ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০০৬-এর জিদান ট্র্যাজেডি: ২০ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রতিশোধের পালা স্পেনের


২০০৬-এর জিদান ট্র্যাজেডি: ২০ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রতিশোধের পালা স্পেনের

ফুটবল ইতিহাস অনেক অদ্ভুত এক চিত্রনাট্যকার। কখনো কখনো সে প্রতিশোধের মঞ্চ তৈরি করতে ২০ বছরও অপেক্ষা করে। আজ রাতে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে স্পেন এবং ফ্রান্স যখন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে, তখন স্প্যানিশ সমর্থকদের মনে নিশ্চয়ই অনুচ্চারে হলেও একটি নাম কাঁটা হয়ে বিঁধবে—জিনেদিন জিদান!

২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপের কথা আজ থেকে ঠিক ২০ বছর আগে। স্পেনের সোনালী প্রজন্মের তখন পথচলার শুরু। তরুণ জাভি, ইনিয়েস্তা, পুয়োল ও তরুণ তুর্কি ডেভিড ভিয়ার নেতৃত্বে স্পেনকে তখন বলা হচ্ছিল টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট। অপরদিকে, নকআউট পর্বে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে উঠে আসা ফ্রান্সকে অনেকেই বাতিলের খাতায় ফেলে দিয়েছিলেন। খবরের কাগজে লেখা হচ্ছিল—স্পেনই হতে যাচ্ছে জিদানের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে পরবর্তীতে ঘটল ঠিক উল্টোটা। সে ম্যাচের শেষ ষোলোয় জিনেদিন জিদান যেন একাই মাঠের সবুজে ছড়ি ঘোরালেন। স্পেনের মাঝমাঠকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ফ্রান্স তো ৩-১ ব্যবধানে ম্যাচটি জিতে নিল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে যখন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার কার্লোস পুয়োলকে ডজ দিয়ে জিদান বল জালে জড়ালেন, তখন কোটি স্প্যানিশ ভক্তের হৃদয় ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। এটি ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই দলের সর্বশেষ দেখা।

আরও পড়ুন: জামায়াতের দাবি, আইজিপির বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী

আজ, দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের নকআউট মঞ্চে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুটি পরাশক্তি। এবার যদিও পরিস্থিতি ভিন্ন। স্পেন এখন টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত একটি অপ্রতিরোধ্য দল। অন্যদিকে ফ্রান্সের ডাগআউটে কোচ হিসেবে রয়েছেন সেই ২০০৬ ম্যাচের ফরাসি অধিনায়ক দিদিয়ের দেশম নিজেই!

স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি অথবা তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামালদের বয়স ২০ বছর আগে খুব বেশি ছিল না, তবে তারা স্পেনের ফুটবল ইতিহাসের সেই ক্ষতটি খুব ভালো করেই জানেন। আজ কি লুইস দে লা ফুয়েন্তের এই নতুন স্পেন জিদানের সেই ‘বেদনাদায়ক স্মৃতির’ প্রতিশোধ নিতে সক্ষম হবে? নাকি বিশ্বকাপের মঞ্চে ফ্রান্সের সেই পুরনো ভূত আবারও স্পেনকে তাড়া করবে?

ফুটবল রোমান্টিকদের জন্য ২০ বছর আগের ওই ট্র্যাজেডি ও আজকের প্রতিশোধের এই লড়াই ম্যাচটিকে এক মহাকাব্যে রূপ দিয়েছে। উত্তর মিলবে আজ রাতেই!

আরও পড়ুন: ক্রসফায়ারের চিন্তা পুলিশের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রকাশ: আমীনের উদ্বেগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমবাপের মঞ্চে ১৯ বছরের ইয়ামালের চ্যালেঞ্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৩ এম


এমবাপের মঞ্চে ১৯ বছরের ইয়ামালের চ্যালেঞ্জ

ডালাসের আকাশে আজ রাতে যে দ্বৈরথ জমে উঠবে, তা কেবল স্পেন বনাম ফ্রান্সের লড়াই নয়; এটি আসলে বিশ্বের ফুটবলের বর্তমান রাজার সঙ্গে সিংহাসন কাড়তে আসা এক হবু রাজপুত্রের লড়াই।

একদিকে ফুটবল সাম্রাজ্যের মুকুটহীন সম্রাট কিলিয়ান এমবাপে, আর অন্যদিকে তাঁর সাম্রাজ্যে হানা দিতে প্রস্তুত থাকা ১৯ বছরের স্প্যানিশ বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল।

বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপের রেকর্ড সত্যিই রূপকথার মতো। মাত্র ২৪ বছর বয়সে ফাইনাল হ্যাটট্রিকসহ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। আর এবার তো লিওনেল মেসির রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলার খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছেন ফরাসি অধিনায়ক।

গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার অবিশ্বাস্য দক্ষতায় এমবাপে একাই যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে রয়েছেন। তবুও, সেই রাজসিক দাপটকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আজ স্পেনের ডান উইংয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এমন একজন, যার বয়স এখনো আঠারোর কোঠাও ছোঁয়নি।

বার্সেলোনার একাডেমি থেকে উঠে আসা লামিনে ইয়ামাল মাত্র ১৯ বছর বয়সেই স্পেনের আক্রমণভাগের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে উঠেছেন। ইনজুরির ধাক্কা কাটিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগকে যেভাবে নাচিয়েছেন, তাতে আজ ফরাসি ডিফেন্ডারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়তে বাধ্য।

ফুটবলপ্রেমীদের মনে থাকার কথা, ২০২৪ সালের উয়েফা ইউরোর সেমিফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। সেদিন ফ্রান্সকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারিগর ছিলেন এই ইয়ামালই।

তার সেই বাঁ পায়ের জাদুকরী গোলটি এখনো ফরাসিদের মনে কাঁটার মতো বিঁধে আছে।

আজ মঞ্চটা আরও বড়—বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। কিলিয়ান এমবাপে চাইবেন নিজের রাজত্ব ধরে রেখে টানা তৃতীয়বারের মতো ফ্রান্সকে ফাইনালের টিকিট এনে দিতে। আর কিশোর ইয়ামাল চাইবেন এমবাপের সেই রাজপ্রাসাদে আরও একবার হানা দিয়ে নিজেকে বিশ্বমঞ্চের নতুন নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে।

আজকের রাতটি কি এমবাপের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার নাকি ইয়ামালের রাজ্যাভিষেকের? ফুটবল বিশ্ব রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত ৪০০ পরিবারে আনসার-ভিডিপির ত্রাণ বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২০ এম


বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গত ৪০০ পরিবারে আনসার-ভিডিপির ত্রাণ বিতরণ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে টানা বর্ষণ ও বন্যায় প্লাবিত তিন ইউনিয়নে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী। ১৪ জুলাই মঙ্গলবার, বাহিনীর মহাপরিচালকের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তারা নিজেদের অর্থায়নে ৪০০ দুর্গত পরিবারে জরুরি ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে।

সরল ইউনিয়নে দলনেতা মো. নুর হোসেনের নেতৃত্বে আনসার সদস্য মো. শাহাব উদ্দিন ও জমির উদ্দীনসহ স্থানীয়রা ১৫০টি পরিবারকে সহায়তা প্রদান করেন। সেখানে বিতরণ করা হয় জরুরি শুকনো খাবার, চিড়া, মুড়ি, বিস্কুট, গুড়, খাবার স্যালাইন, বিশুদ্ধ পানি, মোমবাতি এবং দিয়াশলাই।

অন্যদিকে, শেখেরখীল ও চনুয়া ইউনিয়নে ২৫০টি বিপন্ন পরিবারকে সাহায্য প্রদান করেন কাথারিয়ার দলনেতা মোহাম্মদ জহিরুল আবেদীন, পুকুরিয়ার দলনেতা নিপ্পন কান্তি দে এবং গন্ডামারার ভিডিপি সদস্য সীমা সুশিল। তারা এই পরিবারগুলোর কাছে চাল, ডাল, আলু, পেঁয়াজ, শুকনো খাবার এবং নগদ অর্থ পৌঁছে দেন।

দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে তৃণমূল সদস্যদের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ সংগ্রহ ও সহায়তার এই উদ্যোগ স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। ত্রাণ বিতরণের সঙ্গে সঙ্গে সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রমও নিরলসভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাঁশখালীর এই মানবিক প্রয়াস স্পষ্ট প্রমাণ করে যে সংকটে সাধারণ মানুষের বড় ভরসা হল তৃণমূলের আনসার-ভিডিপি সদস্যরা। দুর্যোগ মোকাবিলায় আনসার ও ভিডিপির এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ সমাজে সেবার একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে ঘিরে তোপের মুখে আ.লীগপন্থি আইনজীবীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৪ এম


‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে ঘিরে তোপের মুখে আ.লীগপন্থি আইনজীবীরা

> আইন-আদালত

জয় বাংলা স্লোগানকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থিত আইনজীবীরা তোপের মুখে পড়েছেন। এই ঘটনা ঘটেছে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ আসামির রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার শুনানি শেষে এই ঘটনা ঘটে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে।

এ সময় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা আওয়ামীপন্থি কয়েকজন আইনজীবীর ওপর চড়াও হন। পরে ধাক্কাতে ধাক্কাতে তাদের ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, জয় বাংলা ব্রিগেডের জুম মিটিংয়ে অংশ নেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য দিন ধার্য ছিল। ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মঈন উদ্দিন চৌধুরীর আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

শুনানি শেষে পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন আসামি পক্ষের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী, কামরুল ইসলামসহ কয়েকজন আইনজীবী। তারা মামলা বিষয়ে বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরেন। তাদের ভাষ্য, সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের মতো কোনো ঘটনায় এই মামলায় নেই। তাদের দাবি, মিথ্যা মামলায় তাদের আটক রাখা হয়েছে। মামলায় রাষ্ট্রবিরোধীর কোনো উপদান নেই। শুধু হয়রানি করার জন্য তাদের আটক রাখা হয়েছে। আসামিরা সম্পূর্ণ নির্দোষ।

তাদের বক্তব্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ঢাকা বার ইউনিটের সদস্য সচিব নিহার হোসেন ফারুকসহ কয়েকজন আইনজীবী তাদের সামনে এসে দাঁড়ান। কিছুক্ষণ পরে তাদের বিভিন্ন বিষয়ে জেরা করতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে বিএনপি পন্থি আইনজীবীরা তাদের পেছন থেকে ধাক্কা দিতে দিতে আদালত চত্বর থেকে ঢাকা আইনজীবী সমিতির দিকে নিয়ে যান। তবে ঘটনার ছবি নিতে গেলে আইনজীবী নিহার হোসেন ফারুক সাংবাদিকদেরকে নিষেধ করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব নিহার হোসেন ফারুক বলেন, “এটা রাজনৈতিক কোনো বিষয় নয়। ব্যক্তিগত টাকা পয়সার লেনদেনের বিষয় ছিল। তাদের আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে গিয়ে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।”

তবে এই ব্যাপারে আওয়ামীপন্থী আইনজীবী গোলাম রাব্বানী দাবি করেন, জয় বাংলা স্লোগানকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়। পরে বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা আমাদের আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে গিয়ে জানান, তাদের ওপর চাপ থাকে এজন্য যেন এমন স্লোগান এবং বিশৃঙ্খলা না করি। পরে আমাদেরকে ছেড়ে দেয়। তিনি জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে বলেন, “আজকে কিছু আসামিদের দেখতে আসা লোকজন আদালতে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়ার চেষ্টা করে, এ নিয়ে মূলত ঝামেলাটা সৃষ্টি হয়।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লি থেকে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই সীমান্তে ঢুকলেই গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৮ এম


দিল্লি থেকে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই সীমান্তে ঢুকলেই গ্রেপ্তার

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নিয়ে বিভেদের সুর দেখে দিল্লিতে বসে যারা আত্মসমর্পণের হুঙ্কার দিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি স্পষ্টতই জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে তাদের আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই। আসামিরা দণ্ডপ্রাপ্ত, এজন্য সীমানায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে। আইনমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, এ দেশে আর কখনই ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন হতে দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও গণহত্যার বিচার’ শীর্ষক জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

এছাড়াও, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে আইনমন্ত্রী বলেন, আমাদের মধ্যে বিভেদের সুর দেখে দিল্লিতে বসে হুঙ্কার ছাড়া হচ্ছে, বলা হচ্ছে আত্মসমর্পণ করবেন। তিনি বলেন, আমি স্পিকার মাধ্যমে গোটা জাতিকে জানাতে চাই, যারা হুঙ্কার দিচ্ছেন, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে তাদের আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ থাকবে না। কারণ, আইনের কাছে তারা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, এবং বাংলাদেশের সীমানায় ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে তারা গ্রেপ্তার হবেন। প্রতিটি হুঙ্কারে আমরা সংঘবদ্ধ হবো, দেশের জন্য এক কাতারে দাঁড়াবো।

মন্ত্রী জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারকার্যের অগ্রগতি তুলে ধরে বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৬টি তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ১২টির রিপোর্ট জমা হয়েছে এবং চারটির চার্জ গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আবু সাঈদ হত্যা ও হাসানুল হক ইনুর মামলাসহ তিনটি মামলার রায় হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%