মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
১২:৩৪ পি.এম
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাদক সেবনের দায়ে নিলক চাকমা নামে এক যুবককে তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার মেরুং এলাকায় মাদক সেবনের দায়ে তাকে আটক করা হয়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে তার বিরুদ্ধে এ দণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত নিলক চাকমা (নিলক), মেরুং ইউনিয়নের পূর্ণচন্দ্র কার্বারীপাড়া এলাকার শুভারঞ্জন চাকমার ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মেরুং এলাকায় মাদক সেবনের অভিযোগে নিলক চাকমাকে দীঘিনালা থানা পুলিশের সহায়তায় আটক করা হয়। পরে তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৯(১)(গ) ধারায় মোবাইল কোর্ট মামলা করা হয়।
মোবাইল কোর্ট মামলা নম্বর-২৪/২৬, তারিখ ২৭ আগস্ট ২০২৬। শুনানি শেষে আদালত তাকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। দণ্ডাদেশের পর তাকে বিধি অনুযায়ী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবন ও মাদকের বিস্তার রোধে দীঘিনালা থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চার বছর পরেও স্থায়ী ঠিকানা পায়নি। একবার স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য ২৫০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেই প্রক্রিয়া আর এগোয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর নতুন করে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু হওয়ায় স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্থান নিয়ে নতুন আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
ক্যাম্পাসের জন্য পূর্বে নির্ধারিত নালিয়ার দোলা বহাল রাখার দাবিতে স্থানীয় বাসিন্দারা মানববন্ধন, সমাবেশ এবং প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন। অন্যদিকে, টগরাইহাট ও দাশেরহাটের পক্ষ থেকে স্থানীয়রা নিজেদের এলাকার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরছেন।
সবশেষে রাজারহাট উপজেলার ছিনাই এলাকার নাম সম্ভাব্য স্থানের তালিকায় আসায় বিষয়টি নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
২০২২ সালে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। একই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ইউজিসি (বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন) স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য নালিয়ার দোলাকে উপযুক্ত স্থান হিসেবে রিপোর্ট দেয়। কমিটির সুপারিশ পেয়ে, ২২ নভেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় জেলা প্রশাসককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়। ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি ভূমির তফসিল, স্কেচ ম্যাপ ও জমির আনুমানিক মূল্যসহ তথ্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে প্রদান করা হয়।
সেই অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় কুড়িগ্রাম শহর থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নালিয়ার দোলার অন্তর্ভুক্ত বাঞ্চারাম মৌজায় ১৪৩ দশমিক ৩৯ একর এবং সরা মৌজায় ১০৬ দশমিক ৬১ একরসহ মোট ২৫০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রশাসনিক অনুমোদন দেয়। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনসহ বিভিন্ন কারণে অধিগ্রহণের কার্যক্রম থমকে যায়।
বর্তমানে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শহরের ভকেশনাল এলাকায় চারটি ভাড়া করা ভবনে চলছে। এর মধ্যে দুটি অস্থায়ী হল রয়েছে। স্থায়ী ক্যাম্পাসের অভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবাসনে সমস্যা এবং একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
এ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন নতুন করে স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করেছে। গত ২৭ জুলাই জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মতবিনিময় সভায় সম্ভাব্য স্থান হিসেবে নালিয়ারদোলার পাশাপাশি টগরাইহাট ও দাশেরহাটের নাম বিবেচনায় রয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু ৯ আগস্ট ইউজিসি একটি পত্রে রাজারহাট উপজেলার ‘ছিনাই’ নামে নতুন একটি এলাকার নাম অন্তর্ভুক্ত করে তথ্য চেয়ে পত্র পাঠালে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।
এর আগে গত ১০ মে সম্ভাব্য স্থানগুলোর মধ্যে ‘ছিনাই’ এলাকা পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু। এরপর থেকে স্থায়ী ক্যাম্পাস নালিয়ারদোলা থেকে ছিনাই বা দাশেরহাটে চলে যাচ্ছে মর্মে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে নালিয়ার দোলা এলাকার বাসিন্দারা মানববন্ধন, সমাবেশ ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারকলিপি পেশ করেন।
এলাকাবাসীর পক্ষে স্মারকলিপি প্রদানকারী গীতিকার ও লেখক খন্দকার মোহাম্মদ আলী সম্রাট জানান, ভৌগলিক সুবিধা, রেল, সড়ক ও নৌযোগাযোগসহ সার্বিক বিবেচনায় নালিয়ারদোলাকে স্থায়ী ক্যাম্পাসের স্থান হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও স্থায়ী ক্যাম্পাস হিসেবে নালিয়ার দোলাকেই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও হঠাৎ করে ৪ বছর পর ছিনাইয়ের নামে তথ্য চাওয়ায় সন্দেহ দেখা দিয়েছে। এই জায়গাটি পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট জেলার নিকটবর্তী হওয়ায় এতে কুড়িগ্রাম শহরসহ জেলার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
অপরদিকে, টগরাইহাটের বাসিন্দা সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) আব্দুস সালাম বলেন, টগরাইহাটসহ পূর্ব থেকেই প্রস্তাবিত তিনটি স্থানের যে কোনো স্থানে স্থায়ী ক্যাম্পাস হলে আপত্তি নেই। কিন্তু লালমনিরহাট সংলগ্ন ছিনাইয়ে ক্যাম্পাস স্থাপন করলে কুড়িগ্রামবাসীর কোনো লাভ হবে না।
দাশেরহাটের সপক্ষে নানা যুক্তি দিয়েছেন অনেকেই। এদের মধ্যে কুড়িগ্রাম আলিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ নুর বক্ত মিয়া বলেন, দাশেরহাট এলাকায় বিপুল পরিমাণ খাসজমি রয়েছে। মৎস্য ও কৃষি গবেষণার জন্য এটি উপযুক্ত স্থান। জেলা শহরের সঙ্গে যাতায়াত সহজতর; বিশেষ করে সোনাহাট স্থল বন্দর থেকে আসা বাইপাস সড়কটির সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার মানুষ সুবিধা পাবেন।
কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. রাশেদুল ইসলাম জানিয়েছেন, নতুন করে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলমান। জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সম্ভাব্য স্থানগুলোর তথ্য পাওয়ার পর ইউজিসি চূড়ান্ত সুপারিশ করবে। দ্রুত স্থায়ী ক্যাম্পাসের জায়গা নির্ধারণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন শুরু করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুথিশাম আদমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সাক্ষাৎটি বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ২৩তম ওআইসি জরুরি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদ সম্মেলনের সাইডলাইনে সম্পন্ন হয়।
সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়গুলো নিয়ে মতবিনিময়ও করে।
এ সময় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ-মালদ্বীপের বিদ্যমান সহযোগিতাকে আরও জোরদার করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নতুন করে বন্যা ও ভূমিধসের আশঙ্কার কারণে চীন-নেপাল সীমান্তের কাছে অবস্থিত জিরং স্থলবন্দরের দিকে উদ্ধার অভিযান বর্তমানে স্থগিত রাখা হয়েছে।
এলাকায় একটি নতুন হ্রদ অথবা ‘ব্যারিয়ার লেক’ সৃষ্টি হয়েছে। ‘ব্যারিয়ার লেক’ হলো এমন একটি জলাধার, যা প্রাকৃতিকভাবে নদীর গতিপথ বা উপত্যকা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে গঠিত হয়। গত ৪৮ ঘণ্টায় এই হ্রদের পানির স্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে যেকোনো মুহূর্তে পানির প্রবল স্রোত নেমে এসে নতুন করে বন্যা বা ভূমিধস ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার সকালে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, নতুনভাবে তৈরি হওয়া হ্রদটি ক্রমাগত উপচে পড়ছে।
এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত জিরং স্থলবন্দরের দিকে অগ্রসর হতে পারছে না। উদ্ধার অভিযান পর্যবেক্ষণকারী সিসিটিভির একজন প্রতিবেদক বলেছেন, ‘আপাতত আমাদের এখানে থামতে হচ্ছে।’ তিনি আরো জানান, সামনের উদ্ধারকারী দলগুলোর কাছ থেকে জরুরি নির্দেশনা পাওয়া গেছে। এতে সব উদ্ধারকারী দলকে জিরং বন্দরের দিকে এগিয়ে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
সিসিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হ্রদটি যেভাবে উপচে পড়ছে, তাতে নতুন করে আকস্মিক বন্যা বা ভূমিধসের আশঙ্কা রয়েছে। এই কারণে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকাজের জন্য চিহ্নিত এলাকায় অগ্রসর হওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে।
সিসিটিভি জানিয়েছে, বর্তমানে বেশিরভাগ উদ্ধারকারী জিরং টাউনের লাওজিয়াং গ্রামের প্রবেশপথে অবস্থান করছেন। উল্লেখ্য, গ্রামটি চীন-নেপাল সীমান্ত থেকে প্রায় ৪ দশমিক ৩৫ মাইল দূরে অবস্থিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সোনার বাজারে আবারও টানা দরপতন ঘটছে, যা তিন মাসের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ওঠার পর দেখা যাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৫৮০ দশমিক ১৯ ডলারে নেমে এসেছে, যা দশমিক ৫ শতাংশ কম।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
এর আগে, গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৬৯৬ দশমিক ১৮ ডলারে পৌঁছেছিল, যা তিন মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল। পরবর্তী দিন বুধবার, দাম কমে ৪ হাজার ৬১৬ ডলারে নেমে আসে।
সিএমই ফেডওয়াচ টুলের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৩৩ দশমিক ৭ শতাংশ এবং ডিসেম্বরের মধ্যে তা বাড়ার সম্ভাবনা ৭৪ দশমিক ২ শতাংশ। সোনার ভূমিকা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষিত সম্পদ হিসেবে থাকলেও, সুদের হার বৃদ্ধি পেলে এর আকর্ষণ সাধারণত কমে যায়, কারণ সোনা সুদ বা আয় প্রদান করে না।
ওসিবিসির মূল্যবান ধাতু কৌশলবিদ ক্রিস্টোফার ওং মন্তব্য করেন, বিনিময়-বাণিজ্যভিত্তিক তহবিল ও ফিউচারসে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে উদ্বেগ এবং সরকারি খাতের ধারাবাহিক স্বর্ণ কেনার কারণে সোনার দাম এখনও সমর্থন পাচ্ছে। তবে, দামের নিম্নমুখী সমন্বয়ের ঝুঁকি বিদ্যমান।
শুক্রবার সোনার পাশাপাশি অন্যান্য ধাতুর দামও কমেছে। স্পট রুপার দাম প্রতি আউন্সে দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৬৮ দশমিক ৮৫ ডলারে নেমেছে। প্যালাডিয়ামের দাম দশমিক ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৪৯ দশমিক ৪৪ ডলারে এবং প্ল্যাটিনামের দাম দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ৮৪০ দশমিক ৭৮ ডলারে নেমে গেছে।
দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম বর্তমানে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ