ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা


উত্তরাঞ্চলের পাঁচ জেলার ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে জাতীয় সম্মেলনের প্রস্তুতি সভা

উত্তরাঞ্চলের পাঁচটি জেলার ইতিহাস, প্রত্নসম্পদ, শিল্প, আঞ্চলিক সমস্যা এবং উন্নয়নের সম্ভাবনা নিয়ে একটি দুই দিনব্যাপী ওয়ার্কশপ ও জাতীয় সম্মেলন আয়োজনের লক্ষ্যে বগুড়ায় একটি প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুন) রাত ৮টায় শহরের সেউজগাড়ি বগুড়া নার্সিং হোম সম্মেলন কক্ষে এই আয়োজন করেন ইতিহাসচর্চা ও গবেষণা কল্যাণ সংস্থা। প্রধান অতিথি হিসেবে এতে উপস্থিত ছিলেন টিএমএসএস নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপিকা ড. হোসনে আরা বেগম। সভাপতিত্ব করেন বগুড়া ইতিহাস চর্চা ও গবেষণা কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. সিএম ইদ্রিস।

সভাটি সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফজলে রাব্বী ডলারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট একেএম মাহবুবর রহমান, ইতিহাস চর্চা ও গবেষণা কল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা-মন্ডলীর সদস্য ডা. এ এইচ এম মশিউর রহমান, সরকারি মজিবর রহমান ভান্ডারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. বেল্লাল হোসেন।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে অপহরণ ও ডাকাতির মামলায় পুলিশ কনস্টেবলসহ গ্রেপ্তার ৪, উদ্ধার ৩ মোটরসাইকেল

আরো সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সরকারি শাহ সুলতান কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. সাহিদুর রহমান, সরকারি আজিজুল হক কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক শাহজাহান আলী, এবং বগুড়া ইতিহাস চর্চা গবেষণা কল্যাণ সংস্থার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি একে এম রাজিউল্লাহসহ বেশ কয়েকজন অতিথি।

আয়োজকরা এই আয়োজনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়নের সম্ভাবনা চিহ্নিতকরণ এবং বাস্তবভিত্তিক সুপারিশ প্রণয়নের আশা প্রকাশ করেছেন। সভায় সম্মেলন আয়োজনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন, সম্ভাব্য কর্মসূচি এবং সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে ২০ হাজার কিমি খালের খননের পরিকল্পনার কথা জানাল সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:০৭ পি.এম


জাতিসংঘে ২০ হাজার কিমি খালের খননের পরিকল্পনার কথা জানাল সরকার

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের আলোচনার সময় জলবায়ু সহনশীলতা, পানি নিরাপত্তা, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং উদ্ভাবনভিত্তিক শিল্পায়নের ওপর বাংলাদেশের গুরুত্বারোপ লক্ষ্য করা যায়।

শনিবার (১১ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আবদুল আউয়াল বাংলাদেশের জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সরকারের পরিকল্পনা হল আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা। এটি সেচব্যবস্থা জোরদার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং গ্রামীণ ও শহুরে জনগণের জন্য নিরাপদ পানীয়জল নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।

শনিবার (১১ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এই তথ্য জানায়।

ফোরামে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আবদুল আউয়াল জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সরকারের দীর্ঘদিনের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

তিনি জানান, সেচব্যবস্থা জোরদার, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর পুনরুদ্ধার এবং সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত করতে সরকার ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা নিয়েছে।

এছাড়া তিনি বাংলাদেশের কৃষি, জৈবপ্রযুক্তি, ওষুধশিল্প, চামড়াশিল্প, ডিজিটাল এবং সৃজনশীল শিল্পখাতে বিনিয়োগের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান।

তিনি মন্তব্য করেন, সাম্প্রতিক অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক নির্বাচনের ফলে দেশে একটি স্থিতিশীল, স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ফলস্বরূপ, বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে এবং এটি টেকসই ও পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার জন্য অনুকূল সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

আউয়াল উল্লেখ করেন যে এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা আরও সুসংহত হবে, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং একটি সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৪৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১০ পি.এম


বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৪৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় জানায়, বন্যা ও পাহাড় ধসে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে ৪৪ জনের মৃত্যুর খবর এসেছে। মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে, টানা বৃষ্টির কারণে ও পাহাড়ি ঢলের মোকাবিলায় সৃষ্ট এই দুর্যোগে সাত জেলার ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ, এই সাত জেলা বন্যার ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এসব জেলার ৫৮টি উপজেলায় ৩৮৬টি ইউনিয়ন এবং ১১টি পৌরসভা প্লাবিত হয়ে গেছে। সাত জেলায় ২ লাখ ৬৭ হাজার ৯১৮টি পরিবার এখন পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, কক্সবাজারে বন্যা ও পাহাড় ধসে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। সেখানে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১০ জন স্থানীয় নাগরিক এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা। একই এলাকার ২৪ জন আহত হয়েছেন।

এদিকে, বিভাগীয় শহর চট্টগ্রামে বন্যা ও দেয়াল ধসে ১১ জন নিহত হয়েছেন এবং ১২ জন আহত হয়েছেন বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। পার্বত্য জেলা বান্দরবানেও ঢলের পানিতে ভেসে ও পাহাড় ধসে ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন; আহতের সংখ্যা ২ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আরেক পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মৌলভীবাজারে বন্যায় ১ জন মারা গেছেন।

মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, এবারের বন্যায় চট্টগ্রাম জেলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। জেলার ১৬টি উপজেলায় আংশিক ও পূর্ণ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ৭ লাখ ৫৯ হাজার ৫৩০ জন মানুষ ভোগান্তির সম্মুখীন হয়েছেন।

চট্টগ্রামে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা ১ লাখ ৮৮ হাজার ৬৪৮টি। এরপর কক্সবাজারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষতি হয়েছে, যেখানে ১০টি উপজেলার ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন মানুষ বন্যার কবলে রয়েছে এবং ৩৯ হাজার ৫০৬টি পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে।

অন্য জেলার মধ্যে, খাগড়াছড়ির ৯ উপজেলায় ২৭ হাজার ২২০ জন, রাঙ্গামাটির ৯ উপজেলায় ৩ হাজার ৫২৪ জন, বান্দরবানে ৭টি উপজেলায় ৮ হাজার ৩৫০ জন, মৌলভীবাজারের চার উপজেলায় ৩৮ হাজার ১৭২ জন এবং হবিগঞ্জের তিন উপজেলায় ২৮ হাজার ১৪০ জন মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

হঠাৎ করে উপচেপড়া পানি ও পাহাড়ি ঢলে ঘরবাড়ি হারিয়ে জীবনের নিরাপত্তার জন্য আশ্রয়ের খোঁজে হাজারো মানুষ ছুটছে। সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি আশ্রয় দিতে মোট ১ হাজার ১৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র গঠন করা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ইতোমধ্যে ৪৪ হাজার ৪৫৭ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। তবে, প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু মানুষ এখনো নিজের জলমগ্ন পরিবেশে রয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ঠাঁই নেওয়া বিপন্ন মানুষের মধ্যে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায়, সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি মানবিক সহায়তা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় গত ৭ জুলাই দেশभर সুবর্ণ ৬৪টি জেলায় জেলা প্রশাসকদের জন্য মোট ৬ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন চাল এবং ৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা নগদ বরাদ্দ দিয়েছে। এর মধ্যে দুর্গত ৭টি জেলায় বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে জরুরি ত্রাণ পাঠানো হয়েছে। চট্টগ্রামে সর্বোচ্চ ৭০০ টন চাল ও ৪০ লাখ টাকা নগদ এবং কক্সবাজারে ৪৫০ টন চাল ও ৩০ লাখ টাকা নগদ বরাদ্দ করা হয়েছে।

পাহাড়ি তিন জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে প্রতিটিতে ৪০০ টন করে চাল এবং ২০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মৌলভীবাজারে ২০০ টন চাল ও ১০ লাখ টাকা এবং হবিগঞ্জে ১০০ টন চাল ও ৫ লাখ টাকা সাহায্যের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন জরুরিভাবে দুর্গত এলাকায় শুকনো খাবার, চাল এবং নগদ সহায়তা বিতরণ শুরু করলেও, প্রত্যন্ত অঞ্চলের সড়ক ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় সরকারের সাহায্য বিভিন্ন স্থানে পৌঁছাতে সমস্যা হচ্ছে। বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ এখন পানি কমার অপেক্ষায় দিন গুনছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ কর্মসূচি, জরুরি সাড়াদান সমন্বয় অধিশাখার যুগ্মসচিব সেখ ফরিদ আহমেদ বলেন, "ওইসব (বন্যাক্রান্ত) জেলাগুলোর সঙ্গে আমাদের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ আছে। ওখানে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে শুরু করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে এবং আমাদের এনজিও কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে সারা সহযোগিতার জন্য। বরাদ্দের বিষয়গুলো সব জায়গায় জেলা প্রশাসনের চাহিদামতো দেওয়া হচ্ছে এবং মোটামুটি সমস্যার উদ্ভব হয়নি। জেলা প্রশাসন এবং আমাদের মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতা চলমান রয়েছে।"

অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও সমাজকর্মীদের সার্বিক সহযোগিতায় সর্বাত্মক উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে প্রশাসনের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


কক্সবাজারে প্রশাসনের ত্রাণসামগ্রী বিতরণ

 আজ বন্যা উপদ্রুত পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলায় দুর্গত ও অসহায় মানুষদের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে প্রশাসন।

আজ শনিবার দুপুরে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলার বন্যা আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ত্রাণ বিতরণ করেন।

শনিবার সকালে জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বাংলাপাড়া গ্রাম পরিদর্শন করেন, যা পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নে অবস্থিত। তিনি পানিবন্দি ব্যক্তিদের মধ্যে ওষুধ, মোমবাতি, ত্রাণ এবং নিরাপদ পানি বিতরণ করেন।

এ সময় পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরে জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলার বেতুয়া বাজার স্টেশন এলাকা এবং কোনাখালী ইউনিয়নের মরংগুনা এলাকা পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি পরিবারগুলোর মধ্যে ত্রাণসামগ্রী, জরুরী ওষুধ, মোমবাতি ও নিরাপদ পানি বিতরণ করেন।

এ সময় চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন দেলোয়ার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান এ সময় বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্যা পরিস্থিতির খোঁজখবর নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

তিনি জানান, বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তার জন্য সরকার ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলায় ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ করেছে এবং সাড়ে চারশ’ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করেছে। পাশাপাশি দুই থেকে আড়াই লাখ মানুষের কাছে ত্রাণসহ বিভিন্ন ধরনের জরুরী সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যা পরিস্থিতির সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার ঘাটতি হচ্ছে ঘুষ দিয়ে শিক্ষক হওয়ার কারণে: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:১৪ পি.এম


শিক্ষার ঘাটতি হচ্ছে ঘুষ দিয়ে শিক্ষক হওয়ার কারণে: রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, ঘুষের বিনিময়ে প্রাথমিক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলে শিক্ষার মান কখনোই উন্নত হতে পারে না। তিনি বলেছেন, ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে কেউ শিক্ষক হলে, তিনি শিক্ষার্থীদের কী শেখাবেন এবং তার নিজের নৈতিকতা কোথায় থাকবে? এই ঘাটতির কারণে আমরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করার মতো নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারছি না।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বার্ষিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী এই মন্তব্য করেন। অতীতের শিক্ষকদের উৎসর্গ ও নৈতিকতার কথা স্মরণ করে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, আজ থেকে ৫০, ৬০ বা ৭০ বছর আগে শিক্ষকদের মধ্যে যে একধরনের প্রাণউৎসর্গকারী প্রেরণা ছিল, সেটি এখন নেই। এখন শিক্ষকেরা পাড়া-মহল্লায় গিয়ে খোঁজ নেন না, ছাত্ররা ঠিকমতো পড়াশোনা করছে কিনা। বর্তমানে রাতারাতি ধনী হওয়ার প্রতিযোগিতায় মানুষ নীতি-নৈতিকতা ও সত্যকে বিসর্জন দিয়েছে।

এই সত্য বিসর্জনের কারণে আজ আমরা আদর্শ বা প্রশিক্ষিত শিক্ষক পাচ্ছি না। সমাজে মাদকের বিস্তারের পেছনেও এই নৈতিকতার অবক্ষয়কে দায়ী করেন রিজভী। তিনি বলেন, সমাজে আজ নানা ধরনের অধঃপতন, মোরাল ব্রেকডাউন এবং চারিদিকে মাদকের ছড়াছড়ি দেখা যাচ্ছে, যা অতীতে ভাবা যেত না। আজকে যদি নৈতিকতার উৎকর্ষ থাকত, তাহলে চক্রান্তকারীরা কখনো চেষ্টা করেও সমাজে মাদক, ফেনসিডিল বা ইয়াবার প্রসার ঘটাতে পারত না।

রিজভী মাঠপর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে বলেন, সংবাদপত্রেও দেখা যায়, তৃণমূল বা মাঠপর্যায়ে একটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক হতে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক হতে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা ঘুষ প্রদান করতে হচ্ছে। ঘুষের বিনিময়ে স্কুলের শিক্ষক হওয়া আজ থেকে ৩০ বা ৫০ বছর আগেও ভাবা যেত না।

শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষকদের যোগ্যতার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষক যদি প্রকৃত অর্থে শিক্ষিত, প্রাজ্ঞ ও অভিজ্ঞ না হন এবং আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত না হন, তবে শিক্ষার্থীরা কখনোই আলোকিত হবে না। তিনি মন্তব্য করেন, ‘কাগজের নৌকা দিয়ে কখনো নদী পার হওয়া যায় না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%