শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৯ পি.এম
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের (জেএনইউসিসি) উদ্যোগে আন্তবিশ্ববিদ্যালয় বিজনেস কেস প্রতিযোগিতা ‘স্কাই বাই বিডি প্রেজেন্টস ড্যাকয়েট অব এক্সিলেন্স ৩.০’-এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ‘টিম স্কাইফল’ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার সমাপ্তি ঘটে।
জাতীয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩৫০টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রাথমিক দুই ধাপের প্রতিযোগিতার পর চূড়ান্ত পর্বে ১০টি দল স্থান করে নেয়। ফাইনালে ‘টিম ভংচং’ প্রথম রানারআপ এবং ‘টিম নেক্রস’ দ্বিতীয় রানারআপ হিসেবে নির্বাচিত হয়।
প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে ছিলেন ডাবর বাংলাদেশের কমার্শিয়াল প্রফেশনাল মো. আবদুল কাইয়ুম ফাহিম, আকিজ ভেঞ্চার গ্রুপের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (এইচআর) ও জেএনইউসিসির সাবেক সভাপতি জামশেদ আমিন, ইউনাইটেড ফাইন্যান্সিয়াল ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের হেড অব বিজনেস ডেভেলপমেন্ট মো. আরাফাত হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইমরানুল হক এবং ইউনিলিভারের ব্র্যান্ড ম্যানেজার নাইমুর রহমান।
আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ও চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর জন্য মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকার পুরস্কার বরাদ্দ ছিল। এর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন দল ১ লাখ টাকা, প্রথম রানারআপ ৬০ হাজার টাকা এবং দ্বিতীয় রানারআপ ৪০ হাজার টাকা পেয়েছে। এছাড়া ফাইনালে অংশ নেওয়া অন্য সাতটি দলকে পাঁচ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়।
প্রতিযোগিতা আয়োজনের বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রাব্বানী রাশহা রাতুল মন্তব্য করেন, দীর্ঘ বিরতির পর ‘ড্যাকয়েট অব এক্সিলেন্স’-এর আয়োজন ক্লাবকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এমন আয়োজন করতে পেরে তাঁরা আনন্দিত। ভবিষ্যতে এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এই প্রতিযোগিতা তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বাস্তবভিত্তিক ব্যবসায়িক সমস্যার সমাধান করতে হয়। দ্বিতীয় পর্বে নির্ধারিত পণ্যের প্রচারের জন্য অনলাইন ভিডিও বিজ্ঞাপন (ওভিসি) তৈরি করেন প্রতিযোগীরা। চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত ১০টি দল বিচারকদের সামনে নিজেদের কেসের সমাধান ও উপস্থাপনা তুলে ধরে।
ফাইনালে অংশ নেওয়া অন্যান্য দলগুলো হলো—টিম ডাল-ভাত, টিম এলটিবি, টিম মিউফিয়াস, গ্রুপিং করতেছি না, এপেক্স সিন্ডিকেট, ফিটকিরি ও টিম নেপচুন। দিনব্যাপী আয়োজনে প্রতিযোগীদের উপস্থাপনার পাশাপাশি ক্লাবের প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, অতিথিদের বক্তব্য, প্রেসিডেন্সিয়াল প্যানেলকে ক্রেস্ট প্রদান ও যৌথ ছবি তোলার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিত্রনায়ক ওমর সানী স্ত্রী মৌসুমী এবং ছেলে ফারদিনকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, যদি এই ধরনের প্রচারণা বন্ধ না হয়, তাহলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। একই সঙ্গে, নারী শিল্পীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযাচিত আলোচনা এবং চলচ্চিত্র শিল্পীদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণার সমালোচনা করেছেন এই অভিনেতা।
সম্প্রতি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) মাঠে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়, পরিবারকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলমান আলোচনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওমর সানী। তিনি বলেন, "আমাদেরকে ক্যাশ করে কয় টাকা কামাই করবি বাবা তোরা? কী লাভ? এই টাকা কে খাবে—শিয়াল-কুকুরে খাবে। আমাদেরকে একটা ব্যবসার জিনিস বানিয়ে ফেলেছে।"
তিনি মিথ্যা তথ্য ছড়ানো পোস্ট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। তা না হলে তিনি মামলা করবেন বলে জানান। তার অভিযোগ, কিছু পেজ এবং ব্যক্তি তাকে, স্ত্রী মৌসুমী এবং তাদের ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছেন।
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে, ছেলে ফারদিন পরিবারের সম্পত্তি নিজের নামে লিখে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাসা থেকে মাকে বের করে দিয়েছেন। তবে এই খবরকে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন ওমর সানী। তিনি জানান, ফারদিন বর্তমানে দুবাইয়ে এবং মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কোনো সম্পত্তি নেই।
পরিবারকে নিয়ে এমন প্রচারণায় বিব্রত হওয়ার কথা জানিয়ে ওমর সানী বলেন, "আমার ছেলে এসব বিষয়ে উদ্বিগ্ন।" তিনি ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, "আমার ছেলে বলেছে, আব্বু তুমি অ্যাকশনে যাও। এগুলো আর পারছি না।"
স্ত্রী মৌসুমীর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযাচিত আলোচনার প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, "আমার বউ আমার টেনশন না, আপনাদের টেনশন।" স্বামী-স্ত্রী আলাদা দেশে থাকতেই পারেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, "তা নিয়ে মনগড়া গল্প তৈরির কোনো অর্থ নেই।"
চলচ্চিত্র শিল্পীদের নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণা এবং নারী শিল্পীদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত বা শারীরিক গঠন নিয়ে অশালীন কনটেন্ট তৈরিরও সমালোচনা করেন ওমর সানী। তিনি বলেন, "আমার শরীর নিয়ে আপনার এত টেনশন কেন? মৌসুমীর শরীর নিয়ে আপনার এত টেনশন কেন?"
শিল্পীদের সম্মান ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "শুধু চলচ্চিত্রকে বাঁচালে হবে না, চলচ্চিত্রের শিল্পী যারা আছেন, তাদেরও বাঁচাতে হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করেছে পুলিশ। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে জাতীয় পতাকা হাতে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ মিছিল শুরুর কয়েক মিনিট আগে তাকে আটক করা হয়।
এনডিটিভি র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। একই দিন যন্তর মন্তরের কাছ থেকে দলের আরেক নেত্রী নেহা বোরাকেও তুলে নেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এর আগে, গত ১০ অক্টোবর দিল্লির বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছিল তাকে। পরেরদিন মুক্তি পাওয়ার পর নিজের পরিবারের কাছে ছুটে যান তিনি। এরআগের দিন তার দাদি বার্ধক্যজনিত কারণে মারা যান।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বাই থেকে দিল্লি পৌঁছানোর পর তাকে আটক করা হয়েছিল।
সিজেপির এই মিছিলের অন্যতম কারণ, গত ১৩ অক্টোবর দলের দুই সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তার করা। জাতীয় পতাকা হাতে যন্তর মন্তরে প্রবেশের পর তাদের আটক করা হয়। পরে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। এর এক দিন আগে যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
‘কোন আইন ভেঙেছি’, পুলিশের কাছে প্রশ্ন দীপকের
আজ আটকের সময় অভিজিৎ দীপকেকের সঙ্গে পুলিশের কথোপকথনে শোনা যায়, আপনি নয়াদিল্লিতে যেতে পারবেন না। আমরা আপনাকে আটক করছি।
জবাবে অভিজিৎ বলেনে, নয়াদিল্লিতে যেতে পারবো না, কিন্তু অন্য কোথাও তো যেতে পারি। আমি কোন আইন ভেঙেছি?
এর আগে দিল্লি পুলিশ দীপকের বাসায় গিয়ে মিছিল আয়োজন না করার বিষয়ে একটি নোটিশ দিয়েছিল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারায় নোটিশটি জারি করা হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা কনট প্লেসের আশপাশে নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ কার্যকর রয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত তিরঙ্গা মিছিলের জন্য নয়াদিল্লি পৌর পরিষদ (এনডিএমসি) অনুমতি দেয়নি। এরপরও সিজেপি মিছিল করলে তা আইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
জাতীয় পতাকা ওড়ানো বেআইনি নয়, বলেছিল পুলিশ
দীপকের পরনে ছিল মহাত্মা গান্ধীর ছবি ছাপানো সাদা টি-শার্ট ও নীল জিনস। পুলিশ তাকে জানিয়েছিল, জাতীয় পতাকা ওড়ানো আইনবিরুদ্ধ নয়। তবে অনুমতি ছাড়া মিছিল করা ও জনসমাগম ঘটানো নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দীপকের বাসায় পুলিশের উপস্থিতির একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বসার ঘরের হলুদাভ সোফায় বসে আছেন ৩১ বছর বয়সী এই নেতা। তার কাধে ছোট একটি জাতীয় পতাকা জড়ানো। সামনে বসা পুলিশ সদস্যের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আমার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ এনেছেন আপনারা?
কাচের ওপরিভাগের টেবিলে রাখা কাগজপত্র পরীক্ষা করে নোটিশের বিভিন্ন অংশ পড়ে শোনাতে এবং পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলতেও দেখা যায় তাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের ডিসেম্বরে মুক্তির পরিকল্পনা ছিল শাকিব খান অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘সোলজার’। কিন্তু শুটিংয়ের মাত্র নয় দিন বাকি থাকলেও কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় ছবিটির মুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফলে শাকিবভক্তদের জন্য সিনেমাটি দেখার অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
গত বছরের অক্টোবরে নির্মাতা সাবিক ফাহাদ একটি আড়াই মিনিটের ভিডিও প্রকাশ করে ডিসেম্বরে সিনেমাটির মুক্তির প্রাথমিক ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে এলেও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ছবির শুটিং শেষ করতে পারেনি।
চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, বিভিন্ন সময় শুটিংয়ের সময়সূচি চূড়ান্ত করার পরও বাকি অংশের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে শাকিব ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ ও ‘রকস্টার’ সিনেমার শুটিং নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ঈদুল আজহায় ‘রকস্টার’ মুক্তির পর ‘সোলজার’-এর কাজ শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও নানা জটিলতার কারণে তা আর হয়ে ওঠেনি।
এরপর শাকিব ব্যক্তিগত কাজে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। প্রায় দুই মাস সেখানে কাটানোর পর গত আগস্টে দেশে ফিরে ‘সোলজার’-এর বাকি অংশের শুটিং শেষ করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান অভিনেতাকে ক্যামেরার সামনে দাঁড় করাতে পারেনি।
শুটিং বারবার পিছিয়ে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টরা পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন। এ বিষয়ে শাকিবের ম্যানেজার মনির জামান গণমাধ্যমে বলেন, ‘গত কয়েক বছরে শাকিবের কোনো ছবির শুটিং নিয়ে এতটা গড়িমসি হয়নি। বারবার শুটিংয়ের শিডিউল নেওয়া হয়েছে, এরপরও পরিচালক শুটিং শুরু করতে পারেননি। যে কয়বার শিডিউল নেওয়া হয়েছে, সেই সময়ের মধ্যে আরামসে দুই–তিন সিনেমার শুটিং শেষ করা সম্ভব হতো। কিন্তু তারা পারেননি।’
এদিকে শুটিং আটকে থাকার পেছনে শিল্পী ও কলাকুশলীদের বকেয়া সম্মানীর বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। তবে এ অভিযোগ পুরোপুরি নাকচ করেছেন সিনেমাটির নির্বাহী প্রযোজক মৌমিতা হোসাইন। পারিশ্রমিক পরিশোধ না করার অভিযোগের বিষয়ে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘সম্মানীর যে কথা উঠেছে, এটা তো ভুল। শিল্পী–কলাকুশলীদের সম্মানী তো ছবির শুটিং শেষ হওয়ার আগে পরিশোধের বিষয় নয়। এখনো তো সিনেমার শুটিংই শেষ হয়নি।’
তার ভাষ্যে, খুব শিগগির শুটিং শেষ করে নতুন টিজারের মাধ্যমে মুক্তির তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাকিব খান। চলতি মাসের শেষ দিকে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে। তবে দেশে ফিরেই আগামী বছরের ঈদুল ফিতরের সিনেমা ‘নিঃস্ব’-এর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন তিনি। নভেম্বরের শুরু থেকে ছবিটির শুটিং শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর ঈদুল আজহার সিনেমা ‘মহব্বত’-এর শুটিংয়েও ব্যস্ত হওয়ার কথা তার।
এমন ব্যস্ত সময়সূচির মধ্যে ‘সোলজার’-এর বাকি নয় দিনের শুটিং কবে শেষ হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডিসেম্বরে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
দেশপ্রেম ও সমাজের ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘সোলজার’। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন সাকিব ফাহাদ। প্রযোজনায় রয়েছে সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড। এতে শাকিব খানের বিপরীতে বড় পর্দায় দেখা যাবে জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে। আরও অভিনয় করছেন জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী ও এবিএম সুমন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সৌদি আরবে চলমান হামলার নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দেওয়া বিবৃতিকে সৌদি আরব স্বাগত জানিয়েছে। দেশটি নিজেদের নিরাপত্তা, নাগরিকদের এবং দেশটিতে বসবাসরত ব্যক্তিদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত একটি বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিরাপত্তা পরিষদের অবস্থানকে স্বাগত জানায়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সৌদি আরবের বেসামরিক অবকাঠামো, বিমানবন্দর এবং জ্বালানি স্থাপনার বিরুদ্ধে হুথিদের অব্যাহত ও ক্রমবর্ধমান হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে।
এছাড়া, লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নৌ চলাচলের জন্য হুথিদের অব্যাহত হুমকির বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।
বিবৃতিতে ২০১৫ সালে গৃহীত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২১৬ নম্বর প্রস্তাবসহ পরবর্তী প্রস্তাবগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সৌদি আরব। পাশাপাশি, হুথিদের কাছে অস্ত্র ও অন্যান্য সহায়তা পৌঁছানো বন্ধ করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত করে এমন হামলা মোকাবিলায় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের সংহতির প্রশংসা করেছে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে, নিজেদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং নাগরিক ও বাসিন্দাদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের বৈধ অধিকার রয়েছে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।
সৌদি আরবের বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় দেশটির সঙ্গে হুথি বিদ্রোহীদের উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই বিবৃতি প্রকাশিত হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ