ আগে দাম নেমে এসেছিল ১২২ টাকায়। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে ডলারের দামে প্রায় দেড় টাকার ওঠানামায় ব্যাংকার, আমদানিকারক ও অন্যান্য গ্রাহকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে অনেক গ্রাহক ঝুঁকি কমাতে ফরওয়ার্ড বুকিংয়ের মাধ্যমে আগাম ডলার সংগ্রহের আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

এক ব্যাংকার জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কেনার তথ্য আগে জানালে সকালে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো এত কম দামে রেমিট্যান্সের ডলার কিনত না কিংবা এলসি নিষ্পত্তিও করত না। চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে ডলারের দাম আবার কমতে শুরু করলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কখন বাজারে হস্তক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ধারণা ছিল না। এ অবস্থায় মঙ্গলবার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে ৫ কোটি ডলার কেনার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক বাজারে ডলারের একটি সম্ভাব্য নিম্নসীমার ইঙ্গিত দিয়েছে বলে ব্যাংকাররা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের দুই বিমানবন্দরে অভিযান, প্রায় কোটি টাকার পণ্য আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


দেশের দুই বিমানবন্দরে অভিযান, প্রায় কোটি টাকার পণ্য আটক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চোরাচালান ও ব্যাগেজ সুবিধার অপব্যবহার প্রতিরোধের লক্ষ্যে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) ধারাবাহিক অভিযানে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের বিদেশি পণ্য আটক করা হয়েছে।

গত ৩১ আগস্ট ও ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরিচালিত চারটি পৃথক ঘটনায় বিপুল পরিমাণ বিদেশি সিগারেট, মোবাইল ফোন, মোবাইলের এলসিডি, ডিসপ্লেসহ মাদারবোর্ড, বিদেশি মদ, ওষুধ এবং স্বর্ণালংকার আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনটি এবং চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ঘটনা ঘটেছে।

এসভি৮০৪ ফ্লাইটে ৪৮১ কার্টন সিগারেট

৩১ আগস্ট গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শাহজালাল বিমানবন্দরের এ-শিফটের কর্মকর্তারা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের এসভি৮০৪ ফ্লাইটে আসা দুই যাত্রীর ব্যাগেজে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় এমডি মনসুর আলমের কাছ থেকে ২৩১ কার্টন এবং মোহাম্মদ নওয়াজ শরিফের কাছ থেকে ২৫০ কার্টন, মোট ৪৮১ কার্টন বিদেশি সিগারেট আটক করা হয়। এসব সিগারেটের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৯ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

টিজি৩৩৯ ফ্লাইটে মোবাইল, এলসিডি ও মাদারবোর্ড

একই দিনে আরেকটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্যাংকক থেকে আসা টিজি৩৩৯ ফ্লাইটের যাত্রী টিপু আল ইমরানের ব্যাগেজে তল্লাশি চালায় সিআইআইডি। বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা অবস্থায় তার ব্যাগেজ থেকে ৩৬টি স্মার্টফোন আটক করা হয়। এর মধ্যে ১৯টি রেডমি টার্বো ৪ প্রো এবং ১৭টি অনার ২০০। এসব মোবাইলের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৫ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। একই ব্যাগেজ থেকে আরও ৫৫০ পিস বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল এলসিডি এবং ৯৫০ পিস মাদারবোর্ডসহ ডিসপ্লে (বাটন মোবাইল) আটক করা হয়। এলসিডিগুলোর আনুমানিক মূল্য ২২ লাখ টাকা এবং মাদারবোর্ডগুলোর মূল্য ১৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

তৃতীয় ঘটনা: পরিত্যক্ত ব্যাগে ৩ লিটার বিদেশি মদ

৩১ আগস্ট টহল দেওয়ার সময় শাহজালাল বিমানবন্দরের ব্যাগেজ বেল্টের পাশে একটি পরিত্যক্ত হাতব্যাগ পাওয়া যায়। পরে ব্যাগটি তল্লাশি করে মালিকবিহীন অবস্থায় ৩ লিটার বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০ হাজার টাকা।

গ্রিন চ্যানেলে ১৮ লিটার রেড লেবেল

১ সেপ্টেম্বর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বাহরাইন থেকে আসা গালফ এয়ারের জিএফ২৪৮ ফ্লাইটের যাত্রী এমডি আল আমিনকে গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের সময় আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদ ও তার ব্যাগেজে তল্লাশি চালিয়ে ১৮ লিটার রেড লেবেল বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। এর আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

চট্টগ্রামেও পৃথক অভিযান

এদিকে ৩১ আগস্ট চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে দুবাই থেকে বিজি১৪৮ ফ্লাইটে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে ১২ কার্টন বিদেশি সিগারেট, রোয়াটিনেক্স ও সাব্রিলসহ বিভিন্ন ওষুধ এবং ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার আটক করা হয়। এসব পণ্যের আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ ৪৮ হাজার ১০০ টাকা।

সিআইআইডি জানিয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রামের এসব অভিযানে আটক পণ্যের মোট আনুমানিক মূল্য ৯৭ লাখ ১৩ হাজার ১০০ টাকা, যা প্রায় ১ কোটি টাকা। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান, যাত্রী প্রোফাইলিং এবং গ্রিন চ্যানেলসহ বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিবিড় নজরদারির মাধ্যমে চোরাচালান ও অবৈধ আমদানি প্রতিরোধে সিআইআইডির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%