১১:৫২ এম
সিলেট বিভাগে হাম ও রুবেলা রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ জুন পর্যন্ত বিভাগের ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম ও রুবেলা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছেন সুনামগঞ্জ জেলায়। এ সময়ে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের মধ্যে মোট ৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (২১ জুন) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয়ের সর্বশেষ হাম ও রুবেলা রোগীর প্রতিবেদন-২০২৬ থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ আক্রান্তের সংখ্যা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া ৩৩০ জন রোগীর মধ্যে সুনামগঞ্জে আক্রান্ত হয়েছেন ১৭৮ জন। এরপর সিলেট জেলায় ১০৭ জন, হবিগঞ্জে ২৯ জন এবং মৌলভীবাজারে ১৬ রোগী শনাক্ত হয়েছে। হবিগঞ্জের আক্রান্তদের মধ্যে দুজন রুবেলা রোগী রয়েছেন।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও একজনের শরীরেই ল্যাব পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে। গেল ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি মোট ৮৪ জনের চিকিৎসা চলছে।
এ দিকে বিভাগজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৮৪ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৯ জন, শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ২৯ জন, সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১২ এবং অন্যান্য হাসপাতালে চারজন ভর্তি হয়েছেন। এ মুহূর্তে, সিলেট বিভাগের সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ২৬১ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ৮৪ জন, শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৬২ জন এবং অন্যান্য হাসপাতালে ১১৫ জন রয়েছে।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে হাম ও রুবেলা আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের মধ্যে মোট ৭৬ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এর মধ্যে ল্যাব নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যু চারজন, সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যু ৭২ জনের হয়েছে।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
জেলাভিত্তিক মৃত্যুর চিত্রে সুনামগঞ্জে ৩১ জন, সিলেটে ২৯, মৌলভীবাজারে ১০, হবিগঞ্জে ছয়জন মারা গেছেন; মোট জেলাভিত্তিক মৃতের সংখ্যা ৭৬ জন।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন মৃত্যুর ঘটনা নেই। তবে কিছুটা স্বস্তির খবর হচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের কোথাও হাম বা রুবেলায় নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান সময়ে সংবাদকে জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বাস্থ্য বিভাগ নজরদারি জোরদার করেছে। সঙ্গেই আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনতে এবং টিকাদান কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।
আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন