মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কিশোরগঞ্জ
১২:৪২ এম
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিভিন্ন অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
রোববার (৩০ আগস্ট) শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ করে এসব অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের সাবেক অধ্যক্ষ সেলিনা আক্তার, সাবেক সহকারী প্রধান শিক্ষক মশিউর রহমান, বর্তমান সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মাসুম মিয়া, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক চন্দা রানী দেবনাথ এবং অফিস সহকারী আশিষ দেবনাথের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। শিক্ষার্থীরা জানান, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযোগগুলোর বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত তারা আগামী তিন দিন শ্রেণিকক্ষে ফিরবেন না বলেও ঘোষণা দেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাদের অব্যাহতির দাবিও জানান তারা।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। অন্যথায় তারা কর্মসূচি আরও জোরালো করার ঘোষণা দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
> সারা দেশ
> চট্টগ্রাম
কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের নেতা আলমগীর চৌধূরীকে পুলিশ আটক করেছে। রবিবার (৩০ আগস্ট) রাত সোয়া ৯টার দিকে চকরিয়া থানার একটি টিম পৌর সদরের সায়মা প্লাজা থেকে তাকে আটক করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আটক হওয়ার সময় তিনি সেখানে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধূরীকে আটক করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, তাকে কী কারণে আটক করা হয়েছে, সে সম্পর্কে তিনি নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি।
আলমগীর চৌধূরীর শ্যালক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ সোহেল জানান, শনিবার রাতে তার বোন জামাই ঢাকায় যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। এর আগে তিনি সায়মা প্লাজায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। গাড়িতে ওঠার পূর্বে রাত সোয়া ৯টার দিকে পুলিশ এসে তাকে আটক করে।
সিটিগাইড এক্সপ্লোর
শ্যালক সোহেল আরও বলেন, পুলিশ তাকে কোন মামলায় আটক করেছে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা করতে পারছেন না।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, পুলিশের অভিযানে সাবেক মেয়র আলমগীর চৌধূরীকে আটক করা হয়েছে। তবে, তাকে কী মামলায় আটক করা হয়েছে, সে তথ্য সোমবার সকালে জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় নিহতদের স্মরণে রিয়াল মাদ্রিদ ও মালাগার ম্যাচ শুরুর আগে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গোলের উৎসবে মেতে ওঠে স্বাগতিকরা। মালাগাকে ৪-০ গোলে হারিয়ে লা লিগায় টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে রিয়াল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে মাদ্রিদ। ১৯ মিনিটে জুড বেলিংহামের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। মাত্র চার মিনিট পর মালাগার গোলরক্ষক আলফনসো হেরেরার আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।
৩০ মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডের দারুণ ক্রস থেকে কিলিয়ান এমবাপে গোল করলে রিয়াল ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় মাদ্রিদ।
দ্বিতীয়ার্ধে মালাগা কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও রিয়ালের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। প্রতিআক্রমণে কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও সেগুলো কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় সফরকারীরা। এমনকি একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
অন্যদিকে, রিয়াল সুযোগ তৈরির পাশাপাশি ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। শেষ দিকে বদলি হিসেবে মাঠে নামা আরদা গুলার যোগ করা সময়ে গোল করে দলের বড় জয় নিশ্চিত করেন।
এই জয়ে তিন ম্যাচে তিনটি জয় নিয়ে ৯ পয়েন্টে লা লিগার শীর্ষে রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর উদ্যোগে আধুনিক প্রযুক্তির কম্পিউটার ল্যাব ‘আইটি অ্যান্ড ক্যারিয়ার সেন্টার’ স্থাপন করা হয়েছে। এই ল্যাবটি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম, প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন, বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোর্সের প্রশিক্ষণ এবং ই-লাইব্রেরি সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার বিকেল ৪টায় শেখ মুজিবুর রহমান হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘আইটি অ্যান্ড ক্যারিয়ার সেন্টার’-এর উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পাদক খান জসীম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য শাহিনুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শেখ মুজিবুর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষক কাজী মাঈনুদ্দীন মাহমুদ, হল সংসদের ভিপি মুসলিমুর রহমান, জিএস আহমেদ আল সাবাহ এবং এজিএস মুশফিকুর রহমান তাজওয়ারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ল্যাবটি ডাকসুর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলামের সার্বিক বাস্তবায়নে এবং শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদের সহযোগিতায় স্থাপন করা হয়েছে। নতুন এই কম্পিউটার ল্যাবের মাধ্যমে আবাসিক শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করবেন।
মাজহারুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট কোর্সের প্রশিক্ষণ, অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম এবং প্রয়োজনীয় ডিজিটাল রিসোর্স ব্যবহারে ‘আইটি অ্যান্ড ক্যারিয়ার সেন্টার’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ই-লাইব্রেরি হিসেবেও ব্যবহৃত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক নারীকে ঘিরে কয়েকজনের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে এবং একপর্যায়ে তাকে কিল, ঘুষি ও লাথি মারার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন পোস্টে ওই নারীকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দাবি করা হলেও, ভিডিওটির স্থান, সময় ও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
যদি ভিডিওটির দৃশ্য সত্যিই কোনো দায়িত্ব পালনরত নারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলার ঘটনা হয়ে থাকে, তাহলে এটি নিঃসন্দেহে উদ্বেগজনক এবং রাষ্ট্রের প্রশাসনিক শৃঙ্খলার জন্য ভয়াবহ বার্তা। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কেবল একজন ব্যক্তি নন, তিনি রাষ্ট্রের আইন ও প্রশাসনের প্রতিনিধিত্ব করেন। দায়িত্ব পালনরত একজন কর্মকর্তাকে প্রকাশ্যে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত বা আক্রমণ করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সেটি কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে দেখা যায় না। এখন প্রশ্ন উঠছে, আইন প্রয়োগকারী একজন কর্মকর্তাই যদি দায়িত্ব পালনের সময় নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? আইন, প্রশাসন এবং নাগরিক শৃঙ্খলা-এসবই একটি রাষ্ট্রের ভিত্তি। অভিযোগ, বিরোধ কিংবা ক্ষোভ থাকলে তার প্রতিকার পাওয়ার জন্য আইনগত পথ রয়েছে। তবে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে হামলা বা মারধর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ঘটনার সত্যতা, ভিডিওর প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় দ্রুত যাচাই করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আনা জরুরি।
অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি, ভবিষ্যতে দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি। কারণ রাষ্ট্রের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার ওপর হামলা কেবল একজন ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়, এটি আইন, শৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের প্রতি চ্যালেঞ্জ।
এখন দেখার বিষয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি কতটা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে এবং প্রকৃত সত্য উদঘাটনে কী পদক্ষেপ নেয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ