বৃহস্পতিবার, ৫ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৪৭ পি.এম
ঢাকা, ৫ নভেম্বর, ২০২৬ : চার্চ অব ইংল্যান্ডের ফরেন পলিসি এ্যাডভাইজার ড. চার্লস রীড, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিষ্টার কায়সার কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সাক্ষাৎ আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনের ডেপুটি স্পিকারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনের গভর্ন্যান্স এ্যাডভাইজার শাহনাজ করিম, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট এ্যাডভাইজার তাহেরা জাবীন, এফওআরবি প্রজেক্টের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটির রুহী নাজ এবং সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার শশাঙ্ক বরণ রায় উপস্থিত ছিলেন।
ড. চার্লস রীড এবং ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সাক্ষাৎকালে বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দুর্গাপূজায় বর্তমান সরকারের যে সহযোগিতা, নিরাপত্তা ও সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, তা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে সরকারের আন্তরিক উদ্যোগ ও সহযোগিতা প্রশংসার দাবিদার। তারা উল্লেখ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিবেশকে আরও সুদৃঢ় করে।
তারা বলেন, সকল ধর্মের মানুষের নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান স্বাধীনভাবে পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক সরকারের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশ সরকারের এ ধরনের ইতিবাচক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। এছাড়া, ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি জোরদারে সংসদীয় পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়ে তাদের আগ্রহের কথা জানান। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে একটি ‘ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা বিষয়ক পার্লামেন্টারি ককাস’ গঠনের বিষয়ে তারা ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আমরা সকল ধর্মের মানুষের উৎসব অত্যন্ত সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে উদযাপন করি। আমাদের কাছে সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বলে কোনো বিভাজন নেই। এ দেশের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালনের স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করেছে। সকল ধর্ম ও বিশ্বাসের মানুষ এ দেশের সমান নাগরিক।
তিনি আরও বলেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতা সমুন্নত রাখতে সংসদ সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ধর্মীয় বিশ্বাস ও স্বাধীনতা বিষয়ে পার্লামেন্টারি ককাস গঠন এক্ষেত্রে একটি চমৎকার উদ্যোগ হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং নীতি প্রণয়নে সহায়ক হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় করা সম্ভব যা সহনশীল সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, বর্তমান সংসদে সকল সংসদ সদস্যের মতামত ও কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এটি বর্তমান সংসদের একটি গুরুত্বপূর্ণ চর্চা, যা অতীতে সেভাবে দেখা যায়নি। সংসদে ভিন্নমত ও বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করে। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গঠন করতে চাই, যেখানে এই দেশের প্রতিটি মানুষ শান্তিতে নিঃশ্বাস নিতে পারবে; প্রত্যেক মানুষ তার ধর্মীয় বিশ্বাস ও মতাদর্শ স্বাধীনভাবে ধারণ ও পালন করতে পারবে এবং সকলের অধিকার ও মর্যাদা সমানভাবে সুরক্ষিত থাকবে।
উভয় পক্ষ ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতা, মানবাধিকার, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় সংসদীয় পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সাক্ষাৎটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং সংসদীয় কার্যক্রম, সুশাসন ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।
সাক্ষাৎকালে সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
"বিসিএস শব্দটি প্রথম শুনেছিলাম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে। কলেজের এক ব্যাচ সিনিয়র বড় ভাইয়ের মুখে। বাকৃবিতে কেন পড়বো, এটা বুঝাতে উনি বিসিএস এর প্রসঙ্গ এনেছিলেন। সেদিনের সেই ছোট্ট কথোপকথন যে একদিন আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে যাবে, তা তখন ভাবিনি।"
বুধবার (৪ নভেম্বর) আরটিভি সংবাদদাতার সঙ্গে পড়াশোনা ও কর্মজীবন বিষয়ে এক সাক্ষাৎকালে বলছিলেন ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে সদ্য যোগদান করা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী শাহীদুল ইসলাম। তবে তার স্বপ্ন ছিল বিদেশে উচ্চশিক্ষার, করেছিলেন আইইএলটিএস। সেখান থেকে ৪৪তম বিসিএসে ছিলেন পশুসম্পদ ক্যাডার।
বিসিএসের যাত্রার শুরু বিষয়ে শাহীদুল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বছরটা একাডেমিক পড়াশোনা নিয়েই কেটেছে। দ্বিতীয় বর্ষে উঠে ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে শুরু করি। কী করব, কোন পথে ক্যারিয়ার গড়ব, এসব প্রশ্ন তখন মাথায় আসতে থাকে। একপর্যায়ে গবেষণার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। সিদ্ধান্ত নিই, উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করব। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আইইএলটিএস ও জিআরই প্রস্তুতিও টুকটাক শুরু করি। তবে তখনো প্রস্তুতি খুব একটা গোছানো হয়ে ওঠেনি। ভার্সিটির স্যারদের সাথে নেটওয়ার্কিং করছিলাম, উনাদের ল্যাবে কাজের সুযোগ খুঁজছিলাম।
তিনি আরও বলেন, তৃতীয় বর্ষ শেষ করে চতুর্থ বর্ষের ক্লাস শুরু হতে না হতেই কোভিডের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। সেসময় অনলাইনে বিভিন্ন কোর্স করার সুযোগ পাই। পাশাপাশি এই অবসর কাজে লাগিয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিটা আরও ভালোভাবে শুরু করার চিন্তা করছিলাম। জিআরই একটি অনলাইন কোর্সের জন্য বাবার কাছে টাকা চাইলাম। কিন্তু বাবা রাজি হলেন না। এরপর বাবার ইচ্ছাতেই সিদ্ধান্ত দেশে থেকে ক্যারিয়ার গড়ব। তখন তিনটি অপশন মাথায় আসলো। ব্যবসা, বেসরকারি চাকরি কিংবা বিসিএস।
ব্যবসা নিয়ে আগে কখনও তেমন ভাবিনি। অন্যদিকে, প্রাণিসম্পদ নিয়ে পড়াশোনা করায় স্নাতক শেষ করে সহজেই কোন প্রস্তুতি ছাড়াই বেসরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ ছিল। কিন্তু, তখনো গ্র্যাজুয়েশন শেষ হতে প্রায় এক বছর বাকি। তাই ভাবলাম, এই সময়টা কাজে লাগিয়ে বিসিএসের প্রস্তুতি নেওয়া যাক। এই ভাবনা থেকেই বিসিএসের প্রস্তুতি শুরু করি।
শাহীদুল ইসলামের প্রথম বিসিএস ছিল ৪৪তম। সেবার অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট পরীক্ষা দিয়ে প্রথম বিসিএসে লাইভস্টক ক্যাডার অর্জন করেন তিনি। পশুপালন অনুষদে তার ব্যাচে একমাত্র তিনিই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর লিখিত ও ভাইভা শেষে ১৭তম অবস্থান নিয়ে যোগদান করেন বান্দরবানে।
তবে শাহীদুলের লক্ষ্যটা ছিল আরও বড়। তিনি বলেন, ৪৫তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার পর লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করি। এবার আগের পরীক্ষায় নিজের দুর্বলতার জায়গাগুলো মাথায় রেখে। বাংলাদেশ বিষয়াবলি ও সাধারণ বিজ্ঞানে বিশেষভাবে মনোযোগ দিই। ৪৫তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার পর আমার নিজের কাছেই মনে হয়েছিল, জীবনের অন্যতম সেরা একটা পরীক্ষা দিলাম। প্রস্তুতির সময় যে পরিকল্পনা করেছিলাম, পরীক্ষার হলে প্রায় পুরোপুরি সেটি বাস্তবায়ন করতে পেরেছিলাম। আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে হয়তো আরও ভালো করার সুযোগ ছিল, তবে সামগ্রিকভাবে নিজের পরীক্ষা নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলাম। নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ভালো পরীক্ষা দিতে পারার তৃপ্তি ছিল।
নিজের পরিশ্রম ও সাধনার দিকগুলো নিয়ে তিনি বলেন, ভাইভার আগে আমি একটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে চাকরি করতাম। সেখানে কাজ করার সুবাদে ইংরেজিতে কথা বলার সাবলীলতা তৈরি হয়েছিল। আমার পছন্দক্রমে ফরেন অ্যাফেয়ার্স ক্যাডার প্রথমে থাকায় ভাইভার বড় একটি অংশ ইংরেজিতে হয়েছিল। ইংরেজিতে কথা বলার অভ্যাস তখন আমাকে সাহায্য করেছে বলে মনে করি। তবে এযাত্রাটা মোটেও সহজ ছিল না। প্রতিদিন স্কুল, টিউশন শেষ করে ক্লান্ত শরীরে পড়াশোনা করা অনেক কষ্টের ছিল।
নতুন বিসিএস প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে শাহীদুল বলেন, বিসিএসের প্রস্তুতিতে প্রত্যেকেরই কিছু শক্তিশালী ও দুর্বল বিষয় থাকে। তবে সমস্যা হয় যখন আমরা নিজের দুর্বল বিষয়টিকে পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে চাই। প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় কোনো একটি বিষয়ের ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই আমার পরামর্শ হলো, প্রথমে প্রতিটি বিষয়ে একটি ন্যূনতম সক্ষমতা অর্জন করুন। এরপর নিজের শক্তিশালী বিষয়গুলোতে আরও ভালো করার চেষ্টা করুন। দুর্বল বিষয়কে পুরোপুরি বাদ না দিয়ে অন্তত এমন প্রস্তুতি নিন, যাতে সেখান থেকেও কিছু নম্বর পাওয়ার মতো অবস্থায় যেতে পারেন। লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার ক্ষেত্রে শুধু পড়াশোনা করাই যথেষ্ট নয়, পরীক্ষার খাতায় নিজের জ্ঞান কতটা ভালোভাবে উপস্থাপন করতে পারছেন, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। যাদের উত্তরপত্রের উপস্থাপনা ভালো, তারা সেটিকে আরও কার্যকর করার দিকে মনোযোগ দিতে পারেন। আর যাদের উপস্থাপনার কৌশলে দুর্বলতা রয়েছে, তাদের উচিত উত্তরের বিষয়বস্তু, তথ্যের নির্ভুলতা, যুক্তির যথার্থতা এবং পয়েন্টগুলোর ধারাবাহিকতার দিকে নজর দেওয়া। একটি উত্তরে কী বলছি, কেন বলছি এবং কোন যুক্তির ভিত্তিতে বলছি, এসব বিষয় পরিষ্কার থাকা প্রয়োজন। পাশাপাশি সময় ব্যবস্থাপনাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি পরামর্শ দেন, বিসিএসের প্রস্তুতিতে নিজের অবস্থান বুঝতে পারা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবার যাত্রা এক রকম হবে না, সবার পারিবারিক পরিস্থিতি, পড়াশোনার পরিবেশ কিংবা প্রস্তুতির সময়ও এক হবে না। তাই অন্য কারও প্রস্তুতির পদ্ধতি হুবহু অনুসরণ করার চেয়ে নিজের জন্য কার্যকর একটি পদ্ধতি তৈরি করা বেশি জরুরি। একটি পরীক্ষার অভিজ্ঞতাকে পরের পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কাজে লাগাতে হবে। নিজের দুর্বলতাকে এড়িয়ে না গিয়ে সেটিকে উন্নতির জায়গা হিসেবে দেখার চেষ্টা করতে হবে বলে জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে রাস্তার পাশে অবস্থিত তালগাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে রোকন হোসেন (১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর ২০২৬) সকাল ১০টার সময় উপজেলার সদর ইউনিয়নের শশীধরপুর-স্বরূপপুর সড়কে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত রোকন হোসেন উপজেলার তারাগুনিয়া মধ্যপাড়া এলাকার শরিফুল ইসলামের পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সকালে রোকন নিজ বাড়ি থেকে অনটেস্ট নম্বরের একটি হিরো এইচএফ ডিলাক্স মোটরসাইকেল নিয়ে শশীধরপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি যখন সড়কের একটি বাঁক ঘোরার চেষ্টা করেন, তখন দ্রুতগতির কারণে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং রাস্তার পাশে থাকা একটি তালগাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা দেন। এই দুর্ঘটনায় তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় রোকন নামের যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে সংঘটিত ট্রিপল মার্ডার মামলার প্রেক্ষাপটে আদালত পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এসকে এম তোফায়েল হাসান এই রায় ঘোষণা করেন। এই মামলার বিস্তারিত তথ্য শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহীর বাগমারায় বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে সৃষ্ট আগুনে বসতবাড়ি হারানো বিধবা নারী রজুপার পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আরটিভিতে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পর প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষিত হলে তাকে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রজুপাকে নগদ ১০ হাজার টাকা, বসতবাড়ি পুনর্নির্মাণের জন্য দুই বান্ডিল ঢেউটিন, কম্বল এবং শুকনো খাবার প্রদান করা হয়েছে।
বাগমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিজু তামান্না, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিজানুর রহমান এবং নরদাশ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রফিক ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা রজুপার হাতে এসব সহায়তা তুলে দেন।
উপজেলার নরদাশ ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন রজুপার বসতবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এতে ঘরবাড়ির পাশাপাশি আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল পুড়ে যায়। স্বামীহারা এই নারী আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন। আরটিভি ও এনটিভি অনলাইনে সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সহায়তা পাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে রজুপার পরিবারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ