মোঃ শাহিন,চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:১৩ পি.এম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক অভিযানে ১৫ লিটার চোলাইমদসহ মোঃ বাবুল ইসলাম (৫১) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই, ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে গোমস্তাপুর থানাধীন আলীনগর ইউনিয়নের মকরমপুর ঘুন্টি গ্রামস্থ এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
গ্রেফতারকৃত বাবুল ইসলাম ওই এলাকারই বাসিন্দা। তিনি মকরমপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম ওরফে আবুর ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা কার্যালয়ের একটি চৌকস দল বিকেলে মকরমপুর ঘুন্টি এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় বাবুল ইসলামকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার হেফাজত থেকে ১৫ (পনের) লিটার চোলাইমদ উদ্ধার করা হয়।
অভিযান শেষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক মামুনুর রশিদ বাদী হয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে গোমস্তাপুর থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০ বছর (অবশিষ্ট ৫.৮৬ বছরের জন্য রি-ইস্যু) মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড বিক্রির নিলাম আগামী মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের যোগাযোগ ও প্রকাশনা বিভাগ (ডিসিপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ ব্যাংকে মঙ্গলবার ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ট্রেজারি বন্ড বিক্রির (অবশিষ্ট ৫.৮৬ বছরের জন্য রি-ইস্যু) নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। এই নিলামে ২০২২ সালের ২৫ মে ৮ শতাংশ কুপন হারে ইস্যু হওয়া ১০ বছর মেয়াদি (আইএসআইএন নম্বর বিডি ০৯৩২৮৫১১০০) ৩ হাজার টাকা অভিহিত (লিখিত) মূল্যের ট্রেজারি বন্ড রি-ইস্যু করা হবে।
এ বন্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হবে ২০৩২ সালের ২৫ মে। এছাড়া, ট্রেজারি বন্ডের রি-ইস্যু নিলাম হবে প্রাইসভিত্তিক বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানায় যে, নিলামে yalnız সরকারি সিকিউরিটিজের প্রাইমারি ডিলারের ভূমিকায় নিয়োগ পাওয়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিড দাখিল করতে পারবে। তবে অন্য ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজেদের খাতে তাদের ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী গ্রাহকদের জন্য প্রাইমারি ডিলারের মাধ্যমে নিলামে বিড দাখিলের সুযোগ পাবেন।
অভিহিত (লিখিত) মূল্যে প্রতি ১০০ টাকা মূল্যের বন্ড কেনার জন্য কাঙ্ক্ষিত প্রাইস ও বন্ড কেনার পরিমাণ উল্লেখ করে নিলামে অংশগ্রহণ করতে হবে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ইলেকট্রনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে স্থাপিত এফএমআইয়ের মাধ্যমে বিড দাখিল করতে হবে।
তবে বিশেষ কোনো পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিভাগের অনুমতি নিয়ে ম্যানুয়াল বিডস ইন সিলড কভারস পদ্ধতিতে বিড দাখিল করা যাবে।
এদিকে, নিলামে অংশগ্রহণের বিস্তারিত নির্দেশনা এরই মধ্যে প্রাইমারি ডিলারসহ বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা ভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট বন্যা এবং পাহাড় ধসে চট্টগ্রামের ৪ জেলায় মোট ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ তথ্য জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ৩০০ ধারায় এক বিবৃতিতে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী জানান, কক্সবাজারে ১৯ জন, চট্টগ্রাম ও বান্দরবানে ৫ জন করে এবং রাঙ্গামাটিতে একজন মারা গেছেন।
তিনি বলেন, উপদ্রুত অঞ্চলের বাসিন্দাদের জন্য ইতোমধ্যে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সরকার দুর্গতদের পাশে সব ধরনের সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছে।
ত্রাণমন্ত্রী আরও জানান, দুর্গত জেলাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি ও বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে মাইকিং অব্যাহত রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, শিশু খাদ্য এবং তিনবেলা খাবারের সুব্যবস্থা করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও প্রত্যেক দুর্গত জেলায় ২০ লাখ টাকা করে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। মৃতের সংখ্যা এবং পাহাড়ধসে বারবার প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনে সরকার প্রস্তুত রয়েছে। খাসজমি ও অন্যান্য সরকারি জমিতে তাদের জন্য ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হবে।
মন্ত্রী আসাদুল হাবিব জানান, প্রাথমিকভাবে সরকার গত ৭ জুলাই ক্ষতিগ্রস্ত ৫ জেলার প্রতিটির জন্য জিআর কর্মসূচির আওতায় নগদ ১০ লাখ টাকা ও ২০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করে। চলমান ত্রাণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে আজ বৃহস্পতিবার অতিরিক্ত বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, নতুন বরাদ্দ অনুযায়ী চট্টগ্রামে ২৫ লাখ টাকা ও কক্সবাজারে ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। সরকার চট্টগ্রাম জেলার জন্য আরও ৩০০ মেট্রিকটন, কক্সবাজারের জন্য ২৫০ মেট্রিকটন এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য ২০০ মেট্রিকটন করে অতিরিক্ত চাল বরাদ্দ করে হয়েছে।
মন্ত্রী দুলু জানান, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর প্রতিটির জন্য ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিচ্ছেন। প্রয়োজন হলে আরও জরুরি সহায়তা বরাদ্দ করা হবে।
পাহাড় ধসে বারবার প্রাণহানির বিষয়ে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, খাস জমি ও অন্যান্য সরকারি জমিতে বাড়ি তৈরি করে ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করতে সরকার প্রস্তুত। ভবিষ্যতে পাহাড়ধসে ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনতে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানান্তর উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এ বছর তৃতীয়বারের মতো স্নো-ফ্লেক বা তুষারকণা কাগজ দিয়ে দ্রুততম সময়ে তৈরি করে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছেন বরিশালের কলেজ রোডের বাসিন্দা নুসরাত জাহান নিপা। তিনি হলেন বাংলাদেশের প্রথম নারী, যার নাম তিনবার উঠেছে বিশ্বরেকর্ডের খাতায়।
এর আগে দ্বিতীয়বার নিপা কয়েন দিয়ে দ্রুততম সময়ে টাওয়ার বানানোর মাধ্যমে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকে নাম লিখেছিলেন। পরে তিনি চপস্টিক দিয়ে এক मिनटের মধ্যে ভাত খাওয়ার রেকর্ডও তার দখলে নিয়েছিলেন।
তবে এ কাজের মধ্যে এখানেই শেষ নয়। বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন এই ছাত্রীর সাথে বাসসের একান্ত সাক্ষাৎকারে জানা যায়, তিনি চতুর্থবার গিনেস বুকে নাম লেখাবেন বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি ‘কাগজের স্নো-ফ্লেক’ বা তুষারকণা তৈরি করে দ্রুততম সময়ে রেকর্ডটি করেন। তার আগে এই রেকর্ড ২৩ দশমিক ১৬ সেকেন্ডে চীনের দখলে ছিল।
নিপা বলেন, “আমি ২১ দশমিক ৮৪ সেকেন্ডে শেষ করে রেকর্ডটি বাংলাদেশে এনেছি।” চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে করা এ রেকর্ডের কিছুদিন পরে তিনি সার্টিফিকেট পেয়েছেন। তিনি জানান, কাগজ বিভিন্নভাবে কেটে ও ভাঁজ করে তুষারকণার মতো তৈরি করে এ রেকর্ডটি গড়েছেন।
২০২১ সালে মহামারি করোনার সময় তিনি এক হাতে এক মিনিটে ৭১টি কয়েন দিয়ে টাওয়ার তৈরি করেছিলেন। এই প্রচেষ্টা ছিল ইতালির সিলভিও সাব্বারের গড়া রেকর্ড ভেঙে গিনেস বুকে প্রথমবার নাম লেখানোর। পরে ২০২৪ সালে তিনি চপস্টিক দিয়ে এক মিনিটে ২৭টি ভাতের দানা মুখে তুলে নতুন রেকর্ড করেছিলেন।
একটি বেসরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে নিপা বলেন, 'কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সবকিছু অর্জন করা সম্ভব।' তিনি উল্লেখ করেন, 'আমার খেলাধুলার শখ থাকলেও বরিশালে মেয়েদের জন্য তেমন কোনো ব্যবস্থা নেই। ঘরে বসেই দেশ ও আমার শহর বরিশালকে বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে এ রেকর্ড করেছি। ভবিষ্যতেও আমার এ চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।'
পরবর্তী রেকর্ড কী নিয়ে করবেন জানতে চাইলে তিনি রহস্যময় কণ্ঠে বলেন, 'দেখা যাক!'
নিপার বাবা দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু বাসসকে জানান, 'আমার একমাত্র মেয়ে নিপা। সে ছোটোবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী। তার এ সাফল্য শুধু বরিশালবাসীর নয়, সারা বাংলাদেশের জন্য। আমি আশা করি, আগামীতে সে আরো ভালো কিছু করবে।'
বরিশাল বিএম কলেজের সাবেক অধ্যাপক প্রফেসর শাহ সাজেদা বাসসকে বলেন, 'মেয়েটি একবার নয়, তিন তিনবার গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছে। যা সত্যিকার অর্থেই আমাদের বরিশালের জন্য গর্বের।' তিনি আরও যোগ করেন, 'আমাদের সমাজে মেয়েরা বেশিরভাগ সময়ই পিছিয়ে থাকে। নিপা সেই রেকর্ডও ভেঙেছে।'
তিনি বলেন, 'নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে নিপা যে গৌরব অর্জন করেছে, সেটি আমাদের জন্য গর্বের। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে, সমাজের নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে মেয়েরাও এগিয়ে যাচ্ছে। আমি মনে করি, সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে তাদের জন্য সহযোগিতা করা প্রয়োজন। এ ধরনের সফলতার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের উচিত হবে তাদের সহযোগিতা ও সম্মানিত করা।'
এতে সমাজের অন্য মেয়েও বিভিন্ন বিষয়ে কাজ করে এগিয়ে যেতে উৎসাহ পাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রদল ও পৌর ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে সংগঠনের নেতাকর্মীদের দ্বারা। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে পৌরসদরের প্রধান প্রধান সড়কে উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের ব্যানার হাতে নিয়ে এই আনন্দ মিছিল করেন তারা।
এই আনন্দ মিছিলে নেতৃত্ব প্রদান করেন, নবগঠিত কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তৌফিকুল হক শিবলি, সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হোসাইন, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মো. জাকারুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন।
এ সময়ে ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে আনন্দ মিছিল করে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দের প্রতি অভিনন্দন জানান। আনন্দ মিছিলের শেষে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ছাত্রনেতারা বক্তব্য রাখেন, 'রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে ছাত্রদল পরীক্ষিত সংগঠন হিসেবে পরিচিত। নতুন নেতৃত্বে প্রাণের এই সংগঠনটি আগামী দিনে রাজপথে আরো বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা করি।
সেই সঙ্গে দুঃসময়ের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের নতুন নেতৃত্বের মধ্যে মূল্যায়িত হতে হবে বলেও আশা করি।'
উল্লেখ্য, গত ৫ জুলাই নেত্রকোনা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনীক মাহবুব চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক শামসুল হুদা শামীম द्वारा স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ