ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সুগন্ধা বিচের বালিয়াড়িতে রাস্তা নির্মাণ বন্ধের দাবি বাপার


সুগন্ধা বিচের বালিয়াড়িতে রাস্তা নির্মাণ বন্ধের দাবি বাপার

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সুগন্ধা বিচ পয়েন্টের বালিয়াড়িতে রাস্তা নির্মাণের কাজ বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির অভিযোগ, আইন ও হাইকোর্টের নির্দেশনা অমান্য করে বালিয়াড়িতে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে, যা পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) হিসেবে চিহ্নিত।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর ধানমণ্ডিতে জয়িতা টাওয়ারের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।

সমাবেশে বাপার সহসভাপতি জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ও নগরবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি এম. জাফর আলম দিদার ও সাধারণ সম্পাদক কলিম উল্লাহ এবং বাংলাদেশ যুব ইউনিয়নের সভাপতি আসাদুজ্জামান খান। কর্মসূচি পরিচালনা করেন বাপার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির।

আরও পড়ুন: টিআইবি: জামায়াতের গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক

সমাবেশ থেকে সাত দফা দাবি জানানো হয় বাপার পক্ষ থেকে।

দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—সুগন্ধা বিচসহ সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে চলমান রাস্তা নির্মাণকাজ অবিলম্বে বন্ধ করা, হাইকোর্টের রায় ও নির্দেশনা পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা এবং ২০২৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী অবৈধ স্থাপনা ও দখল উচ্ছেদ করা।

এছাড়া, বালিয়াড়িতে কোনো প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন (ইআইএ) ও বিশেষজ্ঞদের মতামত বাধ্যতামূলক করার দাবি জানানো হয়। বালিয়াড়ি ও সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রজননক্ষেত্রসহ উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কক্সবাজারে অবৈধভাবে টিলা ও পাহাড় কাটা বন্ধের দাবি জানানো হয়।

সমাবেশে বাপার কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি এম. জাফর আলম দিদার মন্তব্য করেন, কক্সবাজারের বালিয়াড়ি শুধুমাত্র সৈকতের সৌন্দর্যের অংশ নয়, এটি ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও শক্তিশালী ঢেউয়ের বিরুদ্ধে উপকূলের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করে। একইসাথে এটি সামুদ্রিক কাঁকড়া, কচ্ছপসহ বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদের গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।

আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সকল প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা

তিনি আরও বলেন, নির্বিচারে বালিয়াড়ি কেটে রাস্তা বা স্থাপনা নির্মাণ করা হলে উপকূলীয় ভাঙন বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের পাশাপাশি পর্যটন পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বাপার সহসভাপতি জাকির হোসেন বলেন, সাময়িক উন্নয়নের নামে সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হলে এর ক্ষতি অপূরণীয় হতে পারে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মতামত উপেক্ষা করে বালিয়াড়িতে রাস্তা নির্মাণ গ্রহণযোগ্য নয়।

নগরবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব মন্তব্য করেন, বালুর ওপর রাস্তা নির্মাণ একটি ব্যয়বহুল প্রকল্প।

এ ধরনের উদ্যোগের পেছনে বাণিজ্যিক স্বার্থ থাকতে পারে। প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করে উন্নয়নের নামে কোনো প্রকল্প গ্রহণ করা উচিত নয়।

আরও পড়ুন: ইসরাইলে বিরোধী শিবিরকে একত্রিত করতে আইজেনকোটের নেতৃত্বে বৈঠক

বাপার সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির বলেন, সুগন্ধা বিচ পয়েন্টের বালিয়াড়িতে রাস্তা নির্মাণের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন। তিনি অবিলম্বে প্রকল্পের কাজ বন্ধ করার দাবি জানান।

সাংগঠনিক সম্পাদক মিহির বিশ্বাস বলেন, বালিয়াড়ি সামুদ্রিক কাঁকড়া ও কচ্ছপের প্রজননক্ষেত্র হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্পদ নয়; এটি রাষ্ট্রের প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সম্পদ। অপরিকল্পিত উন্নয়ন, অবৈধ দখল, স্থাপনা নির্মাণ ও বালিয়াড়ি ধ্বংসের কারণে সৈকতের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও প্রতিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে।

বক্তারা আরো বলেন, সাধারণত শিল্পকারখানা ও বাণিজ্যিক এলাকায় পণ্য পরিবহনের জন্য রাস্তা নির্মাণের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বালিয়াড়ির ওপর দিয়ে কী ধরনের মালামাল পরিবহন করা হবে, তা জনগণের জানা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: আমির হামজার নির্বাচনী হলফনামায় গরমিল, তদন্তের জন্য আবেদন

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাসসের নতুন এমডি কাদের গনি চৌধুরীকে খুলনা এমইউজে’র অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৩ পি.এম


বাসসের নতুন এমডি কাদের গনি চৌধুরীকে খুলনা এমইউজে’র অভিনন্দন

খুলনা, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন খুলনা মহানগর সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) নেতারা। 

আজ এক বিবৃতিতে খুলনা এমইউজে’র সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক রানা বলেন, বাসসের নতুন এমডি মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীর পেশাগত অভিজ্ঞতা, সততা এবং দক্ষতা দেশের গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী করতে অবদান রাখবে।

এমইউজে নেতারা মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীর সাফল্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডাকে জাতীয়তাবাদে উজ্জীবিত করে দিচ্ছেন ট্রাম্প!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


কানাডাকে জাতীয়তাবাদে উজ্জীবিত করে দিচ্ছেন ট্রাম্প!

দ্বিতীয় মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার আগে আমেরিকা-কানাডা সম্পর্কটি ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস এবং বন্ধুত্বের। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে ৮ হাজার ৮৯১ কিলোমিটারের বিশ্বের দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবরই সম্পূর্ণ অরক্ষিত বা সামরিকায়নমুক্ত। দুই দেশের নাগরিকরা অবাধে যাতায়াত করতে পারেন। মার্কিন নাগরিকরা কানাডাকে তাদের সবচেয়ে পছন্দের দেশগুলোর একটি মনে করতেন এবং সাধারণ কানাডিয়ানদের মধ্যেও আমেরিকার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। এখনো অধিকাংশ আমেরিকান কানাডার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন। তবে কানাডায় এখন মার্কিনবিরোধী মনোভাব প্রবল। কানাডায় এখন দেশপ্রেমের জোয়ার বইছে। আর এর পেছনে একক দায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডাকে আমেরিকার ৫১তম অঙ্গরাজ্য বনে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। কানাবার সরকারি, বিরোধী দলসহ সর্বস্তরে এ প্রস্তাবের প্রবল প্রতিক্রিয়া হয়। এরপর ট্রাম্প আরও অনেক দেশের মতো কানাডাকেও শুল্ক আরোপ করে কাবু করতে চেয়েছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিবাদে গতবছর মার্চে কানাডাও পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। একই সময়ে কানাডার প্রাদেশিক সরকারগুলো মার্কিন অ্যালকোহল আমদানির ওপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরবর্তীতে কানাডা কিছু ক্ষেত্রে পাল্টা শুল্ক প্রত্যাহার করলেও বেশিরভাগ প্রদেশই মার্কিন মদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলেনি।

কানাডার ১৩টি প্রদেশ ও অঞ্চলের মধ্যে ১১টিতেই এই বয়কট ও নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর রয়েছে। যার ফলে কানাডার দোকানগুলোর তাক থেকে আমেরিকান মদ ও ক্যালিফোর্নিয়ার ওয়াইন পুরোপুরি উধাও হয়ে যায়। এই বয়কটের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মদ উৎপাদনকারী শিল্প বিশাল লোকসানের মুখে পড়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় মার্কিন অ্যালকোহল আমদানি প্রায় ৮১ শতাংশ কমে গেছে। এটি বর্তমানে দুই দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক লড়াইয়ের অন্যতম প্রধান প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও কানাডার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই মার্কিন অ্যালকোহল বর্জন করে। কানাডার জনগণের এই জাতীয়তাবাদী চেতনা আরও গতি পায় গত সপ্তাহে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু কানাডার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্নকারী কিছু শর্ত এবং শেষ মুহূর্তের অন্যায্য পরিবর্তনের কারণে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই আলোচনা বাতিল ঘোষণা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাম্প কানাডার পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। জবাবে কানাডাও মার্কিন পণ্যের ওপর ৫০ ভাগ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে।

এমনিতেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা অন্যায্য বক্তব্য ও আচরণে বিরক্ত ছিল কানাডার মানুষ। বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কানাডার সরকারের অনমনীয় অবস্থান সাধারণ কানাডিয়ানদের মধ্যে তীব্র মার্কিন-বিরোধী ক্ষোভ ও অর্থনৈতিক দেশপ্রেম জাগ্রত করেছে। সাধারণ ভোক্তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই মার্কিন মদ, কফি কিংবা পণ্য কেনা বর্জন করে নিজস্ব কানাডিয়ান পণ্য বেছে নিতে শুরু করেছেন। কানাডার সরকারও জনগণকে আগের চেয়ে বেশি মার্কিন পণ্য বর্জনের জন্য উৎসাহিত করছে।

নতুন মার্কিন শুল্কের জবাবে কানাডার পদক্ষেপ ঘোষণা করার সময় গত মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেন জোর দিয়ে বলেন, ‘এটি মনে রাখা ভালো যে আমাদের সবার সবচেয়ে বড় ক্ষমতা হলো আমাদের নিজেদের ক্রয়ক্ষমতা। আমরা কানাডিয়ান পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত নিতে পারি এবং আমাদের অবশ্যই কানাডিয়ান পণ্য বেছে নিতে হবে।’ শিল্পমন্ত্রী মেলানি জোলি যোগ করেন, ‘আপনি যখন একটি কানাডিয়ান পণ্য বেছে নেন, তখন আপনি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপই সৃষ্টি করছেন না, বরং কানাডায় কর্মসংস্থানও রক্ষা করছেন।’

মন্ট্রিলের একটি সুপারমার্কেটের ব্যবস্থাপক পিটার জিয়ানোপোলিস বুধবার বলেন, ওয়াশিংটনের সাথে বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ করার বিষয়ে কানাডা সরকারের সিদ্ধান্তের পর থেকে তিনি ভোক্তাদের আচরণে ইতিমধ্যেই একটি পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘গ্রাহকরা জানতে চান পণ্যগুলো কোথা থেকে এসেছে এবং পণ্যগুলো বেশি ব্যয়বহুল হলেও সর্বদা কুইবেকের পণ্যগুলোকে প্রাধান্য দেন।’

গত বছর থেকে দোকানগুলোতে পণ্যের উৎস স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করার জন্য লেবেল এবং কানাডার পতাকার ম্যাপেল পাতার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। অনেক খুচরা বিক্রেতা অর্থনৈতিক দেশপ্রেমের আহ্বান জানাচ্ছেন। মন্ট্রিলের একটি কানাডিয়ান টায়ার দোকানের কর্মচারীরা বুধবার একটি উদ্দীপনামূলক স্লোগান লেখা টি-শার্ট পরেছিলেন, ’আমরা সবাই কানাডার জন্য খেলি।’

খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাইরেও এই বয়কট পর্যটনে প্রভাব ফেলছে। আইনজীবী শার্লট ডুমোনসো বলেন, ‘আমি আগামী কয়েক বছর যুক্তরাষ্ট্রে ছুটিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ এবার কিছুটা বাড়লেও গতবছর যুক্তরাষ্ট্রে কানাডিয়ানদের ভ্রমণের সংখ্যা ২৫ শতাংশ কমে গিয়েছিল।

উদ্বিগ্ন কিছু মার্কিন সীমান্ত রাজ্যের পর্যটন ব্যবসায়ীরা কানাডিয়ানদের জন্য বিভিন্ন ছাড়ের ব্যবস্থা করে লাল গালিচা সংবর্ধনা দিচ্ছেন। নিউইয়র্ক রাজ্য বিশেষ করে তাদের ’নিউইয়র্ক লাভস কানাডা’ উদ্যোগ চালু করেছে, যার মাধ্যমে বছরের শেষ নাগাদ কানাডিয়ানদের জন্য ধারাবাহিক কিছু প্রচারণামূলক ছাড়ের অফার দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব বিচ্ছিন্ন চেষ্টায় কাজ হবে বলে মনে হয় না। যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সিদ্ধান্ত আসতে হবে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রশাসনের স্থগিতাদেশের পরও জাবিতে ভিপি-জিএসের নির্দেশে মাঠ সংস্কারের কাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


প্রশাসনের স্থগিতাদেশের পরও জাবিতে ভিপি-জিএসের নির্দেশে মাঠ সংস্কারের কাজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল-সংলগ্ন খেলার মাঠ সংস্কারের কাজ প্রশাসনের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও অব্যাহত রয়েছে। হল সংসদের ভিপি অমিত বণিক এবং জিএস মাহমুদুল হাসান ইমনের নির্দেশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাঠ সংস্কারের কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করার কথা জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) লঙ্ঘন করে দরপত্র ছাড়াই লাইসেন্সবিহীন ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে সংস্কারকাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। অভিযোগের তদন্তের জন্য অধ্যাপক ড. মাহবুব কবীরকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে প্রশাসনের স্থগিতাদেশের পরও শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে মাঠে সংস্কারকাজ চলতে দেখা যায়। এ সময় একটি বুলডোজার দিয়ে মাঠের মাটি সমান করা হচ্ছিল। পাশাপাশি ট্রাক্টরে করে মাটি এনে মাঠে ফেলা হচ্ছিল। কয়েকজন শ্রমিককে কোদাল ও ঝুড়ি দিয়ে মাটি সরানোর কাজ করতেও দেখা যায়।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নোটিশ পাওয়ার পরই তিনি ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ করে সরঞ্জামাদি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নোটিশ পাওয়ার পরই আমি ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ করার এবং সরঞ্জামাদি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। কাজ চালু রাখার বিষয়ে আমি অবগত নই। শিক্ষার্থীরা কোনোভাবে চাপ প্রয়োগ করে ঠিকাদারকে দিয়ে কাজ করাচ্ছে কি না, হলে গেলে বিষয়টি জানতে পারব।’

তবে হল সংসদের ভিপি অমিত বণিক কাজ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হলের শিক্ষার্থীরা মাঠের সংস্কারকাজ চালু রাখার পক্ষে। তাই কাজ চলছে। বৈধ কারণ ছাড়া প্রশাসন মাঠের সংস্কারকাজ বন্ধ করতে পারে না।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে হল সংসদের জিএস মাহমুদুল হাসান ইমনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

প্রশাসনের স্থগিতাদেশের পরও কিভাবে কাজ চলছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, তদন্ত চলাকালে মাঠের সংস্কারকাজ বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, ‘তদন্ত চলাকালীন কাজ সাময়িক বন্ধ থাকবে। তদন্তের পরে দ্রুত কাজটি শেষ করে দেওয়া হবে। অনিয়মের জন্য যারা দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’

উল্লেখ্য, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের অসমাপ্ত খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য ৭ লাখ ৩১ হাজার টাকা বাজেট ধরা হয়েছে।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি ধীরে ধীরে লাইনচ্যুত ও ব্যর্থতার দিকে এগিয়ে গেলে দেশের জন্য ক্ষতিকর : চাঁদপুরে সারজিস আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


বিএনপি ধীরে ধীরে লাইনচ্যুত ও ব্যর্থতার দিকে এগিয়ে গেলে দেশের জন্য ক্ষতিকর : চাঁদপুরে সারজিস আলম

এনসিপি’র উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক মো. সারজিস আলম মন্তব্য করেছেন যে, যখন বিএনপির সমালোচনা করা হয়, তখন তারা মনে করে এনসিপি তাদের বিরোধিতা করছে। তিনি বলেন, যদি বিএনপি ধীরে ধীরে লাইনচ্যুত হয় এবং ব্যর্থতার দিকে অগ্রসর হয়, তবে তা শুধু তাদের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং পুরো বাংলাদেশের জন্যও ক্ষতিকর হবে।

শুক্রবার বিকালে চাঁদপুর জেলা প্রেসক্লাব এনসিপির চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে একটি সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় সাংবাদিকদের সাথে তিনি এই কথা বলেন।

সারজিস আলম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সংসদ বা বাইরে লোকদেখানো বুলির ওপর নির্ভর না করে বাস্তবিক কাজ করে দেখানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সমালোচনা করে উল্লেখ করেন, সকল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল মন্ত্রী হয়েও যদি তিনি নিজ দায়িত্বে ব্যর্থ হন, তবে সেই অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। মন্ত্রীদের নিজেদের দপ্তরের সঠিক তথ্য ও রিপোর্ট সংসদে সঠিকভাবে উপস্থাপন করার তাগিদ দেন তিনি।

ওসমান হাদি হত্যার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, মূল হত্যাকারীদের ভারতে গ্রেপ্তার করা হলেও সংসদে শুধু তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, যা অবাস্তব ও ধোঁয়াশাচ্ছন্ন। এই ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিশ্চিত বিচার না হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব নয়।

চাঁদপুর জেলা এনসিপি’র আহবায়ক মো. মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মো. আমানুল্লাহ পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা যুগ্ম আহবায়ক ও রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য মো. আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম সদস্য সচিব ও রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য মো. সালেহ উদ্দিন সিফাত, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মো. মাহবুব আলম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%