মোঃ উজ্জ্বল মিয়া নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
০৪:৩০ পি.এম
নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা-ধোবাউড়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা আলহাজ্ব ডা. মোহাম্মদ আলীর ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পূর্বধলায় ডা. মোহাম্মদ আলীর নিজ বাসভবনে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মজিবুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ রাবেয়া আলী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইশতিয়াকুর রহমান বাবু ও উপজেলা তরুণ দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান শহীদ।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব বাবুল আলম তালুকদার, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আব্দুর রহিম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ফকির, রুহুল আমিন ফকির, সেলিম উদ্দিন খান ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইশতিয়াক আহমেদ বাবুসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।
বক্তারা বলেন, ডা. মোহাম্মদ আলীর মৃত্যুতে পূর্বধলা-ধোবাউড়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা এখনো অনুভূত হয়। তাঁর স্মৃতিকে ধারণ করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
এর আগে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ডা. মোহাম্মদ আলীর কবর জিয়ারত করেন। পরে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয় এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।
ডা. মোহাম্মদ আলী ২০১২ সালের ৩ অক্টোবর ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ৭০ বছর বয়সে মারা যান। তিনি বিএনপি থেকে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম জাতীয় সংসদে পরপর তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
পূর্বধলা-ধোবাউড়ার মানুষের কাছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি ‘উন্নয়নের রূপকার’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর উদ্যোগে পূর্বধলায় রাবেয়া আলী মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও ডা. মোহাম্মদ আলী উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শরীয়তপুরের ডামুড্যায় নিখোঁজ হওয়ার ছয় ঘণ্টা পর সোয়াইফ হোসেন নামের সাড়ে ৩ বছর বয়সী এক শিশুর গলা কাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিবেশী আলী আকবরের ছেলে রাসেল শিকদারকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার শিধলকুড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আদাসন এলাকা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে ঘটনার পর বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত আলী আকবরের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
মৃত সোয়াইফ হোসেন ওই এলাকার সেলিম সরদার ও শিমুলি দম্পত্তির ছেলে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন আলী আকবরের ছেলে আবু আলম শিকদার ও রাসেল শিকদার।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ৭টার দিকে খেলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় শিশু সোয়াইফ। পরে তার স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করলেও তার সন্ধান মেলেনি। এরপর বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আবু আলম শিকদারের বসতঘরের পেছনের ডোবা থেকে শিশুটির গলা কাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে।
স্বজনদের অভিযোগ, প্রতিবেশী আলী আকবর শিকদারের সঙ্গে সেলিম সরদারের পরিবারের গত শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝগড়া হয়। সেই ঘটনার প্রতিশোধ হিসেবে শিশুটিকে হত্যা করে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেয় আলী আকবরের পরিবার।
শিশুটির বাবা সেলিম সরদার অভিযোগ করে বলেন, "শুক্রবার সন্ধ্যায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার মায়ের সঙ্গে প্রতিবেশী আলী আকবরের ঝগড়া হয়। রাতে মা বিষয়টি আমাকে জানায়। আজ সকালে আমি বাজার থেকে এসে দেখি আমার সন্তান নেই। আমি থানায় গিয়ে জিডি করলে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন খোঁজাখুঁজি করে আলী আকবরের বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে আমার ছেলের বস্তাবন্দি গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে। আমার ছেলেকে ওরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।"
এদিকে অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে না থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গোসাইরহাট সার্কেল) শামসুল আরেফীন এ বিষয়ে বলেন, "খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ শিশুটির বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। যারাই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) আবারও ঘোষণা করেছে যে, বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলে মৃত্যু এবং প্রতিবন্ধিতার প্রবণতা বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, জাতীয় পর্যায়ের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনসহ বিভিন্ন তথ্য, ডব্লিউএইচওর কারিগরি কর্মসূচির হিসাব এবং জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থাগুলোর তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।
জাতিসংঘের স্বাস্থ্যবিষয়ক সংস্থাটির সর্বশেষ ‘গ্লোবাল হেলথ এস্টিমেটস’ অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিশ্বে মানুষের গড় আয়ু বেড়ে ৭৩ দশমিক ৩ বছর হয়েছে। ২০১৯ সালে এই হার ছিল ৭৩ দশমিক ৪ বছর। অর্থাৎ মহামারির পূর্বের অবস্থার তুলনায় এটি মাত্র শূন্য দশমিক ১ বছর কম।
তবে, সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সময় বা ‘হেলদি লাইফ এক্সপেক্টেন্সি’ পুনরুদ্ধারে তুলনামূলকভাবে ধীরগতিতে এগোচ্ছে। ২০২৩ সালে গড় সুস্থ জীবনকাল ৬২ দশমিক ৮ বছর হয়েছে, যা ২০১৯ সালের তুলনায় এখনও শূন্য দশমিক ৪ বছর কম।
ডব্লিউএইচওর ডেটা, ডিজিটাল হেলথ, অ্যানালিটিকস ও এআই বিভাগের পরিচালক ড. অ্যালাঁ ল্যাব্রিক মন্তব্য করেন, ‘দীর্ঘদিন বেঁচে থাকা জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় অর্জন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হলো মানুষের জীবনে যুক্ত হওয়া অতিরিক্ত বছরগুলো যেন সুস্থভাবে কাটে। একই সঙ্গে জনসংখ্যার পরিবর্তিত চাহিদা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যব্যবস্থাগুলোও যেন প্রস্তুত থাকে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘প্রেশার কুকার’ সিনেমাটি, যা নির্মাণ করেছেন রায়হান রাফী, চার নারীর জীবনকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে। এটি প্রচলিত বাণিজ্যিক মশলা সিনেমার বাইরে গিয়ে দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এ বছরের রোজার ঈদে মুক্তির পর সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়েছিল। এখন সেই আলোচিত সিনেমাটি আসছে ওটিটিতে।
কয়েকদিন ধরে ‘প্রেশার কুকার’ ওটিটিতে মুক্তির বিষয়ে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। অবশেষে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এসেছে। আগামী ৮ অক্টোবর থেকে সিনেমাটি হইচই বাংলাদেশে দেখা যাবে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) হইচই এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সিনেমাটির মুক্তির উপলক্ষে প্ল্যাটফর্মটির পক্ষ থেকে একটি বার্তা প্রকাশ করা হয়েছে। বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ঢাকার চাপে চার নারীর জীবনে জমে ওঠে বিস্ফোরণ। এই শহরে যখন নিঃশ্বাস নেওয়াটাই কঠিন হয়ে ওঠে, তখন শেষ পর্যন্ত কে বাজাবে ‘প্রেশার কুকার’-এর সিটি?’
সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে দেখার সুযোগ না পাওয়া দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ওটিটিতে মুক্তির ফলে তারা এবার ঘরে বসেই ‘প্রেশার কুকার’ দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।
সিনেমাটির চার প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী, নাজিফা তুষি, মারিয়া শান্ত ও স্নিগ্ধা চৌধুরী। তাদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন ফজলুর রহমান বাবু, শহীদুজ্জামান সেলিম, মিশা সওদাগর, আজিজুল হাকিম ও ফারজানা ছবি। অতিথি চরিত্রে চঞ্চল চৌধুরীকেও দেখা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় কে—লিওনেল মেসি নাকি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো? এই দীর্ঘদিনের বিতর্কে আবারও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন জার্মান কিংবদন্তি থমাস মুলার। তার মতে, সবদিক বিবেচনায় লিওনেল মেসিই সর্বকালের সেরা ফুটবলার।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে মেসি-রোনালদো বিতর্ক নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মুলার মন্তব্য করেন, ‘মেসি নাকি ক্রিশ্চিয়ানো—এই প্রশ্ন আমাকে অসংখ্যবার করা হয়েছে, প্রয়োজনের চেয়েও অনেক বেশি।’
তিনি জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে তার পছন্দ ছিল রোনালদো। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তিত হয়েছে। মুলারের ভাষায়, ‘আমার ক্যারিয়ারের প্রথম ১০ বছর আমি ক্রিশ্চিয়ানোর পক্ষেই ছিলাম। কিন্তু পুরো বিষয়টি বিবেচনা করলে মনে হয় লিওনেল মেসিই সর্বকালের সেরা। বিশেষ করে ২০২২ বিশ্বকাপে তিনি যা করেছেন, এরপরও যেভাবে পারফর্ম করে যাচ্ছেন, তা তাকে একজন প্রকৃত বিজয়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।’
মুলার মনে করেন, মেসির শ্রেষ্ঠত্ব শুধুমাত্র ট্রফি বা পরিসংখ্যান দিয়ে বিচার করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘তারকা হয়ে ওঠার অনেক আগে থেকেই তাকে দেখে ফুটবল উপভোগ করা যেত। এটি কোনো সাময়িক চমক নয়, প্রায় দুই দশক ধরে একইভাবে মানুষকে মুগ্ধ করে যাচ্ছে। পরিসংখ্যানের পাশাপাশি খেলার যে আনন্দ সে দেয়, সেটাই তাকে আলাদা করে। তাই আমার কাছে লিওনেল মেসিই সেরা।’
অবশ্য মেসিকে এগিয়ে রাখার কথা মুলার এই প্রথম বলেননি। এর আগেও তিনি স্বীকার করেছেন, একসময় রোনালদোর প্রতি বেশি ঝোঁক থাকলেও পরে মেসির খেলার সৌন্দর্য ও ধারাবাহিকতায় মুগ্ধ হয়ে নিজের মত পরিবর্তন করেন।
মেসির বিপক্ষে মুলারের সফলতা
ক্লাব ফুটবলে মেসির বিপক্ষে মুলারের রেকর্ড বেশ সমৃদ্ধ। বার্সেলোনার বিপক্ষে ১০ ম্যাচে তিনি করেছেন ৮ গোল এবং করিয়েছেন আরও ২টি। এসব ম্যাচের মধ্যে ৭টিতে জয় পেয়েছে মুলারের দল, আর মেসির দল জিতেছে মাত্র ৩টিতে।
পরে পিএসজির জার্সিতে মেসির সঙ্গে আরও দুইবার মুখোমুখি হন মুলার। ২০২৩ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতেও দুই লেগেই জয় তুলে নেয় বায়ার্ন মিউনিখ।
আন্তর্জাতিক ফুটবলেও মেসির বিশ্বকাপ স্বপ্নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মুলার। ২০১০ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানি ৪-০ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। এরপর ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে শিরোপা জেতে জার্মানি।
রোনালদোর বিপক্ষে ভিন্ন চিত্র
অন্যদিকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বিপক্ষে মুলারের পরিসংখ্যান ততটা উজ্জ্বল নয়। ২০১২ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট পর্বে বায়ার্ন মিউনিখ ও রিয়াল মাদ্রিদের লড়াইয়ে দুজন মুখোমুখি হয়েছেন আটবার।
এসব ম্যাচে মুলার গোলের দেখা না পেলেও রোনালদো করেছিলেন ৯ গোল। সেই সময় বায়ার্ন ও রিয়ালের চারটি নকআউট দ্বৈরথের মধ্যে তিনটিতেই জয় পেয়েছিল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। ২০১৪ ও ২০১৭ সালের কোয়ার্টার ফাইনাল এবং ২০১৮ সালের সেমিফাইনালে বায়ার্নকে বিদায় করে দেয় রিয়াল মাদ্রিদ। বাভারিয়ানদের একমাত্র সাফল্য আসে ২০১২ সালে, টাইব্রেকারে নাটকীয় জয়ের মাধ্যমে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ