ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তাড়াহুড়া নয়, জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে উপযুক্ত সময়ে ভারত সফর


তাড়াহুড়া নয়, জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে উপযুক্ত সময়ে ভারত সফর

তাড়াহুড়া করে নয়, ভারতের সঙ্গে আলোচনা হলে এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে অগ্রগতি হলে উপযুক্ত সময়ে ভারত সফর করা হবে বলে জানান নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

তিনি বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য হলো, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে একটি ইতিবাচক ও কার্যকর সম্পর্ক বজায় রাখা। তবে কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস করে সম্পর্ককে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।

শপথ নেওয়ার পর শনিবার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

ভারত সফরের বিষয়ে তার বক্তব্য ছিল, একটু অগ্রগতি হলে এবং আলোচনা যদি জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে হয় তাহলে অবশ্যই ভারত সফর করব, যখন সময়টা উপযুক্ত হবে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, আমরা ভারতের সঙ্গে একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। কেন রাখব না? তারা আমাদের প্রতিবেশী এবং আমাদের একটি কার্যকর সম্পর্ক থাকা উচিত।

তবে তিনি জানান, জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। শুধু ভারত নয়, কোনো দেশের সঙ্গেই আমাদের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে আপস করে কিছু করা সম্ভব নয়।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর দেড় হাজার মানুষ হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসী হিসাবে ভারতে গেছেন। তার বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার ফল এসেছে এবং আরও অনেক মামলা বিচারাধীন।

আরও পড়ুন: বিদেশি ঋণ শোধে চাপ বাড়ছে, সহায়তার অর্থছাড় কমেছে

তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের প্রত্যর্পণ চুক্তি আছে। সুতরাং এগুলো নতুন শর্ত নয় এবং নতুন কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার বিষয় নয়; এগুলো চলমান বিষয়।

ভারতে পালিয়ে থাকা শেখ হাসিনাসহ অন্য অপরাধীদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে। হুমায়ুন কবির বলেন, আরও অপরাধী আছেন যারা ভারতে পালিয়ে আছেন। এটি বাংলাদেশের মানুষের স্বাভাবিক দাবি এবং তাদের অনুভূতির বিষয়। সেই প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দিয়েই ভারতসংযুক্ত হতে চাই।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হব এবং একটি ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। তবে তা করতে হবে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই।

ভারত সফরে কোনো তাড়াহুড়া নেই জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যদি আমরা আগামীকাল জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারি, তাহলে আগামী সপ্তাহে যেতে পারি অথবা পরের সপ্তাহেও যেতে পারি। এখানে কোনো তাড়াহুড়া নেই।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আকিত হোসেন সজিব গ্রেফতার

প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের সফরের আগে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এবং আলোচনা দরকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলোচনা এবং প্রস্তুতির বিষয়টি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের সফর হঠাৎ করে হয়ে যায় এমন নয়। এটি কোন খেলার বিষয় নয়।

তিনি বলেন, দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠকের আগে কিছু প্রস্তুতি ও ভিত্তি তৈরি প্রয়োজন। আমরা সেটিই করছি।

ভারতের পক্ষ থেকে ইতিবাচক মনোভাব ও সদিচ্ছার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে; হুমায়ুন কবির বলেন, সেখান থেকে ইতিবাচক মনোভাব ও সদিচ্ছার ইঙ্গিত আসছে।

বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতির বিষয়টি ভারতও স্বীকার করেছে। তিনি বলেন, আপনারা দেখছেন, ভারত থেকেও এ বিষয়ে বক্তব্য আসছে। তারা স্বীকার করেছে, বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে বিশেষ করে ৫ আগস্টের পলাতক শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন বাংলাদেশি মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তারা বিষয়টি লক্ষ্য করেছে।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ আখ্যা দিয়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সিপিবি কার্যালয়ে হামলা

প্রতিমন্ত্রী এটিকে 'একটি ভালো সূচনা' হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এখন আমরা দেখি, বাকি আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতি হয় কি না। আলোচনা এবং আমাদের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে সময় উপযুক্ত হলেই আমরা অবশ্যই ভারত সফরে যাব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন দেশের স্বার্থে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণের প্রশ্নে এবং দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে যাওয়ার সময় এসেছে।

শনিবার (২২ আগস্ট), তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) অডিটোরিয়ামে ‘গণ-অভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি কোন পথে’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এ কথা বলেন।

ড. মাহদী আমিন বলেন, গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল মানবাধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। তিনি উল্লেখ করেন, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে সরকারের উচিত জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকা।

তিনি বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে প্রত্যেকের একটাই চাওয়া ছিল—মানবাধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতা। শিক্ষার্থীদের কাছেও বাক্‌স্বাধীনতা ছিল একটি বড় আকাঙ্ক্ষা। গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করবে।’

রাজনৈতিক আদর্শে ভিন্নতা থাকতেই পারে বলে উল্লেখ করেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, জনগণের প্রশ্নে ও দেশের স্বার্থে সবাইকে এক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সমালোচনার সুযোগ দেয়, তবে সেই সমালোচনা যৌক্তিক হতে হবে। ব্যক্তিগত চরিত্রহননও করা উচিত নয়।

বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েও উল্লেখ করেন তিনি। মাহদী আমিন বলেন, ‘বিরোধী দলকে উপলব্ধি করতে হবে, সবকিছুর বিরোধিতা করা কাম্য নয়।’ তিনি আরো বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেই স্থানে আবার ফিরে যেতে হবে। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিনির্ধারণও করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী নন্দা মালিনী আর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী নন্দা মালিনী আর নেই

শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী নন্দা মালিনী আর নেই। তাঁর মৃত্যু হয়েছে। সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবাধিকার ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে গান গেয়ে তিনি দেশটির মানুষের কাছে ‘প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর’ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। নন্দা মালিনী ২০ আগস্ট নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮২ বছর। আগামী ২৩ আগস্ট তিনি ৮৩ বছরে পা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।

নন্দা মালিনীর গান শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংকটের সময়ে সাধারণ মানুষের প্রতিবাদের ভাষা হয়ে উঠেছিল। বিশেষ করে ১৯৭০ ও ১৯৮০-এর দশকে সামাজিক বৈষম্য, দুর্নীতি, নিপীড়ন এবং জাতিগত ও ধর্মীয় বিভেদের বিরুদ্ধে তাঁর গান ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

আশির দশকের উত্তাল সময়ে তাঁর আলোচিত ‘পবনা’ অ্যালবামের গানগুলো জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যমে প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। অ্যালবামের গানগুলোতে সামাজিক নানা সমস্যা তুলে ধরার পাশাপাশি অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। সরকারি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তাঁর গান মানুষের মধ্যে জনপ্রিয়তা হারায়নি। বরং কনসার্ট ও ব্যক্তিগতভাবে তাঁর গান শুনতে ভক্তদের আগ্রহ আরও বেড়ে যায়।

১৯৪৩ সালের ২৩ আগস্ট নন্দা মালিনীর জন্ম শ্রীলঙ্কার কালুতারা জেলার একটি গ্রামে। তাঁর স্কুলজীবন কাটে কলম্বোয়। ১৯৫৬ সালে একটি কবিতা আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার মাধ্যমে সংগীতজগতে তাঁর পথচলার শুরু হয়।

পরবর্তী সময়ে সামাজিক ন্যায়বিচারকে কেন্দ্র করে গান গেয়ে দেশে পরিচিতি অর্জন করেন তিনি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যঙ্গাত্মক গান থেকে শুরু করে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান, সবকিছু তাঁর গানের বিষয়বস্তুতে উঠে এসেছে শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা।

শ্রীলঙ্কার ইতিহাসের এক অস্থির সময়ে তাঁর সংগীত আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বেকারত্ব ও সামাজিক বৈষম্য নিয়ে বামপন্থী আন্দোলন, জাতিগত উত্তেজনা এবং পরবর্তী সময়ে ১৯৮৩ সালে শুরু হওয়া গৃহযুদ্ধ—সবকিছুর প্রভাব তাঁর গানেও প্রতিফলিত হয়েছে। মানবাধিকার ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন নিয়ে তাঁর ‘পবনা’ অ্যালবাম শ্রীলঙ্কার সংগীত ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।

জীবনের শেষ দিকেও সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে তিনি সক্রিয় ছিলেন। ২০২২ সালে শ্রীলঙ্কার ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হলে তিনি প্রকাশ্যে সেই আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানান। একটি সমাবেশে গান পরিবেশন করেন। কয়েক মাসের ওই গণবিক্ষোভের পর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।

নন্দা মালিনীর মৃত্যুতে শ্রীলঙ্কা সরকার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রদত্ত এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিসানায়েকে গভীর শোক প্রকাশ করে তাঁকে ‘আমাদের সময়ের সত্যিকারের এক সংগীত কিংবদন্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে উদ্বেগ

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ শিশুর মৃত্যু ঘটে। এ নিয়ে দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৩১ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। অন্যদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৯ শিশু। ফলে সব মিলিয়ে দেশে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩০ জনে।

শনিবার (২২ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই হালনাগাদ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ৮৮০ জন রোগী। তাদের মধ্যে ল্যাব পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে ৬৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। আর অবশিষ্ট ৮১৫ জন শিশু হামের বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪০৬। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে ১৮ হাজার ২৭৩ জন রোগীর শরীরে হাম শনাক্ত করা হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে সর্বমোট ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৮৩ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে এবং তারা ছাড়পত্র পেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান অস্ত্র উৎপাদন দ্বিগুণ করেছে: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৭ পি.এম


ইরান অস্ত্র উৎপাদন দ্বিগুণ করেছে: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

গত এক বছরে ইরান প্রতিরক্ষা অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামের উৎপাদন দ্বিগুণ করেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও সেখানে উৎপাদন কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিকের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক জানান, দেশীয় অস্ত্র ও গোলাবারুদের দ্রুত ও টেকসই উৎপাদন ইরানকে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত সরঞ্জাম দ্রুত প্রতিস্থাপনের সক্ষমতা প্রদান করেছে।

তালাই-নিক উল্লেখ করেছেন যে, গত কয়েক বছরে গড়ে প্রতিষ্ঠিত কৌশলগত মজুদ এবং ইরানে তৈরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহারের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। একইসঙ্গে নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।

তিনি বলেন, জায়নবাদী শাসনের চাপিয়ে দেওয়া ১২ দিনের যুদ্ধের সময় দেশটির কয়েকটি প্রতিরক্ষা-শিল্প স্থাপনায় সীমিত হামলা হলেও জুলাই ২০২৫ থেকে জুলাই ২০২৬ সময়ে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের বার্ষিক উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

তালাই-নিক আরও জানান, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দাবির বিপরীতে ইরানের প্রতিরক্ষা উৎপাদন অব্যাহত ছিল। বরং যুদ্ধকালীন প্রয়োজনীয় কিছু কৌশলগত ও অগ্রাধিকারমূলক সামগ্রীর উৎপাদন তিনগুণেরও বেশি বেড়ে গেছে।

তিনি সামরিক তথ্য ও প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত গোপনীয়তা রক্ষার উপরও গুরুত্ব দিয়েছেন। তালাই-নিকের ভাষ্য, সম্ভবত দুর্বলতা প্রকাশ এবং শত্রুপক্ষকে অতর্কিত হামলার সুযোগ দেওয়া এড়াতে এসব তথ্য গোপন রাখা জরুরি।

এ কারণে গত দুই বছর ধরে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প দিবসে সামরিক প্রদর্শনী আয়োজন থেকে বিরত রয়েছে দেশটি। পাশাপাশি নতুন অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম উন্মোচনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%