০৯:১৭ পি.এম
ভারতের বেঙ্গালুরুতে একটি স্থানীয় চিকিৎসকের মারধরের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশি এক দম্পতি। এই ঘটনায় স্থানীয় সাই ক্লিনিকের চিকিৎসক ড. নাগেন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে, আদালতের মাধ্যমে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে এ তথ্য প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।
পুলিশ জানায়, বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ডের কাছে বেত্তাদাসাপুরা এলাকায় বসবাসকারী ২৩ বছর বয়সী নাসরিনা বিলাল ও তার স্বামী মোহাম্মদ বিলালের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ
বাংলাদেশ থেকে আসা এই দম্পতির অভিযোগ, সকালে রাস্তায় দেখা হতেই চিকিৎসক নাগেন্দ্র হুট করে তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং কথাবার্তার এক পর্যায়ে তাদের ওপর হামলা চালান। পরে নাসরিনা বিলালের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করে এবং ওই চিকিৎসককে হেফাজতে নেয়।
নিজের অভিযোগে নাসরিনা দাবি করেন, চিকিৎসক তাকে টেনে-হিঁচড়ে মারধর করার আগে তারা বাংলাদেশি জাতীয়তা নিয়ে হিন্দিতে গালিগালাজ করে। এরপর ডা. নাগেন্দ্র রেগে গিয়ে বিলালের দিকে ফিরে তার মাথায় ও পিঠে বারবার আঘাত করেন এবং তাকে মাটিতে ফেলে বেশ কয়েকটি লাথি মারেন। এমনকি, ঘটনাটি কাউকে জানালে তাদের মেরে ফেলার হুমকি দেন ডা. নাগেন্দ্র।
জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. নাগেন্দ্র জানান, ওই এলাকায় অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের উপস্থিতির কারণে তিনি সন্দেহবশত ওই দম্পতিকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ মনে করেছিলেন।
তবে পুলিশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, নাগরিকত্ব বা অবৈধ অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত যদি কোনো সন্দেহ থাকে, তবে তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো উচিত; নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া কিংবা গায়ে হাত দিয়ে সমাধান করা উচিত নয়।
আরও পড়ুন: জামায়াতে ইসলামীর ইসলাম অস্বীকার করলেন হেফাজতের আমির বাবুনগরী
বর্তমানে ওই বাংলাদেশি দম্পতির ভারতে প্রবেশের কাগজপত্র ও অভিবাসন সংক্রান্ত আইনগত অবস্থা যাচাই করার জন্য তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। একইসাথে মারধরের ঘটনায় দায়ের করা মামলাটির তদন্ত কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন