ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব ইরানের


ঢাকা-তেহরান সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব ইরানের

ইরান ঢাকা ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল চালুর জন্য প্রস্তাব দিয়েছে। এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, পর্যটন এবং জনগণের যোগাযোগকে আরও গভীর করা।

সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের ড. জলিল রাহিমী জাহানাবাদী। এই সাক্ষাত্কারে তিনি সরাসরি ফ্লাইট চালুর প্রস্তাবটি তুলে ধরেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ এবং ইরান এর মধ্যে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নতুন একটি মাত্রা অর্জন করবে।

আরও পড়ুন: আজ রাতে জাপান যাচ্ছেন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বিনিয়োগ আলোচনা করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাষ্ট্রদূত সাক্ষাতে জানান, সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও বৃদ্ধি পাবে। তিনি আরো বলেন, তিনি বাংলাদেশ ও ইরান এর মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ভবিষ্যতে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে আলোচনা হয় ইরান থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য, ইউরিয়া সার এবং বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী আমদানির সম্ভাবনা নিয়ে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বমানের তৈরি পোশাক ইরান এর বাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।

উভয় পক্ষ মত প্রকাশ করে জানান, সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু হলে ব্যবসায়ী, পর্যটক এবং বিনিয়োগকারীদের যাতায়াত আরও সহজ হবে এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

আরও পড়ুন: সার্বিয়ায় ছাত্র আন্দোলন ভুসিসকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভ্লগের হোয়াইট হাউসের অন্দরমহল দেখিয়ে ভাইরাল ট্রাম্পের নাতনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫১ এম


ভ্লগের হোয়াইট হাউসের অন্দরমহল দেখিয়ে ভাইরাল ট্রাম্পের নাতনি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৭ বছর বয়সী নাতনি কাই ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা কয়েকটি ভিডিও ব্লগ বা ভ্লগের কারণে ব্যাপক আলোচনায় এসেছেন।

এই ভিডিওগুলোতে তিনি হোয়াইট হাউসের ব্যক্তিগত আবাসিক অংশের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখিয়েছেন, যা সাধারণত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে না।

কাইয়ের প্রকাশিত ভিডিওগুলোতে হোয়াইট হাউসের এমন কিছু অংশ দেখা গেছে, যা নিয়মিত দর্শনার্থীদের ভ্রমণসূচির অন্তর্ভুক্ত নয়। এর মধ্যে রয়েছে একটি বোলিং অ্যালি, গলফ সিমুলেটর কক্ষ, আধুনিক ব্যায়ামাগার এবং ব্যক্তিগত পোশাক পরিবর্তনের কক্ষ। ভিডিওতে কাই আরো জানান, তিনি হোয়াইট হাউসের ঐতিহাসিক লিংকন বেডরুমেও থেকেছেন। এই কক্ষটি হোয়াইট হাউসের সবচেয়ে পরিচিত এবং ইতিহাসসমৃদ্ধ কক্ষগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত হয়।

এ ছাড়া তার ভ্লগে হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশের দৃশ্যও দেখা যায়। ফলে ভিডিওগুলো প্রকাশের পর দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

অনেকেই কাই ট্রাম্পের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, ভিডিওগুলো সাধারণ মানুষের কাছে হোয়াইট হাউসের ভেতরের একটি ভিন্ন ও ব্যতিক্রমী চিত্র তুলে ধরেছে।

একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, বেশিরভাগ মানুষ নিজেদের বাড়ি বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভিডিও তৈরি করেন। কিন্তু কাই ট্রাম্প স্বাভাবিকভাবে হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখিয়েছেন। তার ভিডিওতে ওভাল অফিস এবং প্রেসিডেন্টের বিখ্যাত রেজোলিউট ডেস্কও দেখা গেছে। অনেকের মতে, এটি যেন ইতিহাসকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ। আরেকজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, কাই সম্ভবত প্রথম কোনো প্রেসিডেন্টের নাতনি, যিনি এভাবে হোয়াইট হাউসের ভেতরের জীবন নিয়ে খোলামেলা ভিডিও তৈরি করেছেন। তার মতে, অতীতে অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট পরিবারের সদস্য এমন উদ্যোগ নেননি।

তবে সবাই এই ভিডিওগুলোকে ইতিবাচকভাবে দেখেননি। কোনো সরকারি দায়িত্ব না থাকা একজন কিশোরীকে এত বড় পরিসরে প্রচারের সুযোগ দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত- তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক সমালোচক। তাদের মতে, কাই মূলত প্রেসিডেন্টের নাতনি হওয়ার কারণেই বিশেষ সুবিধা পাচ্ছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করছেন। একজন সমালোচক মন্তব্য করেন ‘দুঃখের বিষয় হলো, শুধু ট্রাম্পের নাতনি হওয়ার কারণেই কাইকে তারকাখ্যাতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এরপর হয়তো তাকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কমিটির প্রধানও করা হবে। এখন সময় এসেছে এই দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা পরিষ্কার করার।’ তিনি এটিকে রাজনৈতিক প্রভাব ও বিশেষ সুবিধার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

কাই ট্রাম্পের ভ্লগগুলো শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয়তাই পায়নি, বরং নতুন একটি বিতর্কও তৈরি করেছে। প্রেসিডেন্টের পরিবারের ব্যক্তিগত জীবন এবং জনসাধারণের জানার অধিকারের মধ্যে সীমারেখা কোথায় হওয়া উচিত তা নিয়ে এখন অনেকেই আলোচনা করছেন। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যুগে হোয়াইট হাউসের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক একটি স্থাপনা কীভাবে মানুষের সামনে উপস্থাপন করা হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, কাইয়ের ভিডিওগুলো দেখিয়েছে যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নতুনভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সক্ষম। তবে এর সঙ্গে গোপনীয়তা, নিরাপত্তা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষার বিষয়গুলোও নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্পে প্রথম হতাহতের হিসাব প্রকাশ করল ভেনেজুয়েলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


ভূমিকম্পে প্রথম হতাহতের হিসাব প্রকাশ করল ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ডেলছি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, শক্তিশালী ভূমিকম্পে বর্তমানে অন্তত ৩২ জন নিহত এবং প্রায় ৭০০ জন আহত হয়েছে। এটি ভূমিকম্পের পর সরকারিভাবে প্রকাশিত প্রথম হতাহতের হিসাব।

অন্যদিকে, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় নিহত ও আহতের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে নতুন তথ্য পাওয়া গেলে হতাহতের সর্বশেষ সংখ্যা জানানো হবে। এদিকে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) সতর্ক করে বলেছে, এই দুর্যোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

সংস্থাটির প্রাথমিক মূল্যায়নে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১ লাখের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে।

বুধবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের পশ্চিম এলাকায় এই ভয়াবহ ভূমিকম্প দুটি অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার (১৭৬ মাইল) পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে, যার মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২। এর পরপরই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার (১৮২ মাইল) পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

ভূমিকম্পে দেশটির রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ভবন ধসে পড়েছে। বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে এবং সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। উদ্ধারকর্মীরা জীবিতদের খুঁজে বের করতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলছি রদ্রিগেজ বলেছেন যে, ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি ১০ হাজার ছাড়াতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি ১০ হাজার ছাড়াতে পারে

ভেনিজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) নিদান দিয়ে বলেছে, এ দুর্যোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

সংস্থাটির প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ১ লাখের মধ্যে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ জুন) ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের পশ্চিম এলাকায় এই ভয়াবহ ভূমিকম্প দুইটি অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার (১৭৬ মাইল) পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে, যার মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২।

এর পরপরই, রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার (১৮২ মাইল) পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ভূমিকম্পে দেশটির রাজধানী কারাকাসসহ বিভিন্ন এলাকায় ভবন ধসে পড়েছে। বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে এবং সরকার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। উদ্ধারকর্মীরা জীবিতদের খুঁজে বের করার জন্য অভিযানে নিয়োজিত রয়েছেন। ভেনিজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ বলেছেন, ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার ও পুনর্বাসন কাজ চালাতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে সহায়তা চেয়েছে সরকার। তবে এখনও কত মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন, সে তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সরকারী ছুটির দিনে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানলে রাজধানী কারাকাসজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভবনগুলো কাঁপতে শুরু করলে মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে দ্রুত রাস্তায় নেমে আসে। কারাকাসের বাসিন্দারা জানান, কম্পন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয় এবং অনেকে সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন।

অনেক বাড়িতে আসবাবপত্র ও অন্যান্য জিনিসপত্র মেঝেতে পড়ে যায়। ভূমিকম্পের পর আহতদের চিকিৎসার জন্য রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে অতিরিক্ত চিকিৎসাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির কারণে মাইকুয়েটিয়ায় অবস্থিত দেশের প্রধান বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য সপ্তাহের বাকি দিনগুলোর সব শ্রেণিকক্ষের পাঠদানও স্থগিত করা হয়েছে। ভূমিকম্পের পর পুয়ের্তো রিকো এবং ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জসহ কয়েকটি ক্যারিবীয় অঞ্চলের জন্য সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়।

কর্মকর্তারা বেশ কয়েকটি এলাকায় ভবন ধসে পড়া এবং উদ্ধার অভিযানের খবর দিয়েছেন। কারাকাসে জরুরি উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তল্লাশি চালাচ্ছেন এবং স্বজনেরা নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের খবরের জন্য অপেক্ষা করছেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো ক্যাবেলো বলেন, 'আমাদের ভবন, বাড়িঘর ধসে পড়েছে এবং নিরাপত্তা ও বেসামরিক সহায়তার ক্ষেত্রে আমাদের কাছে যা কিছু আছে, তা দিয়ে আমরা পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছি।'

কারাকাসের চাকাও জেলার মেয়র গুস্তাভো দুকে বলেন, 'বেশ কয়েকটি ভবন ধসে পড়েছে এবং একটি ভবন থেকে ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।' তিনি আফটারশকের ঝুঁকির কারণে বাসিন্দাদের খোলা জায়গায় থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, 'মানুষকে উদ্ধার করার জন্য আমরা আমাদের সাধ্যমতো সবকিছু করব।' ফ্যালকন রাজ্যে গভর্নর ভিক্টর ক্লার্ক জানান, ২২ জন আহত হয়েছেন এবং কর্তৃপক্ষ ১৫ জন নিখোঁজ প্রাপ্তবয়স্কের সন্ধান করছে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলাকে সাহায্য করতে প্রস্তুত। তিনি সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ জানান, যুক্তরাষ্ট্র ভেনিজুয়েলার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং জরুরি সহায়তা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভেনিজুয়েলা এমন একটি ভূকম্পনপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত, যেখানে ক্যারিবিয়ান ও দক্ষিণ আমেরিকান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল রয়েছে। এ কারণে দেশটিতে মাঝে মাঝে শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঝুঁকি দেখা দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেসিডেন্টের মেয়াদ বাড়াতে জিম্বাবুয়ে সিনেটের অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং

১২:০৩ পি.এম


প্রেসিডেন্টের মেয়াদ বাড়াতে জিম্বাবুয়ে সিনেটের অনুমোদন

জিম্বাবুয়ের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেট প্রেসিডেন্টের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে সাত বছর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল অনুমোদন করেছে।

বুধবার পাস হওয়া এই বিল আইনে পরিণত হলে বর্তমান প্রেসিডেন্ট এমারসন মানানগাগওয়ার ক্ষমতায় থাকার পথ আরো দীর্ঘ হবে।

এর ফলে তিনি ২০৩০ সাল পর্যন্ত দেশটির নেতৃত্বে থাকতে পারবেন।

সিনেটে বিলটির পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৭৫ জন সদস্য। বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন মাত্র চারজন। বিলটি পাসের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা সহজেই অর্জিত হয়েছে।

নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ভবিষ্যতে জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হবেন না। পরিবর্তে পার্লামেন্ট সদস্যদের ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করা হবে। এখন বিলটিতে প্রেসিডেন্ট মানানগাগওয়ার স্বাক্ষর প্রয়োজন। তিনি সই করলেই এটি আইনে পরিণত হবে।

বর্তমানে ৮৩ বছর বয়সী মানানগাগওয়ার দ্বিতীয় ও শেষ সাংবিধানিক মেয়াদ ২০২৮ সালে শেষ হওয়ার কথা। তবে প্রায় দুই বছর আগে থেকেই তিনি ক্ষমতায় আরো দীর্ঘ সময় থাকতে চান—এমন আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়। সেই সময় ক্ষমতাসীন দল জ্যানু-পিএফের বিভিন্ন সমাবেশে তার সমর্থকেরা প্রকাশ্যে স্লোগান দিতে শুরু করেন। তাদের দাবি ছিল, দেশের উন্নয়ন ও চলমান কর্মসূচিগুলো সম্পন্ন করতে মানানগাগওয়ার আরো সময় প্রয়োজন। পরবর্তীতে গত বছর ক্ষমতাসীন দল প্রেসিডেন্টের মেয়াদ বাড়ানোর লক্ষ্যে সংবিধান পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সেই পরিকল্পনা মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক সমর্থনও পায়।

এমারসন মানানগাগওয়া ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসেন। ওই বছর সেনাবাহিনীর সমর্থনে সংঘটিত এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের শাসক রবার্ট মুগাবেকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। মুগাবে ১৯৮০ সালে জিম্বাবুয়ে স্বাধীন হওয়ার পর থেকে প্রায় চার দশক দেশ শাসন করেছিলেন। তার পতনের পর মানানগাগওয়া প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় থাকেন।

প্রেসিডেন্টের মেয়াদ বাড়ানোর এই উদ্যোগ নিয়ে দেশটিতে রাজনৈতিক বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিরোধী দল ও সমালোচকদের অভিযোগ, বিলটির মূল উদ্দেশ্য হলো মানানগাগওয়াকে আরো দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় রাখার সুযোগ তৈরি করা। তাদের মতে, এটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করতে পারে এবং ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে আরো বেশি কেন্দ্রীভূত করবে। অন্যদিকে বিলটির সমর্থকদের দাবি, প্রেসিডেন্টের মেয়াদ বাড়ানো হলে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে। তাদের মতে, নতুন ব্যবস্থা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বাড়াবে এবং সরকারের জবাবদিহিও আরো শক্তিশালী হবে।

তবে বিলটি আইনে পরিণত হলে জিম্বাবুয়ের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে সরাসরি ভোটের পরিবর্তে পার্লামেন্টের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রস্তাব দেশটির গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%