ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইসরাইলে বিরোধী শিবিরকে একত্রিত করতে আইজেনকোটের নেতৃত্বে বৈঠক


ইসরাইলে বিরোধী শিবিরকে একত্রিত করতে আইজেনকোটের নেতৃত্বে বৈঠক

ইসরাইলে সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়ে গেছে। আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিভিন্ন দলের নেতারা বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন, যেখানে বিরোধী শিবিরের নেতা গাদি আইজেনকোটকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি আলোচনা হবে।

এদিকে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন, কারণ তিনি নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছেন। এ তথ্যটি এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনে কোনো পক্ষই সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি। আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন জোট ৪৮টি আসন লাভ করেছে। অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর শিবির ৫৩টি আসন পেয়েছে, যার মধ্যে লিকুদ পার্টির আসন সংখ্যা ২৭টি।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘ সদর দফতর সোচিতে স্থানান্তরের প্রস্তাব রাশিয়ার বহাল

১২০ আসনের পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনি আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ দলগুলোর জোট রেকর্ড ১৯টি আসন পেয়েছে। এর ফলে, সরকার গঠনে তারা সম্ভাব্য ‘কিংমেকার’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সরকার গঠন প্রশ্নে আরব দলগুলো ইতিমধ্যেই আইজেনকোটকে সমর্থন জানিয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিরোধী দলগুলোর মধ্যে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। হার্জলিয়ায় এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। আইজেনকোটের দল ইয়াশার জানিয়েছে, তথাকথিত ‘চেঞ্জ ব্লক’-এর নেতারা জোটের পরবর্তী পদক্ষেপ সমন্বয়ের বিষয়ে আলোচনা করবেন।

এদিকে, নেতানিয়াহু আরব দলগুলোকে বাদ দিয়ে একটি ‘বৃহত্তর জাতীয় সরকার’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। গত সোমবার (২ নভেম্বর) তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় দলের নেতা হিসেবে পরবর্তী জোট সরকারের নেতৃত্ব তাঁরই পাওয়ার অধিকার।

লিকুদ পার্টির টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু উল্লেখ করেন, ‘ইহুদি জনগোষ্ঠীর স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ লিকুদকে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে এবং আমাকে পরবর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য বেছে নিয়েছে।’

আরও পড়ুন: ইরানে হামলার পরিকল্পনা নেই যুক্তরাষ্ট্রের: ট্রাম্প

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের অংশীদারদের পাশাপাশি এমন যেকোনো দলের সঙ্গে একটি বৃহত্তর সরকার গঠন করতে চাই, যারা যোগ দিতে আগ্রহী এবং সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে না।’

তবে, আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা নেতানিয়াহু নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, এসব দল সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে এবং ইহুদি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব অস্বীকার করে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলার পর ইসরাইলি আরব দলগুলোর নেতারা সর্বসম্মতভাবে ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। তবে তারা ফিলিস্তিনি ইসলামপন্থি সংগঠন হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে আখ্যায়িত করেননি।

আরব দলগুলোর মধ্যে রা'আম পার্টির নেতা ইসরাইলকে ‘ইহুদি রাষ্ট্র’ হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও, অন্য দলগুলোর নেতারা এই সংজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করেছেন।

আরও পড়ুন: নর্থ ক্যারোলিনায় রিপাবলিকানদের কাছ থেকে সিনেট আসন ছিনিয়ে নিলেন ডেমোক্র্যাট কুপার

এএফপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নির্বাচনের আগে আরব সংখ্যাগরিষ্ঠ দুই তালিকার নেতারা অভিন্ন লক্ষ্য তুলে ধরেছিলেন। তাঁদের ভাষ্য, তাঁরা একটি ‘বর্ণবাদী’ সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সকল প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সকল প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা

ঢাকা, ৩ নভেম্বর, ২০২৬ : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর সারা দেশে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। একই নির্দেশনা কার্যকর থাকবে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব দূতাবাস ও মিশনেও।

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দিবসটি পালন উপলক্ষে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে।

এছাড়া, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব মিশন ও দূতাবাসেও একইভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা কার্যকর থাকবে। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর সারা দেশে সাধারণ ছুটি থাকবে।

এছাড়া, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদ্যাপনসংক্রান্ত সরকারি নির্দেশিকায় দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে প্রতি বছর নিয়ম মেনে ৭ নভেম্বর জাতীয়ভাবে দিবসটি পালন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭১ এর রাজাকারদের হাতে ২৪ এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


৭১ এর রাজাকারদের হাতে ২৪ এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান সাবেক সংসদ সদস্য মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান বা দলটির সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলার বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা প্রকাশ করেছেন। তিনি মঙ্গলবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক একাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই মন্তব্য করেন।

রাশেদ খান তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে উল্লেখ করেন, "২০২৪ এর জুলাইয়ে আন্দোলনকারী সবাইকে রাজাকারের সন্তান বলেও মেজর আক্তারুজ্জামান এখন জামায়াতের কাছে হিরো। ফেস দ্যা পিপল আয়োজিত আলোচিত সেই টকশোতে আমিও ছিলাম। আমাকেও সে রাজাকারের বাচ্চা বলে আক্রমণ করে এবং আরও বলে যে, আন্দোলন করছে জামায়াত-শিবির রাজাকারের সন্তানেরা। সেসময় ফেস দ্যা পিপলের সাগর ভাই মেজর আক্তারুজ্জামানকে প্রশ্ন করেন, এরা সবাই রাজাকারের বাচ্চা? উত্তরে মেজর আক্তারুজ্জামান বলেন, হান্ড্রেড পার্সেন্ট, এরা শতভাগ রাজাকারের সন্তান!"

তিনি আরও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, "সেই জুলাই গাদ্দার, গণহত্যার মদদদাতা মেজর আক্তারুজ্জামান এখন হয়ে গেছেন জামায়াত নেতা! জামায়াতকে সন্ত্রাসী দল বলা মেজর আক্তারুজ্জামান এখন সুন্দর করে 'নারায়েতকবির' স্লোগান দিতে শিখে গেছেন! আর এতেই তিনি পাকা ঈমানদার ও জনগণের নেতা হয়ে গেছেন? ধর্ম ব্যবসা শিখে গেলে এই সমাজে রাজনীতি করতে আর কি লাগে? জামায়াতের কাছে প্রশ্ন, শেখ হাসিনাও যদি ক্ষমা চেয়ে জামায়াত করতে আগ্রহ পোষণ করে, সেও কি জামায়াতে যোগদানের সুযোগ পাবে?"

রাশেদ খান আরও লেখেন, "জামায়াতের আমিরের পাশে দাঁড়িয়ে আজকে যখন মেজর আক্তারুজ্জামান বলছিলো, ইয়াহিয়া খানই তো ঠেকাইতে পারেনি, তোমরা কি ঠেকইবা! মেজর আক্তারুজ্জামান 'ইয়াহিয়া খান ও ৭১ এর প্রসঙ্গে' যেতেই হয়তো জামায়াতের আমির জিহ্বায় কামড় দিচ্ছিলেন আর ভাবছিলেন, আরে কি কয়, কি কয়, এখনো পাক্কা জামায়াত তো হতে পারলি না! তোকে নিয়ে না আমি প্রশংসা করে বলেছি, মেজর আক্তারুজ্জামান এখন শুধু জামায়াতের নেতা নয়, পুরো বাংলাদেশের মানুষের নেতা! তাও ব্যাটা ৭১, ৭১ করে কলিজায় আগুন ধরিয়ে দিস!"

রাশেদ খান উল্লেখ করেন, "যাইহোক, মেজর আক্তারুজ্জামানকে নিয়ে জামায়াতের আজকের আয়োজন দেখে জনগণ মন্তব্য করছে, ২৪ এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিলো ৭১ এর রাজাকার!"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধনকুবেরদের শত শত কোটি ডলার দানের কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ধনকুবেরদের শত শত কোটি ডলার দানের কারণ

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচন হতে যাচ্ছে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচন। নির্বাচনি প্রচারের বিজ্ঞাপন ব্যয়ের পরিমাণ ১ হাজার ১৬০ কোটি ডলার হতে পারে। বিজ্ঞাপন ব্যয় পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডইমপ্যাক্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে বিজ্ঞাপনে অতীতের যেকোনো নির্বাচনের তুলনায় বেশি অর্থ ব্যয় হবে।

বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের, ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন এবারের নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ অর্থ দান করছেন। এসব অনুদানের একটি বড় অংশ সরাসরি প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচারে যাচ্ছে না। বরং, অর্থের বড় অংশ সুপার পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা সুপার প্যাকের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে।

আল জাজিরার এক বিশ্লেষণে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল নির্বাচন কমিশনের (এফইসি) তথ্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, এবারের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বড় ৫০ জন ব্যক্তি ও সংগঠন মোট ২৭৭ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছেন। এর মধ্যে রিপাবলিকানপন্থী অনুদানদাতারা দিয়েছেন ১৬৭ কোটি ডলার, যা মোট অনুদানের প্রায় ৬০ শতাংশ। অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটপন্থীরা দিয়েছেন ৮৩ কোটি ২০ লাখ ডলার বা প্রায় ৩০ শতাংশ। বাকি ২৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার এসেছে দুই দলের প্রতি সমর্থন জানানো এবং বিশেষ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের কাছ থেকে। এসব সংগঠনের মধ্যে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ক্রীড়াভিত্তিক বাজি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠানও রয়েছে।

সবচেয়ে বেশি অনুদান দিয়েছেন ইলন মাস্ক

এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় ব্যক্তি অনুদানদাতা হিসেবে রয়েছেন বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্ক। টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রধান মাস্ক এখন পর্যন্ত ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার অনুদান দিয়েছেন। রিপাবলিকানপন্থী অন্য বড় অনুদানদাতাদের মধ্যে রয়েছেন জাহাজে পণ্য পরিবহনের সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইউলাইনের প্রতিষ্ঠাতা এলিজাবেথ ও রিচার্ড ইউহলিন, যারা দিয়েছেন ১৫ কোটি ডলার। এ ছাড়া, ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান সুসকেহানা ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপের সহপ্রতিষ্ঠাতা জেফ ইয়াস ও তার স্ত্রী জেনিন ইয়াস দিয়েছেন ১১ কোটি ডলার।

ডেমোক্র্যাটপন্থী বড় ব্যক্তি অনুদানদাতাদের মধ্যে রয়েছেন ধনকুবের বিনিয়োগকারী ও ওপেন সোসাইটি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা জর্জ সরোস, নিউইয়র্কের সাবেক মেয়র মাইক ব্লুমবার্গ এবং লিংকডইনের সহপ্রতিষ্ঠাতা রিড হফম্যান ও তার স্ত্রী মিশেল ই। ডেমোক্র্যাটপন্থী অনুদানদাতাদের মধ্যে সরোস দিয়েছেন ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার, ব্লুমবার্গ দিয়েছেন ৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার এবং হফম্যান ও তার স্ত্রী দিয়েছেন ৪ কোটি ১০ লাখ ডলার।

সুপার প্যাকের মাধ্যমে বিপুল অর্থ যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে একজন ব্যক্তি কোনো প্রার্থীকে প্রতি নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫০০ ডলার অনুদান দিতে পারেন। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বড় অনুদানদাতাদের তালিকায় থাকা কয়েকজন ব্যক্তি শত শত মিলিয়ন ডলার দিয়েছেন। প্রশ্ন হলো, এত বিপুল অর্থ কীভাবে দেওয়া সম্ভব?

এর কারণ, এসব অর্থের বেশির ভাগ সরাসরি প্রার্থীদের দেওয়া হয়নি। বরং, দেওয়া হয়েছে সুপার প্যাকগুলোকে। এসব সংগঠন কোনো প্রার্থীকে সমর্থন বা বিরোধিতা করার জন্য সীমাহীন অর্থ সংগ্রহ ও ব্যয় করতে পারে। তবে, প্রার্থী কিংবা তার নির্বাচনি প্রচার দলের সঙ্গে সমন্বয় করে এসব অর্থ ব্যয় করার সুযোগ নেই তাদের।

২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি আদালতের রায়ের পর সুপার প্যাকের কার্যক্রম শুরু হয়। ওই রায়ের ফলে প্রার্থীদের কাছ থেকে স্বাধীনভাবে কাজ করা সংগঠনগুলোর নির্বাচনী ব্যয়ের ওপর সীমাবদ্ধতা উঠে যায়। সুপার প্যাকগুলোকে তাদের অনুদানদাতাদের তথ্য ফেডারেল নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয়। তবে, ওয়ান নেশন ও মেজরিটি ফরোয়ার্ডের মতো কিছু অলাভজনক সংগঠনকে তাদের অর্থের উৎস প্রকাশ করতে হয় না। ফলে রাজনৈতিক অনুদানের প্রকৃত উৎস অনেক সময় আড়ালে থেকে যায়। এ ধরনের অর্থায়নকে বলা হয় ‘ডার্ক মানি’ বা অপ্রকাশিত অর্থ।

হার্ভার্ড ল স্কুলের অধ্যাপক লরেন্স লেসিগের মতে, এসব অর্থের উৎস রাজনীতিবিদদের কাছে গোপন থাকে না, বরং ভোটারদের কাছেই অজানা থেকে যায়। তাঁর ভাষায়, রাজনীতিবিদেরা জানেন অর্থ কোথা থেকে আসছে এবং তাদের কী করতে হবে।

রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুদান দিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। রিপাবলিকানপন্থী সংগঠনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ওয়ান নেশন। এই সংগঠনটি সিনেটে রিপাবলিকান নেতৃত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এরপর রয়েছে প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকান নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত আমেরিকান অ্যাকশন নেটওয়ার্ক।

অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটপন্থী সংগঠনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুদান দিয়েছে মেজরিটি ফরোয়ার্ড ও হাউস মেজরিটি ফরোয়ার্ড। সংগঠন দুটি যথাক্রমে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। রিপাবলিকানপন্থী সংগঠনগুলোর মধ্যে ওয়ান নেশন দিয়েছে ১৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার, আমেরিকান অ্যাকশন নেটওয়ার্ক দিয়েছে ৬ কোটি ৪৩ লাখ ডলার এবং আমেরিকান প্রসপারিটি অ্যালায়েন্স দিয়েছে ৫ কোটি ৭ লাখ ডলার।

অন্যদিকে, ডেমোক্র্যাটপন্থী মেজরিটি ফরোয়ার্ড দিয়েছে ১০ কোটি ২০ লাখ ডলার, হাউস মেজরিটি ফরোয়ার্ড দিয়েছে ৯ কোটি ৩৭ লাখ ডলার এবং ইকোনমিক অপরচুনিটি ফান্ড দিয়েছে ৪ কোটি ১৫ লাখ ডলার।

ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোও এবারের নির্বাচনে বড় অঙ্কের অর্থ অনুদান দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ কয়েনবেস দিয়েছে ৫ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। ব্লকচেইনভিত্তিক অর্থ লেনদেন প্রতিষ্ঠান রিপল দিয়েছে ৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। আর ক্রিপ্টো ডটকমের মূল প্রতিষ্ঠান ফরিস ডিএএক্স দিয়েছে ৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

এ ছাড়া, শিল্পগোষ্ঠী কোচ দিয়েছে ৪ কোটি ৬৮ লাখ ডলার এবং ক্রীড়াভিত্তিক বাজি ধরার প্রতিষ্ঠান ড্রাফটকিংস দিয়েছে ৪ কোটি ৪ লাখ ডলার।

অল্প কয়েকজন ধনীর হাতে অনুদানের বড় অংশ। এবারের নির্বাচনে চারজন ব্যক্তি প্রত্যেকে ১০ কোটি ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছেন। নির্বাচনে অর্থের এমন বিপুল প্রবাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হার্ভার্ড ল স্কুলের অধ্যাপক লরেন্স লেসিগ।

তার মতে, নির্বাচনে মোট কত অর্থ ব্যয় হচ্ছে, সেটিই সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় নয়। বরং অল্প কয়েকজন ধনকুবেরের হাতে নির্বাচনি অনুদানের বিপুল অর্থ কেন্দ্রীভূত হওয়াই বড় উদ্বেগের কারণ।

তিনি মনে করেন, যাদের হাতে বিপুল অর্থ নেই, নির্বাচনি রাজনীতিতে তাদের প্রভাব বিস্তারের সুযোগও সীমিত হয়ে পড়ছে। ফলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষের মতামত ও প্রভাব কতটা গুরুত্ব পাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে।

সূত্র: আল জাজিরা

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টিআইবি: জামায়াতের গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:১৩ পি.এম


টিআইবি: জামায়াতের গবেষণা প্রতিবেদন নিয়ে বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর বিবৃতি, যা সম্প্রতি প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনের বিষয়ে দেওয়া হয়েছে, তা বিভ্রান্তিমূলক। সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, দলের সেক্রেটারি জেনারেল গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, সেটি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে এবং সত্যের অপলাপ করছে। টিআইবি বলছে, নারীদের জন্য স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে দলের সর্বস্তরে নারীর অন্তর্ভুক্তি দাবি করা হচ্ছে, যা আসলে শুভঙ্করের ফাঁকি। মঙ্গলবার টিআইবি এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানায়। এতে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গবেষণা তথ্যকে ‘অসত্য’ আখ্যায়িত করার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছে টিআইবি।

টিআইবি তাদের গবেষণায় উল্লেখ করেছে, আরপিও, ১৯৭২ এর ধারা ৯০খ(১)(খ)(আ) অনুযায়ী, প্রতিটি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্রে ন্যূনতম ৩৩ শতাংশ সদস্যপদ নারীদের জন্য সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আবশ্যক। ২০৩০ সালের মধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারীদের প্রতিনিধিত্ব বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আইনটির এই ধারা পরিপালনে ব্যাপক ঘাটতি রয়েছে। কেন্দ্রীয় কমিটি বলতে কেন্দ্রীয় বা জাতীয় নির্বাহী কমিটি বা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ বোঝানো হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ২০২৩-২৫ সময়কালের ১৯ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে কোনো নারী সদস্য নেই, যা আরপিওর বিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

জামায়াতে ইসলামীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, তাদের দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদে ২১ জন নারী সদস্য এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরায় ১২২ জন নারী সদস্য রয়েছেন। এছাড়া, দলের সদস্যদের মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ নারী। গবেষণায় শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় কমিটির নারীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ, কোনো দলের জাতীয় বা কেন্দ্রীয় কাউন্সিল বা সম্মেলন বা মজলিশে শুরায় নারীদের সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। আরপিও, ১৯৭২-এ একটি দলে কতজন নারী সদস্য থাকবে, সে বিষয়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বরং নারী কর্মীদের মধ্যে থেকে কমিটিগুলোতে কতজন নারী সদস্য অন্তর্ভুক্ত হবে, সে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেক্রেটারি জেনারেলের অপ্রাসঙ্গিক দৃষ্টান্তের উল্লেখ সত্যের অপলাপ ছাড়া কিছু নয়।

টিআইবি জানায়, দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সকল স্তরে একটি করে কমিটি রয়েছে, যেখানে নারীদের অন্তর্ভুক্তি বিভিন্ন হারে লক্ষ করা যায়। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রে নারীদের জন্য প্রতিটি স্তরে স্বতন্ত্র কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, পুরুষদের জন্য একটি কমিটি এবং নারীদের জন্য স্বতন্ত্র একটি কমিটি রয়েছে। যদিও নারীদের জন্য পৃথক কোনো কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ নেই এবং দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদে কোনো নারী কর্মী নেই। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বের পদে নারীদের অন্তর্ভুক্তি না করার চর্চা লক্ষ্য করা যায়। নারীদের জন্য স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে দলীয় কার্যক্রমে নারীদের প্রকৃত অন্তর্ভুক্তি বোঝানো হয় না। বরং নারীদের একটি নির্দিষ্ট গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নারীদের এই স্বতন্ত্র কমিটিগুলোকে দলে নারীর অন্তর্ভুক্তি হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, যা এক ধরনের শুভঙ্করের ফাঁকি। অন্যদিকে, গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী থেকে কোনো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। জামায়াতে ইসলামী দাবি করছে তাদের দলের ৪৩ শতাংশ নারী সদস্য রয়েছে, কিন্তু তাদের মধ্যে থেকে একজন নারী সদস্যকেও নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। জামায়াতে ইসলামী এ বিষয়ে তাদের বিবৃতিতে কোনো মন্তব্য করেনি।

টিআইবি আরও বলছে, জামায়াতে ইসলামীর গঠনতন্ত্রের বিভিন্ন ধারা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও চেতনার ভিত্তিতে সমাজ গঠন এবং আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক মেনে না নেয়া, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান ছাড়া অন্য সকল নিয়মনীতি ও পন্থাকে প্রত্যাখ্যান করা, ইসলামী আকিদা পরিপন্থী প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্ক না রাখা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কর্মসূচির সাথে একমত পোষণ সাপেক্ষে অমুসলিম নাগরিকদের জন্য সহযোগী সদস্য বা সদস্যপদ দেওয়া, মুসলিম ও অমুসলিম নাগরিকদের জন্য ‘সদস্য বা সহযোগী সদস্য’ পদ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পৃথক শর্ত আরোপ, নারীকর্মীদের জন্য পৃথক বিভাগ বা কমিটি ও পৃথক কার্যক্রম পরিচালনা করা ইত্যাদি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

টিআইবি জানিয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটিতে নারীদের অন্তর্ভুক্তি-বিষয়ক টিআইবির গবেষণালব্ধ তথ্যকে ‘অসত্য’ বা ‘বিভ্রান্তিমূলক’ বলে দাবি করার কোনো সুযোগ নেই। বরং টিআইবি মনে করে, জামায়াতে ইসলামী গবেষণা তথ্যকে অস্বীকার করছে এবং অপ্রাসঙ্গিক তথ্য ব্যবহারের মাধ্যমে দলের মধ্যকার প্রকৃত রাজনৈতিক চর্চাকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। টিআইবি জামায়াতে ইসলামীসহ সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনের ফলাফলকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে উত্থাপিত সুপারিশ অনুযায়ী নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, টিআইবির প্রতিটি গবেষণায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও সমাজবিজ্ঞানে অনুসৃত গবেষণাপদ্ধতি ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা ও যথার্থতা নিশ্চিত করতে প্রাথমিকভাবে সংগৃহীত তথ্য বিভিন্ন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উৎস হতে প্রাপ্ত তথ্যের মধ্যে সামঞ্জস্যতা বিধান, বিভিন্ন স্তর ও পর্যায়ে ক্রস চেকিংসহ সম্ভাব্য সকল সূত্র থেকে যাচাই-বাছাই করে গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। আলোচ্য গবেষণায় রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় পর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বা মনোনীত প্রতিনিধি ও দলের নেতা-কর্মী, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, শিক্ষক ও গবেষকদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ও দলীয় দপ্তর থেকে সংগৃহীত তথ্য, গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ, গবেষণা প্রবন্ধ ও পুস্তক থেকে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%